অত্যধিক-অমোঘ ব্যাধি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অত্যধিক-অমোঘ ব্যক্তিত্ব ব্যাধি নিবন্ধের সাথে বিভ্রান্ত হবেন না।
অত্যধিক-অমোঘ ব্যাধি
OCD handwash.jpg
পুনরাবৃত্তিমূলক হাত ধোয়া একটি সাধারণ ওসিডি উপসর্গ
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিঃস্থ সম্পদ
বিশিষ্টতা মনোরোগবিদ্যা[*], মনোবিজ্ঞান
আইসিডি-১০ F৪২
আইসিডি-৯-সিএম ৩০০.৩
ডিজিসেসডিবি ৩৩৭৬৬
মেডলাইনপ্লাস ০০০৯২৯
ইমেডিসিন প্রবন্ধ/২৮৭৬৮১
মেএসএইচ ডি০০৯৭৭১ (ইংরেজি)

অত্যধিক-অমোঘ ব্যাধি একটি সাধারণ স্নায়বিক রোগ।[১] এটি একধরণের মানসিক রোগ যা এক ধরনের অযৌক্তিক বা অনাকাঙ্খিত চিন্তার আচ্ছন্নতা। ইংরেজিতে এটি Obsessive–compulsive disorder নামে পরিচিত যা অনেকের মধ্যে দেখা যায়।[২]

লক্ষণ এবং উপসর্গ[সম্পাদনা]

  • বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিক চিন্তা ভাবনা কেন্দ্রীভূত করে ফেলা। এবং এই চিন্তা ভাবনা গুলো রোগীর মনে পুনঃপুনঃ দেখা যায়। যেমন রোগ সম্বন্ধে ভাবে যে তার যক্ষ্মা, ক্যান্সার, এইডস হয়েছে বা হচ্ছে।
  • রোমন্থন করা অর্থাৎ অদ্ভুত সব সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে এতই ব্যাস্ত থাকে যে প্রশ্নের সদুত্তর মেলে না।
  • আবেশিক তাড়না। যেমন শিশুদের দেখলেই মনে হবে তার গলা টিপে ফেলবে, ট্রেনের নিচে পরবে ইত্যাদি। এসব চিন্তা তাকে অস্থির করে ফেলে কিন্তু বাস্তবে এর কোনটিই সে করতে পারবে না।
  • বিশেষ কোন স্থান বা অবস্থান কে কেন্দ্র করে রোগীর মনে অহেতুক ভয় দেখা দেয়।
  • কেউ কেউ কোন কথা বার বার বলার জন্য তার নিকট আত্মীয় কে বিরক্ত করেন যা একবার বললেই হয়
  • চিন্তাকে কাজের অথবা আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা, যাকে আমরা কম্পালশন বলি।[৩][৪]

ঘোর[সম্পাদনা]

বাধ্যবাধকতা[সম্পাদনা]

মাত্রাতিরিক্ত মুল্যবোধের ধারণা[সম্পাদনা]

কগনিটিভ কর্মক্ষমতা[সম্পাদনা]

সংশ্লিষ্ট অবস্থা[সম্পাদনা]

সমস্যা[সম্পাদনা]

  • মেয়েদের মাসিকের সময় অস্বস্তি বেড়ে যায়
  • ছাত্র ছাত্রী যাদের মধ্যে এই রোগ আছে তারা পড়াশোনায় অনেক পিছিয়ে পরে। কোন কাজ করতে প্রচুর সময় লাগে। ছাত্র ছাত্রীরা পরীক্ষার সময় পেছনের পাতায় কি লিখেছে তা বার বার চেক করে ফলে তারা পূর্ণ নম্বরের উত্তর লিখতে পারে না।
  • বিষণ্ণতায় ভোগে প্রায় ৬৭ ভাগ রোগী।
  • কাজ কর্মে ধীর গতি দেখা যায়।
  • বিবাহিত জীবনে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এ কারণে ডিভোর্স রেট বেড়ে যায়।[৫]

কারণ[সম্পাদনা]

মনস্তাত্ত্বিক[সম্পাদনা]

জৈবিক[সম্পাদনা]

নিউরোট্রান্সমিটার[সম্পাদনা]

নির্ণয়[সম্পাদনা]

ডিফারেনশিয়াল নির্ণয়[সম্পাদনা]

ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

আচরণগত থেরাপি[সম্পাদনা]

ঔষধ[সম্পাদনা]

ইলেক্ট্রোকনভালসিভ থেরাপি[সম্পাদনা]

সাইকোসার্জারি[সম্পাদনা]

শিশু[সম্পাদনা]

রোগতত্ত্ব[সম্পাদনা]

পূর্বাভাস[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সমাজ ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

গবেষণা[সম্পাদনা]

অন্যান্য প্রাণী[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

নোট

আরও পড়ুন

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]