তামা
|
|||||||||||||||||||
| ভৌত রূপ | |||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| red-orange metallic luster Native copper (~4 cm in size) |
|||||||||||||||||||
| সাধারণ বৈশিষ্ট | |||||||||||||||||||
| নাম, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা | তামা, Cu, 29 | ||||||||||||||||||
| উচ্চারণ | /ˈkɒpər/ KOP-ər | ||||||||||||||||||
| রাসায়নিক শ্রেণী | অবস্থান্তর ধাতু | ||||||||||||||||||
| শ্রেণী, পর্যায়, ব্লক | 11, 4, d | ||||||||||||||||||
| পারমাণবিক ওজন | 63.546(3) | ||||||||||||||||||
| ইলেকট্রন বিন্যাস | [Ar] 3d10 4s1 | ||||||||||||||||||
| শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা | 2, 8, 18, 1 (ছবিতে দেখুন) | ||||||||||||||||||
| ভৌত বৈশিষ্ট্য | |||||||||||||||||||
| দশা | solid | ||||||||||||||||||
| ঘনত্ব (প্রায় r.t.) | 8.94 g·cm−3 | ||||||||||||||||||
| গলনাংকে তরলের ঘনত্ব | 8.02 g·cm−3 | ||||||||||||||||||
| গলনাংক | 1357.77 K, 1084.62 °C, 1984.32 °F | ||||||||||||||||||
| স্ফুটনাংক | 2835 K, 2562 °C, 4643 °F | ||||||||||||||||||
| ফিউশনের এনথালপি | 13.26 kJ·mol−1 | ||||||||||||||||||
| Heat of vaporization | 300.4 kJ·mol−1 | ||||||||||||||||||
| তাপ ধারকত্ব | 24.440 J·mol−1·K−1 | ||||||||||||||||||
| Vapor pressure | |||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||
| পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য | |||||||||||||||||||
| জারন সংখ্যা | +1, +2, +3, +4 (mildly basic oxide) |
||||||||||||||||||
| তাড়িৎচুম্বকত্ব | 1.90 (Pauling scale) | ||||||||||||||||||
| আয়নীকরণ শক্তি (বিস্তারিত) |
প্রথম: 745.5 kJ·mol−1 | ||||||||||||||||||
| দ্বিতীয়: 1957.9 kJ·mol−1 | |||||||||||||||||||
| তৃতীয়: 3555 kJ·mol−1 | |||||||||||||||||||
| পারমানবিক ব্যাসার্ধ্য | 128 pm | ||||||||||||||||||
| Covalent radius | 132±4 pm | ||||||||||||||||||
| Van der Waals radius | 140 pm | ||||||||||||||||||
| অন্যান্য বৈশিষ্ট্য | |||||||||||||||||||
| কেলাসের গঠন | face-centered cubic | ||||||||||||||||||
| চুম্বকত্ব | diamagnetic[১] | ||||||||||||||||||
| বিদ্যুৎ পরিবাহীতা | (20 °C) 16.78 nΩ·m | ||||||||||||||||||
| তাপ পরিবহকত্ব | 401 W·m−1·K−1 | ||||||||||||||||||
| তাপ পরিবাহিতা | (25 °C) 16.5 µm·m−1·K−1 | ||||||||||||||||||
| Speed of sound (thin rod) | (r.t.) (annealed) 3810 m·s−1 |
||||||||||||||||||
| ইয়ং-এর গুণাঙ্ক | 110–128 GPa | ||||||||||||||||||
| Shear modulus | 48 GPa | ||||||||||||||||||
| Bulk modulus | 140 GPa | ||||||||||||||||||
| পয়সনের অনুপাত | 0.34 | ||||||||||||||||||
| কাঠিন্য মাত্রা | 3.0 | ||||||||||||||||||
| Vickers hardness | 369 MPa | ||||||||||||||||||
| Brinell hardness | 874 MPa | ||||||||||||||||||
| ক্যাস নিবন্ধন নম্বর | 7440-50-8 | ||||||||||||||||||
| কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমস্থানিক | |||||||||||||||||||
| মূল নিবন্ধ: Isotopes of copper | |||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||
তামা, ইংরাজি নাম কপার (Copper) একটি রাসায়নিক মৌল যার চিহ্ন Cu এসেছে ল্যাটিন শব্দ কিউপ্রাম (cuprum) থেকে এবং এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯ ।মাতামা তামা তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবাহীতা খুব উঁচু দরের তাই অনেক বীজলি বাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে । বিশুদ্ধ তামা খুব বেশী নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণ সমন্বিত কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু (যেমন ব্রোঞ্জ, পিতলইত্যাদি) অনেক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী । প্রাচীনকালে তামার অনেক খনির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তার মধ্যে সাইপ্রাস (লাতিনে Cyprus ক্যুপ্রুস্) দ্বীপের খনিগুলো সবচেয়ে তাৎপর্যময়। অনেকের মতে তামার ইংরেজি নাম কপার (লাতিন নাম Cuprum কুপ্রুম) শব্দটি এখান থেকেই এসেছে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
আবিষ্কারের ইতিহাস [সম্পাদনা]
ফরাসি রসায়নবিদ এম. বারথেলটের মতানুসারে মানুষ পাঁচ হাজার বছরেরও বেশী আগে থেকে তামার সাথে পরিচিত ছিল। অনেকের মতে আরও আগে থেকে এই পরিচয় ঘটেছিল। বহুকাল পূর্ব থেকেই ব্রোঞ্জ ছিল সর্বাধিক ব্যবহৃত ধাতু। এই ধাতুটি মূলত তামা এবং টিন-এর সংকর। এই দুই মৌলিক পদার্থ মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি বিশেষ যুগের নির্দেশনা প্রদান করে যাকে বলা হয় ব্রোঞ্জ যুগ। তামা, যুগ বিনির্মাণে কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল তা ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। প্রকৃতিতে তামার প্রাচুর্য মধ্যম ধরণের। প্রাথমিক যুগে মানুষ কেবল প্রকৃতিতে স্বভাবিকভাবে প্রাপ্ত তামাই ব্যবহার করতো। কিন্তু পরবর্তীতে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় আকরিক থেকে তামা নিষ্কাষনে বাধ্য হয় মানুষ। যেসব আকরিকে তামার আধিক্য রয়েছে তা থেকে এটি নিষ্কাষন বেশ সহজসাধ্য। খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে নানাবিধ যন্ত্রপাতি তৈরীতে তামা ব্যবহৃত হতো। চিয়োপ্স-এর (cheops) মিশরীয় পিরামিড তৈরীতে পাথরের যে সুবৃহৎ খণ্ডগুলো ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো কাটতে তামার যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
ব্রোঞ্জ আবিষ্কার ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি বিপ্লব। এর পর পাথরের সব জিনিসপত্র ব্রোঞ্জ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়। ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দেও ব্রোঞ্জের ব্যবহার ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাইসিনিয়ান যুগের সূচনাতে গ্রীসে ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরি বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল। এটি ছাড়াও তামার অপর বিস্ময়কর সংকর হল পিতল। তামার সঙ্গে দস্তার আকরিক গলিয়ে এটি প্রস্তুত করা হয়। প্রাচীন মিশর, ভারত, এশিরিয়া, রোম ও গ্রীসে তামা, ব্রোঞ্জ ও পিতলের ব্যবহার জানা ছিল। অস্ত্র তৈরীতে তামা ও ব্রোঞ্জ উভয়টিই ব্যবহৃত হতো। আলতাই, সাইবেরিয়া এবং ট্রান্স ককেশাস অঞ্চলে খননকার্য চালিয়ে অষ্টম থেকে ষষ্ঠ শতাব্দীর ব্রোঞ্জ ও তামার ছুরি, তীরের ফলা, ঢাল, শিরস্ত্রাণ পাওয়া গেছে। গ্রীসে ও রোমে তামা ও ব্রোঞ্জ দিয়ে ঢাল ও শিরস্ত্রাণ তৈরি হতো।
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Magnetic susceptibility of the elements and inorganic compounds in Lide, D. R., ed. (2005). CRC Handbook of Chemistry and Physics (86th ed.). Boca Raton (FL): CRC Press. আইএসবিএন 0-8493-0486-5.
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |