কার্বন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বোরনকার্বননাইট্রোজেন
-

C

Si
ভৌত রূপ
কালো (গ্রাফাইট) স্বচ্ছ (হীরক)


Spectral lines of Carbon
সাধারণ বৈশিষ্ট
নাম, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা কার্বন, C, 6
উচ্চারণ /ˈkɑrbən/
রাসায়নিক শ্রেণী অধাতু
শ্রেণী, পর্যায়, ব্লক 142, p
পারমাণবিক ওজন 12.0107(8)
ইলেকট্রন বিন্যাস 1s2 2s2 2p2 or [He] 2s2 2p2
শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা 2,4 (ছবিতে দেখুন)
ভৌত বৈশিষ্ট্য
দশা কঠিন
ঘনত্ব (প্রায় r.t.) amorphous:[১] 1.8–2.1 g·cm−3
ঘনত্ব (প্রায় r.t.) graphite: 2.267 g·cm−3
ঘনত্ব (প্রায় r.t.) diamond: 3.515 g·cm−3
Sublimation point 3915 K, 3642 °C, 6588 °F
ত্রৈধ বিন্দু 4600 K (4327°C), 10800[২][৩] kPa
ফিউশনের এনথালপি 117 (graphite) kJ·mol−1
তাপ ধারকত্ব 8.517(graphite),
6.155(diamond) J·mol−1·K−1
পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য
জারন সংখ্যা 4, 3 [৪], 2, 1 [৫], 0, -1, -2, -3, -4[৬]
তাড়িৎচুম্বকত্ব 2.55 (Pauling scale)
আয়নীকরণ শক্তি
(বিস্তারিত)
প্রথম: 1086.5 kJ·mol−1
দ্বিতীয়: 2352.6 kJ·mol−1
তৃতীয়: 4620.5 kJ·mol−1
Covalent radius 77(sp³), 73(sp²), 69(sp) pm
Van der Waals radius 170 pm
অন্যান্য বৈশিষ্ট্য
কেলাসের গঠন হেক্সাগোনাল
চুম্বকত্ব diamagnetic[৭]
তাপ পরিবহকত্ব 119-165 (graphite)
900-2300 (diamond) W·m−1·K−1
তাপ পরিবাহিতা (25 °C) 0.8 (diamond) [৮] µm·m−1·K−1
Speed of sound (thin rod) (20 °C) 18350 (diamond) m·s−1
ইয়ং-এর গুণাঙ্ক 1050 (diamond) [৮] GPa
Shear modulus 478 (diamond) [৮] GPa
Bulk modulus 442 (diamond) [৮] GPa
পয়সনের অনুপাত 0.1 (diamond) [৮]
কাঠিন্য মাত্রা 1-2 (Graphite)
10 (Diamond)
ক্যাস নিবন্ধন নম্বর 7440-44-0
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমস্থানিক
মূল নিবন্ধ: Isotopes of carbon
iso NA half-life DM DE (MeV) DP

15

11C syn 20 min β+ 0.96 11B
12C 98.9% C 6টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
13C 1.1% C 7টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
14C trace 5730 y β- 0.15 14N
· সূ

কার্বন (রাসায়নিক সংকেত C, পারমাণবিক সংখ্যা ৬) একটি মৌলিক পদার্থ। এটি পৃথিবীর জীবজগতের প্রধান গাঠনিক উপাদান।

পরিচ্ছেদসমূহ

[সম্পাদনা] আবিষ্কারের ইতিহাস

কার্বন কবে আবিষ্কৃত হয়েছিল তা সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ আগুন আবিষ্কারের আগে থেকেই মানুষ কার্বনের সাথে পরিচিত ছিল। বজ্রাঘাতের ফলে পুড়ে যাওয়া কাঠের মাধ্যমেই মানুষ প্রথম কার্বনের সাথে পরিচিত হয়। আগুন আবিষ্কারের পর কার্বন হয় মানুষের নিত্যসঙ্গী। কারণ এটি অতিমাত্রায় দাহ্য একটি বস্তু। কার্বন পদার্থটির সাথে পরিচিত থাকলেও এটি যে একটি মৌলিক পদার্থ তা মানুষ বেশিদিন আগে জানতে পারেনি। এমনকি কার্বন নামটির ইতিহাস বেশি প্রাচীন নয়। ১৭৮৯ সালে এন্টনি ল্যাভয়সিয়ে কর্তৃক সংকলিত মৌলিক পদার্থের তালিকায় কার্বন উপস্থিত ছিল। মূলত ল্যাভয়সিয়েই প্রথম ব্যক্তি যিনি প্রমাণ করেছিলেন কার্বন একটি মৌলিক পদার্থ। কয়লা ও অন্যান্য যৌগের দহন পরীক্ষা করে তিনি এই প্রমাণ পেয়েছিলেন।

প্রকৃতিতে কার্বনের দুইটি বহুরুপ রয়েছে। একটি হীরক এবং অন্যটি গ্রাফাইট। অনেক আগে থেকেই মানুষ এ পদার্থ দুটিকে চিনতো। এমনকি উচ্চ তাপমাত্রায় হীরাকে দহন করালে যে অবশেষ হিসেবে কিছু পাওয়া যায়না তাও মানুষের জানা ছিল। কিন্তু এই পদার্থ দুটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পদার্থ হিসেবে মনে করা হতো। কার্বন ডাই অক্সাইড আবিষ্কারের পর এই সমস্যার সমাধান হয়। ল্যাভয়সিয়ে দেখেন যে, হীরক এবং কাঠকয়লা দুটির দহনেই কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। এ থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া গিয়েছিল যে এরা অভিন্ন পদার্থ। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে Methods of Chemical Nomenclature নামক গ্রন্থে (ল্যাভয়সিয়ে, এল. গুইটন ডি. মারভিউ, সি. বারথোলেট এবং এ. ফোউরক্রই কর্তৃক লিখিত) প্রথম কার্বনেয়াম (কার্বন) নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। ল্যাটিন নাম তথা কার্বনেয়াম আবার সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। সংস্কৃত ভাষায় ক্রা শব্দের অর্থ ফোটা১৮২৪ খ্রিস্টাব্দে মৌলটির নাম কার্বন দেয়া হয়েছিল।

১৭৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী এস. টেন্যান্ট আবিষ্কার করেন, সম পরিমাণ হীরক ও গ্রাফাইটের দহনে সমআয়তন কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। অবশেষে ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে এল. গুইটন ডি. মারভিউ নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করেন যে হীরক, গ্রাফাইট এবং কোকের একমাত্র উপাদান হচ্ছে কার্বন। এর বিশ বছর পর তিনি সতর্কতার সাথে উত্তপ্ত করে হীরককে গ্রাফাইট এবং গ্রাফাইটকে কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করতে সমর্থ হন। কিন্তু গ্রাফাইট থেকে হীরক তৈরির মত প্রযুক্তি তখনও ছিলনা। অবশেষে ১৯৫৫ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের একটি দল ৩০০০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা এবং ১০ প্যাসকেল চাপে গ্রাফাইট থেকে হীরক সংশ্লেষণ করতে সক্ষম হন। এর কিছুদিন পর সোভিয়েত ইউনিয়নে কির্বন নামে আরেকটি পদার্থ তৈরি করা হয় যাকে কার্বনের তৃতীয় বহুরুপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পদার্থের ক্ষেত্রে কার্বনের পরমাণুগুলো একটির সাথে আরেকটি সংযুক্ত হয়ে লম্বা শিকল তৈরি করে। এটি দেখতে অনেকটা ভূসিকালির মত।

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. Lide, D. R., ed (2005). CRC Handbook of Chemistry and Physics (86th সম্পাদিত). প্রকাশক: CRC Press. (Boca Raton (FL)). আইএসবিএন 0-8493-0486-5. 
  2. Haaland, D (1976); “Graphite-liquid-vapor triple point pressure and the density of liquid carbon”। Carbon 14: পৃ. 357। ডিওআই:10.1016/0008-6223(76)90010-5
  3. Savvatimskiy, A (2005); “Measurements of the melting point of graphite and the properties of liquid carbon (a review for 1963–2003)”। Carbon 43: পৃ. 1115। ডিওআই:10.1016/j.carbon.2004.12.027
  4. Fourier Transform Spectroscopy of the System of CP. http://bernath.uwaterloo.ca/media/36.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-12-06. 
  5. Fourier Transform Spectroscopy of the Electronic Transition of the Jet-Cooled CCI Free Radical. http://bernath.uwaterloo.ca/media/42.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-12-06. 
  6. Carbon: Binary compounds. http://www.webelements.com/webelements/elements/text/C/comp.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2007-12-06. 
  7. Magnetic susceptibility of the elements and inorganic compounds, in Handbook of Chemistry and Physics 81st edition, CRC press.
  8. ৮.০ ৮.১ ৮.২ ৮.৩ ৮.৪ Properties of diamond, Ioffe Institute Database

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা] আরও দেখুন

[সম্পাদনা] ব্যক্তি

[সম্পাদনা] অন্যান্য

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ