২০১৬ এএফসি কাপ
| বিবরণ | |
|---|---|
| তারিখ | বাছাইপর্ব: ১১–১৫ আগস্ট ২০১৫ মূল পর্ব: ৯ ফেব্রুয়ারি – ৫ নভেম্বর ২০১৬ |
| দল | মূল পর্ব: ৩২ মোট: ৪০ (২৩টি অ্যাসোসিয়েশন থেকে) |
| চূড়ান্ত অবস্থান | |
| চ্যাম্পিয়ন | |
| রানার-আপ | |
| পরিসংখ্যান | |
| ম্যাচ | ১২৭ |
| গোল সংখ্যা | ৩৬১ (ম্যাচ প্রতি ২.৮৪টি) |
| দর্শক সংখ্যা | ৩,৯৪,১৮৩ (ম্যাচ প্রতি ৩,১০৪ জন) |
| শীর্ষ গোলদাতা | |
| সেরা খেলোয়াড় | |
| ফেয়ার প্লে পুরস্কার | |
২০১৬ এএফসি কাপ হল এশীয় আন্তর্জাতিক ক্লাব ফুটবলের দ্বিতীয় সারি এএফসি কাপ প্রতিযোগিতার ত্রয়োদশ আসর।[১] এই আসরে ফাইনালে ইরাকের আল-কুয়া আল-জাউইয়া ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং এএফসি কাপ প্রথমবারের মতো জিতেছিল।[২]
উপমহাদেশীয় ক্লাবের মধ্যে ভারতের বেঙ্গালুরু ফুটবল ক্লাব রানার্স-আপ হয়ে নজর কেড়েছিল এবং এটি আজও ভারতীয় ও দক্ষিণ এশীয় রেকর্ড।
দল
[সম্পাদনা]পশ্চিম এশিয়া
[সম্পাদনা]- সরাসরি গ্রুপ পর্ব
আলতিন আসির
আল-মুহাররাক
নাফত আল-ওয়াসাত
আল-কুয়া আল-জাউইয়া
আল-ফয়সালি
আল-ওয়েহদাত^
আল-জইশ
শাবাব আল-ধাহিরিয়া
আল-আহেদ
আল-ওরুবা
ফাঞ্জা
ইস্তিকলোল
- বাছাই প্লে-অফ
পূর্ব এশিয়া
[সম্পাদনা]- সরাসরি গ্রুপ পর্ব
কিৎচি^
সাউথ চায়না
মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব^
বেঙ্গালুরু এফসি
সেরেস
কায়া এফসি ইলোইলো
জোহর দারুল তা'জিম^
সেলাঙ্গোর[ক]
লাও টয়োটা এফসি
ইয়াঙ্গন ইউনাইটেড^
আয়েইয়াওয়াদি ইউনাইটেড
নিউ রেডিয়্যান্ট
মাজিয়া
ট্যাম্পাইন্স রোভার্স^[খ]
বালেস্তিয়ার খালসা[গ]
- বাছাইপর্ব
কে-ইলেকট্রিক ফুটবল ক্লাব
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
আলগা
বেনফিকা দে ম্যাকাও
খোরোমখোন ক্লাব
ড্রুক ইউনাইটেড
- ↑ সেলাঙ্গোর মালয়েশিয়া সুপার লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেও অংশগ্রহণ করেছিল কারণ, রানার্স-আপ দল লায়ন্স টুয়েলভ সিঙ্গাপুরী দল ছিল, তাদের মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার ছিল না।
- ↑ ট্যাম্পাইন্স রোভার্স এস-লিগে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেও অংশগ্রহণ করেছিল, কারণ, বিজয়ী দল ডিপিএমএম এফসি ব্রুনেই-এর দল ছিল, তাদের সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার ছিল না।
- ↑ বালেস্তিয়ার এস-লিগে চতুর্থ স্থান অধিকার করেও অংশগ্রহণ করেছিল, কারণ, সিঙ্গাপুর কাপ বিজয়ী দল আলবিরেক্স নিগাতা সিঙ্গাপুর জাপানি দল ছিল, তাদের সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার ছিল না।
- ^ = ২০১৬ এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে বিদায়প্রাপ্ত দল
বাছাইপর্ব
[সম্পাদনা]এএফসি কাপ বাছাই পর্বটি এএফসি প্রেসিডেন্টস কাপের পরিবর্তে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার শেষ সংস্করণ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেহেতু ২০১৫ থেকে শুরু করে, "উদীয়মান দেশগুলির" লিগ চ্যাম্পিয়নরা এএফসি কাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে অংশগ্রহণের যোগ্য ছিল।[৩]
প্রথম পর্ব
[সম্পাদনা]বাছাইপর্বের প্রথম পর্বে, প্রতিটি গ্রুপ একক রাউন্ড-রবিন ভিত্তিতে প্রাক-নির্বাচিত স্বাগতিকদের মধ্যে খেলা হয়েছিল। প্রতিটি গ্রুপের বিজয়ীরা বাছাইপর্বের প্লে-অফ বা গ্রুপ পর্বে (প্রতিটি অঞ্চল এবং ভৌগোলিক অবস্থানে দলের সংখ্যার উপর নির্ভর করে) অগ্রসর হয়।[৪]
গ্রুপ এ
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | KEL | DRU | KHO | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ১ | ১ | ০ | ৪ | ৩ | +১ | ৪ | বাছাই প্লে-অফে উত্তীর্ণ | — | ৩–৩ | — | ||
| ২ | ২ | ০ | ২ | ০ | ৩ | ৩ | ০ | ২ | — | — | ০–০ | |||
| ৩ | ২ | ০ | ১ | ১ | ০ | ১ | −১ | ১ | ০–১ | — | — |
গ্রুপ বি
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | SJD | ALG | BEN | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ১ | ১ | ০ | ৫ | ২ | +৩ | ৪ | গ্রুপ পর্ব[ক] | — | — | ৪–১ | ||
| ২ | ২ | ১ | ১ | ০ | ৩ | ১ | +২ | ৪ | ১–১ | — | — | |||
| ৩ | ২ | ০ | ০ | ২ | ১ | ৬ | −৫ | ০ | — | ০–২ | — |
- ↑ শেখ জামাল ধানমন্ডি পূর্ব এশিয়ার গ্রুপে দলসংখ্যা কমে যাওয়ায় সরাসরি গ্রুপ পর্বে উত্তীর্ণ হয়।
প্লে-অফ
[সম্পাদনা]বাছাইপর্বের প্লে-অফের বন্ধনীটি প্রতিটি দলের অ্যাসোসিয়েশন র্যাঙ্কিংয়ের উপর ভিত্তি করে এএফসি দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল, উচ্চ র্যাঙ্কের অ্যাসোসিয়েশনের দল প্রতিটি ম্যাচ হোস্ট করে।[৫][৬] পূর্ব এশিয়ার দল কম সংখ্যক হওয়ায় বাছাই প্লে-অফ অনুষ্ঠিত হয়নি।
| দল ১ | ফলাফল | দল ২ |
|---|---|---|
| পশ্চিম এশিয়া | ||
| আল-হিদ |
২–০ | |
| ত্রিপোলি |
০–০ (অ.স.প.) (৭–৬ পে.) |
|
| আল-ওয়াহদা |
২–০ | |
| আহলি আল-খালিল |
১–০ | |
গ্রুপ পর্ব
[সম্পাদনা]- পশ্চিম এশিয়া: গ্রুপ এ,বি,সি,ডি
- পূর্ব এশিয়া: গ্রুপ ই,এফ,জি,এইচ
টাইব্রেকার
[সম্পাদনা]দলসমূহের অবস্থান নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে:
- অর্জিত পয়েন্ট (জয়ের জন্য ৩, ড্রয়ের জন্য ১, হারের জন্য ০)
- একই পয়েন্ট বিশিষ্ট দলের হেড-টু-হেড ম্যাচে পয়েন্ট অর্জন
- একই পয়েন্ট বিশিষ্ট দলের হেড-টু-হেড ম্যাচে গোল পার্থক্য
- একই পয়েন্ট বিশিষ্ট দলের হেড-টু-হেড ম্যাচে দল দুটি কর্তৃক করা গোলসংখ্যা
- গ্রুপ পর্বের শেষে গোল পার্থক্য
- সকল ম্যাচে করা মোট গোলসংখ্যা
- একই পয়েন্ট বিশিষ্ট দলের মধ্যে পেনাল্টি শুট-আউট
- ফেয়ার প্লে পয়েন্ট (হলুদ কার্ড: −১ পয়েন্ট; লাল কার্ড (দ্বিতীয় হলুদ কার্ড মারফত): −৩ পয়েন্ট; সরাসরি লাল কার্ড: −৪ পয়েন্ট; হলুদ কার্ড ও সরাসরি লাল কার্ড: −৫ পয়েন্ট)
- লটারি
গ্রুপ এ
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | AHE | WEH | HID | ALT | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৪ | ০ | ২ | ১৪ | ৯ | +৫ | ১২ | নক-আউট | ৩–২ | ১–০ | ৩–০ | |||
| ২ | ৬ | ২ | ২ | ২ | ১০ | ১২ | −২ | ৮ | ৩–২ | ২–০ | ১–১ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ১ | ৩ | ১১ | ১২ | −১ | ৭ | ২–৫ | ৬–২ | ১–১ | ||||
| ৪ | ৬ | ১ | ৩ | ২ | ৫ | ৭ | −২ | ৬ | ২–০ | ০–০ | ১–২ |
গ্রুপ বি
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | NAF | FAI | TRI | IST | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৫ | ০ | ১ | ৯ | ৩ | +৬ | ১৫ | নক-আউট | ১–০ | ১–০ | ২–০ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ২ | ১ | ১০ | ৬ | +৪ | ১১ | ২–১ | ৩–১ | ৪–২ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ১ | ৩ | ৮ | ১০ | −২ | ৭ | ১–৩ | ১–১ | ২–১ | ||||
| ৪ | ৬ | ০ | ১ | ৫ | ৪ | ১২ | −৮ | ১ | ০–১ | ০–০ | ১–৩ |
গ্রুপ সি
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | QUW | WAH | DHA | ORU | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৫ | ০ | ১ | ১৫ | ৭ | +৮ | ১৫ | নক-আউট | ১–০ | ৪–১ | ২–১ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ০ | ৩ | ১১ | ৯ | +২ | ৯ | ৫–২ | ০–৩১ | ২–১ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ১ | ৩ | ৭ | ১০ | −৩ | ৭ | ০–২ | ০–৩২ | ২–০ | ||||
| ৪ | ৬ | ১ | ১ | ৪ | ৫ | ১২ | −৭ | ৪ | ০–৪ | ২–১ | ১–১ |
- ১ শাবাব আল-ধাহিরিয়া বনাম আল-ওয়াহদা ম্যাচটি (৯ মার্চ ২০১৬, ২য় ম্যাচদিবস) খেলা হয়নি। ২৮ এপ্রিল ২০১৬-এ, এএফসি কমিটি আল-ওয়াহদাকে ৩–০ ফলাফলে জয়ী ঘোষণা করে। কারণ তদন্তে খেলা না হওয়ার কারণে শাবাব আল-ধাহিরিয়ার দোষ পাওয়া গেছিল।[৭][৮] ২৪ জুন ২০১৬-এ, এএফসি কমিটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শাবাব আল-ধাহিরিয়াকে ৩–০ ফলাফলে জয়ী ঘোষণা করে। কারণ পুনরায় তদন্তে খেলা না হওয়ার কারণে শাবাব আল-ওয়াহদার দোষ পাওয়া গেছিল।[৯][১০]
- ২ শাবাব আল-ধাহিরিয়া বনাম আল-ওয়াহদা ম্যাচটি (১১ মে ২০১৬, ৬ষ্ঠ ম্যাচদিবস) খেলা হয়নি। ১৩ মে ২০১৬-এ, এএফসি কমিটি আল-ওয়াহদাকে ৩–০ ফলাফলে জয়ী ঘোষণা করে। কারণ তদন্তে খেলা না হওয়ার কারণে শাবাব আল-ধাহিরিয়ার দোষ পাওয়া গেছিল।[১১][১২]
গ্রুপ ডি
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | MHQ | JAI | KHA | FAN | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৫ | ১ | ০ | ৯ | ৩ | +৬ | ১৬ | নক-আউট | ১–০ | ২–১ | ১–০ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ১ | ২ | ৫ | ৩ | +২ | ১০ | ০–২ | ১–০ | ১–০ | ||||
| ৩ | ৬ | ১ | ২ | ৩ | ৭ | ১১ | −৪ | ৫ | ১–১ | ০–৩৩ | ২–১ | ||||
| ৪ | ৬ | ০ | ২ | ৪ | ৫ | ৯ | −৪ | ২ | ১–২ | ০–০ | ৩–৩ |
- ৩ আহলি আল-খালিল বনাম আল-জইশ ম্যাচটি (৯ মার্চ ২০১৬, ২য় ম্যাচদিবস) পিছিয়ে ৩ মে তারিখ নির্ধারিত হবার পরেও খেলা হয়নি। ১৩ এপ্রিল ২০১৬-এ, এএফসি কমিটি আল-জইশকে ৩–০ ফলাফলে জয়ী ঘোষণা করে। কারণ তদন্তে খেলা না হওয়ার কারণে আহলি আল-খালিলের দোষ পাওয়া গেছিল।[১১][১২]
গ্রুপ ই
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | CER | TAM | SEL | SJD | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৩ | ৩ | ০ | ১২ | ৪ | +৮ | ১২ | নক-আউট | ২–১ | ২–২ | ৫–০ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ১ | ২ | ১০ | ৬ | +৪ | ১০ | ১–১ | ১–০ | ৪–০ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ২ | ২ | ৮ | ৮ | ০ | ৮ | ০–০ | ০–১ | ২–১ | ||||
| ৪ | ৬ | ১ | ০ | ৫ | ৭ | ১৯ | −১২ | ৩ | ০–২ | ৩–২ | ৩–৪ |
গ্রুপ এফ
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | KIT | KAY | BAL | NRA | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৪ | ১ | ১ | ৮ | ১ | +৭ | ১৩ | নক-আউট | ১–০ | ৪–০ | ০–০ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ১ | ২ | ৫ | ২ | +৩ | ১০ | ০–১ | ১–০ | ১–০ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ১ | ৩ | ৬ | ১০ | −৪ | ৭ | ১–০ | ০–৩ | ৩–০ | ||||
| ৪ | ৬ | ০ | ৩ | ৩ | ২ | ৮ | −৬ | ৩ | ০–২ | ০–০ | ২–২ |
গ্রুপ জি
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | MOH | SCA | YAN | MAZ | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৩ | ২ | ১ | ১৪ | ৯ | +৫ | ১১ | নক-আউট | ০–৩ | ৩–২ | ৫–২ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ০ | ৩ | ৯ | ৯ | ০ | ৯ | ০–৪ | ২–১ | ২–০ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ২ | ২ | ১০ | ১০ | ০ | ৮ | ১–১ | ২–১ | ৩–২ | ||||
| ৪ | ৬ | ১ | ২ | ৩ | ৮ | ১৩ | −৫ | ৫ | ১–১ | ২–১ | ১–১ |
গ্রুপ এইচ
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন | JDT | BFC | AYE | LAO | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ৬ | ৬ | ০ | ০ | ২১ | ৩ | +১৮ | ১৮ | নক-আউট | ৩–০ | ৮–১ | ৩–০ | |||
| ২ | ৬ | ৩ | ০ | ৩ | ৯ | ১০ | −১ | ৯ | ০–১ | ৫–৩ | ২–১ | ||||
| ৩ | ৬ | ২ | ০ | ৪ | ১২ | ২০ | −৮ | ৬ | ১–২ | ০–১ | ৪–২ | ||||
| ৪ | ৬ | ১ | ০ | ৫ | ৮ | ১৭ | −৯ | ৩ | ১–৪ | ২–১ | ২–৩ |
নক-আউট পর্ব
[সম্পাদনা]বন্ধনী
[সম্পাদনা]| শেষ ১৬ পর্ব | কোয়ার্টার-ফাইনাল | সেমি-ফাইনাল | ফাইনাল | |||||||||||
| ২ | ||||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
| | ১+৪ | |||||||||||||
| | ১+০ | |||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
| | ০ | |||||||||||||
| | ১+৩ | |||||||||||||
| | ১+২ | |||||||||||||
| | ৪ | |||||||||||||
| | ০ | |||||||||||||
| | ১+২ | |||||||||||||
| | ০+০ | |||||||||||||
| | ০ | |||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
| | ০ | |||||||||||||
| | ০ | |||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
| | ১+১ | |||||||||||||
| ১+২ | ||||||||||||||
| | ৭ | |||||||||||||
| | ২ | |||||||||||||
| ১+১ | ||||||||||||||
| | ১+৩ | |||||||||||||
| | ৩ | |||||||||||||
| | ২ | |||||||||||||
| | ১+০ | |||||||||||||
| | ০+০ | |||||||||||||
| | ২ | |||||||||||||
| | ১ | |||||||||||||
ফাইনাল
[সম্পাদনা]পুরস্কার
[সম্পাদনা]| পুরস্কার | খেলোয়াড় | দল |
|---|---|---|
| আসরের সেরা খেলোয়াড় | ||
| সর্বোচ্চ গোলদাতা | ||
| ফেয়ার প্লে পুরস্কার | — |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "2016 AFC Cup Competition Regulations" (PDF)। AFC। ২৮ নভেম্বর ২০১৫।
- ↑ "AFC President congratulates Air Force Club for historic"। AFC। ৫ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "AFC President's Cup: The end of a glorious journey"। AFC। ২৬ জুলাই ২০১৪।
- ↑ "Stage set for 2016 AFC Cup play-off qualifiers"। AFC। ২৯ জুন ২০১৫।
- ↑ "Stage set for 2016 AFC Cup draw"। AFC। ৪ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ "AFC Cup 2016 Group Stage draw"। AFC। ১০ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ "AFC Disciplinary Committee decision regarding Al Wahda v Al Dharia match"। AFC। ২৯ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ "17th AFC Disciplinary Committee on 28 April 2016" (PDF)। AFC। ২৮ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ "AFC Appeal Committee decisions"। AFC। ২৪ জুন ২০১৬।
- ↑ "4th AFC Appeal Committee on 24 June 2016" (PDF)। AFC। ২৪ জুন ২০১৬।
- 1 2 "AFC Cup 2016: Final standings in Groups C and D confirmed"। AFC। ১৩ মে ২০১৬।
- 1 2 "18th AFC Disciplinary Committee on 13 May 2016" (PDF)। AFC। ১৩ মে ২০১৬।
- 1 2 "Hot-shot Hammadi bags AFC Cup MVP and Top Scorer"। AFC। ৫ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "AFC Cup: Bengaluru FC win AFC's Fairplay award"। www.goal.com। Goal। ৬ নভেম্বর ২০১৬। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৬।