হরিপুর ইউনিয়ন, পবা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হরিপুর ইউনিয়ন, পবা
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলারাজশাহী জেলা
উপজেলাপবা উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)

হরিপুর ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। এই ইউনিয়ন পরিষদটি রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

হরিপুর ইউনিয়নের আয়তন ৩৭.৭৫ বর্গমাইল। হরিপুর ইউনিয়নের পূর্বে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন অবস্থিত। পশ্চিম দিকে দেওপাড়া ইউনিয়ন

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এখানে গ্রামের সংখ্যা ২৪ টি, মৌজার সংখ্যা ১৭ টি এবং হাট/বাজার সংখ্যা ০১ টি।

গ্রামের তালিকা[সম্পাদনা]

  • ১ নং ওয়ার্ড- চরমাঝারদিয়াড়, চরনবিনগর,
  • ২ নং ওয়ার্ড-বশড়ী, হাড়ুপুর, হাড়ুপুর বাগানপাড়া
  • ৩ নং ওয়ার্ড -নবগঙ্গা
  • ৪ নং ওয়ার্ড-সোনাইকান্দি, জাংঘালপাড়া
  • ৫ নং ওয়ার্ড- বেড়পাড়া, দবিরমোল্লাপাড়া, দরগাপাড়া,
  • ৬ নং ওয়ার্ড- হরিপুর, হরিপুর বনপাড়া, হরিপুর ভাটাপাড়া, হরিপুর কলোনী পাড়া, হরিপুর নলপুকুর
  • ৭ নং ওয়ার্ড- টেংরামারী, হলদিবোনা, নতুন কসবা, গোপালপুর
  • ৮ নং ওয়ার্ড-খোলাবোনা, আন্ধারকোঠা, কসবা
  • ৯ নং ওয়ার্ড-গহমাবোনা, আালিমগঞ্জ

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

(১) লোকসংখ্যাঃ-                      

  • মহিলা ১৭১৯৬ জন
  • পুরুষ  ১৮১৩৭ জন
  • মোট = ৩৫৩৩৩ জন

(২)ভোটার  সংখ্যাঃ-

      মহিলা  ৮৩২০ জন

      পুরুষ  ৮৩৩৩  জন

     মোট = ১৬৬৫৩  জন

শিক্ষা[সম্পাদনা]

হরিপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার হচ্ছে ৩৭%। শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কলেজঃ ০১ টি, উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ০২টি, মাদ্রাসা- ০১টি, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৬টি এবং বে-সরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয় আছে ০৫টি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

অত্র ইউনিয়নের জনগণ কৃষির উপর নির্ভরশীল।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি[সম্পাদনা]

১. বিগ্রেডিয়ার জেনারেল গোলাম মোস্তফা

২. শরিফুজ্জামান চৌধুরী

৩. মাজদার হোসেন জর্জ

৪. বজলে রেজভী আল হাসান

৫. কবি মুকুল হোসেন

৬. মোঃ ফাহাদুল ইসলাম (তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ,বুয়েট)

৭. সমরোজ আল বিরুনী সবুজ।

৮. শাখাওয়াত হোসেন

৯. মেজর মাহমুদুল হাসান

১০. মরহুম নুরুল্লাহ ( প্রতিষ্ঠাতা কসবা উচ্চ বিদ্যালয় )

১১.মো: ইমতিয়াজ আহম্মেদ

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

হরিপুর ইউনিয়নে একটি খাল রয়েছে। এটি হরিপুর ইউনিয়নের টেংরামারি গ্রাম থেকে দামকুড়া ইউনিয়নের কিছু অংশ জুড়ে প্রবাহিত হয়েছে। পদ্মা নদীর উপচে পড়া পানি এ খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে থাকে। খাল টির আনুমানিক দৈর্ঘ্য ৭.০০ কি:মি:। এ খাল টিতে প্রায় সারা বছরই পানি পাওয়া যায়। এ খালে বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ উৎপাদন হয় এবং কৃষকেরা খালের পানি সেচ কাজে ব্যবহার করে কৃষিজাত ফসল উৎপাদনে উন্নতি সাধন করে। অত্র ইউনিয়নের পাশ দিয়ে পদ্মা নদী প্রবাহীত।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

আমাদের ইউনিয়নে দর্শনীয়  স্থান হচ্ছে  পদ্মা নদীর পাড় ও নদীর চর।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]