শুনতে কি পাও!

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শুনতে কি পাও
252×394
শুনতে কি পাও পোস্টার
পরিচালককামার আহমাদ সাইমন
প্রযোজকসারা আফরীন
চিত্রনাট্যকারকামার আহমাদ সাইমন
চিত্রগ্রাহককামার আহমাদ সাইমন
সম্পাদকসৈকত শেখরেশ্বর রায়
পরিবেশকক্যাট ও ডক্‌স
মুক্তি২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ (বাংলাদেশ)
দৈর্ঘ্য৯০ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

শুনতে কি পাও (ইংরেজি: Are You Listening!) কামার আহমাদ সাইমন পরিচালিত ও সারা আফরীন প্রযোজিত একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। মুক্তির পরপরই আলোচিত এই চলচ্চিত্রটি একাধারে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে। ২০১২ এর ২৯শে অক্টোবরে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন প্রামাণ্য উৎসব জার্মানীর ডক-লাইপজিগের ৫৫তম আসরের 'উদ্বোধনী ছবির' আমন্ত্রণ পেয়ে ছবিটি প্রথম আলোচনায় আসে।[১] এরপর অন্যতম প্রামাণ্য উৎসব ইডফা'র ২৫তম আসরে[২], এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ প্রামাণ্য উৎসব জাপানের ইমায়াগাতায় 'নিউ এশিয়ান কারেন্ট'[৩] প্রতিযোগিতাসহ প্রায় পঁচিশটি আন্তর্জাতিক উৎসবে আমন্ত্রিত হয় ছবিটি। ২০১৩ এর মার্চে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের অন্যতম প্রামাণ্য উৎসব সিনেমা দু্য রিলে'র ৩৫তম আসরে ছবিটি জিতে শ্রেষ্ঠ ছবির জন্য সর্ব্বোচ্চ পুরষ্কার 'গ্রাঁপ্রি'[৪]। ২০১৪এর ফ্রেব্রুয়ারীতে এশিয়ার অন্যতম প্রধান প্রামাণ্য উৎসব 'মুম্বাই আন্তর্জাতিক উৎসবে জিতে নেয় শ্রেষ্ঠ ছবির জন্য সর্ব্বোচ্চ পুরষ্কার 'স্বর্ণশঙ্খ'[৫]২০০৯ সালে বাংলাদেশ আইলা নামক যে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড়ের সম্মুখীন হয়, এর পরবর্তী সমাজব্যাবস্থার উপর নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি। এ যাবৎ মোট নয়টি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরষ্কৃত ছবিটি ‘শুনতে কি পাও’ ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সালে এটি বাংলাদেশে মুক্তি পায় [৬] এবং দর্শকনন্দিত হয়ে চার সপ্তাহ প্রদর্শিত হয়। প্রামাণ্যছবির সিনেমা হলে বাণিজ্যিক মুক্তির এটা ছিলো এক বিরল ঘটনা, এর আগে তারেক মাসুদ নির্মিত 'মুক্তির গান' নির্মানের প্রায় দুই দশক পর প্রথম প্রামাণ্যচিত্র হিসাবে এক সপ্তাহের জন্যে মুক্তি পেয়েছিলো সিনেমা হলে।

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

শুনতে কি পাও নিয়ে আমাদের বন্ধুমহলে একটি বিতর্ক উঠেছে—ছবিটি কি ডকুমেন্টারি না ফিকশন? আমরা কিন্তু তাদের এই বিতর্ক বেশ উপভোগ করছি। কারণ, ছবি বানানোর সময় আমাদের মাথায় ডকুমেন্টারি কিংবা ফিকশনের চিন্তা ছিল না; কেবল চেয়েছি, আমরা একটি চলচ্চিত্র বানাব।[৭]

— এক সাক্ষাৎকারে "শুনতে কি পাও" আসলে প্রামাণ্যচিত্র না চলচ্চিত্র এই প্রশ্নের উত্তরে সারা আফরীন

ভদ্রা নদীর পারে, সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে ছোট্ট একটি গ্রাম... নাম তার ‘সুতারখালি’। জলে জঙ্গলে লড়াই করে চার পুরুষের আবাদে প্রায় ১০০ পরিবারের বাস এই সুতারখালি গ্রামে। এখানেই ঘর বেঁধেছিলো রাখী আর সৌমেন, জন্ম হয়েছিলো তাদের ভালোবাসার সন্তান... রাহুলের। ২০০৯ সালের ২৫শে মে, রাহুলের বয়স যখন মাত্র চার... ‘আইলা’ নামের এক প্রলয়ঙ্করী জলোচ্ছাস ভাসিয়ে নিয়ে যায় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। আর সেই দিন থেকে শুরু হয় রাখী, সৌমেন এবং রাহুলের এক অন্য জীবন… দিন যায়, ঋতু বদলায়... সেইসাথে সর্ম্পকও বদলায়। তারপরও বৃষ্টি শেষে, কোদাল হাতে বেরিয়ে আসে ওরা… জীবনেরই ডাকে, জীবনকে ভালোবেসে।
সেই বদলানোর দিন থেকে ছবিটির গল্প আরম্ভ হয় এবং প্রায় দু'বছরের একটি যাত্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনে আরেকটি পরিবর্তন তারা সামগ্রিকভাবে নিয়ে আসে৷ এই দু'বছরের যাত্রায় তাদের ব্যক্তিমানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে ঐ গ্রামের মানুষের সামষ্টিক যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রূপকার্থে সমগ্র বাংলাদেশেরই একটি গল্প।[৭][৮]

কলা কুশলী[সম্পাদনা]

  • পরিচালনা - কামার আহমাদ সাইমন
  • প্রযোজনা - সারা আফরীন
  • চিত্রনাট্য - কামার আহমাদ সাইমন
  • চিত্রগ্রাহক - কামার আহমাদ সাইমন
  • সম্পাদনা - সৈকত শেখরেশ্বর রায়
  • শব্দ সম্পাদনা - সুকান্ত মজুমদার
  • প্রযোজনা ব্যবস্থাপক- দেলোয়ার হোসেন মারুফ, নিশিতচন্দ্র মিস্ত্রি
  • গবেষণা- ওয়াসেক রহমান, সুলতানা ইসমেত জেরিন

আলোচনা, সমালোচনা[সম্পাদনা]

"সত্যজিৎ রায়ের অপু-উপাখ্যান মনে করিয়ে দেয়"

বিশ্বের প্রাচীনতম প্রামাণ্য উৎসব জার্মানির ডক লাইপজিগের উদ্বোধনী ছবি হিসাবে বাছাই প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ডকুমেন্টারী নেটওয়ারক-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় চলচ্চিত্র সমালোচক টু স্টিন মুলার

"জীবনের জয়গান, একটি সঙ্গীতময় উপাখ্যান"

প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের অন্যতম প্রামাণ্য উৎসব সিনেমা দ্যু রিলে শ্রেষ্ঠ ছবির পুরষ্কার ‘গ্রাঁপ্রি’ প্রদানকালে জুরি কমিটি

"প্রামাণ্য জীবনের অনবদ্য চিত্রায়ন... লোঅ্যাঙ্গেল ক্যামেরার অসাধারণ কাজ"

বিশ্বের বৃহত্তম প্রামাণ্য উৎসব আমস্টারডামে অনুষ্ঠিত ২৫তম ইডফাতে ছবিটির আনুষ্ঠানিক বাছাই প্রসঙ্গে

"ধ্যানের কাছাকাছি... শ্রদ্ধাশীল, ধৈর্যশীল এবং ভালবাসার পর্যবেক্ষণ"

মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য সিনেমার পুরষ্কার 'স্বর্ণশঙ্খ' দেওয়ার প্রাক্কালে জুরী কমিটি

"শক্তিশালী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির স্বকীয় শৈল্পিক উপস্থাপনা..."

ইউরোপীয় ডকুমেন্টারি ম্যাগাজিনে দুবাই ভিত্তিক চলচ্চিত্র সমালোচক ওজগে ক্যালাফতে

তাছাড়া নানান জগতের বহু খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব এই চলচ্চিত্রের প্রশংসা করেছেন। কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামান বলেন, "যেন গ্রিক পুরাণের আদিম মানুষ এক নাজুক প্রাণী হিসেবে রুদ্র প্রকৃতির সামনে এসে দাঁড়িয়েছে, যার প্রকাণ্ড থাবা নেই, বিশাল দাঁত নেই, তীক্ষ নখ নেই, ওড়ার পাখা নেই। দুর্বল সেই প্রাণী প্রমিথিউসের চুরি করা আগুন দিয়ে ক্রমেই বশ করে ক্ষমতাধর এই প্রকৃতিকে এবং নিজেই তৈরি করে এক দ্বিতীয় প্রকৃতি।"[৯]

নাট্যপরিচালক ও চলচ্চিত্র আন্দোলন কর্মী মাহমুদ দিদার বলেন, "শুনতে কি পাও’ এর অতি বাস্তব প্যারাডকক্স এই যে গল্পটা পুঁজির লড়াইয়ের বাহাসটা বেশিক্ষণ ধরে থাকতে পারে না কারণ সে সিনেমার সমালোচনার অন্তর মহলে অনুপ্রবেশ করে ফেলে।"[১০]

লেখক ও গবেষক ফাহমিদুল হক বলেন, "ক্যামেরা এখানে লুকিয়ে অনুসরণ করা ‘ভয়্যার’ নয়, নয় জিগা ভের্তভের ‘কিনো আই’, বরং ‘সিনেমা ভেরিতে’র শান্ত-বিশ্বস্ত ক্যামেরা এখানে সাধারণ মানুষের অন্তঃপুরের কাহিনী তুলে ধরে।"[১১]

চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম বলেন, "নির্মাণগুণে সত্য দৃশ্যের কাব্যময়তা বাস্তবকে অতিক্রম করে যায়। জাতিসত্তা জেগে ওঠে। মাছ-ভাতের শান্ত বাঙালীর লড়াকু রূপ, আহা কি চমৎকার।"[১২]

লেখক ও সাংবাদিক জাহীদ রেজা নূর বলেন, "...জীবনই শিল্প, জীবনের শৈল্পিক প্রকাশের জন্য মগ্ন-চৈতন্যে শিস দিতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই।"[১৩]

কলাম লেখক আনিস পারভেজ বলেন, "Observing the observation of Kamar is a feast."[১৪]

উৎসব, সম্মাননা ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

উৎসব বিভাগ ফলাফল
মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (মিফ) ২০১৪, ভারত [১৫] শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার স্বর্ণশঙ্খ বিজয়ী
মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (মিফ) ২০১৪, ভারত [১৫] শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহন বিজয়ী
ব্লিড ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৪, স্লোভেনিয়া আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মনোনীত
ডক-লাইপজিগ লেক ফেস্টিভাল ২০১৪, ভারত আনুষ্ঠানিক বাছাই
নালসার ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৪, ভারত আনুষ্ঠানিক বাছাই
স্ট্রঙ্গার দেন ফিকশন ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৪, অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিক বাছাই
৩৫তম সিনেমা দু্য রিলে চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, ফ্রান্স [৪] শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার গ্রাঁপ্রি (গ্র্যান্ড প্রাইজ) বিজয়ী
ফিল্ম সাউথএশিয়া চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, নেপাল [১৬] জুরী পুরস্কার বিজয়ী
মিলেনিয়াম প্রামাণ্যচিত্র উৎসব ২০১৩, বেলজিয়াম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মনোনীত
আদানা গোল্ডেন বল চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, তুরস্ক আনুষ্ঠানিক বাছাই
মুভিজ দ্যাট ম্যাটার চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, নেদারল্যান্ডস প্রতিযোগিতামূলক অনুদান পুরস্কার: পরিবেশনা বিজয়ী
ইরাসমুস হুই আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব ২০১৩, ইন্দোনেশিয়া আনুষ্ঠানিক বাছাই
ইয়ামাগাতা প্রামাণ্যচিত্র উৎসব ২০১৩, জাপান নিউ এশিয়ান কারেন্ট' প্রতিযোগিতা মনোনীত
গ্লোবাল চলচ্চিত্র উৎসব বার্লিন ২০১৩, জার্মানী আনুষ্ঠানিক বাছাই
আবুধাবী আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব ২০১৩, আবুধাবী আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মনোনীত
পাতমোস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, গ্রীস আনুষ্ঠানিক বাছাই
ডক-ফেস্ট মিউনিখ ২০১৩, জার্মানী আনুষ্ঠানিক বাছাই মনোনীত
প্রিফিল্মফেস্ট ২০১৩, কসোভো আনুষ্ঠানিক বাছাই
এন্টেনা প্রামাণ্যচিত্র উৎসব সিডনী ২০১৩, অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মনোনীত
স্কোলেস থিয়েটার মোয়েস উৎসব ২০১৩, জার্মানী আনুষ্ঠানিক বাছাই
টেক ওয়ান একশন চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩, যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিক বাছাই
জাগরেব মানবাধিকার চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৩ আনুষ্ঠানিক বাছাই
ফেস্টিভাল দ্য ফিল্ম ডকুমেন্টারী দ্য লাসালী ২০১৩, ফ্রান্স আনুষ্ঠানিক বাছাই
এশিয়াটিক ফিল্ম মেডলী ২০১৩, ইতালি আনুষ্ঠানিক বাছাই
৫৫তম ডক-লাইপজিগ চলচ্চিত্র উৎসব ২০১২, জার্মানী [৮] উদ্বোধনী ছবি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মনোনীত
২৫তম আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব আমস্টারডাম (ইডফা) ২০১২, নেদাল্যান্ডস আনুষ্ঠানিক বাছাই প্যানারোমা
ট্যালেন্ট ক্যাম্পাস, বার্লিণালে চলচ্চিত্র উৎসব ২০১২, জার্মানী সম্পাদনা ল্যাব: ট্যালেন্ট ক্যাম্পাস মনোনীত
ডকএজকলকাতা, এশিয়ান ফোরাম ফর ডকুমেন্টারী ২০১১, ভারত শ্রেষ্ঠ ভাবনা বিজয়ী
ভিশন সুদ ইস্ট ২০১১, সুইজারল্যান্ড প্রতিযোগিতামূলক অনুদান পুরস্কার: সম্পাদনা বিজয়ী
ইয়ান ভ্রিজমান ফান্ড, আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব আমস্টারডাম (ইডফা) ২০১১, নেদারল্যান্ডস প্রতিযোগিতামূলক অনুদান পুরস্কার: চিত্রনাট্য বিজয়ী
ইয়ান ভ্রিজমান ফান্ড, আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব আমস্টারডাম (ইডফা) ২০১১, নেদারল্যান্ডস প্রতিযোগিতামূলক অনুদান পুরস্কার: প্রযোজনা বিজয়ী

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বাংলাদেশি ছবি দিয়ে শুরু হবে ডক-লাইপসিশ"DW.DE 
  2. "Are You Listening!"IDFA। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১১ 
  3. "New Asian Currents"Yamagata International Documentary Film Festival। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৩ 
  4. "প্যারিসে গ্রাঁ প্রি জিতল 'শুনতে কি পাও'" 
  5. "মুম্বাইয়ে স্বর্ণশঙ্খ পেয়েছে 'শুনতে কি পাও!'"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  6. "২১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে 'শুনতে কি পাও'"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০১৪ 
  7. "একটি পানতোয়ার গল্প"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  8. "বাংলাদেশি ছবি দিয়ে শুরু হবে ডক-লাইপসিশ"DW.DE 
  9. "শুনতে কি পাও: টুকরো ভাবনা"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  10. "'শুনতে কি পাও'-এর অগ্রযাত্রা"দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৪ 
  11. "শুনতে কি পাও: নৃতাত্ত্বিক জিজ্ঞাসা"বাংলানিউজ ২৪.কম। ২ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  12. "শুনতে কি পাও!"দৈনিক সমকাল। ১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  13. "হ্যাঁ, শুনতে পাই" 
  14. "SHUNTE KI PAO Magnificence of Ordinary People"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ July 03, 2014  line feed character in |শিরোনাম= at position 15 (সাহায্য); এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  15. "মুম্বাইয়ে স্বর্ণশঙ্খ পেয়েছে 'শুনতে কি পাও!'"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  16. "শুনতে কি পাও! এর ফিল্ম সাউথ এশিয়া জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]