রাজীব গান্ধী সমুদ্রসেতু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রাজীব গান্ধী সমুদ্রসেতু
বান্দ্রা-ওরলি সমুদ্রসেতু

वांद्रे-वरळी सागरी महामार्ग
Worli skyline with BSWL.jpg
স্থানাঙ্ক ১৯°০২′১১″ উত্তর ৭২°৪৯′০২″ পূর্ব / ১৯.০৩৬৫° উত্তর ৭২.৮১৭৩° পূর্ব / 19.0365; 72.8173স্থানাঙ্ক: ১৯°০২′১১″ উত্তর ৭২°৪৯′০২″ পূর্ব / ১৯.০৩৬৫° উত্তর ৭২.৮১৭৩° পূর্ব / 19.0365; 72.8173
বহন করে২ লেনের বাসরাস্তা সহ ৮ লেনের ট্রাফিক
অতিক্রম করেমহিম উপসাগর
স্থানমুম্বাই, ভারত
অফিসিয়াল নামরাজীব গান্ধী সমুদ্রসেতু[১]
রক্ষণাবেক্ষকহিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি
বৈশিষ্ট্য
নকশাকেবল-স্টেইড সেতু
মোট দৈর্ঘ্য৫.৬ কিলোমিটার
ইতিহাস
চালু৩০ জুন, ২০০৯[২]
পরিসংখ্যান
টোলওয়ান ওয়েতে ৫০ টাকা এবং যাতায়াতে ৭৫ টাকা
Bandra-Worli Sea Link Map.png

রাজীব গান্ধী সমুদ্রসেতু[১] বা বান্দ্রা-ওরলী সমুদ্রসেতু (মারাঠি: वांद्रे-वरळी सागरी महामार्ग) ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই শহরের পশ্চিম শহরতলী ও বান্দ্রা অঞ্চলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মুম্বাইয়ের ওরলি অঞ্চলের সংযোগরক্ষাকারী প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট ভায়াডাক্ট অ্যাপ্রোচ সহ একটি কেবল-স্টেইড সেতু। এটি ওয়েস্ট আইল্যান্ড ফ্রিওয়ে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়। বর্তমানে এই সেতুর চারটি লেন যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত।[৩] কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর এটি ৮ লেনের সেতু হবে।[৪] মহারাষ্ট্র রাজ্য সড়ক উন্নয়ন নিগম পরিকল্পিত সেতুটি নির্মাণ করে হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। সেতুটি তৈরি করতে খরচ হয় প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালের ৩০ জুন কংগ্রেস সভানেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী সেতুটি উদ্বোধন করে জনসাধারণের জন্য খুলে দেন।[৫] এই সেতু নির্মাণের ফলে বান্দ্রা থেকে ওরলি পর্যন্ত ৪৫-৬০ মিনিটের যাত্রাপথের সময়কাল ৭ মিনিটে নেমে আসে।[৬] সপ্তাহের স্বাভাবিক কর্মদিবসে এই সেতু ধরে গড়ে ২৫,০০০ যান চলাচল করে।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]