বিষয়বস্তুতে চলুন

হিব্রু ভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Hebrew language থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ইব্রীয়
  • ইব্রানি
  • হিব্রু
  • עִבְרִית
  • ࠏࠨࠁࠬࠓࠪࠉࠕ
  • ʿĪvrīt
আধুনিক ইব্রীয় (ওপরে) ও প্রত্ন-ইব্রীয় লিপিতে (নিচে) লেখা ইব্রীৎ
উচ্চারণআধুনিক: [ivˈʁit][note ১]
তিবিরীয়: [ʕivˈriθ]
ধ্রুপদী: [ʕibˈrit]
দেশোদ্ভবইসরায়েল
অঞ্চলপূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় দক্ষিণাঞ্চল
জাতি
বিলুপ্তমিশনা ইব্রীয় ৫ম শতাব্দীর মধ্যে কথ্যভাষা হিসেবে বিলুপ্ত হয়ে যায়, ধ্রুপদী ইব্রীয়ের পাশাপাশি ইহুদিধর্মের একটি স্তোত্রভাষা হিসেবে টিকে আছে[][][]
পুনর্জাগরণ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ৯ মিলিয়ন আধুনিক ইব্রীয়ভাষী, যার মধ্যে ৫ মিলিয়ন স্থানীয়ভাষী এবং ৩.৩ মিলিয়ন দ্বিতীয়ভাষী (২০১৮)[]
পূর্বসূরী
প্রমিত রূপ
রোমানিয়ৎ ইব্রীয়
উপভাষা
ইশারা ইব্রীয়[]
সরকারি অবস্থা
সরকারি ভাষা
ইসরায়েল (আধুনিক ইব্রীয়রূপে)[]
সংখ্যালঘু ভাষায় স্বীকৃত
নিয়ন্ত্রক সংস্থাইব্রীয় ভাষা আকাদেমি
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-১he
আইএসও ৬৩৯-২heb
আইএসও ৬৩৯-৩বিভিন্ন প্রকার:
heb  আধুনিক ইব্রীয়
hbo  ধ্রুপদী ইব্রীয় (স্তোত্র)
smp  শমরীয় ইব্রীয় (স্তোত্র)
obm  মোয়াবীয় (বিলুপ্ত)
xdm  ইদোমীয় (বিলুপ্ত)
গ্লোটোলগhebr1246[১৫]
লিঙ্গুয়াস্ফেরা12-AAB-a
এই নিবন্ধটিতে আধ্বব ধ্বনিমূলক চিহ্ন রয়েছে। সঠিক পরিবেশনার সমর্থন ছাড়া, আপনি ইউনিকোড অক্ষরের পরিবর্তে প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বক্স, অথবা অন্যান্য চিহ্ন দেখতে পারেন।

ইব্রীয়,[] ইব্রানি[] বা হিব্রু হল আফ্রো-এশীয় ভাষাপরিবারের অন্তর্গত একটি উত্তর-পশ্চিম শেমীয় ভাষা। এটি কনানীয় ভাষার একটি আঞ্চলিক উপভাষা ছিল এবং ইস্রায়েলীয়রা স্থানীয় ভাষারূপে এতে কথা বলত। ২০০ খ্রীষ্টাব্দোত্তর কাল পর্যন্ত এটি মাতৃভাষা হিসেবে এবং দ্বিতীয় মন্দির যুগ থেকে ইহুদিশমরীয়ধর্মের স্তোত্রভাষা হিসেবে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়েছে।[১৬] ১৯শ শতাব্দীতে এই ভাষাটিকে কথ্যভাষা হিসেবে পুনর্জীবিত করা হয়, যা বৃহৎ পরিসরে ভাষা পুনর্জাগরণের একমাত্র সফল উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে কথ্য অবস্থায় বিদ্যমান একমাত্র কনানীয় ভাষা হল ইব্রীয়। এছাড়া এটি সমকালীন বক্তাসম্পন্ন দুটি উত্তর-পশ্চিম শেমীয় ভাষার একটি, অন্যটি হল অরামীয়[১৭][১৮]

প্রত্ন-ইব্রীয় লিপিতে লেখা প্রাচীনতম নিদর্শনগুলো খ্রীষ্টপূর্ব দশম শতাব্দীর।[১৯] ইব্রীয় বাইবেলের প্রায় পুরো অংশই ধ্রুপদী ইব্রীয়তে রচিত; এর বর্তমান রূপের একটি বড় অংশ এমন এক উপভাষায় লেখা বলে গবেষকদের ধারণা, যা খ্রীষ্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীর আশপাশে—বাবিলীয় নির্বাসনের সময়—প্রচলিত ছিল। এই কারণেই প্রাচীনকাল থেকে ইহুদিরা ইব্রীয়কে লাশোন হাকোদেশ (לְשׁוֹן הַקֹּדֶש, আক্ষ. অনু.পবিত্র জিহ্বা) নামে অভিহিত করে আসছে। বাইবেলে এই ভাষাকে ইব্রীয় নামে ডাকা হয়নি; বরং Yehudit (অনু.যিহূদীয়) অথবা Səpaṯ Kəna'an (অনু.কনানদেশের ভাষা’) নামে উল্লেখ করা হয়েছে।[][note ২] মিশনা গিত্তিন ৯:৮ শ্লোকে ভাষাটিকে ইব্রীৎ তথা ইব্রীয় বলা হয়েছে; তবে মিশনা মেগিল্লায় ভাষাটিকে অশূরীৎ অর্থাৎ অশূরীয় বলা হয়েছে।[২০]

২০০ থেকে ৪০০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে কোনো এক সময়ে ইব্রীয় নিয়মিত কথ্যভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এর একটি প্রধান কারণ ছিল যিহূদিয়া প্রদেশের ইহুদিদের দ্বারা রোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে পরিচালিত ব্যর্থ বার কোখবা বিদ্রোহ-পরবর্তী পরিণাম।[২১][২২][note ৩] তখন অরামীয় এবং কিছুটা অল্পমাত্রায় গ্রীক ভাষা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল, বিশেষ করে সমাজের অভিজাত শ্রেণি ও অভিবাসীদের মধ্যে।[২৪] তবু ইব্রীয় মধ্যযুগ পর্যন্ত টিকে ছিল ইহুদি ধর্মীয় উপাসনা, রব্বীয় সাহিত্য, ইহুদি সমাজের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য এবং ইহুদি কাব্যসাহিত্যের ভাষা হিসেবে। ১৪৭৫ সালে আব্রাহাম গার্টন ইতালির রেজ্জো কালাব্রিয়া শহরে ইব্রীয় ভাষায় মুদ্রিত প্রথম তারিখযুক্ত বইটি প্রকাশ করেন।[২৫] ১৯শ শতকে সিয়োনবাদের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে ইব্রীয় ভাষা পূর্ণাঙ্গভাবে কথ্য ও সাহিত্যিক ভাষারূপে পুনর্জন্ম লাভ করে। প্রাচীন ভাষাটির আধুনিক রূপ নির্মাণে নেতৃত্ব দেন এলিয়েজের বেন-ইয়েহুদাআধুনিক ইব্রীয় ফিলিস্তিনের যিশুভ সমাজের প্রধান ভাষা হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[২৬][২৭]

বিশ্বব্যাপী ব্যবহারের হিসেবে ১৯৯৮ সালে ইব্রীয় ভাষাভাষীর সংখ্যা প্রায় ৫ মিলিয়ন ছিল[] এবং ২০১৩ সালে এই সংখ্যা ৯ মিলিয়নেরও বেশি বলে অনুমান করা হয়।[২৮] ইসরায়েলের বাইরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইব্রীয়ভাষীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—প্রায় ২,২০,০০০ জন সাবলীল বক্তা রয়েছে।[২৯] পুনরুজ্জীবনের আগের ইব্রীয় রূপগুলো আজও বিশ্বজুড়ে ইহুদি ও শমরীয় সম্প্রদায়ে প্রার্থনা বা অধ্যয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়; শমরীয়েরা তাদের ধর্মীয় ভাষা হিসেবে শমরীয় উপভাষাটি ব্যবহার করে। অপ্রথম ভাষা হিসেবে ইব্রীয় অধ্যয়ন করেন মূলত অনৈসরায়েলি ইহুদি, ইসরায়েলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, মধ্যপ্রাচ্যএর সভ্যতায় বিশেষজ্ঞ প্রত্নতাত্ত্বিক ও ভাষাবিদ এবং খ্রীষ্টীয় সেমিনারির ধর্মতাত্ত্বিকেরা।

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

আধুনিক ইংরেজি শব্দ Hebrew প্রাচীন ফরাসি Ebrau থেকে লাতিনের মাধ্যমে এসেছে, যা আবার প্রাচীন গ্রিক [Hebraîos] ত্রুটি: {{Transliteration}}: unrecognized transliteration standard: grc (সাহায্য) (Ἑβραῖος) ও অরামীয় ʿIḇray থেকে উদ্ভূত। এসবের মূল উৎস শেষ পর্যন্ত ধর্মপুস্তকীয় ইব্রীয় ʿĪḇrī (עברי), যা ইস্রায়েলীয় (ইহুদিশমরীয়) জাতির—অর্থাৎ ইব্রীয়দের—জন্য ব্যবহৃত একাধিক নামের একটি। প্রচলিতভাবে ধারণা করা হয়, এটি আদিপুস্তক ১০:২১-এ উল্লিখিত অব্রাহামের পূর্বপুরুষ এবরের নাম থেকে গঠিত একটি বিশেষণ।[৩০] এই নামটি শেমীয় ধাতু ʕ-b-r (ע־ב־ר) থেকে এসেছে বলে মনে করা হয়, যার অর্থ ‘অপর পারে’, ‘অন্যদিক’, বা ‘পার হয়ে’।[৩১] ফলে ইব্রীয় শব্দটির অর্থ সাধারণত ব্যাখ্যা করা হয় “অপর পারের মানুষ [নদী/মরুভূমির ওপার থেকে আগত]”—অর্থাৎ ইস্রায়েল ও যিহূদা ভূমির অধিবাসীদের জন্য একটি বহির্দেশীয় নাম, সম্ভবত মিসপতামিয়া, ফৈনীকিয়া বা আন্তঃযর্দনের দৃষ্টিকোণ থেকে। এখানে যে নদীর কথা বোঝানো হয়েছে, তা হতে পারে ফরাৎ, যর্দন বা লিতানি; অথবা সম্ভবত বাবিলকনানের মধ্যবর্তী উত্তর আরব মরুভূমি[৩২] একই অর্থবোধক শব্দ হিসেবে ʿআপিরু বা সমগোত্রীয় অশূরীয় ʿএব্রু শব্দের সঙ্গে তুলনা করা যায়।[৩৩]

ভাষাটির নাম হিসেবে ইব্রীৎ (ʿĪḇrīt)-এর প্রাচীনতম উল্লেখগুলোর একটি খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীর সিরাখ পুস্তকের ভূমিকায় পাওয়া যায়।[note ৪][স্পষ্টকরণ প্রয়োজন][৩৪] তানাখে ইব্রীয় জাতির ভাষা বোঝাতে ইব্রীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি;[৩৫] বরং পরবর্তী ঐতিহাসিক রচনায়, রাজাবলি পুস্তকে একে Yehudit (יְהוּדִית, আক্ষ.'যিহূদা বংশ')।[৩৬]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

হিব্রু ভাষার ইতিহাস বৈচিত্র্যময়। ২০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মুখের ভাষা হিসেবে এটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু লিখিত ভাষা হিসেবে এটি আরও বহু শতক টিকে থাকে। এটি ধর্ম, আইন, ব্যবসা, দর্শন ও চিকিৎসা বিষয়ক বহু বই লিখতে ব্যবহৃত হত। ১৯শ শতকের শেষে ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে কথ্য ভাষা হিসেবে এটির পুনর্জন্ম হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে (প্রধানত রাশিয়া থেকে) বর্তমান ইসরায়েলে (তৎকালীন ব্রিটিশ প্যালেস্টাইনে) ইহুদিরা তাদের নিজস্ব বিভিন্ন মাতৃভাষা যেমন আরবি, ইডিশ, রুশ, ইত্যাদির পরিবর্তে আধুনিক হিব্রু ভাষায় কথা বলা শুরু করেন। ১৯২২ সালে হিব্রু ব্রিটিশ প্যালেস্টাইনের সরকারি ভাষার মর্যাদা পায়।টেমপ্লেট:তথ্য সূত্র

ইসরায়েলে প্রায় ৬৫ লক্ষের বেশি লোক হিব্রু ভাষায় কথা বলেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রায় কয়েক লক্ষ লোক হিব্রুতে কথা বলেন। বর্তমানে আরবির পাশাপাশি হিব্রু ইসরায়েলের সরকারি ভাষা। আরব সেক্টরগুলি বাদে ইসরায়েলের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি কাজে হিব্রু ব্যবহার করা হয়। সরকারি স্কুলগুলিতে হয় হিব্রু বা আরবি ভাষায় শিক্ষাদান করা হয়, তবে আরবি স্কুলগুলিতে হিব্রু দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া বাধ্যতামূলক। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও হিব্রু ভাষাই শিক্ষাদানের মাধ্যম। ইসরায়েলের সংবাদপত্র, বই, রেডিও ও টেলিভিশনের প্রধান ভাষা হিব্রু।ref>A Brief History Of Hebrew</ref>

পুনর্জন্ম

[সম্পাদনা]

আধুনিক কথ্য ভাষা হিসেবে হিব্রুর পুনঃপ্রতিষ্ঠার নেপথ্যে ছিলেন এলিয়েজের বেন ইয়েহুদা নামের এক রুশ-বংশোদ্ভূত ইহুদি। তিনি ১৮৮১ সালে হিব্রু ভাষা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে তৎকালীন উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীন ব্রিটিশ প্যালেস্টাইনে আসেন। বেন ইয়েহুদা চাইতেন প্যালেস্টাইনে বসবাসরত ইহুদিরা কেবলই হিব্রু ভাষায় কথা বলুক। তিনি হিব্রুকে ঘরে ও বাইরে সমাজের সব ধরনের কাজের চাহিদা মেটাতে সক্ষম একটি ভাষা হিসেবে প্রচলন করার পরিকল্পনা নেন। এজন্য তিনি ইহুদি শিশুরা যাতে ছোটবেলা থেকেই হিব্রুতে শিক্ষা পায়, তার ব্যবস্থা করেন। এভাবে ধীরে ধীরে হিব্রু আবার একটি জীবিত ভাষায় পরিণত হয়। আজকে হিব্রু ইসরায়েলের সরকারি ভাষা।

জনপ্রিয় গ্রন্থ ও রচনা

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. ইব্রীয় লিপি: עִבְרִית, ʿĪvrīt, উচ্চারণ [ʔivˈʁit] বা [ʕivˈrit] ; শমরীয় লিপি: ࠏࠨࠁࠬࠓࠪࠉࠕ, ʿÎbrit; আরবি: الْعِبْرِيَّة, al-ʕibriyya
  2. আরবি: الْعِبْرَانِيَّة, al-ʕibrāniyya

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 Sáenz-Badillos (1993)
  2. H. S. Nyberg 1952. Hebreisk Grammatik. s. 2. Reprinted in Sweden by Universitetstryckeriet, Uppsala, 2006.
  3. এথ্‌নোলগে আধুনিক ইব্রীয় (১৯তম সংস্করণ, ২০১৬)
    এথ্‌নোলগে ধ্রুপদী ইব্রীয় (স্তোত্র) (১৯তম সংস্করণ, ২০১৬)
    এথ্‌নোলগে শমরীয় ইব্রীয় (স্তোত্র) (১৯তম সংস্করণ, ২০১৬)
    এথ্‌নোলগে মোয়াবীয় (বিলুপ্ত) (১৯তম সংস্করণ, ২০১৬)
    এথ্‌নোলগে ইদোমীয় (বিলুপ্ত) (১৯তম সংস্করণ, ২০১৬)
  4. 1 2 "Hebrew"Ethnologue। ১৪ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৮
  5. Meir, Irit; Sandler, Wendy (২০১৩)। A Language in Space: The Story of Israeli Sign Language
  6. "Basic Law: Israel – the Nation State of the Jewish People" (পিডিএফ)The Knesset। The State of Israel। ১০ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২০
  7. Pisarek, Walery। "The relationship between official and minority languages in Poland" (পিডিএফ)। European Federation of National Institutions for Language। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৭
  8. "Constitution of the Republic of South Africa, 1996 – Chapter 1: Founding Provisions | South African Government"www.gov.za। ১৮ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২০
  9. Yağmur, Kutlay (২০০১), Extra, G.; Gorter, D. (সম্পাদকগণ), "Turkish and other languages in Turkey", The Other Languages of Europe, Clevedon: Multilingual Matters, পৃ. ৪০৭–৪২৭, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫৩৫৯-৫১০-৩, ২০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৩, "Mother tongue" education is mostly limited to Turkish teaching in Turkey. No other language can be taught as a mother tongue other than Armenian, Greek, and Hebrew, as agreed in the Lausanne Treaty [...] Like Jews and Greeks, Armenians enjoy the privilege of an officially recognized minority status. [...] No language other than Turkish can be taught at schools or at cultural centers. Only Armenian, Greek, and Hebrew are exceptions to this constitutional rule.
  10. Zetler, Reyhan (২০১৪)। "Turkish Jews between 1923 and 1933 – What Did the Turkish Policy between 1923 and 1933 Mean for the Turkish Jews?" (পিডিএফ)Bulletin der Schweizerischen Gesellschaft für Judaistische Forschung (23): ২৬। ওসিএলসি 865002828। ১৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩
  11. Toktaş, Şule (২০০৬)। "EU enlargement conditions and minority protection : a reflection on Turkey's non-Muslim minorities"East European Quarterly (ইংরেজি ভাষায়)। ৪০ (4): ৪৮৯–৫১৯। আইএসএসএন 0012-8449। ১১ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩। পৃ. 514: This implies that Turkey grants educational right in minority languages only to the recognized minorities covered by the Lausanne who are the Armenians, Greeks and the Jews.
  12. Bayır, Derya (২০১৩)। Minorities and nationalism in Turkish law। Cultural Diversity and Law। Farnham: Ashgate Publishing। পৃ. ৮৯–৯০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৯৪-৭২৫৪-৪। ১৪ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩Oran farther points out that the rights set out for the four categories are stated to be the 'fundamental law' of the land, so that no legislation or official action shall conflict or interfere with these stipulations or prevail over them (article 37). [...] According to the Turkish state, only Greek, Armenian and Jewish non-Muslims were granted minority protection by the Lausanne Treaty. [...] Except for non-Muslim populations - that is, Greeks, Jews and Armenians - none of the other minority groups' language rights have been de jure protected by the legal system in Turkey.
  13. Questions and Answers: Freedom of Expression and Language Rights in Turkey। New York: Human Rights Watch। এপ্রিল ২০০২। ২০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩The Turkish government accepts the language rights of the Jewish, Greek and Armenian minorities as being guaranteed by the 1923 Treaty of Lausanne.
  14. [][১০][১১][১২][১৩]
  15. হ্যামারস্ট্রোম, হারাল্ড; ফোরকেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যাথ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "Hebrewic"গ্লোটোলগ ৩.০ (ইংরেজি ভাষায়)। জেনা, জার্মানি: মানব ইতিহাস বিজ্ঞানের জন্য ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট।
  16. Chomsky, William (১৯৫৭)। Hebrew: The Eternal Language (ইংরেজি ভাষায়)। Philadelphia: The Jewish Publication Society of America। পৃ. ১–১৩।
  17. Grenoble, Leonore A.; Whaley, Lindsay J. (২০০৫)। Saving Languages: An Introduction to Language Revitalization। United Kingdom: Cambridge University Press। পৃ. ৬৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-০১৬৫২-০। ৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৭Hebrew is cited by Paulston et al. (1993:276) as 'the only true example of language revival.'
  18. Fesperman, Dan (২৬ এপ্রিল ১৯৯৮)। "Once 'dead' language brings Israel to life Hebrew: After 1,700 years, a revived language becomes a common thread knitting together a nation of immigrants with little in common except religion"The Baltimore Sun। Sun Foreign Staff। ২৯ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৭
  19. "Most ancient Hebrew biblical inscription deciphered"। Physorg.com। ৭ জানুয়ারি ২০১০। ২৭ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০১৩
  20. Hoffman, Joel M. In the Beginning : A Short History of the Hebrew Language. New York, New York University Press, 2006, p. 169.
  21. Sáenz-Badillos (1993), p. 171 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে
  22. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; OxfordDictionaryChristianChurch নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  23. Sáenz-Badillos (1993), p. 170–171
  24. "If you couldn't speak Greek by say the time of early Christianity you couldn't get a job. You wouldn't get a good job. A professional job. You had to know Greek in addition to your own language. And so you were getting to a point where Jews... the Jewish community in, say, Egypt and large cities like Alexandria didn't know Hebrew anymore, they only knew Greek. And so you need a Greek version in the synagogue." – Josheph Blankinsopp, Professor of Biblical Studies University of Notre Dame in A&E's Who Wrote the Bible
  25. "Abraham Ben Isaac Ben Garton"Encyclopedia.com। ২৭ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২২
  26. "Arabic Downgraded in Israel"Language Magazine (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ আগস্ট ২০১৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২৪
  27. Holmes, Oliver; Balousha, Hazem (১৯ জুলাই ২০১৮)। "'One more racist law': reactions as Israel axes Arabic as official language"The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২৪
  28. "'Kometz Aleph – Au': How many Hebrew speakers are there in the world?"। Nachman Gur for Behadrey Haredim। ৪ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৩
  29. "Table 53. Languages Spoken at Home by Language: 2009", The 2012 Statistical Abstract, U.S. Census Bureau, ২৫ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১১
  30. Genesis 10:21.
  31. "5676. עֵ֫בֶר (eber) – region across or beyond, side"। Strong's Hebrew: 5676. עֵ֫בֶר (Eber) -- Region beyond, side, other side, acrossStrong's Hebrew। ১৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৮ Biblehub.com এর মাধ্যমে।
  32. הספריה של מט"ח (হিব্রু ভাষায়)। Lib.cet.ac.il। ২ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০১৩
  33. Muss-Arnolt, William (১৯০৫)। "ebru (3)"। A Concise Dictionary of the Assyrian Languages। Reuther & Reichard। পৃ. ৯।
  34. Xeravits, Géza; Zsengellér, József (২৫ জুন ২০০৮)। Studies in the Book of Ben Sira: Papers of the Third International Conference on the Deuterocanonical Books, Shime'on Centre, Pápa, Hungary, 18–20 May, 2006। Brill। পৃ. ৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-১৬৯০৬-৭
  35. Barton, John, ed. (2004) [2002]. The Biblical World. 2. Taylor & Francis. p. 7.
  36. 2 Kings 18:26.

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
  1. সেফার্দি: [ʕivˈɾit]; ইরাকি: [ʕibˈriːθ]; ইয়েমেনি: [ʕivˈriːθ]; আশকেনাজি: [ivˈʀis] বা [ivˈris], কট্টর উচ্চারণ [ʔivˈris] বা [ʔivˈʀis].
  2. যোসেফুস এবং সাধু যোহন লিখিত সুসমাচারের মতো পরবর্তী হেলেনীয় লেখকেরা Hebraisti শব্দটির দ্বারা ইব্রীয় ও অরামীয় উভয় ভাষাকেই বুঝিয়েছেন।[]
  3. Sáenz-Badillos, Ángel (1993): "There is general agreement that two main periods of RH (Rabbinical Hebrew) can be distinguished. The first, which lasted until the close of the Tannaitic era (around 200 CE), is characterized by RH as a spoken language gradually developing into a literary medium in which the Mishnah, Tosefta, baraitot and Tannaitic midrashim would be composed. The second stage begins with the Amoraim and sees RH being replaced by Aramaic as the spoken vernacular, surviving only as a literary language. Then it continued to be used in later rabbinic writings until the tenth century in, for example, the Hebrew portions of the two Talmuds and in midrashic and haggadic literature."[২৩]
  4. See original text
উদ্ধৃতি ত্রুটি: "note" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="note"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি