বাঘ হাঙ্গর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাঘা হাঙ্গর
সময়গত পরিসীমা: ৫.০–০কোটি[১] Early Eocene to Present
Tiger shark.jpg
সংরক্ষণ অবস্থা
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Chondrichthyes
উপশ্রেণী: Elasmobranchii
বর্গ: Carcharhiniformes
পরিবার: Carcharhinidae
গণ: Galeocerdo
J. P. Müller & Henle, 1837
প্রজাতি: G. cuvier
দ্বিপদী নাম
Galeocerdo cuvier
Péron & Lesueur, 1822
Cypron-Range Galeocerdo cuvier.svg
Tiger shark range
প্রতিশব্দ

Squalus cuvier Peron and Lessueur, 1822
Galeocerdo tigrinus Müller and Henle, 1837

বাঘা হাঙ্গর[৩] (বৈজ্ঞানিক নাম:Galeocerdo cuvier) (ইংরেজি: Tiger shark) হচ্ছে কার্চানিডি পরিবারের এক প্রজাতির হাঙ্গর। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের রক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকার তফসিল ১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]

নামকরণ[সম্পাদনা]

বাঘ হাঙ্গর বা টাইগার শার্কের গায়ে উলম্ব ডোরাকাটা দাগ আছে। আর এ কারণেই এ হাঙ্গরের নাম হয়েছে টাইগার শার্ক বা বাঘ হাঙ্গর। তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে দাগগুলো মিলিয়ে যায় ।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

মানুষখেকো হিসাবে হোয়াইট শার্কের পরেই টাইগার শার্কের অবস্থান । নির্বিচার খাদক হিসাবে এর পরিচিতি রয়েছে । ময়লা আবর্জনা খেতেও ভালোবাসে । তাই একে বলা হয় – “সমুদ্রের ময়লা ফেলা ঝুড়ি” । এর চোয়াল অত্যন্ত শক্তিশালি ফলে এটি সামদ্রিক কচ্ছপের খোলস ভেঙে ফেলতে পারে । বাঘ হাঙ্গর ঘন্টায় ২০ মাইল এবং একদিনে ৫০ মাইল পর্যন্ত সাঁতার কাটতে পারে। এরা দিনের বেলায় সমুদ্রের গভীরে আর রাতে অগভীর সমুদ্রে বিচরণ করে। এরা নিশাচর প্রাণী।[৪]

আকার ও ওজন[সম্পাদনা]

এটি প্রায় ১১-২৪(সর্বোচ্চ) ফিট পর্যন্ত লম্বা হয় এবং ওজন প্রায় ৩৮৫-৬৫০ কেজি ।

প্রধান খাদ্য[সম্পাদনা]

সিল, সী লায়ন, অক্টোপাস, স্কুইড, ছোট হোয়েল, সাপ, কচ্ছপ, পাখি ইত্যাদি ।

প্রজনন[সম্পাদনা]

বিচরণের এলাকা[৫][সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Sepkoski
  2. "Galeocerdo cuvier"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2013.2প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। ২০০৫। সংগৃহীত ২০১৪-০৫-২৬ 
  3. ৩.০ ৩.১ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা- ১১৮৫০১
  4. মানুষখেকো হাঙ্গর
  5. মেরিনবায়ো ওয়েব পৃষ্ঠা

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]