প্লাইমাউথ
| প্লাইমাউথ | |
|---|---|
| শহর ও একক কর্তৃপক্ষ | |
উপরে থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে: ওয়েস্ট হো, স্মিটন'স টাওয়ার, প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, রয়্যাল উইলিয়াম ইয়ার্ড, ন্যাশনাল মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম, সাউথসাইড সেন্ট, বারবিকান | |
| ডাকনাম: ব্রিটেন'স ওশান সিটি | |
| নীতিবাক্য: Turris fortissima est nomen Jehova "The name of Jehovah is the strongest tower"[১] | |
ডেভন ও ইংল্যান্ডের মধ্যে প্লাইমাউথকে দেখানো হয়েছে | |
| স্থানাঙ্ক: ৫০°২২′১৭″ উত্তর ৪°০৮′৩২″ পশ্চিম / ৫০.৩৭১৩৯° উত্তর ৪.১৪২২২° পশ্চিম | |
| সার্বভৌম রাষ্ট্র | যুক্তরাজ্য |
| দেশ | ইংল্যান্ড |
| অঞ্চল | দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ড |
| আনুষ্ঠানিক কাউন্টি | ডেভন |
| শহর পদমর্যাদা | ১৯২৮ |
| একক কর্তৃপক্ষ | ১৯৯৮ |
| সরকার | |
| • ধরন | নগর পরিষদ |
| • শাসক | প্লাইমাউথ সিটি কাউন্সিল |
| • কার্যনির্বাহী | এনওসি |
| • লর্ড মেয়র | স্যাম ডেভি[২] |
| • সদর দপ্তর | সিভিক সেন্টার প্রিসিন্ট |
| • ওয়ার্ড | ২০ |
| • এমপি | জনি মার্সার (সি) লুক পোলার্ড (এল) |
| আয়তন[৩] | |
| • মোট | ৩০.৮২ বর্গমাইল (৭৯.৮৩ বর্গকিমি) |
| এলাকার ক্রম | ২৩৫তম (৩০৯ টির মধ্যে) |
| সর্বোচ্চ উচ্চতা | ৫০৯ ফুট (১৫৫ মিটার) |
| সর্বনিন্ম উচ্চতা | ০ ফুট (০ মিটার) |
| জনসংখ্যা (অনুমানিক, ২০১৯-এর মাঝামাঝি) | |
| • মোট | ২,৬২,১০০ |
| • ক্রম | ৬২তম (৩০৯ টির মধ্যে) |
| • জনঘনত্ব | ৮,৫০০/বর্গমাইল (৩,৩০০/বর্গকিমি) |
| • ডেমোনিম | প্লাইমোথিয়ান (আনুষ্ঠানিক) জ্যানার (অনানুষ্ঠানিক) |
| সময় অঞ্চল | জিএমটি (ইউটিসি০) |
| • গ্রীষ্মকালীন (দিসস) | বিএসটি (ইউটিসি+১) |
| পোস্টকোড জেলা | পিএল–১৯ |
| এলাকা কোড | ০১৭৫২ |
| ওয়েবসাইট | www |
প্লাইমাউথ দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডের একটি বন্দর শহর ও একক কর্তৃপক্ষ। এটি ডেভনের দক্ষিণ উপকূলে, এক্সেটারের প্রায় ৩৭ মাইল (৬০ কিমি) দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং লন্ডনের ১৯০ মাইল (৩১০ কিলোমিটার) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এটি পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমে কর্নওয়াল দ্বারা সীমানাযুক্ত।
প্লাইমাউথের প্রাথমিক ইতিহাস ব্রোঞ্জ যুগ পর্যন্ত প্রসারিত, সেই সময়ে মাউন্ট ব্যাটেনে প্রথম বসতি গড়ে ওঠে। এই বসতিটি রোমান সাম্রাজ্যের জন্য একটি বাণিজ্য পোস্ট বা ঘাঁটি হিসাবে অব্যাহত ছিল, যতক্ষণ না এটিকে নবম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত আরও সমৃদ্ধ সাটন গ্রাম অতিক্রম করে, যা এখন প্লাইমাউথ নামে পরিচিত। তীর্থযাত্রী ফাদাররা ১৬২০ সালে প্লাইমাউথ থেকে নিউ ওয়ার্ল্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন ও প্লাইমাউথ কলোনি প্রতিষ্ঠা করেন, যা এখন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ইংরেজ বসতি। শহরটি ইংরেজ গৃহযুদ্ধের সময় পার্লামেন্টেরিয়ান্সদের দখলে ছিল এবং ১৬৪২ সাল থেকে ১৬৪৬ সালের মধ্যে অবরোধ করা হয়েছিল।
প্লাইমাউথ শহরটি শিল্প বিপ্লবের সময় একটি বাণিজ্যিক শিপিং বন্দর হিসাবে বেড়ে ওঠে, আমেরিকা থেকে আমদানি ও যাত্রীদের পরিচালনা এবং স্থানীয় খনিজ (টিন, তামা, চুন, চীনামাটি ও আর্সেনিক) রপ্তানি করে। প্রতিবেশী ডেভনপোর্ট নগরটি তার শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডের জন্য রয়্যাল নৌবাহিনীর কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্লাইমাউথের কাউন্টি বরো, ডেভনপোর্টের কাউন্টি বরো ও পূর্ব স্টোনহাউসের শহুরে জেলা নামের তিনটি প্রতিবেশী স্বাধীন শহর ১৯১৪ সালে একত্রিত হয়ে প্লাইমাউথের কাউন্টি বরোতে পরিণত হয়। এটি ১৯২৮ সালে শহরের মর্যাদা অর্জন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, শহরের নৌ-গুরুত্বের কারণে, জার্মান সামরিক বাহিনী বোমা হামলার মাধ্যমে শহরটিকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং আংশিকভাবে ধ্বংস করে, যা প্লাইমাউথ ব্লেৎজ নামে পরিচিত। যুদ্ধের পরে শহরের কেন্দ্রস্থল সম্পূর্ণরূপে পুনর্নির্মাণ করা হয়। পরবর্তী সম্প্রসারণের ফলে ১৯৬৭ সালে প্লাইম্পটন, প্লাইমস্টক ও অন্যান্য অদূরবর্তী শহরতলির অন্তর্ভুক্তি ঘটে।
শহরটিতে ২,৬২,১০০ জন (আনুমানিক, ২০১৯-এর মাঝামাঝি) লোক বাস করে, এটি যুক্তরাজ্যের ৩০-তম জনবহুল নির্মানাধীন এলাকা এবং ব্রিস্টলের পরে দক্ষিণ পশ্চিমের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এটি স্থানীয়ভাবে প্লাইমাউথ সিটি কাউন্সিল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং তিনজন এমপি জাতীয়ভাবে প্রতিনিধিত্ব করেন। প্লাইমাউথের অর্থনীতি জাহাজ নির্মাণ ও সমুদ্রপথে চলাচলের দ্বারা দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত, কিন্তু ১৯৯০-এর দশক থেকে একটি পরিষেবা ভিত্তিক অর্থনীতির দিকে ঝুঁকছে পরেছে। শহরটি থেকে ব্রিটানি (রসকফ ও সেন্ট মালো) ও স্পেনের (স্যান্টান্ডার) ফেরি সংযোগ রয়েছে। এখানে পশ্চিম ইউরোপের বৃহত্তম পরিচালনাগত নৌ ঘাঁটি এইচএমএনবি ডেভনপোর্ট এবং প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। প্লাইমাউথকে বন্দর-শহরের শ্রেণিবিন্যাসের জন্য সাউদাম্পটন ব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি ছোট-বন্দর শহর হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।[৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]প্রারম্ভিক ইতিহাস
[সম্পাদনা]স্থানীয় গুহায় হোমো সেপিয়েন্সের হাড়সহ প্রারম্ভিক প্যালিওলিথিক বস্তু পাওয়া গেছে,[৫] এবং ব্রোঞ্জ যুগ থেকে মধ্য লৌহ যুগের প্রত্নবস্তুসমূহ মাউন্ট ব্যাটেনে পাওয়া গেছে,[৬] যা প্রমাণ করে যে এটি প্রাক-রোমান ব্রিটানিয়ার কয়েকটি প্রধান বাণিজ্য বন্দরের মধ্যে একটি ছিল, যেটি আর্মোরিকার সঙ্গে মহাদেশীয় বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তার করে।[৭] তামারি অস্তিয়া (মুখ/তামারির মোহনা) নামে একটি অজ্ঞাত বসতি টলেমির জিওগ্রাফিয়াতে তালিকাভুক্ত রয়েছে এবং এটি আধুনিক প্লাইমাউথ শহরের এলাকায় অবস্থিত বলে ধারণা করা হয়।[৮] পূর্বে লিনহাম ওয়ারেনেতে এবং উত্তরে বোরিংডন ক্যাম্প[৯] ও উত্তরে মেরিস্টো ক্যাম্পে প্রাচীন পাহাড়দুর্গের সাথে প্লাইমাউথ সাউন্ডের[১০] মুখে রেম হেডে একটি প্রাচীন প্রমোনটরি দুর্গ অবস্থিত ছিল।
বর্তমান প্লাইমাউথের পরিবর্তে প্লাইম নদীর আরও উজানে প্লাম্পটনের বসতিও একটি প্রাথমিক বাণিজ্য বন্দর ছিল। ১১তম শতকের গোড়ার দিকে নদীতে পলি জমে যাওয়ায়, নাবিক ও বণিকরা নদীর মোহনার নিকট বর্তমান সময়ের বারবাকেনে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছিল।[১১] সেই সময়ে এই গ্রামটিকে সাটেন বলা হত, প্রাচীন ইংরেজি ভাষাতে যার অর্থ দক্ষিণ শহর।[১১] প্লাইম মাউথ নামটি প্রথম ১২১১ সালের একটি পাইপ রোলে উল্লেখ করা হয়েছিল, যার অর্থ "প্লাইম নদীর মোহনা"।[১২] রাজা হেনরি ষষ্ঠের ১৪৪০ সালের একটি সনদে প্লাইমাউথ নামটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সাটেন নামকে প্রতিস্থাপন করে।[১৩] প্লাইম নামের উৎপত্তির জন্য প্লেম্পটন দেখুন।
প্লাইমাউথ ডক, নৌ শক্তি ও ফাউলস্টন
[সম্পাদনা]প্লাইমাউথ ১৭ তম শতক জুড়ে ধীরে ধীরে একটি বাণিজ্য বন্দর হিসাবে তার প্রাধান্য হারিয়েছিল। ১৭ তম শতকের মাঝামাঝি সময়ে, ইংল্যান্ডের অন্যত্র উৎপাদিত পণ্যসমূহ প্লাইমাউথে পরিবহনের জন্য অনেক বেশি খরচ হত এবং শহরে উপনিবেশসমূহের থেকে প্রধান পণ্য চিনি বা তামাক আমদানি প্রক্রিয়াকরণের কোনো উপায় ছিল না। স্থানীয় নাবিকরা জলদস্যুতার দিকে ঝুঁকে পরেন, যেমন হেনরি এভরি কুখ্যাত হয়েছিলেন, লন্ডন নাটক দ্য সাকসেসফুল পাইরেটে সুপ্রসিদ্ধ হয়েছিল। এটি ১৮তম শতকের গোড়ার দিকে আটলান্টিকের ক্রীতদাস বাণিজ্য একটি ভূমিকা পালন করেছিল, যদিও এটি তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল।[১৪]
নিকটবর্তী প্যারিশ বা যাজকপল্লী স্টোক ডেমেরেলের প্রথম ডকইয়ার্ড এইচএমএনবি ডেভনপোর্ট ১৬৯০ সালে তামার নদীর পূর্ব তীরে খোলা হয়েছিল। এখানে ১৭২৭ সাল, ১৭৬২ সাল ও ১৭৯৩ সালে আরও ডক তৈরি করা হয়েছিল।[১] এখানে যে বসতি গড়ে উঠেছিল, তাকে সেই সময়ে "ডক" বা "প্লাইমাউথ ডক" বলা হত,[১৫] এবং প্লাইমাউথ থেকে পৃথক একটি নতুন নগর বেড়ে ওঠে। ১৭১২ সালে ৩১৮ জন পুরুষ নিযুক্ত ছিল এবং ১৭৩৩ সালের মধ্যে জনসংখ্যা ৩,০০০ জনে উন্নীত হয়।[১১]
প্লাইমাউথের প্রধান আমদানি দ্রব্য ১৮তম শতকের শেষার্ধের আগে শস্য, কাঠ ও তারপরে কয়লা ছিল।[১৬] এই সময়ে সম্পদের প্রকৃত উৎস ছিল পার্শ্ববর্তী শহর প্লাইমাউথ ডক (১৮২৪ সালে নাম পরিবর্তন করে ডেভনপোর্ট করা হয়) এবং ডকইয়ার্ড ছিল সমগ্র অঞ্চলের প্রধান নিয়োগকর্তা।[১১] প্লাইমাউথ, স্টোনহাউস ও ডেভনপোর্টের সমাহার তিনটি নগর ১৮তম শতকের শেষের দিকে ও ১৯তম শতকের গোড়ার দিকে কিছুটা সমৃদ্ধি উপভোগ করেছিল এবং লন্ডনের স্থপতি জন ফাউলস্টন দ্বারা নকশাকৃত নব্য-শাস্ত্রীয় শহুরে উন্নয়নের একটি সিরিজ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়েছিল।[১৭] জন ফাউলস্টন ডেভনপোর্ট ও প্লাইমাউথ উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং বেশ কয়েকটি গ্র্যান্ড পাবলিক ভবনের নির্মাণে অবদান রাখেন, অ্যাথেনিয়াম, থিয়েটার রয়্যাল ও রয়্যাল হোটেল এবং ইউনিয়ন স্ট্রিটের অনেক অংশ সহ[১৭] অনেকগুলি এখন ধ্বংস হয়ে গেছে।[১৮]
সরকার
[সম্পাদনা]স্থানীয় সরকারের ইতিহাস
[সম্পাদনা]প্লাইমাউথে একটি বসতির অস্তিত্বের প্রথম নথিভুক্ত ১০৮৬ সালে ডোমসডে বইতে সাউডটোন হিসাবে ছিল, স্যাক্সন ফর সাউথ ফার্ম, যা বর্তমানের বারবিকানে অবস্থিত।[১] স্যাক্সন সময় থেকে, এটি রবরোর হানড্রেড ছিল।[১৯] এটি ১২৫৪ সালে একটি শহর হিসাবে মর্যাদা লাভ করে এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শহর হিসাবে ১৪৩৯ সালে পার্লামেন্ট থেকে একটি সনদ অর্জন করে।[১] প্লাইমাউথে ১৪৩৯ সাল থেক ১৯৩৪ সালের মধ্যে একজন মেয়র ছিলেন।[২০] একটি একক কাউন্টি বরো প্লাইমাউথ গঠনের জন্য প্লাইমাউথ কাউন্টি বরো, ডেভনপোর্ট কাউন্টি বরো ও পূর্ব স্টোনহাউসের শহুরে জেলা ১৯১৪ সালে একীভূত হয়।[১১] সম্মিলিতভাবে তাদের "তিন নগর" হিসাবে উল্লেখ করা হয়।[২১]
নগর পরিষদ
[সম্পাদনা]প্লাইমাউথ শহরটি ২০ টি ওয়ার্ডে বিভক্ত, যার মধ্যে ১৭ টি তিনজন করে কাউন্সিলর নির্বাচন করে এবং বাকি ৩ টি দুইজন করে কাউন্সিলর নির্বাচন করে, ফলে মোট ৫৭ জনের কাউন্সিল গঠিত হয়।[২২] প্রতি বছর কাউন্সিলের এক তৃতীয়াংশ সদস্য পরপর তিন বছর নির্বাচনের জন্য থাকে – পরের "চতুর্থ" বছরে কোন নির্বাচন হয় না, যখন কাউন্টি কাউন্সিল নির্বাচন হয়।[২২] প্লাইমাউথের সংসদীয় নির্বাচনী এলাকায় ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে মোট নির্বাচকমণ্ডলী হিসাবে ১,৯০,০০৬ জন ছিল।[২৩] প্লাইমাউথে ২০১৯ সালের মে মাস থেকে একটি শ্রম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিল ছিল।[২৪] প্লাইমাউথ সিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের ব্রেস্ত (১৯৬৩), পোল্যান্ডের গিদিনিয়া (১৯৭৬), রাশিয়ার নভোরোসিয়েস্ক (১৯৯০) স্পেনের সেন্ট সেবাস্তিয়ান (১৯৯০) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্লাইমাউথের (২০০১) সঙ্গে ভগিনী শহর হিসাবে যুক্ত রয়েছে।[২৫]
রাজা পঞ্চম জর্জ কর্তৃক ১৯৩৫ সালে প্লাইমাউথকে লর্ড মেয়রের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল।[২৬] এই পদটি প্রতি বছর ছয়জন কাউন্সিলরের একটি গ্রুপ দ্বারা নির্বাচিত হয়। এটা ঐতিহ্যগত, যে লর্ড মেয়রের পদ প্রতি বছর কনজারভেটিভ পার্টি ও লেবার পার্টির মধ্যে পরিবর্তন হয় এবং লর্ড মেয়র ডেপুটি লর্ড মেয়রকে নির্বাচন করেন।[২৬] পদটিতে কনজারভেটিভ কাউন্সিলর ড. জন মাহনি ২০১৫-১৬ সালের জন্য দায়িত্বশীল ছিলেন।[২]
ভূগোল
[সম্পাদনা]
প্লাইমাউথ পূর্বে প্লাইম নদী ও পশ্চিমে তামার নদীর মধ্যে অবস্থিত; উভয় নদী প্লাইমাউথ সাউন্ডের প্রাকৃতিক বন্দরে প্রবাহিত হয়।[২৭] ১৯৬৭ সাল থেকে, প্লাইমাউথের একক কর্তৃপক্ষ প্লাইম্পটন ও প্লাইমস্টক শহরগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা প্লাইম নদীর পূর্বে অবস্থিত।[১১] তামর নদী ডেভন ও কর্নওয়ালের মধ্যে কাউন্টি সীমানা গঠন করে এবং এর মোহনা হামোজে অবস্থিত, এই মোহনায় ডেভনপোর্ট ডকইয়ার্ড অবস্থিত।[২৭]
উত্তর-পূর্বে ডার্টমুর থেকে প্রবাহিত প্লাইম নদী শহরটির পূর্ব দিকে একটি ছোট মোহনা তৈরি করেছে, যাকে ক্যাটেওয়াটার বলা হয়। প্লাইমাউথ সাউন্ড ১৮১৪ সাল থেকে ব্যবহৃত প্লাইমাউথ ব্রেকওয়াটার দ্বারা সমুদ্র থেকে সুরক্ষিত।[২৮] সাউন্ডে ড্রেক'স দ্বীপ রয়েছে, যা চুনাপাথরের পাহাড়ের উপরে অবস্থিত একটি সমতল সর্বসাধারণের এলাকা প্লাইমাউথ হো থেকে দেখা যায়।[২৯] প্লাইমাউথের ইউনিটারি অথরিটির আয়োতন ৭৯.৮৩ বর্গ কিলোমিটার (৩০.৮২ বর্গ মাইল)।[৩] সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ভূসংস্থান রোবরাতে অর্ডন্যান্স ডেটাম (এওডি) থেকে প্রায় ৫০৯ ফুট (১৫৫ মিটার) উচ্চতায় উঠে যায়।[৩০]
প্লাইমাউথে ভূতাত্ত্বিকভাবে চুনাপাথর, ডেভোনিয়ান স্লেট, গ্রানাইট ও মধ্য ডেভোনিয়ান চুনাপাথরের মিশ্রণ রয়েছে।[৩১] ভূতত্ত্বের কারণে প্লাইমাউথ সাউন্ড, শোজ ও ক্লিফস একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক আগ্রহের স্থান।[৩২] শহরের বেশিরভাগ অংশ উচ্চ ডেভোনিয়ান স্লেট ও শেলসমূহের উপর নির্মিত এবং প্লাইমাউথ সাউন্ডের প্রবেশপথের হেডল্যান্ডসমূহ নিম্ন ডেভোনিয়ান স্লেট দ্বারা গঠিত, যা সমুদ্রের শক্তিকে সহ্য করতে সক্ষম।[৩১]
মধ্য ডেভোনিয়ান চুনাপাথরের একটি ব্যান্ড পশ্চিমে ক্রিমাইল থেকে পূর্বে প্লাইমস্টক পর্যন্ত চলে গেছে।[৩১] স্থানীয় চুনাপাথর প্লাইমাউথ জুড়ে অসংখ্য ভবন, দেয়াল ও ফুটপাথে দেখা যেতে পারে।[৩১] শহরের উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ডার্টমুরে গ্রানাইট সঞ্চিত রয়েছে; যেখানে গ্রানাইট খনন করা হয়েছিল এবং প্লাইমাউথের মাধ্যমে রপ্তানি করা হয়েছিল।[৩১] ডার্টমুর থেকে তামার নদীর দ্বারা বাহিত হয়ে আসা শিলাসমূহের মধ্যে টিন, তামা, টাংস্টেন, সীসা ও অন্যান্য খনিজযুক্ত আকরিক রয়েছে। প্লাইমাউথের দক্ষিণ প্রান্তে ও প্লাইমস্টকের মধ্যবর্তী ডেভোনিয়ান চুনাপাথরের বেল্টটি ওয়েস্ট হো, ক্যাটডাউন ও র্যাডফোর্ডে খনন করা হয়েছিল বলে প্রমাণ রয়েছে।[৩৩]
জনসংখ্যা
[সম্পাদনা]অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস ২০১১ সালের আদমশুমারি থেকে প্রকাশ করে যে প্লাইমাউথের একক কর্তৃপক্ষ এলাকার জনসংখ্যা ২,৫৬,৩৮৪ জন ছিল;[৩৪] [96] ২০০১ সালের শেষ আদমশুমারির তুলনায় ১৫,৬৬৫ জন বেশি, যা নির্দেশ করে যে ২০০১ সালে প্লাইমাউথের জনসংখ্যা ২,৪০,৭২০ জন ছিল।[৩৫] ২০১১ সালে প্লাইমাউথ শহুরে এলাকার (শহুরে বিস্তৃতি, যা কর্তৃপক্ষের সীমানার বাইরে প্রসারিত) জনসংখ্যা ২,৬০,২০৩ জন ছিল। শহরের গড় পরিবারের আকার ছিল ২.৩ জন।[৩৬][৩৭] ২০১১-এর যুক্তরাজ্যের আদমশুমারির সময়, প্লাইমাউথের জনসংখ্যার জাতিগত গঠনে ৯৬.২% শ্বেতাঙ্গ (৯২.৯% শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ) ছিল, যেখানে বৃহত্তম সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী হিসাবে চীনারা ০.৫% ছিল।[৩৪] ২০০১ সালের আদমশুমারি থেকে শ্বেতাঙ্গ আইরিশ জাতিগোষ্ঠীদের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি হ্রাস (−২৪%) পেয়েছে, যেখানে অন্যান্য এশীয় ও কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের জনসংখ্যা বেশি বৃদ্ধি (যথাক্রমে ৩৬০% ও ৩৫১%) ঘটেছে।[৩৪][৩৮] এটি ২০১১ সালের আদমশুমারিতে যোগ করা দুটি নতুন জাতিগোষ্ঠী জিপসি বা আইরিশ ভ্রমণকারী ও আরবদের বাদ দেয়। ১৯ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, কিন্তু ১৯৩১ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা ১.৬% এরও বেশি হ্রাস পায়।
প্লাইমাউথের মোট মূল্য সংযোজন (এর অর্থনীতির আকারের একটি পরিমাপ) পরিমাণ ২০১৩ সালে ৫,১৬৯ মিলিয়ন জিবিপি ছিল, যা ডেভনের জিভিএ-এর ২৫% গঠন করে।[৩৯] এর জনপ্রতি জিভিএ ছিল £১৯,৯৪৩ ছিল এবং জাতীয় গড় £২৩,৭৭৫ এর তুলনায় £৩,৮১২ কম।[৩৯] প্লাইমাউথের বেকারত্বের হার ২০১৪ সালে ৭.০% ছিল, যা দক্ষিণ পশ্চিমের গড় থেকে ২.০ পয়েন্ট বেশি এবং গ্রেট ব্রিটেনের (ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ড) গড় থেকে ০.৮ পয়েন্ট বেশি।[৪০]
ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের একটি ২০১৪ প্রোফাইল দেখায় যে প্লাইমাউথের দারিদ্র্য ও বঞ্চনার মাত্রা গড় চেয়ে মাত্রার থেকে বেশি ( জাতীয়ভাবে ২৬.২% জনসংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্রতম ২০.৪%)।[৪১] পুরুষদের জন্য আয়ুষ্কাল ৭৮.৩ বছর এবং মহিলাদের জন্য আয়ুষ্কাল ৮২.১ বছর, যা ইংল্যান্ডের দক্ষিণ পশ্চিমের যেকোনো অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্ন ছিল।
| জাতিগোষ্ঠী | প্রতিনিধিত্ব, ২০১১ | ২০০১ সাল থেকে পরিবর্তন |
|---|---|---|
| শ্বেতাঙ্গ | ৯৬.১৫% | −২% |
| মিশ্র | ১.২৮% | +৯৮% |
| এশীয় | ১.৫২% | +১৫৭% |
| কৃষ্ণাঙ্গ | ০.৬৫% | +২৪৯% |
| অন্যান্য | ০.৩৯% | +৮৩% |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "Brief history of Plymouth"। Plymouth City Council। ৬ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 "The Lord Mayor"। Plymouth City Council। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 টেমপ্লেট:United Kingdom district population citation
- ↑ https://www.tandfonline.com/doi/full/10.1080/03088839.2020.1802785
- ↑ Andrew T. Chamberlain; Keith W. Ray; Charlotte Henderson; Richard Welton Fisher (১৯৯৪)। A Catalogue of Quaternary Fossil-bearing Cave Sites in the Plymouth Area। Plymouth City Archaeology। আইএসবিএন ১-৮৫৫২২-৩৪৫-৭।
- ↑ ঐতিহাসিক ইংল্যান্ড। "Mount Batten (1017598)"। ইংল্যান্ডের জন্য জাতীয় ঐতিহ্য তালিকা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ Cunliffe, Barry (২০০৪)। "Britain and the Continent:Networks of Interaction"। Malcolm Todd (সম্পাদক)। A Companion to Roman Britain। Blackwell Publishing। পৃ. ৩। আইএসবিএন ০-৬৩১-২১৮২৩-৮। ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ Denis Larionov; Alexander Zhulin। "Read the ebook Geographia classica, or, The application of antient geography to the classics by Samuel Butler"। Ebooksread.com। ২১ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Wasteberry Camp"। ১৭ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Rame Head"। ১৬ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 "The early history of Plymouth"। Plymouth City Council। ৯ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ Gill, Crispin (১৯৭৯)। Plymouth, A New History। Newton Abbot: David and Charles। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৫৩-৭৬১৭-১। (Quoted in Moseley, Brian (২ জানুয়ারি ২০১১)। "Plymouth – a History"। The Encyclopaedia of Plymouth History। Plymouth Data। ২৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।)
- ↑ Moseley, Brian (২৪ জুন ২০১৩)। "Place Names"। The Encyclopaedia of Plymouth History। Plymouth Data। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;slavesনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Carrington, Henry Edmund (১৮২৮)। The Plymouth and Devonport guide। Oxford University। পৃ. ১। ১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Cargo and Trade, Ocean Landing Pier" (পিডিএফ)। Plymouth City Museum and Art Gallery। ১১ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 Moseley, Brian (৩ ডিসেম্বর ২০১১)। "John Foulston (1772–1842)"। The Encyclopaedia of Plymouth History। Plymouth Data। ১৫ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Devonport, Devon"। Architecture.com। ১৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "The hundreds of devon"। GENUKI। ২৭ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "List of Mayors and Lord Mayors from 1439 to date"। Plymouth City Council। ৩ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Three Towns Amalgamation"। The Times। UK। ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯১৪।
- 1 2 "Plymouth wards"। Plymouth City Council। ৩০ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Analysis Parliamentary Electorate Totals for March 2019 Register" (পিডিএফ)। Plymouth City Council। ২২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Councillors, committees and meetings | PLYMOUTH.GOV.UK"। www.plymouth.gov.uk। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Twin towns"। Plymouth City Council। ২ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 "Lord Mayoralty"। Plymouth City Council। ২২ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 "Devon's rivers: The Tamar"। The BBC। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। ৩০ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ Otter, R. A. (১৯৯৪)। "The Tamar Valley and Plymouth"। Civil Engineering Heritage: Southern England। Thomas Telford। পৃ. ৪৮। আইএসবিএন ০-৭২৭৭-১৯৭১-৮। ২১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ Report and Transactions। খণ্ড ৯। Devonshire Association for the Advancement of Science। ১৮৭৭। পৃ. ৪২৬। ৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Characteristics of the City of Plymouth (The geography)"। Plymouth City Council। ৯ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 3 4 5 "Characteristics of the City of Plymouth (The geology)"। Plymouth City Council। ৯ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০০৮।
- ↑ "Plymouth Sound Shores and Cliffs" (পিডিএফ)। Natural England। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Characteristics of the City of Plymouth (Limestone)"। Plymouth City Council। ৯ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 3 "Ethnic Group, 2011"। Office for National Statistics। ৩০ জানুয়ারি ২০১৩। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Plymouth UA"। Census 2001। The Office for National Statistics। ২১ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Household Size, 2011"। Office for National Statistics। ৩০ জানুয়ারি ২০১৩। ৫ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Household Composition – People, 2011"। Office for National Statistics। ৩০ জানুয়ারি ২০১৩। ৫ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Ethnic Group, 2001"। Office for National Statistics। ১৮ নভেম্বর ২০০৪। ৫ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 "Regional GVA NUTS3" (Excel)। Office for National Statistics। ডিসেম্বর ২০১৪। ৫ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "All people – Economically active – Unemployed (Model Based) Plymouth" (পিডিএফ)। The Office for National Statistics। ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "Health Profile 2014 Plymouth"। National Health Service। আগস্ট ২০১৪। ৫ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।