নিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নিস
Nice-night-view-with-blurred-cars 1200x900.jpg
নিসের পতাকা
পতাকা
নিসের প্রতীক
প্রতীক
নীতিবাক্য: Nicæa civitas.
নিস ফ্রান্স-এ অবস্থিত
নিস
নিস
স্থানাঙ্ক: ৪৩°৪২′১২″ উত্তর ৭°১৫′৫৯″ পূর্ব / ৪৩.৭০৩৪° উত্তর ৭.২৬৬৩° পূর্ব / 43.7034; 7.2663স্থানাঙ্ক: ৪৩°৪২′১২″ উত্তর ৭°১৫′৫৯″ পূর্ব / ৪৩.৭০৩৪° উত্তর ৭.২৬৬৩° পূর্ব / 43.7034; 7.2663
দেশ ফ্রান্স
অঞ্চলপ্রোভঁস-আল্প-কোত-দাজুর
বিভাগআল্প-মারিতিম
নগরের পৌরসভানিস
গোষ্ঠীনিস-কোত্‌ দাজ্যুর
সরকার
 • Mayor (২০০৮–১৪) Christian Estrosi
আয়তন
 • ভূমি৭১.৯২ কিমি (২৭.৭৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০৮)
 • ক্রমফ্রান্সে ৫ম
 • মূল শহর (২০১০)৯,৫৫,০০০
 • জনসংখ্যা৩,৪৪,৮৭৫
 • জনসংখ্যা ঘনত্ব৪৮০০/কিমি (১২০০০/বর্গমাইল)
আইএনএসইই/ডাক কোড06088
ফ্রান্সের ভূমি রেজিস্টার তথ্য, যার ভেতর হ্রদ, পুকুর, হিমবাহ > ১ বর্গকি.মি. (০.৩৮৬ বর্গ মাইল বা ২৪৭ একর) এবং নদীর মোহনা অন্তর্ভূক্ত নয়। দ্বিগুণ গণন জনসংখ্যা ছাড়া: একাধিক কমুনসমূহের বাসিন্দাদের (উদাহরণস্বরূপ, ছাত্র ও সামরিক ব্যক্তিরা) শুধুমাত্র একবার ধরা হয়েছে।

নিস (ইংরেজি: Nice); হচ্ছে ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত একটি শহর। এর অবস্থান ভূমধ্যসাগরের উপকূলে, ফ্রান্সের মার্সেইলি শহর ও ইতালির জেনোয়া শহরের মধ্যবর্তী স্থানে। ২০০৬ সালে হিসাব অনুযায়ী এখানকার বসবাসকৃত মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার (প্রায়)। এই শহরটি ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরার একটি অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। ঐতিহাসিকভাবে এটি কান্ট্রি অফ নিস (Comté de Nice)-এর রাজধানী।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভিত্তি[সম্পাদনা]

নিসে মানুষের পদার্পণ প্রায় চার লক্ষ বছর আগে বলে ধারণা করা হয়।[১] তিয়েরা আমাতা' নামক প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলে প্রাপ্ত আগুন এবং ঘরবাড়ির যে নির্মাণ কাঠামো দেখা গেছে, তা প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার পূর্বের বলে অনুমান করা হয়।[২] নিসের (নিসেইয়া) গোড়াপত্তন সম্ভবত মাসেইলা অঞ্চলে বসবাসকারী গ্রিকদের দ্বারা, এবং তখন তার নাম দেওয়া হয়েছিলো নিকাইয়া (Νικαία বা "Nikaia")। প্রতিবেশী লিগুরিয়ানস নাইকদের সাথে বিজয়কে উপলক্ষ করে এই নাম দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই নাইকি হচ্ছে গ্রিক পুরাণে বিজয়ের দেবী। এরপর শীঘ্রই এই শহর লিগুরিয়ান উপকূলের ব্যস্তময় বন্দর হয়ে ওঠে। অপরদিকে এর একটি অন্যতম বিরোধী শহর ছিলো সিমেনেলাম, যা ছিলো রোমানদের করায়ত্ব। লোমবার্ডদের আগমনের আগে পর্যন্ত সিমেনেলাম একটি আলাদা শহর হিসেবেই পরিচালিত হতো। সিমেনেলাম ধ্বংস হয়ে সিমিয়েজ শহর গড়ে ওঠে, যা আজ নিসেরই একটি জেলা।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Le Nouveau venu" (French ভাষায়)। Musée de Paléontologie Humaine de Terra Amata। ২০০৯-০৩-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৩-০৫ 
  2. A. G. Wintle; M. J: Aitken (১৯৯৭)। "Thermoluminescence dating of burnt flint: application to a Lower Paleolithic site, Terra Amata"Archaeometry19 (2): 111–130। doi:10.1111/j.1475-4754.1977.tb00189.x  অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]