থামি সোলকিল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
থামি সোলকিল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামথামি লুঙ্গিসা সোলকিল
জন্ম (1980-10-09) ৯ অক্টোবর ১৯৮০ (বয়স ৪০)
কেপ টাউন, কেপ প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ স্পিন
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
সম্পর্কজেড পঙ্গলো (কাকাতো ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৯৪)
২০ নভেম্বর ২০০৪ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট১৭ ডিসেম্বর ২০০৪ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৮ - ২০০৪ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স
২০০৪ - ২০০৯কেপ কোবরাস
২০০৯ - বর্তমানলায়ন্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ১৪৮ ১২৮ ৫৫
রানের সংখ্যা ৪৭ ৫৩২৭ ১৩১৫ ৪৬০
ব্যাটিং গড় ৯.৪০ ৩০.২৬ ২১.৫৫ ২৩.০০
১০০/৫০ ০/০ ২/১৬ ০/৩ ০/১
সর্বোচ্চ রান ২২ ১৫৯ ৬৮ ৫২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/০ ৪৬৪/৩৫ ১৭২/২০ ৩৫/৯
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৯ নভেম্বর ২০২০

থামি লুঙ্গিসা সোলকিল (ইংরেজি: Thami Tsolekile; জন্ম: ৯ অক্টোবর, ১৯৮০) কেপ প্রদেশের কেপ টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কেপ কোবরাস, লায়ন্স ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন থামি সোলকিল। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ স্পিন বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

কেপ টাউনের পাইনল্যান্ডস হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন তিনি। ক্রিকেটের পাশাপাশি হকি খেলায় দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে হকি খেলেন ও শৈশবকালে ফুটবল খেলতেন তিনি। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত থামি সোলকিলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

কেপ কোবরাসের পক্ষে নিয়মিতভাবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নিতেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে, রায়ান ক্যানিংয়ের কাছে স্থানচ্যূত হন। ফলশ্রুতিতে, ২০০৯-১০ মৌসুমের শুরুতে জোহেন্সবার্গে চলে যান। সেখানে হাইভেল্ড লায়ন্সের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। ঐ মৌসুমে তিনি তার নিজস্ব দ্বিতীয় প্রথম-শ্রেণীর শতরানের ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহকে অপরাজিত ১৫১ রানে নিয়ে যান। ইস্ট লন্ডনের বাফেলো পার্কে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ঐ খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে স্টিফেন কুকের সাথে ৩৬৫ রান সংগ্রহ করেন। এ সংগ্রহটি দক্ষিণ আফ্রিকান রেকর্ডবিশেষ ও স্টিফেন কুক রেকর্ডসংখ্যক ৩৯০ রান তুলেছিলেন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন থামি সোলকিল। ২০ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে কানপুরে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৭ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

১১ জুলাই, ২০১২ তারিখে থামি সোলকিলকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।[২]

নিষেধাজ্ঞা লাভ[সম্পাদনা]

২০১৫ সালে বেশ কয়েকটি খেলায় পাতানো খেলায় অংশগ্রহণের অভিযোগে ৮ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে তাকে ১২ বছরের জন্যে খেলায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এছাড়াও, জিন সিমসকে ৭ বছর, ইতি এমভালাতিকে ১০ বছর, লনয়াবো সতসবেকে ৮ বছর ও পুমেলেলা ম্যাটশিকিকে ১০ বছরের জন্যে একই অভিযোগে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ) কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.cricinfo.com/southafrica/content/story/431114.html
  2. "Tsolekile drafted into Test squad"। Wisden India। ১১ জুলাই ২০১২। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "CSA hands out hefty bans on 4 match-fixers"News24। ৮ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৬ 
  4. "Tsolekile among four players banned by CSA"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]