ট্রাভিস ডাউলিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ট্রাভিস ডাউলিন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামট্রাভিস মন্টেগু ডাউলিন
জন্ম (1977-02-24) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ (বয়স ৪৪)
গাইহক গার্ডেন্স, জর্জটাউন, ডেমেরারা, গায়ানা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ-স্পিন
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৭৫)
৯ জুলাই ২০০৯ বনাম বাংলাদেশ
শেষ টেস্ট২২ জুন ২০১০ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৪৭)
২৬ জুলাই ২০০৯ বনাম বাংলাদেশ
শেষ ওডিআই১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৬/৯৭ - বর্তমানগায়ানা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ৮৫ ৫৪
রানের সংখ্যা ৩৪৩ ২২৮ ৪,০১৩ ১,১৩২
ব্যাটিং গড় ৩১.১৮ ২৫.৩৩ ৩০.১৭ ২৪.৬০
১০০/৫০ ০/৩ ১/১ ৪/২৫ ২/৫
সর্বোচ্চ রান ৯৫ ১০০* ১৭৬* ১১৯
বল করেছে ৯৬৬ ৩৭২
উইকেট ১৫
বোলিং গড় - - ২৬.৮০ ৯৪.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - - ৪/৫৯ ১/২৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/– ২/– ৭৭/– ১৬/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৬ অক্টোবর ২০২০

ট্রাভিস মন্টেগু ডাউলিন (ইংরেজি: Travis Dowlin; জন্ম: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৭) ডেমেরারার গাইহক গার্ডেন্স এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের শেষদিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ স্পিন বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ট্রাভিস ডাউলিন

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ট্রাভিস ডাউলিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ডানহাতি মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ও খণ্ডকালীন অফ স্পিনার হিসেবে খেলতেন। অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে খেলার সুযোগ হয় তার। ২০০৯ সালে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় ৫৮০ রান তুলে গায়ানার পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ দলের পক্ষেও খেলেছেন তিনি।

১৩ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে ২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরে ৩০ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় তাকে রাখা হয়েছিল। তবে, ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকায় তার ঠাঁই হয়নি। এছাড়াও, ২০০৮ সালে স্ট্যানফোর্ড সুপারস্টার্স দলের সদস্য ছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ছয়টিমাত্র টেস্ট, এগারোটি একদিনের আন্তর্জাতিক ও দুইটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন ট্রাভিস ডাউলিন। ৯ জুলাই, ২০০৯ তারিখে কিংস্টনে সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৮ জুন, ২০১০ তারিখে বাসেতেরেতে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

নিজস্ব প্রথম টেস্ট সিরিজে বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন ট্রাভিস ডাউলিন। গ্রেনাডায় মাত্র পাঁচ রানের জন্য ইপ্সিত শতরানের ইনিংস থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। তবে, একদিনের খেলায় ঠিকই শতরানের সন্ধান পেয়েছিলেন।

৯ জুলাই, ২০০৯ তারিখে ট্রাভিস ডাউলিনের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। এ পর্যায়ে তিনি দূর্বলতর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন। ১৫ সদস্যের ঐ দলটিতে নয়জন খেলোয়াড় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ইতোপূর্বে খেলেনি ও সাতজন খেলোয়াড়ের অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এমনকি অধিনায়ক ফ্লয়েড রেইফারও দশ বছর পূর্বে তার শেষ চার টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে প্রথম একাদশের আর্থিক সংঘাত ঘটেছিল।[১]

রোসিওতে নিজস্ব দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনি অপরাজিত শতরানের ইনিংস খেলেন।[২] এছাড়াও, ২০০৯ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে দূর্বলতর দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। গ্রুপ পর্বের তিন খেলার সবকটিতেই তিনি অংশ নিয়েছিলেন। এমএস ধোনি তার উইকেট পান। এটিই ধোনি’র আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একমাত্র উইকেট প্রাপ্তি ছিল।[৩]

এরপর, অস্ট্রেলিয়া সফরেও তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে গমনের সুযোগ দেয়া হয়। ব্রিসবেন ও পার্থে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ও তৃতীয় টেস্টে খেলেন তিনি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cricinfo staff (৮ জুলাই ২০০৯)। "West Indies name replacement squad"। Cricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-১০ 
  2. "West Indies v Bangladesh in 2009"। Cricket World। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ 
  3. "Does MS Dhoni have the highest average of those who batted at No. 6 and above for India?"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]