জে. ডব্লিউ. হার্ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জে. ডব্লিউ. হার্ন
1196142 JW Hearne.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন উইলিয়াম হার্ন
জন্ম(১৮৯১-০২-১১)১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৯১
হিলিংডন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫(1965-09-14) (বয়স ৭৪)
পশ্চিম ড্রেটন, ইংল্যান্ড
ডাকনামইয়ং জ্যাক
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৭২)
১৫ ডিসেম্বর ১৯১১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট১৫ জুন ১৯২৬ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯০৯–১৯৩৬মিডলসেক্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ২৪ ৬৪৭
রানের সংখ্যা ৮০৬ ৩৭,২৫২
ব্যাটিং গড় ২৬.০০ ৪০.৯৮
১০০/৫০ ১/২ ৯৬/১৫৯
সর্বোচ্চ রান ১১৪ ২৮৫*
বল করেছে ২,৯২৬ ৯৩,৬১৫
উইকেট ৩০ ১,৮৩৯
বোলিং গড় ৪৮.৭৩ ২৪.৪২
ইনিংসে ৫ উইকেট ১০৭
ম্যাচে ১০ উইকেট ২৩
সেরা বোলিং ৫/৪৯ ৯/৬১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৩/– ৩৪৬/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২২ আগস্ট ২০১৭

জন উইলিয়াম হার্ন (ইংরেজি: J. W. Hearne; জন্ম: ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯১ - মৃত্যু: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫) হিলিংডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করতেন।[১] দলে তিনি মূলতঃ লেগ স্পিনার ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে দক্ষতার সাথে ব্যাটিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন জে. ডব্লিউ. হার্ন। ১৯১১ থেকে ১৯২৬ সময়কালে ইংল্যান্ড দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন তিনি।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯১ তারিখে হিলিংডন এলাকায় হার্নের জন্ম। বিখ্যাত ক্রিকেটার জে. টি. হার্ন সম্পর্কে তার দূরসম্পর্কীয় আত্মীয়।[২] কিশোর অবস্থাতেই স্থানীয় খেলাগুলোয় ব্যাপক সফলতা পান। ফলশ্রুতিতে ১৯০৯ সালে অষ্টাদশ জন্মদিনের পরপরই মিডলসেক্সের পক্ষ যুক্ত হন। তার তীক্ষ্ণ স্পিনে শুরুতেই সাফল্য আসে। ফ্রাঙ্ক টারেন্টের পর বোলিং গড়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু, ১৯১০ সালে এসেক্সের বিপক্ষে ২৫ বলে ২ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে চূড়ান্ত সফলতা পান। ঐ বছর মিডলসেক্সের পক্ষে দুইটি শতকও হাঁকান তিনি। লর্ডসে এসেক্সের বিপক্ষে ৬/১৭ ও সারের বিপক্ষে ৯/৪০ পান। সর্বমোট ১০২ উইকেটসহ ৪২.৮১ গড়ে ১৬২৭ রান তোলেন।

১৯০৯ থেকে ১৯৩৫ সময়কালে মিডলসেক্সের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সুদক্ষ ছিলেন তিনি। আগ্রাসী ব্যাটসম্যান না হলেও সেরা বোলারদের বিপক্ষে পর্যাপ্ত রেটে রান সংগ্রহ করতেন। সোজা ও ফাঁকা স্থানে বল ফেলায়ও প্রভুত্ব দেখিয়েছেন। খুবই স্বল্প দূরত্ব নিয়ে লেগ স্পিন বোলিং করতেন। তাস্বত্ত্বেও পর্যাপ্ত গতিসঞ্চারের মাধ্যমে প্রায় মিডিয়াম পেসের পর্যায়ে নিয়ে যেতেন তিনি তার বোলিংকে।

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯১১-১২ মৌসুমে শক্তিশালী ইংল্যান্ড দলের অন্যতম সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। তিনি সিরিজের সবগুলো টেস্টে অংশ নেন। কিন্তু অস্ট্রেলীয় পিচে বোলার হিসেবে তিনি তেমন সফলতা পাননি। ১৯২০-২১ ও ১৯২৪-২৫ মৌসুমেও একই অবস্থায় থাকেন। ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম দুই টেস্টে বেশ ভালো করেন। তন্মধ্যে, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১১৪ রানের একমাত্র শতক পান।

পরবর্তী বছরগুলোয় হার্ন অল-রাউন্ডার হিসেবে পরিচিত হতে থাকেন। ফ্রাঙ্ক টারেন্টের সাথে স্মরণীয় জুটি গড়েন যা কেবলমাত্র জর্জ হার্বার্ট হার্স্টউইলফ্রেড রোডসের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তাস্বত্ত্বেও ১৯১২ সালে তার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। পরের দুই বছর মৌসুম প্রতি ২০০০ রান ও ১০০ উইকেট নেন। ফলশ্রুতিতে, ১৯১৩-১৪ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। অস্ট্রেলিয়ার পিচের তুলনায় বেশ সাফল্য পান। তাস্বত্ত্বেও এস.এফ. বার্নসের সাথে খুব কমই বোলিং জুটি গড়তে পেরেছেন।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

১৯১২ সালে উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার মনোনীত হন তিনি।[৩] ১৯২৯ সালে লেটনে এসেক্সের বিপক্ষে অপরাজিত ২৮৫* রান তোলেন।[৪] ১৯৩৩ সালে চেস্টারফিল্ডে ৯/৬১ পান যা তার খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ছিল।[৫] এ সময়ে থেকেই হার্ন তার ব্যাটিং শক্তিমত্তার পাশাপাশি বোলিংয়েও তেমন দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেননি। ঐ বছরের শেষে মিডলসেক্স থেকে চলে আসেন। ১৯৪৯ সালে এমসিসি’র আজীবন সদস্য মনোনীত হন।

১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫ তারিখে ৭৪ বছর বয়সে পশ্চিম ড্রেটন এলাকায় তার দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]