কোসলা কুলাসেকারা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কোসলা কুলাসেকারা
කෝසල කුලසේකර
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচামিথ কোসলা বান্দারা কুলাসেকারা
জন্ম (1985-07-15) ১৫ জুলাই ১৯৮৫ (বয়স ৩৫)
মাভানালে, শ্রীলঙ্কা
উচ্চতা৬ ফুট ১ ইঞ্চি (১.৮৫ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১২১)
৩ নভেম্বর ২০১১ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৪৯)
১১ নভেম্বর ২০১১ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই১৭ জানুয়ারি ২০১২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব
কন্দুরাতা ওয়ারিয়র্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৭৩ ৮৪
রানের সংখ্যা ২২ ২২ ২,৭৭৩ ১,৪৯৩
ব্যাটিং গড় ১১.০০ ১১.০০ ২৫.৯১ ২৬.১৯
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ২/১৪ ০/৫
সর্বোচ্চ রান ১৫ ১৫ ১২৯ ৭৪
বল করেছে ১৬৮ ৭৮ ৬,৭৯৬ ২,৮৩৭
উইকেট ১৪৯ ৭১
বোলিং গড় ৮০.০০ - ২৬.৭৯ ৩০.৪২
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ১/৬৫ - ৬/১৩ ৪/২৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/০ ১/– ৩৫/০ ২৬/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৪ জুলাই ২০২০
কোসলা কুলাসেকারা
পদক রেকর্ড
পুরুষদের ক্রিকেট
 শ্রীলঙ্কা -এর প্রতিনিধিত্বকারী
এশিয়ান গেমস
স্বর্ণ পদক - প্রথম স্থান ২০১৪ ইনছন দলগত

চামিথ কোসলা বান্দারা কুলাসেকারা (সিংহলি: කෝසල කුලසේකර; জন্ম: ১৫ জুলাই, ১৯৮৫) মাভানালে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক পেশাদার শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১০-এর দশকের শুরুরদিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে গালে ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব ও রুহুনা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট মিডিয়াম বোলিং করতেন কোসলা কুলাসেকারা

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

ক্যান্ডির বিদ্যার্থ কলেজে অধ্যয়ন করেছেন তিনি। সাঁতারু হিসেবে খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন ও জাতীয় পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান দখল করেন। ক্রিকেট খেলাকে তিনি দ্বিতীয়সারিতে রাখতেন। ক্যান্ডির বিদ্যার্থ কলেজে অধ্যয়নকালীন ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখায় সেন্ট্রাল প্রভিন্স অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। অনূর্ধ্ব-১৯ স্তরের ক্রিকেটে উপুল থারাঙ্গা, ফারভিজ মাহারুফ, কৌশল সিলভাসুরজ রণদিবের সাথে একত্রে খেলেন।

এক পর্যায়ে ২০০৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় খেলার জন্যে মনোনীত হন। অল-রাউন্ড ক্রীড়ানৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখে দুইবার ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারপ্রাপ্ত হন। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বেশ সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। কানাডার বিপক্ষে ৫/২৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করেন ৩৭ রানের ইনিংস।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

২০০২-০৩ মৌসুম থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কোসলা কুলাসেকারা’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। মারমূখী ছয় ফুট এক ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী কোসলা কুলাসেকারা অল-রাউন্ডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ঘরোয়া প্রিমিয়ার প্রতিযোগিতায় নন্দেস্ক্রিপ্টস সিসি ও আন্তঃপ্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় রুহুনা রাইনোস দলের পক্ষে খেলেন। এছাড়াও, ২০১৪ সালের এসএলসি সুপার ফোরস টি২০ প্রতিযোগিতায় ওয়েস্টার্ন ট্রুপার্সের সদস্য ছিলেন।[১]

এনসিসিতে যোগদানের পর সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার রমেশ কালুবিতরাণাচণ্ডিকা হাথুরুসিংহা’র কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরফলে, তার ব্যাটিংয়ের মানের আরও উত্তরণ ঘটে। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে উপুল থারাঙ্গা’র সাথে ক্রিকেটে বৃত্তিপ্রাপ্ত হন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাডেমির অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ইংল্যান্ড একাডেমি ও দক্ষিণ আফ্রিকা এ-দলের বিপক্ষে খেলেন।

খেলায় তার ক্রীড়াশৈলী অনেকাংশে একদিনের ও টি২০ প্রতিযোগিতার উপযোগী হয়ে উঠে। এ ধারা ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলাগুলোয় অব্যাহত থাকে। ২০১০ সালে আন্তঃপ্রাদেশিক টি২০ খেলায় বাসনাহিরা নর্থের বিপক্ষে অত্যন্ত ঝড়োগতিতে ১৫ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন। এরপর, বল হাতে ৪/২৬ নিয়ে রুহুনাকে পরাজয়ের হাত থেকে জয়ের ধারায় নিয়ে আসেন। এপ্রিল, ২০১৮ সালে সুপার প্রভিন্সিয়াল ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে ডাম্বুল্লা দলের সদস্যরূপে তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।[২] পরবর্তীতে বাদুরালিয়া এসসি’র পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্ট ও চারটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন কোসলা কুলাসেকারা। ৩ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে শারজায় পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, ১১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে দুবাইয়ে একই দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ১৭ জানুয়ারি, ২০১২ তারিখে ব্লুমফন্তেইনে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Kosala Kulasekara powers Troopers to big win"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৭ 
  2. "SLC Super Provincial 50 over tournament squads and fixtures"The Papare। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১৮ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]