কুমান ভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুমান
দেশোদ্ভবহাঙ্গেরি
অঞ্চলহাঙ্গেরীয় কুমানিয়া
জাতিতত্ত্বকুমান
বিলুপ্ত১৭৭০
লাতিন
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-৩qwm

কুমান একটি বিলুপ্ত কিপচাক তুর্কীয় ভাষা যেটি কুমান এবং কিপচাক জাতি দ্বারা ব্যবহৃত হতো; এই ভাষাটি বর্তমানের কিপচাক-কুমান শাখার বিভিন্ন ভাষার অনুরূপ ছিল। এই ভাষাটি কোডেক্স কুমানিকাস সহ মধ্যযুগীয় রচনাগুলিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, এবং মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে এটি একটি সাহিত্যিক ভাষা ছিল এবং এর ফলে একটি সমৃদ্ধশালী সাহিত্য নমুনা রেখে গেছে। ভাষাটি স্বর্নালী দলের মূল ভাষা (বা লিংগুয়া ফ্রাঙ্কা) হয়ে উঠেছিল।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কোডেক্স কুমানিকাস

কুমানরা যাযাবর জাতি ছিল, এবং কৃষ্ণ সাগরের পশ্চিমে পূর্ব ইউরোপের স্টেপ অঞ্চলে বসবাস করত।[২] ক্রিমীয় তাতার, কারাচায়, কুমুক এবং বালকার জাতিগুলি সহ বহু তুর্কীয় কুমান বংশোদ্ভুত। বর্তমানে কিপচাক-কুমান শাখার এই বিভিন্ন ভাষিকরা কুমান ভাষার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ভাষায় কথা বলেন।

১৭শ শতকের প্রথম দিকে তৎকালীন কুমানদের শেষ ঘাঁঁটি হাঙ্গেরির কুনসাগ অঞ্চলে ভষাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। বলা হয় যে শেষ কুমানভাষী ছিলেন হাঙ্গেরির কার্সাগ শহরের বাসিন্দা ইস্তভান ভাররো, যিনি ১৭৭০ সালে মারা যান।

নমুনা[সম্পাদনা]

কুমান কোডেক্সের থেকে কিছু ধাঁঁধাঁঁর উদাহরণ এখানে দেওয়া হলো:

  • Aq küymengin avuzı yoq. Ol yumurtqa.
কাজাখ ভাষায়: Aq küymeniñ awızı joq. Ol jumırtqa / Ak küymeniń awızı jok. Ol jumırtka
"সাদা কিবিৎকাটার কোনো মুখ নেই। ডিমটা।"
  • Kökçä ulahım kögende semirir. Ol huvun.
কাজাখ ভাষায়: Kökşe lağım kögende semirer. Ol qawın / Kökce lagım kögende semirer. Ol kawın
"দড়িতে বাঁঁধা আমার ছেলেটা মোটা হচ্ছে। তরমুজটা।"
  • Oturğanım oba yer basqanım baqır canaq. Ol zengi.
কাজাখ ভাষায়: Otırğanım oba jer basqanım baqır şanaq. Ol uzengi / Otırganım oba jer baskanım bakır canak. Ol uzengi
"আমি যেখানে বসি সেখানটা পাহাড়ি। আমি যেখানে পা মাড়াই সেখানে তাম্রপাত্র। রেকাবটা।"

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • গুনের, গালিপ (২০১৩), কিপচাক তুর্কচেসি গ্রামেরি, কেসিত প্রেস, ইস্তানবুল।
  • মুস্তাফা আর্গুনশাহ, গালিপ গুনের (২০১৫), কোডেক্স কুমানিকাস, কেসিত ইয়াইনলারি, ইস্তানবুল।
  1. "তুর্কীয় ভাষাগুলির লিখিত স্মৃতি" 
  2. সিনর, দেনিস, সম্পাদক (১৯৯০)। দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ আর্লি ইনার এশিয়া। কেমব্রিজ উইনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন 978-0-5212-4304-9 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]