এভারটন ম্যাটিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এভারটন ম্যাটিস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামএভারটন হিউ ম্যাটিস
জন্ম (1957-04-11) ১১ এপ্রিল ১৯৫৭ (বয়স ৬৩)
কিংস্টন, জ্যামাইকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৫)
১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১০ এপ্রিল ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৩৫)
৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৬ - ১৯৮২জ্যামাইকা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩৮ ২৬
রানের সংখ্যা ১৪৫ ৮৬ ২,০৬৪ ৪৩৯
ব্যাটিং গড় ২৯.০০ ৪৩.০০ ৩৩.২৯ ১৮.২৯
১০০/৫০ ০/১ ০/১ ৩/১২ ০/২
সর্বোচ্চ রান ৭১ ৬২ ১৩২ ৬৭
বল করেছে ৩৬ ৩০৭ ৮৪
উইকেট
বোলিং গড় ৯.৮৮ ১৪.৭৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০/৪ ৪/২২ ২/৪৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/– ২/– ২৫/– ৯/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩- আগস্ট ২০২০

এভারটন হিউ ম্যাটিস (ইংরেজি: Everton Mattis; জন্ম: ১১ এপ্রিল, ১৯৫৭) কিংস্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী জ্যামাইকীয় বংশোদ্ভূত সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকের শুরুরদিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন এভারটন ম্যাটিস

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৬-৭৭ মৌসুম থেকে ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম পর্যন্ত এভারটন ম্যাটিসের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে এভারটন ম্যাটিস খেলতেন।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে চারটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন এভারটন ম্যাটিস। সবগুলো আন্তর্জাতিক খেলাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১০ এপ্রিল, ১৯৮১ তারিখে কিংস্টনে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে ইংল্যান্ড দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমনে আসে। অভিষেকেই শূন্য রানের সন্ধান পান। এর পরপরই খেলায় ছন্দ ফিরে আসে তার। চার টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২৯.০০ গড়ে ১৪৫ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। টেস্টে অভিষেকের পূর্বে নিজস্ব প্রথম ওডিআইয়ে অংশ নেন। ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে অনুষ্ঠিত খেলায় সফরকারীদের বিপক্ষে ৬২ রানের দূর্দান্ত ইনিংস খেলেন। একই খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার কলিন ক্রফট ৯-৪-১৫-৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে ইংরেজদের মনে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে মামুলি ১২৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ২ রানের নাটকীয় জয় এনে দিয়েছিলেন।

অবসর[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিষিদ্ধ ঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহী দলের সদস্যরূপে ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে দুইবার গমন করেন। ফলশ্রুতিতে, আজীবন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন তিনি ও তার খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হয়ে যায়।[১][২] এরপর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Everton Mattis"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-১২ 
  2. Ugra, Sharda (১৭ মে ২০২০)। "Remember the 'cursed' West Indies rebels who toured South Africa in the '80s?"ESPNcricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-১২ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]