উইল্টন সেন্ট হিল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
উইল্টন সেন্ট হিল
উইল্টন সেন্ট হিল.jpg
১৯২৮ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে উইল্টন সেন্ট হিল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামউইল্টন এইচ. সেন্ট হিল
জন্ম(১৮৯৩-০৭-০৬)৬ জুলাই ১৮৯৩
পোর্ট অব স্পেন, ত্রিনিদাদ
মৃত্যুআনুমানিক ১৯৫৭
ত্রিনিদাদ
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
সম্পর্কসিল সেন্ট হিল (ভ্রাতা), এডউইন সেন্ট হিল (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০)
২৩ জুন ১৯২৮ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯১২ - ১৯৩০ত্রিনিদাদ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৩
রানের সংখ্যা ১১৭ ১,৯২৮
ব্যাটিং গড় ১৯.৫০ ২৭.১৫
১০০/৫০ ০/০ ৫/৭
সর্বোচ্চ রান ৩৮ ১৪৪
বল করেছে ১২ ৩৫৭
উইকেট
বোলিং গড় - ৪১.৭৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং -/- ২/১৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/০ ১৪/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

উইল্টন এইচ. সেন্ট হিল (ইংরেজি: Wilton St Hill; জন্ম: ৬ জুলাই, ১৮৯৩ - মৃত্যু: আনুমানিক ১৯৫৭) ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯২৮ থেকে ১৯৩০ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন উইল্টন সেন্ট হিল

১৯১১-১২ মৌসুম থেকে ১৯২৯-৩০ মৌসুম পর্যন্ত উইল্টন সেন্ট হিলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিভিন্ন অবস্থানে ব্যাটিং করেছেন। ১৯১২ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছেন।

ত্রিনিদাদের শ্যানন ক্লাবে শুরুরদিকের ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়ে নিজেকে তুলে ধরেন। ১৯১২ সালে ত্রিনিদাদের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ১৯৩০ সাল পর্যন্ত আন্তঃঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতার প্রত্যেক আসরে খেলেন। তবে, ১৯২৩ সালের ইংল্যান্ড গমন করা থেকে বঞ্চিত হন। ১৯২৬ সালে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধিত্বকারী দলের সদস্যরূপে খেলেন। ত্রিনিদাদের সদস্যরূপে সফররত দলের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন। প্রস্তুতিমূলক খেলায় সফলতা লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৮ সালে ইংল্যান্ড সফরের জন্যে মনোনীত হন। তবে, ব্যর্থতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৩০ সালে এমসিসি’র বিপক্ষে ত্রিনিদাদের সদস্যরূপে আবারও সেঞ্চুরির সন্ধান পান। ফলশ্রুতিতে, সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এরপর আর তিনি কোন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নেননি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যতম প্রথম সফলতম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যাটসম্যানের মর্যাদা লাভ করেন। নিজের খেলার ধরন বজায় রেখেছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকেও তিনি আক্রমণধর্মী ব্যাটিংশৈলী উপহার দেন। খেলায় ছন্দ হারানোকালে অনেত ইনিংসেই কোন রান সংগ্রহ বাদেই বিদেয় নিতে হয়েছিল তাকে।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন উইল্টন সেন্ট হিল। ২৩ জুন, ১৯২৮ তারিখে লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। ১৯২৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইংল্যান্ড গমন করে। এ সফরেই দলটি তাদের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেয়। উদ্বোধনী ঐ টেস্টে অংশ নেয়ার গৌরব অর্জন করেন।

টেস্ট খেলায় তার পরিসংখ্যান অত্যন্ত দূর্বলমানের পরিগণিত হলেও ত্রিনিদাদে অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছিলেন। বিশেষতঃ সি. এল. আর. জেমসের কাছে সেন্ট হিল বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন ও ‘বিয়ন্ড এ বাউন্ডারি’ শীর্ষক গ্রন্থে তাকে নিয়ে একটি অধ্যায় রচনা করেছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনের স্বর্ণালী শিখরে আরোহণকালে লর্ড হ্যারিস তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ব্যাটসম্যানরূপ গণ্য করতেন।

আনুমানিক ১৯৫৭ সালে উইল্টন সেন্ট হিলের দেহাবসান ঘটে।

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

৬ জুলাই, ১৮৯৩ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে উইল্টন সেন্ট হিলের জন্ম।[১] সি. এল. আর. জেমসের তথ্য মোতাবেক জানা যায় যে, তার পরিবার নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছিল।[২] তার দুই ভাই সিল সেন্ট হিল ও এডউইন সেন্ট হিল ত্রিনিদাদের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তন্মধ্যে, এডউইন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট খেলেছেন।[১][৩][৪]

এক সময় সম্প্রদায়ের মাধ্যমে ক্রিকেট খেলা বিভাজিত ছিল। দ্বীপটিতে ক্রিকেট ক্লাবগুলোয় খেলোয়াড়দের চামড়ার রঙ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেন্ট হিল কৃষ্ণাঙ্গ নিম্ন-মধ্যবিত্ত খেলোয়াড় বিশেষতঃ শিক্ষক কিংবা কেরাণীদের নিয়ে গঠিত শ্যানন দলের পক্ষে খেলেন।[৫] আরেকটি ক্লাব ম্যাপলে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সাথে জড়িত উজ্জ্বল রঙের চামড়াধারীদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল। কেউ কেউ সেন্ট হিলকে তার ন্যায় ভালো খেলোয়াড়দেরকে ঐ দলে স্বাগতঃ জানানোর বিষয়ে জানালে, তিনি মন্তব্য করেন যে, তা ঠিক, তবে তারা আমার ভাইদের কালো চামড়ার কারণে দলে নিবে না।[৬] ১৯১২ সালের মধ্যে, সেন্ট হিল বিপণী বিতানে চাকুরী পান ও জীবনের বাদ-বাকী সময় এ অবস্থানেই কাটান। এ পর্যায়ে ব্যাটসম্যান হিসেবে ভালো সাড়া পান এবং খেলোয়াড় ও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।[২]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯১২ সালে ত্রিনিদাদের সদস্যরূপে খেলার জন্য মনোনীত হন। আন্তঃঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতায় ব্রিটিশ গায়ানা’র বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। নয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে একমাত্র ইনিংসটিতে চার রান সংগ্রহ করেছিলেন। কোন বোলিং করার সুযোগ না পেলেও ত্রিনিদাদ দল ইনিংস ব্যবধানে বিজয়ী হয়।[৭] তাসত্ত্বেও তাকে দলে রাখা হয়। ঐ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় বার্বাডোসের মুখোমুখি হয় তার দল। আট নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও ব্যর্থতার স্বাক্ষর রাখেন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে নয় নম্বরে নেমে অপরাজিত ৫৯ রান তুলেন। শেষ উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যুক্ত করেন। তাসত্ত্বেও, প্রতিপক্ষীয় বার্বাডোস দল খুব সহজেই জয় তুলে নেয়।[৮]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পূর্বে আর একটিমাত্র খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ১৯১৩ সালে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি।[৯] এবার তিনি তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমেছিলেন। তিন ইনিংসে ৭৬ রান করেন। সর্বোচ্চ করেন ৩৩ রান।[১০][১১] ঐ মৌসুমে আর কোন আন্তঃঔপনিবেশিক খেলা হয়নি এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে প্রথম-শ্রেণীর প্রতিযোগিতা স্থগিত করা হয়।[১২][১৩]

ফেব্রুয়ারি, ১৯২০ সালে ক্রিকেট খেলা শুরু হলে বার্বাডোস সফরে ত্রিনিদাদের সদস্যরূপে দুইটি খেলায় অংশ নেন। তবে, উভয় খেলাতেই তার দল পরাজয়বরণ করেছিল। প্রথম খেলায় তিনি ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ১৮ ও ৪১ রান তুলেন।[১৪] দ্বিতীয় খেলায় চার নম্বরে নেমে দুই রান করেন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৬ রান তুলেছিলেন। তন্মধ্যে, সি. পি. কাম্বারব্যাচের সাথে উদ্বোধনী জুটিতে ১৪০ রান তুলেছিলেন।[১৫] সেপ্টেম্বর, ১৯২১ সালে ত্রিনিদাদে পরবর্তী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্রিটিশ গায়ানা’র বিপক্ষে ১০৪ রান তুলেন। এটিই তার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি ছিল।[১৬] বার্বাডোসের বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলাটি বৃষ্টিবিঘ্নিত হলে ড্রয়ে পর্যবসিত হয় ও বার্বাডোস দল জাহাজযোগে দেশে ফিরে যায়। তিন নম্বরে তিনি ছয় ও ছয় নম্বরে ৪৮ রান তুলেন।[১৭] সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সালে আন্তঃঔপনিবেশিক খেলাগুলোয় উইল্টন সেন্ট হিল বিভিন্ন অবস্থানে থেকে ব্যাটিংয়ে নামতেন। তিন, পাঁচ ও ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামার পাশাপাশি ব্যাটিং উদ্বোধন করেছিলেন। তবে, চার ইনিংসে মাত্র ৪৯ রান তুলতে সক্ষম হন। তাসত্ত্বেও, ত্রিনিদাদ দল চূড়ান্ত খেলায় অবতীর্ণ হয়। আবারও দলটি বার্বাডোসের বিপক্ষে শোচনীয়ভাবে পরাভূত হয়।[১৮][১৯]

সি. এল. আর. জেমসের মতে, ঐ সময়ে তিনি ইংল্যান্ডে পেশাদারী পর্যায়ে ক্রিকেট খেলার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। তবে, প্রস্তুতিমূলক খেলাগুলোয় ব্যর্থ হলে ১৯২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ইংল্যান্ড সফরে তাকে নেয়া হয়নি।[২০][উ ১] দলে না রাখায় সেন্ট হিলের সমর্থকের বেশ নিরাশ হয়। তারা বিশ্বাস করে যে, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দল নির্বাচকমণ্ডলী ইংল্যান্ডে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যাটসম্যানের সম্ভাব্য সফলতায় ভীত ছিলেন।[২২] এছাড়াও, তিনি মন্তব্য করেন যে, এরফলে সেন্ট হিল আরও একরোখা প্রকৃতির হন ও নিজেকে শোধরানোর দিকে অনাগ্রহ হয়ে পড়েন।[২৩]

ফেব্রুয়ারি, ১৯২৪ সালে ত্রিনিদাদের পরের খেলায় স্বীয় ভ্রাতা এডউইনের সাথে একত্রে খেলেন। এ খেলায় এডউইনের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ও ছয় উইকেট লাভ করেছিলেন। সেন্ট হিল তুলনামূলকভাবে কম সফল হন। পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ ও ২৩ রান তুলেন। এবারও ত্রিনিদাদ দল ব্রিটিশ গায়ানা’র বিপক্ষে জয় পেয়ে চূড়ান্ত খেলায় অবতীর্ণ হয়।[১৮] চূড়ান্ত খেলায় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় আসীন হন। তবে, কোন ইনিংসেই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন। এবার জর্জ চ্যালেনর শতরান তুলে বার্বাডোস দলকে আরও একবার প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ে ভূমিকা রাখেন। ঐ পর্যায়ে দলটি ত্রিনিদাদের বিপক্ষে শুধুমাত্র সেন্ট হিলের অংশগ্রহণের বছরে একটি বাদে সবকটিতে জয় পেয়েছিল।[২৪] ঐ বছরের শেষার্ধ্বে উইনওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম শ্রেণীবিহীন একটি খেলায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন।[৯]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি, ১৯২৫ সালে নিজ দেশে আন্তঃঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতায় ত্রিনিদাদ দল আরও একবার ব্রিটিশ গায়ানাকে পরাভূত করে। এ পর্যায়ে সেন্ট হিল ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ১৩ ও ২৯ রান তুলেন।[২৫] বার্বাডোসের বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলায় ত্রিনিদাদ দল নাটকীয়ভাবে ১৩ রানে জয় পায়। এবার সেন্ট হিল তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন। ৬৬ ও ৬৪ রান করেন। ১৯২১ সালের পর প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন।[২৬] প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া ত্রিনিদাদ দল কোন দলের বিপক্ষে অংশগ্রহণ বাদেই চূড়ান্ত খেলায় অবতীর্ণ হয়। অক্টোবর, ১৯২৫ সালে ব্রিটিশ গায়ানা বার্বাডোসকে পরাজিত করে কিন্তু চূড়ান্ত খেলায় হেরে যায়। সেন্ট হিল প্রথম ইনিংসে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিলেও ত্রিনিদাদ দল ২ উইকেটের স্বল্প ব্যবধানে বিজয়ী হয়।[২৭]

পরবর্তী জানুয়ারিতে এমসিসি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করে। সফরকারী দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধিত্বকারী দলের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়। সেন্ট হিল খেলার জন্যে মনোনীত হন। বার্বাডোসে অনুষ্ঠিত প্রথম খেলায় একমাত্র ইনিংসে চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র এক রান তুলতে সক্ষম হন। তবে, স্বাগতিক দল খেলায় ড্র করতে সক্ষম হয়।[২৮] এরপর এমসিসি দল ত্রিনিদাদের বিপক্ষে দুই খেলায় অংশ নিলেও সেগুলো ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। উভয় খেলাতেই তিনি তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নামেন। প্রথমটিতে ৪৫ রান করলেও দ্বিতীয়টিতে ২০ ও আড়াই ঘণ্টা সময় নিয়ে ১০৫ রান করেছিলেন।[২৯][৩০][৩১]ইনিংস দেখে লর্ড হ্যারিস মন্তব্য করেন যে, সেন্ট হিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ব্যাটসম্যান।[২] বাদ-বাকী দুইটি প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় সেন্ট হিল ৩২, ৩৬ ও ৭২ রান তুলেন। এ পর্যায়ে তিনি তিন কিংবা পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন।[৩২][৩৩] তিনটি প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় সেন্ট হিল ৩৫.২৫ গড়ে ১৪১ রান তুলেন। এমসিসি দল ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে।[৯]

পূর্বতন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ত্রিনিদাদ দল আবারও আন্তঃঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। জানুয়ারি, ১৯২৭ সালে দলটি স্বাগতিক বার্বাডোসের মুখোমুখি হয়। উচ্চ রান সংগ্রহের ঐ খেলাটি আটদিনব্যাপী স্থায়ী ছিল। প্রথম ইনিংসে বার্বাডোস দল ৩৮৪ রানে পিছিয়ে থেকেও ঘাটতি পূরণে সক্ষম হয়। সেন্ট হিল প্রথম ইনিংসে শূন্য রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে নিচেরদিকে ব্যাট হাতে নেমে ১৮ রান তুলেন।[৩৪] ঐ বছরের শেষদিকে ১৯২৮ সালে ইংল্যান্ড গমনের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নেন। ব্রিটিশ গায়ানা ও ত্রিনিদাদ দলের সদস্যরূপে বার্বাডোস ও জ্যামাইকার মুখোমুখি হন। খেলায় তিনি তার সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের ইনিংস খেলেন।[৯] ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিনিধিত্বকারী বোলার জর্জ ফ্রান্সিসের বলকে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে মোকাবেলা করেন।[৩৫] অন্যান্য খেলায় ৪৫, ৪৪ ও ৭১ রান তুলেন।[৯] এরফলে, সফরকারী দলে তার স্থান নিশ্চিত হয়।[২৩]

ইংল্যান্ড গমন[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড গমনের পূর্বে সেন্ট হিলের কাছ থেকে বেশ উচ্চমানের প্রত্যাশা করা হয়। লর্ড হ্যারিসও ইংল্যান্ডে মাটিতে তার সফলতায় দ্বিমত পোষণ করেননি।[২][৩৬] ১৯২৮ সালের ইংরেজ ক্রিকেট মৌসুমকে ঘিরে দ্য টাইমস মন্তব্য করে যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অজানা সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষতঃ সেন্ট হিলসহ দলে দুইজন সম্ভাবনাময় ব্যাটসম্যান আছে।[৩৭] পরবর্তীতে একই সংবাদপত্রে তার আকর্ষণীয় ব্যাটিং শৈলী সম্পর্কে মন্তব্য করে।[৩৮] এতে তার সম্পর্কে বলা হয় যে, দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তিনি যা পরবর্তীতে খেলায় দেখা যাবে।[৩৯] কিন্তু, সফরকারী দলের সকল ব্যাটসম্যানই ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে যান, ভেজা গ্রীষ্ম ও আর্দ্রতাপূর্ণ পরিবেশে বল শূন্যে ফেলতে সহায়তা করে।[৪০] সেন্ট হিল অসহনীয় পরিবেশে এ ধরনের অপ্রত্যাশিত আক্রমণ মোকাবেলায় প্রস্তুত ছিলেন না। জেমসের ভাষায় তিনি বিধ্বস্ত, শোচনীয়ভাবে ব্যর্থতার স্বাক্ষর রাখেন।[২৩] নিচুমূখী রানের খেলায় কেবলমাত্র একবারই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় পঞ্চাশোর্ধ্ব রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। গুরুত্বহীন খেলায় ডারহামের বিপক্ষে একটি সেঞ্চুরি করেন। সর্বমোট ৩৫ ইনিংসে মাত্র ১৫বার দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, ২৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় মাত্র আটবার দুই অঙ্কের রান তুলতে পেরেছিলেন।[৯] এ ধরনের দূর্বলমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে তাকে খেলানো হয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে পাঁচ নম্বরে নেমে ৪ ও ৯ রান তুলেন। দ্বিতীয় টেস্টে চার নম্বরে নেমে ৩ ও ৩৮ রান তুলেন।[৪১] ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল উভয় খেলায় পরাজিত হয় ও প্রথম টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। জুলাই শেষে সেন্ট হিল এ সফরের আর একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।[৯] সামগ্রীকভাবে, ২৬২টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় ১০.৯১ গড়ে রান সংগ্রহ করেন।[৪২] উইজডেনে সেন্ট হিলের এ সফরের বিষয়ে বড় ধরনের হতাশা ব্যক্ত করে। এতে মন্তব্য করা হয় যে, ইনিংসের শুরু থেকেই বোলিংয়ের বিপক্ষে আক্রমণে উদগ্রীব ছিলেন ও খুব কম সময়ই সফল হয়েছিলেন। তাসত্ত্বেও, সংবাদদাতা মন্তব্য করেন যে, অফ সাইডে তার শট বেশ দর্শনীয় ছিল।[৩৬]

জাতীয় দলে প্রত্যাখ্যান[সম্পাদনা]

ওয়েস্ট ইন্ডিজে ফেরার পর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি, ১৯২৯ সালে আন্তঃঔপনিবেশিক প্রতিযোগিতা ত্রিনিদাদে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগতিক দল ব্রিটিশ গায়ানাকে পরাভূত করে চূড়ান্ত খেলায় বার্বাডোসকে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত করে। সেন্ট হিল তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামলেও মাত্র ৪, ২৩ ও ৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।[৪৩][৪৪] তাসত্ত্বেও, ত্রিনিদাদ দল অক্টোবরে ব্রিটিশ গায়ানার কাছে চার উইকেটে পরাজিত হলে শিরোপা করায়ত্ত্ব করতে সক্ষম হয়নি। তিনি প্রথম ইনিংসে সাত নম্বরে নামেন ও দ্বিতীয় ইনিংসে তিন নম্বরে নামলেও খেলায় মাত্র ১১ রান তুলতে পেরেছিলেন।[৪৫]

১৯৩০ সালের শুরুরদিকে আবারও এমসিসি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করে। সফররত দলটি ত্রিনিদাদের বিপক্ষে দুইটি খেলায় অংশ নেয়। তবে, প্রথম খেলায় উইল্টন সেন্ট হিল অংশগ্রহণ করেছিলেন।[৯][৪৬] আবারও তিনি তিন নম্বরে ব্যাটিং করতে নামেন। প্রথম ইনিংসে ১৬ রান তুললেও দ্বিতীয় ও সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরি করেন তিনি।[৪৭] রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলে চার ঘণ্টা ক্রিজে অবস্থান করেন যা পূর্বে কখনও করে দেখাতে পারেননি।[২৩][৩১] জেমস মন্তব্য করেন যে, ঈগল অবশেষে নিজের পাখার উপর আস্থা রাখতে পেরেছে।[২৩]

ত্রিনিদাদে নিজ মাঠে টেস্ট খেলার জন্যে তাকে মনোনীত করা হয়। পরিসংখ্যানগত তিনি তার সেরা খেলা উপহার দেন। প্রথম ইনিংসে তিন নম্বরে নেমে ৩০ রান করেন ও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ৩৩ রান করেছিলেন।[৪১] উইজডেনের ভাষায় তিনি স্থিরচিত্তে ব্যাটিং করেছিলেন।[৪৮] তবে, ঐ খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল পরাজয়বরণ করেছিলন। এরপর উইল্টন সেন্ট হিলকে আর কোন টেস্ট কিংবা প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি।[৯] অংশগ্রহণকৃত তিন টেস্টে ১৯.৫০ গড়ে সর্বমোট ১১৭ রান তুলেছিলেন। এছাড়াও, ৪৩টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়ে পাঁচ সেঞ্চুরি সহযোগে ২৭.১৫ গড়ে ১৯২৮ রান তুলেন। বল হাতে নিয়ে পাঁচ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।[১]

১৯৩১ সালেও সেন্ট হিল ত্রিনিদাদের স্থানীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে সফলতম খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছিলেন। তবে, একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে তার খেলায় ছন্দপতনের বিষয়ে মন্তব্য করা হয় ও পুণরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে খেলার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করা হয়।[৪৯] তার জীবনের বাদ-বাকী সময় কিভাবে অতিক্রান্ত হয়েছে সে বিষয়ে খুব কমই জানা গেছে। তার মৃত্যুর বিষয়েও তেমন জানা যায়নি। তবে, ধারনা করা হয় যে, ১৯৫৭ সালের মধ্যে তার মৃত্যু ঘটেছে।[৫০] ১৯৫৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান তারকা খেলোয়াড় লিয়ারি কনস্ট্যান্টাইন তাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখতে গেলে লক্ষ্য করেন যে, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।[৫১] ১৯৮৪ সালে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো স্পোর্টস হল অব ফেমে তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।[৫২]

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম সফলতম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যাটসম্যান ছিলেন উইল্টন সেন্ট হিল।[৩১] ব্যাটসম্যান হিসেবে বড় ধরনের আসরে সেরা মানে নিয়ে গেছেন ও সেরা বোলারদেরকে মোকাবেলা করে অগ্রসর হয়েছে।[৫৩] দ্রুতগতিতে পায়ের কারুকাজে দক্ষ ছিলেন না। তবে, মাটিতে বল কোন জায়গায় আসতে পারে সে সম্পর্কে আগাম ধারনা পোষণ করতে পারতেন। ফলশ্রুতিতে, দ্রুততার সাথে স্থান পরিবর্তন করে কিছুটা অতিরিক্ত সময় নিয়ে শট খেলতেন। এমনকটি খুব কাছে আসার পরও অপেক্ষা করতেন তিনি। অনেক রানই পয়েন্ট ও স্কয়ার লেগ অঞ্চলে ফেলে সংগ্রহ করতেন। লেগ গ্ল্যান্সে অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন তিনি। তবে, এ ধরনের শট মোকাবেলায় ব্যর্থ হলে লেগ বিফোর উইকেট (এলবিডব্লিউ) আবেদনের ঝুঁকি এসে যায়। এছাড়াও, কাট শট মারতেন।[৫৪] কোন বোলার রান আটকাতে এগিয়ে আসলে তিনি আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে অগ্রসর হতেন।[৫৫]

বিয়ন্ড এ বাউন্ডারি[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালে সি. এল. আর. জেমস তার প্রকাশিত বিয়ন্ড এ বাউন্ডারি শীর্ষক গ্রন্থের একটি অধ্যায়ে উইল্টন সেন্ট হিলকে সম্পর্কে লিখেছেন। এ গ্রন্থটি অনেক ক্রিকেট বোদ্ধাদের কাছে ক্রিকেটের সেরা গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত ও খেলাধূলার অন্যতম সেরা গ্রন্থ।[৫৬][৫৭] জেমস লিখেছেন যে, আমার দৃষ্টিকোণে ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান, গারফিল্ড সোবার্স, জর্জ হ্যাডলি ও থ্রি ডব্লিউ নামে পরিচিত এভারটন উইকস, ক্লাইড ওয়ালকট এবং ফ্রাঙ্ক ওরেল, লেন হাটন, ডেনিস কম্পটন, পিটার মে ও অন্যদের সাথে একই মানে তিনি অবস্থান করছেন।[৫৮] তিনি তার চারিত্রিক গুণাবলী ও খেলার ধরন বর্ণনা করেছেন।[৫৯]

১৯৬৪ সালে উইজডেনে বইটির পর্যালোচনান্তে জন আর্লট মন্তব্য করেছেন যে, উইল্টন সেন্ট হিলের বিষয়ে যেভাবে বলা হয়েছে তা কখনো লেখা হয়নি।[৬০] জন ঐ অধ্যায়ের শেষদিকে লিখেছেন, তিনি অন্য যে-কোন খেলোয়াড়ের চেয়ে বলকে দেখতে পেতেন। তিনি বলটিকে বেশ দেরীতে মোকাবেলা করতেন।[৫৩]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. James states that "There were two or three trial matches. He failed in them and they left him out." CricketArchive does not record any matches being played prior to the 1923 tour, first-class or otherwise, by St Hill except the Inter-continental Tournament matches he played in September 1922.[৯][২১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Wilton St Hill"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১০ 
  2. James, p. 87.
  3. "Edwin St Hill"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১০ 
  4. "Cyl St Hill"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১০ 
  5. James, p. 50.
  6. James, p. 90.
  7. "British Guiana v Trinidad in 1911/12"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  8. "Barbados v Trinidad in 1911/12"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  9. "Player Oracle WH St Hill"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  10. "Trinidad v Marylebone Cricket Club in 1912/13 (first match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  11. "Trinidad v Marylebone Cricket Club in 1912/13 (second match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  12. Manley, pp. 21, 23.
  13. "First-class matches in West Indies in 1912/13"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  14. "Barbados v Trinidad in 1919/20 (first match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  15. "Barbados v Trinidad in 1919/20 (second match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  16. "Trinidad v British Guiana in 1920/21"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  17. "Trinidad v Barbados in 1920/21"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  18. "British Guiana v Trinidad in 1922/23"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  19. "Barbados v Trinidad in 1922/23"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  20. James, pp. 90, 93.
  21. James, p. 93.
  22. James, p. 94.
  23. James, p. 95.
  24. "Barbados v Trinidad in 1923/24"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  25. "Trinidad v British Guiana in 1924/25"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  26. "Trinidad v Barbados in 1924/25"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  27. "British Guiana v Trinidad in 1925/26"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  28. "West Indies v Marylebone Cricket Club in 1925/26 (first match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  29. "Trinidad v Marylebone Cricket Club in 1925/26 (first match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  30. "Trinidad v Marylebone Cricket Club in 1925/26 (second match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  31. Lawrence and Goble, p. 133.
  32. "West Indies v Marylebone Cricket Club in 1925/26 (second match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  33. "West Indies v Marylebone Cricket Club in 1925/26 (third match)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০ 
  34. "Barbados v Trinidad in 1926/27"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১০ 
  35. James, p. 96.
  36. "West Indies in England, 1928"Wisden Cricketers' Almanack। London: John Wisden & Co.। ১৯২৯। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  37. "Cricket. The Coming Season (subscription required)"The Times। London। ২৩ এপ্রিল ১৯২৮। পৃষ্ঠা 8। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  38. "Cricket. West Indians at Rye (subscription required)"The Times। London। ২৭ এপ্রিল ১৯২৮। পৃষ্ঠা 7। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  39. "West Indian Team at Berkhamsted (subscription required)"The Times। London। ১ মে ১৯২৮। পৃষ্ঠা 7। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  40. Manley, p. 26.
  41. "Statsguru: Test match innings by innings list for WH St Hill"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  42. "First-class Batting and Fielding in Each Season by Wilton St Hill"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১০ 
  43. "Trinidad v British Guiana in 1928/29"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  44. "Trinidad v Barbados in 1928/29"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  45. "British Guiana v Trinidad in 1929/30"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  46. "Marylebone Cricket Club in West Indies 1929/30"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  47. "Trinidad v Marylebone Cricket Club in 1929/30"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  48. "West Indies v England 1929–30"Wisden Cricketers' Almanack। London: John Wisden & Co.। ১৯৩১। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১০ 
  49. "For Abandoning or Postponing W. I. 1933 Cricket Tour"। The Daily Gleaner। Kingston, Jamaica। ১৩ জুলাই ১৯৩১। পৃষ্ঠা 15। 
  50. "Supplementary Obituaries"Wisden Cricketers' Almanack। London: John Wisden & Co.। ১৯৯৪। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  51. Constantine, Learie (১৯৫৭)। "How West Indies cricket grew up"Wisden Cricketers' Almanack। London: John Wisden & Co.। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১০ 
  52. "Trinidad and Tobago Sports Hall of Fame"। First Citizens Sports Foundation। ২৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৩ 
  53. James, p. 97.
  54. James, pp. 82–83.
  55. James, pp. 84–87.
  56. "Top 50 sports books. The countdown: 2-10"The Observer। London। ৮ মে ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১০ 
  57. Menon, Suresh। "Island stories"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১০ 
  58. James, p. 82.
  59. James, pp. 82–88.
  60. Arlott, John। "Cricket Books, 1963"। Wisden Cricketers' Almanack (1964 সংস্করণ)। London: John Wisden & Co। পৃষ্ঠা 994। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]