ইয়ান বিলক্লিফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইয়ান বিলক্লিফ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামইয়ান শ বিলক্লিফ
জন্ম (1972-10-26) ২৬ অক্টোবর ১৯৭২ (বয়স ৪৭)
উইলিয়ামস লেক, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
সম্পর্কমার্ক বিলক্লিফ (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৫)
১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ বনাম বাংলাদেশ
শেষ ওডিআই১৯ এপ্রিল ২০০৯ বনাম আয়ারল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯০/৯১–১৯৯৪/৯৫ওতাগো
১৯৯৫/৯৬ওয়েলিংটন
১৯৯৭/৯৮–১৯৯৮/৯৯অকল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি এলএ আইসিসি ট্রফি
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ৪৬ ৯১ ১৭
রানের সংখ্যা ৫২৯ ১,৯৬৪ ২,৩০১ ৫৭১
ব্যাটিং গড় ২৭.৮৪ ২৪.৫৫ ২৭.৩৯ ৪৩.৯২
১০০/৫০ ০/৪ ২/৯ ১/১৭ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ৯৩ ১২৬ ১০২* ১০২*
বল করেছে ১০৯ ৩০ ১৮১
উইকেট
বোলিং গড় ৬১.০০ ৪৬.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ১/৭ ০/২৭ ১/১৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ২৮/– ২৫/– ৮/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৩ মে ২০২০

ইয়ান শ বিলক্লিফ (ইংরেজি: Ian Billcliff; জন্ম: ২৬ অক্টোবর, ১৯৭২) ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় উইলিয়ামস লেক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক কানাডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।কানাডা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৩ থেকে ২০০৯ সময়কালে কানাডার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড, ওতাগো ও ওয়েলিংটন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ইয়ান বিলক্লিফ

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও শৈশবকাল নিউজিল্যান্ডের ওতাগোতে অতিবাহিত করেন।[১] সেখানেই তিনি ক্রিকেট খেলতে শিখেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে ওতাগোর সদস্যরূপে অভিষেক ঘটিয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনায় সচেষ্ট হন।

১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইয়ান বিলক্লিফের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। সবমিলিয়ে একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে শতরানের ইনিংস খেলতে পেরেছিলেন।

১৯৯১ সালে নিউজিল্যান্ডীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে ওতাগো ভোল্টসের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ইয়ান বিলক্লিফের অভিষেক ঘটে। ১৯৯২ সালে নিউজিল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্যরূপে দুইবার খেলেন। এরপর, ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ সময়কালে ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের পক্ষে খেলতে থাকেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত অকল্যান্ডে চলে যান। অকল্যান্ড ত্যাগ করার পর ইংল্যান্ডের সারে লীগে ক্লাব ক্রিকেট খেলতে থাকেন।[২]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে উনিশটি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন ইয়ান বিলক্লিফ। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩ তারিখে ডারবানে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ১৯ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

কানাডায় এক মৌসুম খেলেন ও আইসিসি ডেভেলপম্যান্ট ম্যানেজারের মাধ্যমে কানাডীয় ক্রিকেট প্রেসিডেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। জন্মসূত্রের বিষয়টি উন্মোচিত হবার পরপরই ২০০১ সালের আইসিসি ট্রফিতে কানাডা দলের সদস্যরূপে খেলেন। দলের তৃতীয় স্থান অর্জনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলশ্রুতিতে তার দল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। বিশ্বকাপের খেলাগুলোয়ও সাফল্য পান। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪২ ও কেনিয়ার বিপক্ষে ৭১ রান তুলেন।

ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর কানাডার পক্ষে মাত্র দুইটি একদিনের আন্তর্জাতিক খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। আগস্ট, ২০০৬ সালে বারমুদার বিপক্ষে ঐ দুই খেলায় অংশ নেন। এছাড়াও, কানাডার পক্ষে অন্যান্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তন্মধ্যে, ২০০৪ ও ২০০৬ সালের আইসিসি আমেরিকাস চ্যাম্পিয়নশীপ, ২০০৫ সালের আইসিসি ট্রফিসহ আইসিসি আন্তর্মহাদেশীয় কাপের তিন খেলায় অংশ নেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে কানাডা দলের নেতৃত্বে ছিলেন।

নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেট খেলতে থাকেন। তবে, অকল্যান্ডের ক্লাব ক্রিকেটে কেবলমাত্র কর্নওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০০৬-০৭ মৌসুমে অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট ক্লাব ও এলার্সলি ক্রিকেট ক্লাব একীভূত হয়ে নবগঠিত ইউনিভার্সিটি/এলার্সলি ক্লাবের পক্ষে খেলেন।

২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুন্দর খেলেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

বর্তমানে তিনি অকল্যান্ড গ্রামার স্কুলে শারীরিক শিক্ষাবিষয়ক শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। তার ভ্রাতা মার্ক বিলক্লিফ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ian Billcliff"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২০ 
  2. "Ian Billcliff - cricketing nomad finds a home in Canada"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]