ডোরিস লেসিং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডোরিস লেসিং Nobel prize medal.svg
Doris lessing 20060312 (jha).jpg
২০০৬ সালে রিটারারি কলোনে লেসিং
জন্ম (১৯১৯-১০-২২) ২২ অক্টোবর ১৯১৯ (বয়স ৯৫)
কেরমানশাহ,
State flag of Iran 1964-1980.svg পার্সিয়া
মৃত্যু ১৭ নভেম্বর ২০১৩(২০১৩-১১-১৭) (৯৪ বছর)
লন্ডন, যুক্তরাজ্য
জীবিকা লেখক
জাতীয়তা Flag of the United Kingdom.svg ব্রিটিশ
সাহিত্য আন্দোলন আধুনিকতাবাদ, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, সূফীবাদ, সমাজতন্ত্র, নারীবাদ,
উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
যাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন ইদ্রিস শাহ, অলিভ শ্রেইনার, Simone de Beauvoir, সার্ত্র, দস্তয়েভস্কি, Bronte sisters, Christina Stead, ডিএইচ লরেন্স, Stendhal, ভার্জিনিয়া উল্‌ফ, মিখাইল বুলগাকভ
যাঁদেরকে প্রভাবিত করেছেন Alexandra Fuller, Elaine Showalter, Octavia Butler, Rachel Blau DuPlessis, Erica Jong, টনি মরিসন, Joanna Russ, Marge Piercy, Joyce Carol Oates, Margaret Atwood
ওয়েবসাইট http://www.dorislessing.org/


ডোরিস লেসিং (née Tayler; ২২ অক্টোবর, ১৯১৯ – ১৭ নভেম্বর, ২০১৩) ছিলেন একজন ব্রিটিশ উপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, জীবনীলেখক এবং ছোটগল্পকার। তাঁর উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে দি গ্রাস ইস সিঙ্গিং (১৯৫০), পাঁচটি ধারাবাহিক উপন্যাস যেগুলোকে একত্রে বলা হয় চিলড্রেন অফ ভায়োলেন্স (১৯৫২-৫৯), দি গোল্ডেন নোটবুক (১৯৬২), দি গুড টেররিস্ট (১৯৮৫), এবং একত্রে পাঁচটি উপন্যাস যেগুলোকে বলা হয় ক্যানোপাস ইন আরগোস: আর্কাইভস (১৯৭৯-১৯৮৩)। লেসিংকে ২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। নোবেল প্রদান করে সুইডিশ একাডেমী তাঁকে বর্ণনা করে এভাবেঃ "that epicist of the female experience, who with scepticism, fire and visionary power has subjected a divided civilisation to scrutiny".[১] লেসিং ছিলেন একাদশ নারী এবং সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।[২][৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "NobelPrize.org"। সংগৃহীত 11 October 2007 
  2. Crown, Sarah."Doris Lessing wins Nobel prize", The Guardian, 11 October 2013. Retrieved 12 October 2007.
  3. Editors at BBC. Author Lessing wins Nobel honour. BBC News. Retrieved 12 October 2007.
  4. Marchand, Philip. Doris Lessing oldest to win literature award. Toronto Star. Retrieved 13 October 2007.