আলবেয়ার কামু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

পাশ্চাত্যের দর্শন
একবিংশ শতাব্দির দর্শন
আলবেয়ার কামু, ছবিটি ১৯৫৭ সালে তোলা, যা নিউয়র্ক ওয়ার্ল্ড টেলিগ্রাম এন্ড সান নিউজপেপার ছবি সংগ্রহশালা, লাইব্রেরি কংগ্রেসের অংশ
নাম: আলবেয়ার কামু
জন্ম: নভেম্বর ৭, ১৯১৩
ফ্রান্স এর পতাকা মোনডোভি, আলজেরিয়া
মৃত্যু: জানুয়ারি ৪, ১৯৬০ (৪৬ বছর)
ফ্রান্স এর পতাকা ভিল্লেব্লেভিন, ফ্রান্স
মতাদর্শ ধারা: Absurdism
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯৫৭)
প্রধান আগ্রহ: Ethics, Humanity, Justice, Love, Politics
যুগান্তকারী ধারণা: "The absurd is the essential concept and the first truth"

"Always go too far, because that's where you'll find the truth."

"I rebel; therefore we exist."
যাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন: Fyodor Dostoevsky, Franz Kafka, Søren Kierkegaard, Herman Melville, Friedrich Nietzsche, Jean-Paul Sartre, Simone Weil, Pascal Pia
যাদেরকে প্রভাবিত করেছেন: Thomas Merton, Jacques Monod, Jean-Paul Sartre

আলবেয়ার কামু (নভেম্বর ৭, ১৯১৩ - জানুয়ারি ৪, ১৯৬০) একজন ফরাসি বংশোদ্ভূত আলজেরীয় সাহিত্যিক।তাঁর জন্ম আলজেরিয়ার মন্দোভি নামক জায়গায়।

কামুর শৈশব দারিদ্র্যের মধ্যে কাটলেও নিরানন্দ ছিল না। তিনি আলজিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। একই সাথে তিনি "তেয়াত্র্ দ্য লেকিপ" (Théâtre de l'équipe) নামে একটি তারুণ্যনির্ভর প্রগতিবাদী নাট্যদল সংগঠন করেন। তাঁর প্রথমদিককার প্রবন্ধগুলি L'Envers et l'endroit ('অশুদ্ধ পক্ষ এবং শুদ্ধ পক্ষ' বা 'The Wrong Side and the Right Side') এবং Noces ('পরিণয়গুচ্ছ' বা 'Nuptials') এ সংকলিত করা হয়। তিনি প্যারিসে যান এবং আলজেরিয়ায় প্রত্যাবর্তনের পূর্বে সেখানে 'প্যারিস সন্ধ্যা' বা 'Paris Soir' নামক দৈনিক পত্রিকাটিতে কিছুকাল কাজ করেন। তাঁর লেখা নাটক 'ক্যালিগুলা' (Caligula) ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর শুরুর দিককার দুটি উল্লেখযোগ্য বই, 'L'Étranger' ('দ্বাদশ ব্যক্তি' বা 'দ্য আউটসাইডার') এবং 'Le Mythe de Sisyphe' ('সিসিফাস-পুরাণ' বা 'The Myth of Sisyphus') প্রকাশিত হয় তিনি আবারো প্যারিসে পাড়ি জমাবার পর।

১৯৪১ সালে জার্মানী যখন ফ্রান্স দখল করে নেয়, সেইসময় তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন (Resistance movement)-এর একজন পুরোধা বুদ্ধিজীবি হয়ে ওঠেন। তিনি গুপ্ত পত্রিকা 'লড়াই' (Combat) প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করেন এবং এটিতে লেখা দেয়া ও সম্পাদনার কাজও করেন। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে তিনি লেখালেখিতে আত্মনিয়োগ করেন এবং La Peste (The Plague) (১৯৪৭), Les Justes (The Just) (১৯৪৯) ও La Chute (The Fall) (১৯৫৬)-এর মত বই লিখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। পঞ্চাশের দশকের শেষার্ধে নাট্যশালার প্রতি কামুর ভালোবাসা সক্রিয়তা পায়। এসময় তিনি উইলিয়াম ফকনার-এর 'জনৈকা সন্ন্যাসিনীর মৃত্যুতে প্রার্থনা' (Requiem for a Nun) এবং দস্তয়েভ্‌স্কির 'অধিকৃত' (The Possessed)-এর মঞ্চ সংস্করণ রচনা করেন এবং নাটকগুলির নির্দেশনার দায়িত্বও পালন করেন।

তিনি ১৯৫৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। সবচেয়ে কম বয়সে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে রাড্‌ইয়ার্ড কিপলিং-এর পর পরই তাঁর অবস্থান।

তিনি ১৯৬০ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।

কামুর সমাধিস্তম্ভ
কামুর সমাধিস্তম্ভ

[সম্পাদনা] কামু সম্পর্কে অন্যান্যদের উক্তি

-অবধারিতভাবেই কামু আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রধানতম ব্যাক্তিবর্গের একজন হয়ে উঠেছিলেন এবং ফ্রান্সের ইতিহাস ও তাঁর নিজের শতাব্দীর তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র প্রতিনিধি। - জঁ পল সার্ত্র্‌, কামুর মৃত্যুর পর।

[সম্পাদনা] রচনাবলী

  • লেত্রঁজে (L'Étranger; ইংরেজীতে The Outsider অথবা The Stranger) (১৯৪২)
  • লা পেস্ত (La Peste; ইংরেজীতে The Plague) (১৯৪৭)
  • লা শুত (La Chute; ইংরেজীতে The Fall) (১৯৫৬)
  • লা মখ ওরোজ (La Mort heureuse; ইংরেজীতে A Happy Death) (১৯৭০)
  • ল্য প্রমিয়ের ওম (Le premier homme; ইংরেজীতে The First Man) (১৯৯৫)
এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করতে পারেন
ব্যক্তিগত হাতিয়ারসমূহ