মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ
ملا محمد حسن اخوند خوندئ
আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
(ভারপ্রাপ্ত)
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
ডেপুটিআবদুল গনি বরাদর (ভারপ্রাপ্ত)
আবদুল সালাম হানাফি (ভারপ্রাপ্ত)
নেতাহাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা
পূর্বসূরীআব্দুল কাদির (ভারপ্রাপ্ত, ২০০১)
আফগানিস্থানের উপপ্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ – ১৩ নভেম্বর ২০০১
প্রধানমন্ত্রীমোহাম্মদ রব্বানি
আব্দুল কাদির (ভারপ্রাপ্ত)
নেতামুহাম্মদ ওমর
পূর্বসূরীঅফিস প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীআবদুল গনি বরাদর (২০২১)
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৯৪৫ থেকে ১৯৫৮ এর মধ্যে[১]
পশমুল, পাঞ্জওয়াই জেলা (বর্তমানে ঝারি জেলা), কান্দাহার প্রদেশ, আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাত
রাজনৈতিক দল তালিবান

মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ ( পশতু: ملا محمد حسن اخوند  ; জন্ম ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৮ এর মধ্যে[১]) আফগানিস্তানের ইসলামী আমিরাতের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী।[২] তিনি ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[৩][৪] তিনি তালিবানের একজন শীর্ষস্থানীয় সদস্য। ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর পর্যন্ত, অন্য কোন দেশ আফগানিস্তানের ইসলামিক আমিরাতকে আফগানিস্তানের ডি জুর সরকার হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তথ্য অনুসারে, হাসান আখুন্দ পশমুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যা তখন পাঞ্জওয়াই জেলায় এবং এখন আফগানিস্তান রাজ্যের কান্দাহার প্রদেশের ঝারি জেলায় অধীন। জাতিসংঘের তার জন্মের বছরের জন্য দুটি অনুমান রয়েছে, আনুমানিক ১৯৪৫-১৯৫০ এবং আনুমানিক ১৯৫৫-১৯৫৮।[১] তিনি কাকার পশতুন গোত্রের অন্তর্গত।[৫][৬] আল-জাজিরা বলছে যে হাসান আখুদের পশতুন বংশ ১৭৪৭ সালে দুররানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা আহমদ শাহ দুররানি থেকে এসেছে।[৭] তিনি আফগানিস্তানের বিভিন্ন মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন।[৮]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

হাসান আখন্দকে তালিবানের অন্যতম প্রাচীন সদস্য হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তিনি আন্দোলনের প্রথম নেতা মোহাম্মদ ওমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।[৮] তালেবান শাসনের সময় (১৯৯৬-২০০১) তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আফগানিস্তানের উপ -পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় তিনি উপ -প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন।[৭]

হাসান আখুন্দ ১৯৯৫ সালে কাবুলের ছয় সদস্যের তত্ত্বাবধায়ক পরিষদে ছিলেন।[৯]

বিদ্রোহের সময়কালে (২০০১-২০২১) প্রায় দুই দশক ধরে তিনি তালেবানের নীতিনির্ধারণী সর্বোচ্চ পর্ষদ শুরা কাউন্সিলের নেতৃত্বে ছিলেন।[১০] ২০১৩ সালে তিনি তালেবান কমিশনের প্রধান এবং নিয়োগ কমিশনের প্রধান ছিলেন।[১১]

২০২১ সালে তালেবানের ক্ষমতায় ফেরার পর, আখন্দ অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তার নিয়োগকে তালেবানের মধ্যপন্থী এবং কট্টরপন্থী ব্যক্তিত্বের মধ্যে সমঝোতা হিসেবে দেখা হয়েছিল।[১২]

অন্যান্য[সম্পাদনা]

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সামরিক দিকের বিপরীতে তালেবানদের ধর্মীয় দিক থেকে হাসান আখুন্দ বেশি প্রভাবশালী।[১২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Security Council 1988 Committee Amends 105 Entries on Its Sanctions List | Meetings Coverage and Press Releases"www.un.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৮ 
  2. Whiteside, Philip (৭ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "Afghanistan: Who's who in the new Taliban government"Sky NewsSky UK। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  3. "گروه طالبان حکومت جدید خود را با رهبری ملا حسن اخوند اعلام کرد"BBC News فارسی 
  4. "Taliban announce new government for Afghanistan"BBC News। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। 
  5. "Consolidated List Of Financial Sanctions Targets In The UK" (PDF)। HM Treasury। ফেব্রুয়ারি ১, ২০২১। পৃষ্ঠা 4-5। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৮28. Name 6: AKHUND 1: MOHAMMAD 2: HASSAN ... Member of Taliban Supreme Council as at Dec. 2009. Belongs to Kakar tribe. 
  6. "United Nations Security Council Consolidated List"। United Nations। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  7. "Profile: Mohammad Hasan Akhund, the head of Taliban government"Al-Jazeera। ২০২১-০৯-০৭। 
  8. "Profile: Who is Afghanistan's new caretaker prime minister?"। The Express Tribune। ২০২১-০৯-০৮। 
  9. Kamal Matinuddin (২০০০)। The Taliban Phenomenon। পৃষ্ঠা 45। 
  10. Peter Bergen (২০১৩)। TalibanistanOxford University Press। পৃষ্ঠা 9। 
  11. Seth G. Jones (২০১৭)। Waging Insurgent Warfare: Lessons from the Vietcong to the Islamic StateOxford University Press। পৃষ্ঠা 99। 
  12. "Hardliners get key posts in new Taliban government"BBC News। ২০২১-০৯-০৭।