মোউরাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

মোউরাল
Common Banded Peacock
Open wing position of Papilio crino, Fabricius,1793 – Common Banded Peacock WLB.jpg
মোউরাল(Common Banded Peacock)
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Arthropoda
শ্রেণী: Insecta
বর্গ: Lepidoptera
পরিবার: Papilionidae
গণ: Papilio
প্রজাতি: P. crino
দ্বিপদী নাম
Papilio crino
Fabricius, 1792

মোউরাল[১] (বৈজ্ঞানিক নাম: Papilio crino(Fabricius)) এক প্রজাতির বড় আকারের প্রজাপতি, যার মূল শরীরটা কালো বর্ণের এবং ডানায় কালোর উপর সবুজ আবির ছেটানো এবং ডানায় উজ্জ্বল নীলচে সবুজ ধাতব রঙের পটি দেখা যায়। এরা ‘প্যাপিলিওনিডি’ পরিবারের এবং 'প্যাপিলিওনিনি' উপগোত্রের সদস্য।

আকার[সম্পাদনা]

প্রসারিত অবস্থায় মোউরালের ডানার আকার ১০০-১০৫ মিলিমিটার দৈর্ঘে র হয়।[২]

বিস্তার[সম্পাদনা]

এই প্রজাপতিটি ভারত এবং শ্রীলঙ্কাতে দেখতে পাওয়া যায়। ভারতে মোউরালকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায়। দক্ষিণবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমঘাট ও নীলগিরির কিছু অংশ, ছোটনাগপুর অঞ্চল, বিহার অঞ্চলে মোউরাল দেখা যায়।[৩] শুষ্ক এবং উষ্ণ পর্নমোচী অরণ্যে এদের বেশি দেখা যায়।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

মোউরালের ওপর-পিঠে সামনের ডানার মাঝ আঁচল বরাবর একটি উজ্জ্বল নীলচে সবুজ ধাতব রঙের পটি নেমে এসে পিছনের ডানায় মিশেছে, সেখানের পটিটা তুলনামূলক ভাবে চওড়া। পিছনের ডানায় পটির মাঝামাঝি অংশে এই নীলচে আভাটা একটু বেশী এবং ডানার ভূমিকোণে গোলাপি পাড় দিয়ে ঘেরা কালো বিন্দু দেখা যায়। লেজ দেখা যায় এবং লেজের বর্ন কালো, লেজের ডগাতে তিলকের মতো নীলচে সবুজ দ্যুতি থাকে।

আচরণ[সম্পাদনা]

এরা ওড়ে খুব দ্রুতগতিতে। মূলত গাছের উপরিভাগে যথেষ্ট উচ্চতায় এদের উড়তে দেখা যায়। মোউরালদের ফুলের মধুর প্রতি আসক্তি আছে। দ্রুত উড়তে উড়তে এরা মাঝে মাঝে পাতার উপর ডানা মেলে বসে থাকতে দেখা যায়।[৪]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

ডিম[সম্পাদনা]

স্ত্রী মোউরাল Chloroxylon swietenia গাছের পাতার ঊপর ডিম পাড়ে।[৫]

শূককীট[সম্পাদনা]

শূককীট নীলচে সবুজ বর্ণের হয়। দ্বিতীয়, দ্বাদশ এবং ত্রয়োদশ দেহখন্ডে এক জোড়া করে মাংসল গুঁটি দেখা যায়।[৬]

আহার্য উদ্ভিদ[সম্পাদনা]

এই শূককীট Chloroxylon swietenia গাছের পাতার রসালো অংশ আহার করে।

মূককীট[সম্পাদনা]

মূককীট সবুজ রঙের হয়।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Dāśagupta, Yudhājit̲̲̲̲̲̲a (২০০৬)। Paścimabaṅgera prajāpati (1. saṃskaraṇa. সংস্করণ)। Kalakātā: Ānanda। পৃষ্ঠা ৫৭। আইএসবিএন 81-7756-558-3 
  2. Isaac, Kehimkar (২০০৮)। The book of Indian Butterflies। New Delhi: Oxford University Press। পৃষ্ঠা ১১৮।isbn=978 019569620 2। 
  3. Wynter-Blyth, M.A. (1957). Butterflies of the Indian Region. Bombay Natural History Society, Mumbai, India.
  4. বসু রায়, অর্জন; বৈদ্য, সারিকা; রায়, লিপিকা। সুন্দরবনের কিছু পরিচিত প্রজাপতি (মার্চ ২০১৪ সংস্করণ)। সুন্দরবন জীবপরিমণ্ডল,Department of Forest Government of West Bengal। পৃষ্ঠা ১২। 
  5. Gaden S. Robinson, Phillip R. Ackery, Ian J. Kitching, George W. Beccaloni and Luis M. Hernández. HOSTS - a Database of the World's Lepidopteran Hostplants [১]
  6. Frederic Moore in Bingham, 1905

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]