চইতক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

চইতক (Tailed Jay)
Close wing position of Graphium agamemnon Linnaeus, 1758 – Tailed Jay DSC 3328 copy.jpg
ডানা বন্ধ অবস্থায়
Open wing position of Graphium agamemnon Linnaeus, 1758 – Tailed Jay DSC 4686.jpg
ডানা খোলা অবস্থায়
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Arthropoda
শ্রেণী: Insecta
বর্গ: Lepidoptera
পরিবার: Papilionidae
গণ: Graphium
প্রজাতি: G. agamemnon
দ্বিপদী নাম
Graphium agamemnon
(Linnaeus, 1758)
Subspecies[১]
  • G. a. agamemnon
  • G. a. plisthenes (C. & R. Felder, 1864)
  • G. a. neopommeranius (Honrath, [1888])
  • G. a. argynnus (Druce, 1888)
  • G. a. ligatus (Rothschild, 1895)
  • G. a. exilis (Rothschild, 1895)
  • G. a. decoratus (Rothschild, 1895)
  • G. a. guttatus (Rothschild, 1895)
  • G. a. salomonis (Rothschild, 1895)
  • G. a. obliteratus (Lathy, 1899)
  • G. a. menides (Fruhstorfer, 1904)
  • G. a. andamana (Lathy, 1907)
  • G. a. rufoplenus (Fruhstorfer, 1917)
  • G. a. atropictus (Fruhstorfer, 1903)
  • G. a. pulo (Evans, 1932)
  • G. a. baweata (Hagen, 1896)
  • G. a. meton (Fruhstorfer, 1904)
  • G. a. comodus (Fruhstorfer, 1903)
  • G. a. ugiensis (Jordan, 1909)
  • G. a. admiralia (Rothschild, 1915)
প্রতিশব্দ
  • Papilio agamemnon Linnaeus, 1758
  • Papilio atreus (Fruhstorfer, 1903)
  • Papilio mynion (Fruhstorfer, 1906)

চইতক[২] (বৈজ্ঞানিক নাম: Graphium agamemnon (Linnaeus) যার শরীর এবং ডানা কালচে খয়েরি বর্ণের, ডানায় সবুজ ছিট ছিট দেখা যায়। এরা বড় আকারের প্রজাপতি এবং ‘প্যাপিলিওনিডি’ পরিবারের এবং 'প্যাপিলিওনিনি' উপগোত্রের সদস্য। ক্ষিপ্র সতেজতা, বড়সড় আকার, ডানার উজ্জ্বল সবুজ ছিট প্রজাপতিটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

আকার[সম্পাদনা]

প্রসারিত অবস্থায় ডানার মাপ ৮৫-১০০ মিলিমিটার।[৩]

উপপ্রজাতি[সম্পাদনা]

ভারতে প্রাপ্ত চইতক এর উপপ্রজাতি হল- [৪]

  • Graphium agamemnon agamemnon Linnaeus, 1758 –Oriental Tailed Jay
  • Graphium agamemnon menides Fruhstorfer, 1904– Dakhan Tailed Jay
  • Graphium agamemnon andamana Lathy, 1907– Andaman Tailed Jay
  • Graphium agamemnon decoratus Rothschild, 1895 –Car Nicobar Tailed Jay
  • Graphium agamemnon pulo Evans, 1932– South Nicobar Tailed Jay

বিস্তার[সম্পাদনা]

প্রজাপতিটিকে ভারতসহ গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় দেখা যায়। হিমালয়ের ৫৯০০ ফুট পর্যন্ত এদের দেখা মেলে। এদের মূলত চিরহরিৎ অরণ্যে বেশি দেখা যায়। [৫]

বর্ণনা[সম্পাদনা]

প্রজাপতির দেহাংশের পরিচয় বিষদ জানার জন্য প্রজাপতির দেহ এবং ডানার অংশের নির্দেশিকা দেখুন:-

পুরুষ চইতক মাটি থেকে জন পান করছে। বক্সা ব্যাঘ্র্য প্রকল্প, পশ্চিমবঙ্গ

এই প্রজাপতির সামনের এবং পিছনের পিঠ কালচে খয়েরি রঙের। ওপর পিঠে কালচে খয়েরির উপর সার সার কলাপাতা সবুজ রঙের বিন্দু, বুটি এবং তির্যক টানের নকশা দেখা যায়। সামনের ডানাতে সারি দিয়ে পাশাপাশি সবুজ বিন্দু থাকে এবং তুলনায় হাল্কা খয়েরি বরন। পিছনের ডানায় কয়েকটা লাল বিন্দু দেখা যায়। [৫][৬]

পুরুষ[সম্পাদনা]

পুরুষ চইতক প্রজাপতির ডানার উপরিপৃষ্ঠের রঙ কালো অথবা ধূসর কালো এবং বিভিন্ন আকারের সবুজ দাগ এবং ছোপ যুক্ত। সামনের ডানার উপরিতলে পিছনের ডানা অপেক্ষা অধিক সবুজ দাগ এবং ছোপ দেখা যায়। সামনের ডানায় কোস্টাল প্রান্তরেখার বেসে একটি সবুজ ছোপ থাকে। সামনের ডানার সেল এর অঞ্চলের কাছে একটি তীর্যক সল্পদৈর্ঘ্য দন্ডাকৃতি পুরু দাগ এবং তার পাশে পাশাপাশি অবস্থিত সাতটি ক্রমিক ক্ষুদ্রাকার হয়ে যাওয়া ছোপ লক্ষ করা যায় (সবুজ এবং ঈষৎ হলদে মেশানো)। ডানার শীর্ষভাগে থাকে এপিকাল স্পট। সেল এর শীর্ষভাগ ছাড়িয়ে দুটি ছোপ, ইন্টারস্পেসে ১a এবং ১ এর বেস অঞ্চলে একটি ছোপ দেখা যায় যাকে অনুসরন করে দুটি ক্ষুদ্র তীর্যক ম্যাকুলার বন্ধনী রয়েছে। ডিসকাল অঞ্চলে এক সারি ছোপ বর্তমান যেগুলি কোস্টার দিক বরাবর আকারে ছোট হতে দেখা যায়। পষ্টডিসকাল অঞ্চলে এক সারি অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ছোপ রয়েছে যেগুলির শুরু ইন্টারস্পেস ১ এর দুটি ছোপ থেকে। ডিসকাল এবং পোস্টডিসকাল উভয় সারির ছোপগুলি ইন্টারস্পেস ৭ এ রৈখিক অবস্থানচ্যুত।

পিছনের ডানার উপরিতলে একই রঙ বিশিষ্ট (সবুজ এবং ঈষৎ হলুদ) তিন সারি দাগ ছোখে পড়ে যেজুলি তীর্যক ভাবে এবং ডরসাল প্রান্তরেখার সাথে কম বেশী সমান্ররাল ভাবে বিন্যস্ত। এই তিন সারি দাগগুলির উপরের দিকের গুলি (ইন্টারস্পেস ৭ এ) সাদা। পিছনের ডানার বেস এর একদম প্রান্তভাগে একটি ছোট হালকা সবুজ ডোরা বর্তমান।

ডানার নিম্নপৃষ্ঠের রঙ ধূলামলিন বাদামী অথবা বাদামী এবং কালোর সংমিশ্রন। সামনের ডানার কোস্টাল প্রান্তরেখা বরাবর, শীর্ষ্পভাগে এবং ডিসকাল দাগগুলির বহিঃপ্রান্তরেখা বরাবর কম বেশী হালকা গোলাপী রঙের বিন্যাস লক্ষ করা যায়। সামনের ডানার ডর্সাল এবং টার্মিনাল প্রান্তরেখা ববাবর এবং পিছনের ডানার ইন্টারস্পেসে ৬ এবং ৭ এর বেস এ ও এই ঈষৎ গোলাপী রঙের ছোঁয়া চোখে পড়ে। উভয় ডানার নিম্নপৃষ্ঠের দাগ এবং ছোপগুলি উপরিপৃষ্ঠের ই ন্যায়, তবে নিম্নপৃষ্ঠের দাগ ছোপগুলি অপেক্ষাকৃত কম সুস্পষ্ঠ এবং কিছুটা বেশী ধূসর বর্ণের।

নিচের ডানার নিম্নপৃষ্ঠ ধূসর কালচে বর্ণের। ইন্টারস্পেস ৬ এবং ৭ এর ঈষৎ গোলাপী বর্ন বিন্যাস যুক্ত অঞ্চলে কিছু ছোপ রয়েছে যাদের অন্তর্ভাগ লাল প্রান্তরেখা যুক্ত। সিলিয়া অথবা ডানার প্রান্তবর্তী রোয়া খুব সরু এবং ফ্যাকাশে গোলাপী বর্ণের। শুঙ্গ ,মাথা, বক্ষদেশ (থোরাক্স) এবং পেটের উপরিপৃষ্ঠ কালচে। থোরাক্স এর উপরিতল এবং পেট এর দুই প্রার্শ্ব ধূসর সবুজ ছোপ যুক্ত এবং নিম্নপৃষ্ঠ ধূসর কমলা রঙের এবং বক্ষদেশের নিম্নভাগে হালকা গোলাপীর ছোঁয়া পরিলক্ষিত হয়।[৭]

স্ত্রী[সম্পাদনা]

স্ত্রী চইতক প্রজাপতির পুরুষ নমুনারই অনুরূপ, তবে স্ত্রী প্রজাপতির নমুনাতে উভয় ডানারই উপরিতল এবং নিম্নতলে ডরসাল প্রান্তরেখা বরাবর সবজে সাদা ছিটা দেখা যায়।[৭]

কার-নিকোবর চইতক (Graphium agamemnon decoratus Rothschild, 1895)[সম্পাদনা]

চইতক প্রজাপতির একটি উপপ্রজাতি কার-নিকোবর চইতক, দেখতে পাওয়া যায় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং ইহা মূল প্রজাতির সাথে অতিমাত্রায় সাদৃশ্যযুক্ত। চইতক প্রজাতি থেকে কার-নিকোবর চইতক উপপ্রজাতির নমুনাগুলিকে নিম্নলিখিত বৈশিষ্টগুলি দ্বারা আলাদা করা যায়।[৭]

কার-নিকোবর চইতক উপপ্রজাতির ডানার উপরিপৃষ্ঠের সবুজ দাগ ছোপগুলি অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র, বিশেষত সামনের ডানার ডিসকাল অঞ্চলে দাগ এবং ছোপের সারিগুলিতে। পিছনের ডানার নিম্নপৃষ্ঠে লাল বর্ণের পোস্টকোস্টাল ছোপ অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু কালো অংশের উপর লাল রংটি অনেক বেশী জোরালো। অ্যানাল অঞ্চলে বৃহৎ লাল বর্ণের দাগ এবং প্রথম ডিসকো সেলুলার উপশিরার আগে অবস্থিত দাগটি ছাড়াও ২ নং ইন্টারস্পেসে একটি বড় লাল ছোপ থাকে। এছাড়াও ৩,৪ এবং ৫ নং ইন্টারস্পেসে তিনটি অগ্রবর্তী সেলুলাস এর প্রত্যেকটিতে একটি অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র লাল ছোপ এবং লোয়ার মেডিয়ান সেলুলির বেস এ একটি ছিটে অথবা দাগ লক্ষ করা যায়।[৭]

আচরণ[সম্পাদনা]

এরা সাধারণত মাঝারি বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে বসবাস করে।[৮] এদের বেশী উচ্চতায় দেখা যায় না। চইতক খুব চঞ্চল প্রকৃতির প্রজাপতি, যখন এরা ফুলের মধু পান করে অথবা জল্পান করে তখন এদের ডানা ক্রমাগত কাঁপাতে থেকে।[৯] যদিও ভিজে মাটি থেকে জলপান করতে খুব কম দেখা যায়। পুরুষ চইতকরা ফুলের মধু পান করতে খুব আগ্রহী বিশেষতঃ Lantana camara ফুল থেকে। এরা বিশ্রাম নেওয়ার সময় সবসময় ডানা মুড়ে বসে।[১০] তবে সকালের দিকে অথবা বৃষ্টি থামার পর, ভিজে ডানা শুকানোর জন্য এরা অনেকক্ষন এদের ডানা মেলে স্থির হয়ে বসে থাকে।[১১] চইতকদের রাতের বেলা আলোর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।[১২]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

এই প্রজাতির প্রজাপতিদের ডিম ফুটে পূর্নাঙ্গ প্রজাপতিতে পরিনত হতে মোটামুটি ৩৩-৩৬ দিন সময় লাগে।[১৩]

ডিম[সম্পাদনা]

চইতকের ডিম ফ্যাকাশে হলদেটে এবং অল্প সবুজ ঘেঁষা থাকে। এরা একটি একটি করে ডিম পাড়ে কচি পাতার নিচের দিকে। [১৪]

শূককীট[সম্পাদনা]

শূককীটগুলি লম্বাটে এবং প্রথম দশায় কালো বা কালচে সবুজ বর্ণের হয়। বক্ষের প্রতিটি দেহখণ্ডে এবং শরীরের একেবারে শেষ খণ্ডে দুটো করে সরু কাঁটা থাকে কালো রঙের। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শূককীটেের শরীর ঘাসরঙা হয়ে আসে। মূককীট হওয়ার মুখে রঙ বদলে নীলচে সবুজ হয়ে আসে, তখন দেখলে মনে হয় আবরণীর ভেতরে যেন সবুজ তরল রয়েছে।[১৫]

আহার্য উদ্ভিদ[সম্পাদনা]

এই শূককীট Annonaceae Lauraceae MagnoliaceaeCinnamomum গোত্রের বিভিন্ন উদ্ভিদ যেমন- আতা (Annona reticulata), নোনা (Annona squamosa),Annona discolor, Annona muriacata, চাঁপা [১৬] (Artabotrys hexaprtalus),দেবদারু (Polyalthia longifolia), বড়চালি বা মুড়মুড়ি (Polyalthia suberosa), Polyalthia cerasoides, Michelia doltospa, স্বর্ণচাঁপা Michelia champaca[১৭] ইত্যাদি গাছের পাতার রসালো অংশ আহার করে।

মূককীট[সম্পাদনা]

মূককীট এর রঙ নীলচে সবুজ বর্ণের। বক্ষ অংশে একটা উঁচিয়ে ওঠা বোঁটার মতো চূড়া আছে এবং এই চূড়ার রঙ খয়েরি। এদের মূককীট সাধারণত কোনো ডালের গায়ে বা পাতার পিছনে দেখা যায়। শূককীট এবং মূককীট উভয়ই প্রচুর প্যারাসাইটয়েডের শিকার হয়।

জীবনচক্রের চিত্রশালা[সম্পাদনা]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Graphium, funet.fi
  2. Dāśagupta, Yudhājit̲̲̲̲̲̲a (২০০৬)। Paścimabaṅgera prajāpati (1. saṃskaraṇa. সংস্করণ)। Kalakātā: Ānanda। পৃষ্ঠা 42। আইএসবিএন 81-7756-558-3 
  3. Isaac, Kehimkar (২০০৮)। The book of Indian Butterflies। New Delhi। পৃষ্ঠা 120।publisher=Oxford University Press। আইএসবিএন 978 019569620 2 
  4. "Graphium agamemnon Linnaeus, 1758 – Tailed Jay"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৬ 
  5. Bingham, C. T. 1907. Fauna of British India. Butterflies. Volume 2
  6. Pratap Singh, Arun (২০১১)। Butterflies of India (1st সংস্করণ)। Utter Pradesh: Om Books International। পৃষ্ঠা 9। আইএসবিএন 978-93-80069-60-9 
  7. Bingham, C.T. (১৯০৭)। The Fauna of British India, Including Ceylon and BurmaII (1st সংস্করণ)। London: Taylor and Francis, Ltd.। 
  8. Singh, Arun Pratap (২০১১)। Butterflies of India। Noida: Om Book International। পৃষ্ঠা 24। আইএসবিএন 978-93-80069-60-9 
  9. Rianti, P.; Suryobroto, B.। "Diversity and Effectiveness of Insect Polinators of Jatropha curcas L.(Euphorbiaceae)"। Hayati Journal of Biosciences(2010)। পৃষ্ঠা 38-42। 
  10. Wynter-Blyth, M.A. (১৯৫৭)। Butterflies of the Indian region (First Edition সংস্করণ)। Bombay: The Bombay Natural History Society। পৃষ্ঠা 404। 
  11. বসু রায়, অর্জন; বৈদ্য, সারিকা; রায়, লিপিকা। সুন্দরবনের কিছু পরিচিত প্রজাপতি (মার্চ ২০১৪ সংস্করণ)। সুন্দরবন জীবপরিমণ্ডল,Department of Forest Government of West Bengal। পৃষ্ঠা ৪। 
  12. Sharma, R.M.; Chaturvedi, N. (২০০৫)। "Additions to the light attracted butterflies"। J. Bombay. Nat. Hist. Soc.102 (1): 129। 
  13. Ramana, S. P.; Atluri, J. B.; Reddi, C. S. (২০০৩)। "Autecology of the tailed jay butterfly Graphium agamemnon (Lepidoptera: Rhopalocera: Papilionidae)"। Journal of Environmental Biology24 (3): 295–303। PMID 15259606 
  14. Isaac, Kehimkar (২০০৮)। The book of Indian Butterflies। New Delhi: Oxford University Press। আইএসবিএন 978 019569620 2 
  15. Venkata Ramana, S.P.; Atluri, J.B.। "Autecology of the tailed jay butterfly Graphium agamemnon(Lepidoptera:Rhopalocera:Papilionidae)"। Journal of Environmental Biology(2003)। পৃষ্ঠা 295-303। আইএসএসএন 0254-8704 
  16. A Pictorial Guide Butterflies of Gorumara National Park (2013 সংস্করণ)। Department of Forests Government of West Bengal। পৃষ্ঠা ৭। 
  17. Isaac, Kehimkar (২০০১)। Common Indian Wild Flower। New Delhi: Oxford University Press। আইএসবিএন 01-9565-696-2 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]