মার্টিন হ্যানলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মার্টিন হ্যানলি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমার্টিন অ্যান্ড্রু হ্যানলি
জন্ম১০ নভেম্বর, ১৯১৮
আলিওয়াল নর্থ, কেপ প্রদেশ
মৃত্যু২ জুন, ২০০০
কেপ টাউন, কেপ প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কএডব্লিউডি হ্যানলি (ভ্রাতা), রুপার্ট হ্যানলি (ভ্রাতৃষ্পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১৬৯)
১ জানুয়ারি ১৯৪৯ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩৩
রানের সংখ্যা ৩০৮
ব্যাটিং গড় ০.০০ ৯.৬২
১০০/৫০ ০/০ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৩৮
বল করেছে ২৩২ ১০৫২১
উইকেট ১৮২
বোলিং গড় ৮৮.০০ ২১.৬৯
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৪
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৫৭ ৮/৫৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/- ২৭/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩১ জুলাই ২০২০

মার্টিন অ্যান্ড্রু হ্যানলি (ইংরেজি: Martin Hanley; জন্ম: ১০ নভেম্বর, ১৯১৮ - মৃত্যু: ২ জুন, ২০০০) কেপ প্রদেশের আলিওয়াল নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৪০-এর দশকের শেষদিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সবর্ডার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন মার্টিন হ্যানলি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৩৯-৪০ মৌসুম থেকে ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম পর্যন্ত মার্টিন হ্যানলি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। জীবনের কিছুটা সময় স্মরণশক্তি হারালেও কর্মময় জীবন অতিবাহিত করেছিলেন তিনি। অফ স্পিন বোলার ছিলেন। নিউল্যান্ডসের পরিচিত মাঠে পরিচিতি পাওয়া অ্যাথল রোয়ানের তুলনায় বেশ জোড়ালোভাবে বলকে বাঁক খাওয়াতে পারতেন।

মার্টিন হ্যানলি নিচেরসারির ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি অফ-ব্রেক বোলার হিসেবে খেলতেন। বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের অন্যতম তারকা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। প্রথম মৌসুমেই ইস্টার্ন প্রভিন্স ও নর্থ ইস্টার্ন ট্রান্সভালের বিপক্ষে খেলায় যথাক্রমে ১১ ও ১২ উইকেট দখল করেছিলেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ৪৯ উইকেট নিয়ে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সকে ২১ বছরের মধ্যে প্রথম কারি কাপের শিরোপা আনয়ণে প্রধান ভূমিকা রাখেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন মার্টিন হ্যানলি। ১ জানুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে কেপ টাউনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে ইংল্যান্ড দল দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করে। জর্জ মানের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে খেলেন। এ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে নিজস্ব একমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। টাফটি মান ও অ্যাথল রোয়ানের পর দলের তৃতীয় স্পিন বোলার ছিলেন তিনি। খেলায় তিনি একটিমাত্র উইকেট লাভ করেছিলেন। পরের খেলায় লেগ স্পিনার ফিশ মার্কহামকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।[২]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তার ভ্রাতৃষ্পুত্র রুপার্ট হ্যানলি দক্ষিণ আফ্রিকার উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার হিসেবে পরিগণিত হয়েছিলেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে লরেন্স রো’র নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশের বিপক্ষে দুইটি চারদিনের খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন তিনি। বিশপকোর্টে নিজগৃহে আকস্মিকভাবে হৃদযন্ত্রক্রীয়ায় আক্রান্ত হন। ২ জুন, ২০০০ তারিখে ৮১ বছর বয়সে কেপ প্রদেশের কেপ টাউন এলাকায় মার্টিন হ্যানলি’র দেহাবসান ঘটে। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও তিন পুত্র সন্তান রেখে যান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Martin Hanley"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-০৯ 
  2. "Scorecard: South Africa v England"। www.cricketarchive.com। ১৯৪৯-০১-০১। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-০৯ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]