মাইকেল ভ্যানডর্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাইকেল ভ্যানডর্ট
මයිකල් වැන්ඩෝට්
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমাইকেল গ্রেডন ভ্যানডর্ট
জন্ম (1980-01-19) ১৯ জানুয়ারি ১৯৮০ (বয়স ৩৯)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ডাকনামভ্যান্ডা
উচ্চতা৬ ফুট ৫ ইঞ্চি (১.৯৬ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৮৭)
৬ সেপ্টেম্বর ২০০১ বনাম বাংলাদেশ
শেষ টেস্ট২৬ ডিসেম্বর ২০০৮ বনাম বাংলাদেশ
একমাত্র ওডিআই
(ক্যাপ ১২৮)
১৩ জানুয়ারি ২০০৬ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৮ –কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব
২০০৭/০৮ওয়েয়াম্বা
খেলাঘর এসকেএস
২০১২ - বর্তমানরাগামা সিসি
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২০ ১৪২ ৭৬
রানের সংখ্যা ১,১৪৪ ৪৮ ৭,৪৪৩ ২,৫০৪
ব্যাটিং গড় ৩৬.৯০ ৪৮.০০ ৩৩.৩৭ ৩৯.১২
১০০/৫০ ৪/৪ ০/০ ১৭/৩৩ ৪/১৬
সর্বোচ্চ রান ১৪০ ৪৮ ২২৬ ১১৮
বল করেছে ৬৭
উইকেট
বোলিং গড় ৬২.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৪৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/– ০/– ১০২/– ২৪/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৩ জুলাই ২০১৯

মাইকেল গ্রেডন ভ্যানডর্ট (সিংহলি: මයිකල් වැන්ඩෝට්; জন্ম: ১৯ জানুয়ারি, ১৯৮০) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১][২] শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৮ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে রাগামা, ওয়েয়াম্বা ও খেলাঘর দলে খেলেছেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন মাইকেল ভ্যানডর্ট

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে মাইকেল ভ্যানডর্টের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন। ছয় ফুট পাঁচ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে টেস্টে ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘদেহী খেলোয়াড় তিনি। সেন্ট যোসেফ প্রথম একাদশের পক্ষে একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। এর পরপরই দ্রুততার সাথে উত্তরণ ঘটান। এ পর্যায়ে তিনি কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব ও শ্রীলঙ্কা এ দলে খেলতেন।আগস্ট, ২০০১ সালে বোর্ড একাদশের সদস্যরূপে ভারতীয় একাদশের বিপক্ষে খেলেন। দূর্দান্ত সেঞ্চুরি করে শ্রীলঙ্কার ১৬-সদস্যের দলে অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, সমগ্র সিরিজেই তাকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে বিশটি টেস্ট ও একটি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০১ তারিখে কলম্বোয় সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে ঢাকায় একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ক্লাবে ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের পর জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের বিশ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা দলে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় টেস্টেই সেঞ্চুরির সন্ধান পান। সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে দূর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন। এরপর, পরবর্তী টেস্টে অংশগ্রহণের জন্যে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়।

২৮ মে, ২০০৬ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেও তার দল পরাজয়বরণ করে। ২০০১ সালে বাংলাদেশের জাভেদ ওমরের পর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করার ন্যায় কৃতিত্ব অর্জনের দ্বারপ্রান্তে ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়া গমন, ২০০৫-০৬[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠিত উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সনাথ জয়াসুরিয়ামারভান আতাপাত্তুর কারণে তার খেলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। তবে, দল নির্বাচকমণ্ডলী থেকেও দূরে সড়ে যেতে পারছিলেন না। সনাথ জয়াসুরিয়ার আঘাতপ্রাপ্তি অনেকটাই শাপে বর এনে দেয়। ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সালে মেলবোর্নে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে তার। তবে, ৩১৮ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রার দিকে অগ্রসরকালে টেস্টের ন্যায় তিনি ১১৭ বলের মাত্র ৪৮ রান তুলেন। এরপর আর তাকে ওডিআই খেলায় অংশ নিতে দেখা যায়নি। তবে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের টেস্ট খেলাগুলোয় তিনি অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ব্রিসবেনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮৩ রান তুলেন। স্লিপ অঞ্চলেই ফিল্ডিং করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। দলের শীর্ষ রান সংগ্রাহক হন। তাসত্ত্বেও ওডিআই সিরিজে বাইরে অবস্থান করেন। সম্মুখের পায়ে ভর রেখে অফ সাইড ও অন সাইডে প্রশংসনীয় খেলা উপহার দেন।

২০০৮ সালে বাংলাদেশ গমন করেন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে দূর্বলমানের খেলার প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে টেস্ট দলের বাইরে চলে যান। এরপর আর তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিতে দেখা যায়নি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of Sri Lanka Test Cricketers
  2. "Sri Lanka – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৯ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]