মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা
මලින්ද වර්ණපුර
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামবাসনায়াকে শালিথ মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা
জন্ম (1979-05-29) ২৯ মে ১৯৭৯ (বয়স ৪০)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ডাকনামমালি
উচ্চতা৫ ফুট ৬ ইঞ্চি (১.৬৮ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান, কোচ, ধারাভাষ্যকার
সম্পর্কবান্দুলা ওয়ার্নাপুরা (কাকা); উপলি ওয়ার্নাপুরা (পিতা); মাদায়া ওয়ার্নাপুরা (কাকাতো ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০৬)
২৫ জুন ২০০৭ বনাম বাংলাদেশ
শেষ টেস্ট২০ জুলাই ২০০৯ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৩২)
২০ মে ২০০৭ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই২৯ আগস্ট ২০০৮ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
বাসনাহিরা সাউথ
বার্গার রিক্রিয়েশন ক্লাব
কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব
কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব
খেলাঘর এসকেএস
শ্রীলঙ্কা এ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৪ ১৪৯ ১১১
রানের সংখ্যা ৮২১ ৩৫ ৭,১৮৩ ২,৩১৬
ব্যাটিং গড় ৩৫.৬৯ ১১.৬৬ ৩৫.৫৫ ২৮.৫৯
১০০/৫০ ২/৭ ০/০ ১৬/৩৬ ৩/৮
সর্বোচ্চ রান ১২০ ৩০ ২৪২ ১০৪*
বল করেছে ৫৪ ৬,৯১৮ ২,২৩৪
উইকেট ১১৮ ৬৯
বোলিং গড় ২৭.৭২ ২৩.১৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ০/৪০ ৬/২২ ৫/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪/– ৩/– ১০০/– ৪৩/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৬ জুলাই ২০১৯

বাসনায়াকে শালিথ মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা (সিংহলি: මලින්ද වර්ණපුර; জন্ম: ২৬ মে, ১৯৭৯) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার।[১][২][৩] বর্তমানে তিনি কলম্বোর সেন্ট পিটার্স কলেজে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোল্টস, বাসনাহিরা, বার্গার, ম্যারিয়ান্স এবং বাংলাদেশী ঘরোয়া ক্রিকেট খেলাঘর সমাজ কল্যাণ দলে খেলেছেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন ‘মালি’ ডাকনামে পরিচিত মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা তার প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। দিলীপ ট্রফি প্রতিযোগিতায় খেলার উদ্দেশ্যে শ্রীলঙ্কা এ দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ঐ সময়ে তিনি মাঝারিসারির বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এ প্রতিযোগিতায় তিন খেলায় অংশ নিয়ে ১০৫.২৫ গড়ে ৪২১ রান তুলেন। তন্মধ্যে, ইডেন গার্ডেন্সে উপর্যুপরি দুইটি সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। অপরাজিত ১১১ রানের কল্যাণে দলকে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় নিয়ে যান। চূড়ান্ত খেলায় অপরাজিত ১৪৯ রান করলেও উত্তর অঞ্চল শিরোপা জয় করেছিল।

তবে, দ্রুত স্বীকৃতি পাননি তিনি। ২০০৭ সালের পূর্ব-পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ ঘটেনি তার। নিউজিল্যান্ড গমনে তাকে উপেক্ষা করা হয়। তবে, শ্রীলঙ্কা এ দলের প্রধান রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। ক্যারিবীয় সফরে তিনি অসুস্থতার কারণে নিজের সেরা খেলা উপস্থাপন করতে পারেননি। তবে, এর পরপরই স্বদেশে সফরকারী বাংলাদেশ এ দলের বিপক্ষে সুন্দর খেলা উপস্থাপন করেছিলেন। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ এ ক্রিকেট দলের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা এ দলের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৪২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ১৯৯৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৪টি টেস্ট ও ৩টি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা। ২৫ জুন, ২০০৭ তারিখে কলম্বোয় সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। ২০ জুলাই, ২০০৯ তারিখে একই মাঠে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

২০০৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কা গমন করে। ২০ মে, ২০০৭ তারিখে বাংলাদেশের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে (ওডিআই) অভিষেক ঘটে মালিন্দা ওয়ার্নাপুরার। একই সফরে ২৫ জুন, ২০০৭ তারিখে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। নিজস্ব তৃতীয় টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১২০ রান তুলেন। এ পর্যায়ে মাইকেল ভ্যানডর্টের সাথে আক্রমণধর্মী খেলায় অংশ নেন। পরবর্তীকালে থারাঙ্গা পারানাভিতানার সাথে উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন। তাসত্ত্বেও, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েন।[৪]

অবসর[সম্পাদনা]

এরপর আর তাকে টেস্ট কিংবা ওডিআই দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ১৪ টেস্টে অংশ নিয়ে ২টি সেঞ্চুরি করেন ও ৩টি ওডিআইয়ে অংশ নেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর থেকে টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।

তার কাকা বান্দুলা ওয়ার্নাপুরা ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পিতা উপলি ওয়ার্নাপুরা ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ও কাকাতো ভাই মাদায়া ওয়ার্নাপুরা শ্রীলঙ্কান ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of Sri Lanka Test Cricketers
  2. "Sri Lanka – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৮ 
  3. "Sri Lanka – Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৮ 
  4. "The hard-nosed Kiwi"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৭ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]