বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বহেরাতলা দক্ষিণ
ইউনিয়ন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সীল.svg বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ
বহেরাতলা দক্ষিণ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বহেরাতলা দক্ষিণ
বহেরাতলা দক্ষিণ
বাংলাদেশে বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১৮′৫৯″ উত্তর ৯০°০৮′২৭″ পূর্ব / ২৩.৩১৬৩৯৩° উত্তর ৯০.১৪০৮৭২১° পূর্ব / 23.316393; 90.1408721স্থানাঙ্ক: ২৩°১৮′৫৯″ উত্তর ৯০°০৮′২৭″ পূর্ব / ২৩.৩১৬৩৯৩° উত্তর ৯০.১৪০৮৭২১° পূর্ব / 23.316393; 90.1408721
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলামাদারীপুর জেলা
উপজেলাশিবচর উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
সরকার
 • চেয়ারম্যানমোঃ অলি উল্লাহ খালাসী[১]
আয়তন
 • মোট৯.৩৪ কিমি (৩.৬১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
 • মোট৮,৯৯৫
 • জনঘনত্ব৯৬০/কিমি (২৫০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৩৭.৮%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার একটি ইউনিয়ন যা ২৪টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।[১] বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের উপর দিয়ে আড়িয়াল খাঁ নদী প্রবাহিত হয়েছে।

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের মোট আয়তন ২,৩০৮ একর বা ৯.৩৪ বর্গ কিলোমিটার। গ্রামের সংখ্যা ২৪টি। ঘরবাড়ির সংখ্যা ১,৮৬৪টি।[২]

এ ইউনিয়নে হাট-বাজার রয়েছে ২টি। মসজিদের সংখ্যা ২১টি এবং মন্দিরের সংখ্যা ২টি।[১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ১,৮৬৪টি পরিবারে মোট জনসংখ্যা ৮,৯৯৫ জন এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৯৬৩ জন লোক বাস করে। এদের মধ্যে ৪,২৮১ জন পুরুষ ও ৪,৭১৪ জন মহিলা এবং লিঙ্গ অনুপাত ৯১। মুসলিম ধর্মালম্বী ৮,৭৭৩ জন ও হিন্দু ধর্মালম্বী ২২২ জন।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৩৭.৮% (পুরুষ ৩৭.৭%, মহিলা ৩৮.০%)।[২] এ ইউনিয়নে ১ট কলেজ, ৩টি মাদ্রাসা, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪টি সরকারি প্রাথমিক রয়েছে এবং ৪টি বেসরকারি প্রাথমিক রয়েছে।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০২ 
  2. COMMUNITY REPORT: MADARIPUR (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ফেব্রুয়ারি ২০১৫। আইএসবিএন 978-984-33-8597-0