বড়ো ভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বোড়ো
Mech
बड़ो
Bodo Rao in Devanagari script.svg
দেবোনগরী লিপিতে বোরো রাও (বোরো ভাষা) শব্দটি লেখা হয়েছে
দেশোদ্ভবভারত,নেপালে কয়েকটি ছোট সম্প্রদায়
জাতিতত্ত্ববোড়ো, মেচ
মাতৃভাষী
১৩০০০০০ (২০০১ এর আদমশুমারি অনুযায়ী)[১]
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-৩brx
গ্লোটোলগbodo1269[২]

বড়ো ভাষা (বড়ো ভাষায়: बड़ो) একটি তিব্বতি-বর্মী ভাষা যাতে উত্তর-পূর্ব ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশে বসবাসরত বোড় জাতির লোকেরা কথা বলে থাকেন। ভাষাটি ভারতের অসম অঙ্গরাজ্যের একটি সরকারী ভাষা এবং ভারতের সংবিধান অনুসারে দেশটির ২২টি জাতীয় ভাষার একটি।

বংশানুক্রম[সম্পাদনা]

বড়ো ভাষা তিব্বতি-বর্মী পরিবারের একটি ভাষা। এটি বংশগতভাবে অসমের দিমাসা ভাষা এবং মেঘালয়ের গারো ভাষার সাথে সম্পর্কিত। এছাড়াও ত্রিপুরার ককবরক ভাষার সাথেও এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯১৩ সাল থকে বড়ো সংগঠনগুলি রাজনৈতিক ও সামাজিক আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে সচেতন হয়ে ওঠে/১৯৬৩ সালে অসমের বড়োপ্রধান এলাকাগুলির প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বড়োর প্রচলন হয়। বর্তমানে ভাষাটি মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত প্রচলিত এবং অসম অঙ্গরাজ্যের একটি সরকারী ভাষা। গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৬ সাল থেকে বড়ো ভাষা ও সাহিত্যের উপর একটি স্নাতকোত্তর কোর্স প্রদান করা হচ্ছে। যদিও ইদানীং ভাষাটির উপর বাংলা ভাষার প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে, তা সত্ত্বেও উদালগুরি জেলা ও তার আশেপাশে ভাষাটি স্বরূপে এখনও বিরাজমান।

উপভাষা[সম্পাদনা]

ছোটে, মেচ উপভাষাগুলি বড়ো ভাষার উপভাষা।

লিখন পদ্ধতি[সম্পাদনা]

বড়ো ভাষা বর্তমানে দেবনাগরী লিপি ব্যবহার করে লেখা হয়। তবে অতীতে বহুদিন যাবৎ এটি রোমান লিপিতে লেখা হত।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. এথ্‌নোলগে বোড়ো (১৭তম সংস্করণ, ২০১৩)
  2. হ্যামারস্ট্রোম, হারাল্ড; ফোরকেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যাথ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "Bodo (India)"গ্লোটোলগ ৩.০ (ইংরেজি ভাষায়)। জেনা, জার্মানি: মানব ইতিহাস বিজ্ঞানের জন্য ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট।