পেশাদার ফাউল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বিভিন্ন ক্রীড়ায়, পেশাদার ফাউল (ইংরেজি: Professional foul) বলতে, নিজ দলের সুবিধার জন্য কোন খেলোয়াড় কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করাকে নির্দেশ করে। সাধারণত প্রতিপক্ষের কোন খেলোয়াড়কে গোল করা বা পয়েন্ট লাভের পরিষ্কার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ফাউল করা হয়ে থাকে।

ফুটবল[সম্পাদনা]

ফুটবলে, যদি কোন ডিফেন্ডার নিশ্চিতভাবে গোল করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করেন, কিংবা নিশ্চিত গোলের সুযোগ ঠেকাতে হ্যান্ডবল করেন, তাহলে তা পেশাদার ফাউল বলে গণ্য করা হয়।[১] এ ধরনের ফাউলের কারণে প্রাপ্ত ফ্রি-কিক বা পেনাল্টি কিক থেকে গোল করার সুযোগ, প্রতিপক্ষের সৃষ্ট মূল সুযোগ থেকে কম হয়। এ কারণেই ডিফেন্ডারগণ এ ধরনের কৌশলগত ফাউল বা হ্যান্ডবল করে থাকেন।[২] অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, দোষী খেলোয়াড়দের হয় সতর্ক করা হয় (হলুদ কার্ড) অথবা মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয় (লাল কার্ড)।[৩] এ ধরনের ফাউল জনপ্রিয়ভাবে "লাস্ট ম্যান" (শেষ ব্যক্তি) ফাউল বলে পরিচিত, যা সঠিক নয়; এ থেকে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণার জন্ম হয়েছে যে, যদি "শেষ" ডিফেন্ডার প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের কোন খেলোয়াড়কে ফাউল করেন তাহলে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে খেলা থেকে বহিষ্কার করা হবে। তবে ফুটবল খেলার আইনে "লাস্ট ম্যান" পরিভাষাটি কখনোই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।[৪]

খেলার আইন অনুসারে, নিশ্চিত গোলের সুযোগ বলতে কী বোঝায় তা রেফারি'র বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল; তবে রেফারির সিদ্ধান্ত বেশ কয়েকটি নিয়ামকের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলো হচ্ছে: ফাউলের অবস্থান থেকে গোলমুখের দূরত্ব, বলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ বা বজায় রাখার সম্ভাবনা, খেলার দিক, জায়গা ও ডিফেন্ডারের সংখ্যা।[৫]

এই ফাউল অনানুষ্ঠিকভাবে ডগসো (DOGSO: Denial of an Obvious Goal-Scoring Opportunity; ডিনায়াল অফ অ্যান অভিয়াস গোল-স্কোরিং অপরচুনিটি) নামে পরিচিত।[৬]

যদি কোন ফাউল একদম স্পষ্টভাবেই গোল হতে বাধা দেয়, তাহলেও খেলার আইনে এমন কোন বিধান নেই যা দ্বারা সেটাকে প্রতিপক্ষের গোল হিসেবে ঘোষণা করা যাবে (রাগবি খেলায় প্রচলিত পেনাল্টি ট্রাই এর সমতুল্য কোন নিয়ম নেই)। এজন্য কোন কোন পরিস্থিতিতে, প্রতিপক্ষের পেনাল্টি কিক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও পেশাদার ফাউল করা একটি বিচক্ষণ কৌশল হতে পারে; যেমন- ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে লুইস সুয়ারেজ এর করা হ্যান্ডবল, যা নিচে আলোচনা করা হয়েছে। ঐ ঘটনার পরপর, পেশাদার ফাউল কি আসলে প্রতারণামূলক নাকি আইনের বৈধ সদ্ব্যবহার, সেটা নিয়ে ধারাভাষ্যকারগণ-ও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছিলেন।[৭]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ফুটবলে পেশাদার ফাউলের ধারণাটি কুখ্যাতি লাভ করে ১৯৮০ সালে, যখন এফএ কাপ এর ফাইনালে আর্সেনাল এর উইলি ইয়াং প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড এর পল অ্যালেন-কে পরিষ্কার গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউল করেন। খেলার আইন অনুসারে রেফারি (জর্জ কোর্টনি) ইয়াং-কে বড়জোর হলুদ কার্ড দেখিয়ে ওয়েস্ট হ্যাম এর পক্ষে ফ্রি কিক দিতে পারতেন, এবং তিনি তা-ই করেছিলেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে পেশাদার ফাউল করার চল নিয়ে দেশব্যাপী তর্ক-বিতর্কের সূচনা হয়েছিল।

সেই সময় ইংল্যান্ডের ফুটবলে দর্শকমন্দা চলছিল বলে ইংলিশ ফুটবল লীগ ক্লাব এর চেয়ারম্যান খেলাটিকে দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার উপায় বের করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য একটি উপ-কমিটি গঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন জিমি হিল; ম্যাট বাস্‌বি এবং ববি চার্লটন-ও এর সদস্য ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ডিফেন্ডারদের পেশাদার ফাউল করা থেকে নিরস্ত করার জন্য তারা সুপারিশ করেন যে, যে কোন ফাউল যা আক্রমণকারী দলের কোন খেলোয়াড়কে নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, তা রেফারি কর্তৃক "মারাত্মক ফাউল" বলে গণ্য হবে, এবং দোষী খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখিয়ে খেলা থেকে বহিষ্কার করা হবে। এই সুপারিশ আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)- এ পেশ করা হলেও তাদের সকল প্রস্তাবই শুরুতে নাকচ করে দেওয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] অবশেষে ১৯৯০ সালে এই নিয়মকে আইনে পরিণত করে আইএফএবি। ১৯৯০ ফিফা বিশ্বকাপে রেফারিদেরকে পেশাদার ফাউলের জন্য লাল কার্ড দেখাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।[৮] ১৯৯১ সালে, আইএফএবি আরেকটি নিয়ম সংযোজন করে, যেখানে বলা হয়, নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে হ্যান্ডবল করা হলে, সেটাও মারাত্মক ফাউল বলে গণ্য হবে এবং দোষী খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা হবে।[১]

২০১৬ সালে এই আইন সংশোধন করে, যেসব পেশাদার ফাউলের ফলস্বরূপ পেনাল্টি কিক দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে দোষী খেলোয়াড়কে শুধুমাত্র হলুদ কার্ড দেখানোর নিয়ম করা হয় (যদি দোষী খেলোয়াড় বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে ফাউল করে থাকেন)।[৯] এই সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল যে, পেশাদার ফাউল করার কারণে একদিকে প্রতিপক্ষের পেনাল্টি কিক লাভ, আর অন্যদিকে নিজদের একজন খেলোয়াড় কমে গিয়ে, কোন দলের "দ্বিগুণ বিপদ" এ পড়ার হার কমানো।[৯]

উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি[সম্পাদনা]

১৯৯৮ সালে, ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডনিউক্যাসল ইউনাইটেড এর বিপক্ষে খেলায়, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর উলে গুনার সুলশার নিউক্যাসলের পেনাল্টি অঞ্চল থেকে প্রায় পুরো পিচ দৌড়ে গিয়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় রব লি-কে ল্যাঙ মেরে ফেলে দেন, যিনি ম্যানইউ গোলরক্ষক রেইমন্দ ভ্যান ডার গাও এর সাথে মুখোমুখি অবস্থায় পরিষ্কার গোলের সুযোগে ছিলেন। ম্যাচ রেফারি ইউরায়াহ রেনি (Uriah Rennie) তাকে তৎক্ষণাৎ মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন (খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয় এবং আর্সেনাল এর সাথে প্রিমিয়ার লীগ শিরোপার লড়াই দীর্ঘায়িত হয়)।[১০]

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ২০০৬ এর ফাইনালে, আর্সেনালের জার্মান গোলরক্ষক ইয়েন্স লেমান বার্সেলোনা'র স্যামুয়েল ইতোকে ফাউল করে ফেলে দেন এবং লুদোভিক জুলি (Ludovic Giuly) ফাঁকা গোলে টোকা দিয়ে বল জালে জড়ান। কিন্তু রেফারি তারইয়ে হাউগে (Terje Hauge) গোলটি বাতিল করে দিয়ে পেনাল্টি বাক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি কিক এর বাঁশি বাজান, এবং লেমান-কে লাল কার্ড দেখান। আর্সেনাল শিবিরের মতামত ছিল যে, গোলটি বহাল রেখে গানাররা এগার জন খেলোয়াড় নিয়েই খেলা চালিয়ে যেতে পারত, হয়তো সাথে লেমানকে হলুদ কার্ড দেখানো যেতে পারত।[১১][১২]

আরেকটি বিতর্কিত ঘটনা ঘটে ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ এর কোয়ার্টার ফাইনালে, উরুগুয়ে বনাম ঘানা'র মধ্যকার খেলায়। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মিনিটে, খেলা ১-১ এ সমতায় থাকা অবস্থায়, ঘানা'র ডমিনিক আদিইয়াহ্‌ এর শট গোললাইন থেকে হ্যান্ডবল করে সরিয়ে দিয়ে, উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ ঘানাকে নিশ্চিত গোল এবং জয় থেকে বঞ্চিত করেন। খেলার আইন অনুসারে রেফারি সুয়ারেজকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান এবং ঘানার পক্ষে পেনাল্টি কিক দেন। কিন্তু আসামোয়া জিয়ান পেনাল্টি কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন, যার কারণে সমতারত অবস্থাতেই শেষ বাঁশি বাজে।[১৩]

অতিরিক্ত সময় শেষে পেনাল্টি শ্যুট-আউটে উরুগুয়ে ৪-২ গোলে ঘানাকে পরাজিত করে। সুয়ারেজের দলের সাথীরা তাকে কাঁধে তুলে বীরের সম্মানে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করে। পরে সুয়ারেজ বলেন, " 'হ্যান্ড অফ গড' এর মালিক এখন আমি। আমারটাই আসল 'হ্যান্ড অফ গড'। এই টুর্নামেন্টের শ্রেষ্ঠ সেভটা আমিই করেছি।" ঘানার খেলোয়াড় জন পেইন্টসিল বলেন, "খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করার চেয়ে গোলটা বহাল রাখা উচিত ছিল", এবং "(সুয়ারেজের মত) একই ধরনের পরিস্থিতিতে, ঘানার কোন খেলোয়াড়ই হাত ব্যবহার করত না।" কেউ কেউ সুয়ারেজ এর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার পক্ষে মত দেন, কেননা ঘটনাটি ঘটে অতিরিক্ত সময়ের একদম শেষে (খেলার শুরুর দিকে না হয়ে), যার কারণে একজন খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় উরুগুয়ের তেমন কিছু যায় আসেনি। অন্যান্যরা বলেন যে, সুয়ারেজ এর শাস্তি খেলার আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণই ছিল, কেননা সুয়ারেজ পেনাল্টি শ্যুট-আউটে অংশ নিতে পারেননি এবং তাদের পরবর্তী ম্যাচে তিনি নিষিদ্ধ ছিলেন। তাদের মতে, ঘানা যদি খেলা চলাকালীন পাওয়া ঐ পেনল্টি কিক থেকে গোল করতে পারত, তাহলে এই ঘটনা নিয়ে এত বিতর্কের জন্ম দিত না।[১৪][১৫][১৬][১৭]

২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায়, ওলন্দাজ খেলোয়াড় আরিয়েন রোবেনকে পরিষ্কার গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভাকে কেবল হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যদিও অধিকাংশ ধারাভাষ্যকারই একমত ছিলেন যে, তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। ঐ ফাউলের কারণে পাওয়া পেনাল্টি কিক থেকে গোল করেন রবিন ভ্যান পার্সি[১৮][১৯]

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্রুততম পেশাদার ফাউল এবং লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা ঘটে ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপে, কলম্বিয়া বনাম জাপান এর মধ্যকার খেলায়। খেলার তৃতীয় মিনিটে, ফাঁকা গোলের শিনজি কাগাওয়া'র শট কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার কার্লোস সানচেজ মোরেনো হ্যান্ডবল করে ঠেকিয়ে দেন।[২০][২১]

আমেরিকান ফুটবল[সম্পাদনা]

মাঠের সুবিধাজনক স্থানে পান্ট (punt) পাওয়ার জন্য কিংবা খেলায় এগিয়ে থাকা অবস্থায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কোন দল পাঁচ গজ পেনাল্টির শাস্তি নিয়ে খেলার নির্ধারিত সময় ক্ষেপণ করে থাকে।[২২] যখন কোন দল পান্ট এর জন্য মাঠের নিম্নতর কোন অবস্থান খুঁজতে থাকে, তখন পান্ট-টি যেন এন্ডজোন-এ চলে যাওয়ার কারণে টাচব্যাক (touchback) না হয় - সেই উদ্দেশ্যেও পেশাদার ফাউল করা হয়ে থাকে।

বাস্কেটবল[সম্পাদনা]

বাস্কেটবলে, কৌশলগত কারণে অনেক দল ব্যক্তিগত ফাউল করে থাকে।[২৩] যেহেতু যাকে ফাউল করা হয়, ঐ খেলোয়াড়কেই ফ্রি-থ্রো নিতে হয়, এ কারণে অনেক দল ফ্রি-থ্রোতে সফলতার হার কম, প্রতিপক্ষের এমন খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাউল করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন বাস্কেটবল খেলোয়াড় শাকিল ও'নিল এর নামানুসারে এই কৌশল "হ্যাক-আ-শ্যাক" নামে পরিচিতি লাভ করে; ফ্রি-থ্রোতে তার দুর্বলতার জন্য তিনি প্রায়শই এমন ফাউলের শিকার হতেন বলেই এমন নাম দেওয়া হয়েছে। কোন খেলায় এগিয়ে থাকা দল যেন খেলার শেষভাগে বল দখলে রেখে সময়ক্ষেপণ করতে না পারে, সেজন্য পিছিয়ে থাকা দলগুলো অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউল করে খেলার ঘড়ি থামিয়ে দিয়ে বলের দখল ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করে।

এছাড়াও, নিশ্চিত স্কোরের সুযোগ বিনষ্ট করার জন্য সংঘটিত ফাউল, যা ক্লিয়ার পাথ ফাউল (পরিষ্কার পথ ফাউল) নামে পরিচিত, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে।

রাগবি লীগ[সম্পাদনা]

অন্যান্য ক্রীড়ার মত রাগবি খেলায় পেশাদার ফাউলের ধারণাও একই রকমের, নিশ্চিত গোল করা থেকে বাধা দিতে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাউল করা। এ ধরনের ফাউলের সাজা হচ্ছে সিন বিন (sin bin) এ ১০ মিনিট অবস্থান করা (খেলা হতে সাময়িক বহিষ্কার)।

অধিকাংশ পেশাদার ফাউলই হয় পাকড়াও করা () কোন খেলোয়াড়কে ধরে রেখে, যেন নিজ দলের খেলোয়াড়রা রক্ষণে সুসংগঠিত হতে পারে সেজন্য, অথবা অনসাইড অবস্থানে ফিরে আসার চেষ্টা না করে খেলায় বিঘ্ন ঘটিয়ে, কিংবা প্রতিপক্ষের স্কোর করার সুযোগ দেখে বলের দখলবিহীন কোন খেলোয়াড়কে পাকড়াও বা তার অগ্রগতিকে বাধা দিয়ে। শেষের পরিস্থিতিতে ফাউলের শিকার দলের পক্ষে পেনাল্টি ট্রাই দেওয়া হতে পারে।

রাগবি ইউনিয়ন[সম্পাদনা]

রাগবি আইনের আইন ১০.২.এ তে উদ্দেশ্যমূলক সীমালঙ্ঘন এর কথা বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির উদ্রেক ঘটলে ভুক্তভোগী দলকে পেনাল্টি কিক দেওয়া এবং দোষী খেলোয়াড়কে ভর্ৎসনা, সতর্ক করা (চলমান খেলা হতে সাময়িক বহিষ্কার) অথবা বহিষ্কার করার জন্য রেফারিদের নির্দেশনা দেওয়া থাকে। যদি ফাউলের কারণে কোন ট্রাই থেকে গোল করার সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে রেফারি পেনাল্টি ট্রাই ও দিতে পারেন।[২৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Minutes of the IFAB Annual Meeting, The Culloden Hotel, Craigavad, Northern Ireland, জুন ৮, ১৯৯১, পৃষ্ঠা 12–15 
  2. "Last man David Luiz (Chelsea) hauled down Everton's Kevin Mirallas on the halfway line, only a yellow"। www.101greatgoals.com। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ৩১ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  3. "LAW 12 - FOULS AND MISCONDUCT - Disciplinary action"International Football Association Board (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৪-২৪ 
  4. "Time to stamp out tactical fouls"ESPN.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০২-০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০৯ 
  5. The Laws of the Game, FIFA, ২০১৫, পৃষ্ঠা 132 
  6. Dennis, Mick (৬ ডিসেম্বর ২০১১)। "This DOGSO has just had its day"Express। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৪ 
  7. "The Luis Suarez story part two – new Liverpool FC star always one to hit the headlines"Liverpool Echo। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১। পৃষ্ঠা 3। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১১ 
  8. "History of the Laws of the Game"The IFAB। ২০১৭। ১৯ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ 
  9. "Denying a goalscoring opportunity: Red card rule relaxed by IFAB"BBC Sport। BBC। ১৪ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২০ 
  10. The Joy of Six: Solskjaer moments guardian.co.uk, 28 August 2007
  11. "GGM 15: Arsenal play in European Cup Final | Greatest 50 Moments | History"। Arsenal.com। ২০০৭-০৮-৩০। ২০১৪-০১-২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০২-১৭ 
  12. Hughes, Matt (২৬ এপ্রিল ২০০৭)। "Lehmann to sign new contract"The Times। London। 
  13. World Cup 2010: Luis Suarez handball against Ghana 'instinctive', says Uruguay coach The Telegraph, 3 July 2010
  14. Kelly: Cheating pays off at the World Cup thestar.com, 3 July 2010
  15. World Cup 2010: Uruguay's Suarez given one-match ban BBC Sport, 3 July 2010
  16. Don’t condemn Suarez for Ghana’s failures Calgary Herald, 3 July 2010
  17. World Cup 2010: Fifa may extend Luis Suárez ban guardian.co.uk, 3 July 2010
  18. "Three Points: Netherlands compound Brazil misery"ESPNFC.com 
  19. ET, 2014 at 6:00p (জুলাই ১২, ২০১৪)। "Netherlands add to Brazil's misery, claim third place in World Cup"FOX Sports 
  20. FIFA.com। "2018 FIFA World Cup Russia™ - Matches - Colombia - Japan - FIFA.com"www.fifa.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৩ 
  21. "Colombia v Japan - 2018 FIFA World Cup Russia™ - Match 16 - YouTube"www.youtube.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৩ 
  22. "Titans' Mike Vrabel used Bill Belichick's rules loophole against him"। SBNation.com। ৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০২০ 
  23. Dudley, Carl A. (26 January 2006). "The Most Important Form of Official Communication: The Pre-Game Conference ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০০৭-০৪-২৬ তারিখে", International Association of Approved Basketball Officials, Board #134 Information Release "In a close match, with seconds ticking down and a team being down by one or two points, a coaching strategy could be to foul and stop the clock and make the other team earn their victory by way of the free throw."
  24. "Laws of the Game - Rugby Union: 10.2 Unfair play"International Rugby Board। ৩ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৪