বিষয়বস্তুতে চলুন

পিনাকবেট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পিনাকবেট সবজি: করলা, ক্যালাবাজা স্কোয়াশ, ঢেরশ, বেগুন, বরবটি এবং লংকা
খাঁটি বলকান পিনাকবেট (বালিয়াগের লা ফ্যামিলিয়া)

পিনাকবেট (পিনাক বেট -কে পাকবেট নামেও ডাকা হয়) ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের আদিবাসীদের খাবার। পিনাকবেট মাছ বা চিংড়ির সাথে বিভিন্ন সবজি হাল্কা ভাজা করে তৈরি করা হয়।[] পিনাকবেট শব্দটি ইলোকানো শব্দ পিনাকেবেট থেকে উদ্ভুত, যার অর্থ সঙ্কুচিত বা কুঁচকানো[] খাঁটি ইলোকানো রন্ধনশৈলীতে পিনাকবেটে ব্যাগুং নামক মশলাদার সস ব্যবহার হয় যা মোনামন বা অন্যান্য মাছ গেঁজিয়ে প্রস্তুত করা হয়। অন্যদিকে আরও দক্ষিণ অঞ্চলগুলিতে বাগুং আলমং নামক স্থানীয় খাদ্য উপাদান ব্যবহার করা হয়। পিনাকবেট খাবারে সাধারণত করলা (আমপালয়া) মেশানো হয়।[] এছাড়াও পিনাকবেটে ব্যবহৃত অন্যান্য সবজির মধ্যে রয়েছে বেগুন, টমেটো, ঢেঁড়শ, বরবটি, গোলমরিচ, পারদা, কামরাঙা শিম ইত্যাদি। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদের জন্য গাছগাছড়ার ভোজ্য মুল এবং কিছু শিম যেমন ক্যামোট, পাটানি, কাদি ইত্যাদি উপাদানও ঐচ্ছিকভাবে যোগ যেতে পারে। পিনাকবেটে সজনে গাছের ডাটাও যোগ করা যায়। এতে সাধারণত মশলা হিসাবে আদা, পেঁয়াজ বা রসুন মেশানো হয়। পিনাকবেটের তাগালগে সংস্করণে সাধারণত ক্যালাবাজা (কালাবসা) কুমড়ো সব্জী উপাদান হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পিনাকবেটে ব্যবহৃত বেশিরভাগ সব্জিগুলি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ও সহজলভ্য। বেশিরভাগ ইলোকানো পরিবার তাদের বাড়ির উঠোনে এবং বাগানে এই সব্জিগুলির চাষ করে। এই সব্জিগুলি একসাথে রান্নার পাত্রে মেশানো হয় ও সেদ্ধ করা হয়। যতক্ষন না সব্জির জল বেরিয়ে সব্জিগুলি শুঁকিয়ে কুঁচকে যাচ্ছে ততক্ষন পর্যন্ত রান্না করা হয়। তাগালগ সংস্করণে পিনাকবেটকে একটু অন্যরকম স্বাদযুক্ত করতে শাকসবজির সাথে চিংড়ির মাছের পেষ্ট বা বাটা যোগ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে আমিশ খাদ্য উপাদান যেমন লেচন, চিচারন বা অন্যান্য মাংস (সবচেয়ে বেশি শুয়োরের মাংস) ইত্যাদি পিনাকবেটে যোগ করা হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. David Yen Ho Wu; Sidney C. H. Cheung (২০০২)। Wu: Globalization of Chinese Food। University of Hawaii Press। পৃ. ১৮৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২৪৮-২৫৮২-৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৩
  2. "Pakbet / Pinakbet"। San Pablo City। ২০১০। ৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১২
  3. Johnson-Kozlow, Marilyn; Matt, Georg E. (২০১১)। "Assessment of Dietary Intakes of Filipino-Americans: Implications for Food Frequency Questionnaire Design"। Society for Nutrition Education and Behavior: ৫০৫–৫১০। ডিওআই:10.1016/j.jneb.2010.09.001পিএমসি 3204150পিএমআইডি 21705276 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)