দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনাপঞ্জি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

১৯৩৯[সম্পাদনা]

পোল্যান্ড আক্রমণ শুরুর মুহূর্তে অক্ষশক্তি (কালো) ও মিত্রশক্তির (হালকা নীল) অবস্থান। সোভিয়েত ইউনিয়ন (লাল) প্রথমে অক্ষশক্তির সাথে থাকলেও পরবর্তীতে মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

০১: সকাল ৪:৩০ মিনিটে জার্মান বাহিনী পোল্যান্ডের কয়েকটি স্থাপনায় আঘাত হানতে শুরু করে। এর মাধ্যমেই পোল্যান্ড আক্রমণ (সেপ্টেম্বর) তথা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স জার্মানির দ্রুত অপসারণ দাবী করে।
০১: যুক্তরাজ্য তার স্বরাষ্ট্র সীমান্ত (Home front) খুলে দেয় এবং ব্রিটিশ সেনা-সমাবেশের ঘোষণা দেয়। সামরিক বাজেট প্রণয়ন করে এবং একই সাথে তারা জার্মান সেনাবাহিনীকে অপসারণের পরিকল্পনা হাতে নেয়।
০১: যুক্তরাজ্য সরকার বড় শহরগুলো থেকে প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়।
০১: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট বিবদমান সকল পক্ষের প্রতি অনুরোধ করেন যেন বেসামরিক কোনো স্থাপনায় বোমাবর্ষণ না করা হয়। উভয়পক্ষই সেই অনুরোধ গ্রহণ করেছে বলে জানায়।
০১: ইতালি ঘোষণা দেয় তারা যুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকবে।
০১: নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, এস্তোনিয়ারোমানিয়া নিজেদের নিরপেক্ষ ঘোষণা করে।
০২: ফ্রান্স সরকারও জরুরি সামরিক বাজেট প্রণয়ন করে।
০২: ব্রিটিশ ও ফ্রেঞ্চ সরকার জার্মানিকে পরদিন আলটিমেটাম দেওয়ার ব্যাপারে একমত হয়।
০২: ফ্রান্স সৈন্য সমাবেশ শুরু করে।
০৩: ক্রোধে উন্মত্ত সরকারসমূহ পোল্যান্ড আক্রমণের বিরুদ্ধে সাড়া দেয় এবং এরই সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রাজনীতি ও কূটনীতির সূত্রপাত ঘটে। জার্মানি যুক্তরাজ্যের দেওয়া আলটিমেটামের কোনো উত্তর না দেওয়ায় যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সকাল ১১:১৫ মিনিটে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং বিকাল ৫:০০ টায় ফ্রান্স তাদের সাথে যোগ দেয়।
০৩: যুক্তরাজ্য সরকার দেশের ১৮-৪১ বছর বয়সীদের যুদ্ধে যোগদানের জন্য আইন পাশ করে।
০৩: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইনের নেতৃত্বে নয়জন মন্ত্রী নিয়ে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধ মন্ত্রনালয় গঠিত হয়।
০৩: আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ জাহাজে জার্মান নৌবাহিনীর ইউ-বোটের (সাবমেরিন) আক্রমণে ১১২ যাত্রীর সকলে নিহত হয়। এর মাধ্যমেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘতম লড়াই আটলান্টিকের যুদ্ধের সূচনা হয়।
০৩: আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ডবেলজিয়াম নিজেদের নিরপেক্ষ ঘোষণা করে।
০৪: ইংরেজ বিমান বাহিনীর জার্মান নৌ স্থাপনাগুলোর উপর আক্রমণের মাধ্যমে ইউরোপে মিত্রশক্তির যুদ্ধের যাত্রা আরম্ভ হয়।
০৪: ইউরোপের ঘটনাবলিতে জাপান নিজেকে নিরপেক্ষ ঘোষণা করে।
০৪: লিথুয়ানিয়া নিজেকে নিরপেক্ষ ঘোষণা করে।
০৪: ব্রিটিশ সৈন্যদের (এক্সপেডিশনারি ফোর্স) প্রথম দলটি ফ্রান্সে পৌঁছায়।
০৪: হিটলার জার্মান নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেন যাতে যাত্রীবাহী কোনো জাহাজে হামলা না করা হয়।
০৫: যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।
০৫: আটলান্টিক মহাসাগরে প্রথমবারের মতো একটি ব্রিটিশ বাণিজ্য জাহাজ ডুবিয়ে দেয় জার্মান নৌবাহিনীর ইউ-বোট (সাবমেরিন)।
০৭: সার্বুকেন নামক স্থানের নিকট দিয়ে ফরাসি প্রহরী সেনাদল জার্মানিতে প্রবেশ করে।
০৮: মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট 'সীমিত জরুরি অবস্থা' ঘোষণা করে সামরিক বাহিনীর আকার ও ব্যয় বাড়ানোর কথা জানান।
০৮: সাগরে জার্মান নৌবাহিনী মাইন পোঁতা শুরু করে।
০৯: জার্মানির মূল ভূখন্ডের দিকে ফ্রান্সের অভিযান মাত্র ১৩ কিলোমিটার এগিয়ে মাইনফিল্ডের কারণে থমকে যায়।
১০: কানাডা জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১২: মাত্র কয়েকটি গ্রাম দখলে নেওয়ার পর সীমান্তে জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের অভিযান পুরোপুরি থেমে যায়।
১৪: ব্রিটিশ ডেস্ট্রয়ারের হামলায় প্রথমবারের মতো একটি জার্মান ইউ-বোট (সাবমেরিন) ডুবে যায়।
১৫: বুলগেরিয়ান সাম্রাজ্য নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।
১৬: জার্মান বাহিনী ওয়ারশকে পুরোপুরি ঘেরাও করে ফেলে।
১৭: সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব দিক থেকে পোল্যান্ড আক্রমণ করে এবং কার্জন লাইনের পূর্বাংশসহ বিয়ালিস্তোক এবং পূর্ব গ্যালিসিয়া অঞ্চলসমূহ দখল করে নেয়।
১৭: জার্মান ইউ-বোটের হামলায় ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরী ডুবে ৫১৪ জন নিহত হয়।
১৯: ব্রেস্ট-লিটোভস্কে দুই মিত্র জার্মানিসোভিয়েত ইউনিয়নের সৈন্যরা মিলিত হয়।
২১: উগ্র জাতীয়বাদীদের হামলায় রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরমান্ড কালিনেস্কু নিহত হন।
২৫: খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে জার্মান স্বরাষ্ট্র সীমান্তের রেশন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়।
২৭: ফ্রান্স-জার্মান সীমান্তে ফ্রান্সের ম্যাজিনো লাইনে জার্মানরা গোলাবর্ষণ শুরু করে।
২৭ - ২৮: ওয়ারশ'র উপর প্রচন্ড গোলাবর্ষণ অব্যাহত থাকে।
২৮: পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ জার্মানির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
২৮: পোল্যান্ডকে ভাগ করে নেওয়ার জন্য জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি সই হয়। পোল্যান্ডের বেশিরভাগ অংশ জার্মানি নেয়, আর লিথুয়ানিয়াকে সোভিয়েত ইউনিয়ন নেয়।
২৮: এস্তোনিয়ায় ৩০ হাজার সোভিয়েত সৈন্য ঘাঁটি স্থাপন করে।
৩০: জার্মান আক্রমণের আশঙ্কায় ফ্রান্স-জার্মান সীমান্তের ফরাসি সৈন্যরা ম্যাজিনো লাইনে পিছিয়ে আসে।

অক্টোবর[সম্পাদনা]

০১: লাটভিয়ায় সোভিয়েত ঘাঁটি স্থাপন নিয়ে তাদের সাথে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেন। মেনে না নিলে সৈন্য পাঠিয়ে দেশটি দখলের হুমকি দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন
০৩: ফ্রান্স-জার্মান সীমান্তের ফরাসি অবস্থানগুলোতে ব্রিটিশ সৈন্যরা অবস্থান নেয়।
০৪: দখল করা জার্মান অঞ্চল সারল্যান্ড থেকে ফরাসি সৈন্যরা পিছিয়ে ম্যাজিনো লাইনে অবস্থান নেয়।
০৫: লাটভিয়া তাদের দেশে ২৫ হাজার সোভিয়েত সৈন্যকে ঘাঁটি স্থাপন করতে অনুমতি দেয়। স্টালিন তাদের স্বাধীনতাকে সম্মান করবেন বলে জানান।
০৫: সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ডের সাথে দু'দেশের সীমান্ত নির্ধারণ প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু করে।
০৬: জার্মানদের পোল্যান্ড আক্রমণের সময় পোলিশরা যে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তার সম্পূর্ণ সমাপ্তি ঘটে।
০৬: এডলফ হিটলার রাইখস্টাগ দালানের সামনে তাঁর বিখ্যাত ভাষণ দেন এবং এ সময় বৃটেন এবং ফ্রান্সের সাথে শান্তি পুনঃস্থাপন প্রসঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।
০৬: ফিনল্যান্ড সৈন্য-সমাবেশ শুরু করে।
০৬: চাংশার যুদ্ধে চীনের সৈন্যদের কাছে জাপান পরাজিত হয়।
০৯: হিটলার বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ড আক্রমণের জন্য প্রস্তুতির নির্দেশ দেন।
১০: জার্মান নৌবাহিনী হিটলারের কাছে নরওয়ে আক্রমণের প্রস্তাব করে।
১০: সর্বশেষ পোলিশ সৈন্য জার্মানির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১০: যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্সে প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইন আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মানির শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
১০: চুক্তির ভিত্তিতে ২০ হাজার সোভিয়েত সৈন্য লিথুয়ানিয়ায় অবস্থান নেয়। বিনিময়ে পোল্যান্ডের ভিলনিয়াস অঞ্চল লিথুয়ানিয়াকে দেওয়া হয়।
১১: ফ্রান্সে ব্রিটিশ সৈন্যের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারে দাঁড়ায়।
১২: অস্ট্রিয়াচেকোস্লোভাকিয়া থেকে ইহুদিদের পোল্যান্ডে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়।
১২: ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড ডেলডিয়ার জার্মানির শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
১২: মস্কোয় ফিনল্যান্ডের নেতৃবৃন্দের সাথে স্টালিনের আলোচনায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির কাছে একটি সামরিক ঘাঁটি সোভিয়েত সৈন্যদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করে। বিনিময়ে সোভিয়েত কিছু অঞ্চল ফিনল্যান্ডের সাথে বিনিময় করা হবে বলে জানানো হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ শহর লেনিনগ্রাদকে ব্রিটেন বা জার্মানির ভবিষ্যৎ আক্রমণ থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে এমন দাবি জানায় সোভিয়েত ইউনিয়ন
১৩: মধ্যরাতে জার্মান ইউ-৪৭ সাবমেরিনের হামলায় ব্রিটিশ ব্যাটলশিপ এইচ এম এস রয়েল ওক স্ক্যাপা ফ্লো পোতাশ্রয়ে ডুবে ৮৩৩ নৌসেনার মৃত্যু হয়।
১৬: যুক্তরাজ্যে জার্মান বিমান বাহিনী প্রথম বিমান হামলা করে। যদিও তা কোনো সাফল্য পায়নি।
১৭: জার্মান বিমান বাহিনী যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় বিমান হামলায় খুব সামান্য সাফল্য লাভ করে।
১৮: সোভিয়েত সৈন্যরা এস্তোনিয়ায় প্রবেশ করে।
১৯: পোল্যান্ডের একাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মানির অন্তর্ভুক্ত হয়। পোল্যান্ডের লুবলিনে প্রথম ইহুদী গেটো (শহরের পৃথক ইহুদী অঞ্চল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০: ম্যাজিনো লাইনে ফরাসি ও ব্রিটিশ সৈন্যরা অবস্থান নেয়।
২৭: বেলজিয়াম জানায় তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে।
৩০: ইউরোপের দখলকৃত অংশগুলোতে জার্মানরা নাৎসীবিরোধী এবং ইহুদিদের জন্য কনসেনট্রেশন ক্যাম্প তৈরি করছে বলে জানা যায়।
৩১: জার্মান জেনারেল এরিখ ভন ম্যানস্টেন ফ্রান্স দখলের অভিযান বেলজিয়ামের সমভূমির মধ্য দিয়ে না করে অপ্রত্যাশিত আর্ডেনস বনের মধ্য দিয়ে পরিচালনার জন্য প্রস্তাব করেন।

নভেম্বর[সম্পাদনা]

০১: ডানজিগ করিডোরসহ পোল্যান্ডের বেশিরভাগ জায়গা জার্মানির সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত হয়। পোল্যান্ডের পূর্বাঞ্চল যা সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করেছিল সেগুলো তাদের ইউক্রেনবেলারুশের সাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
০৩: সোভিয়েত ইউনিয়নফিনল্যান্ড আবারো আলোচনা করে৷ কিন্তু ফিনল্যান্ড সোভিয়েত ইউনিয়নের দাবি করা অঞ্চলগুলো দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
০৪: যুক্তরাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা নীতি পাশ হয়। সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির জন্য যে ক্যাশ এন্ড ক্যারি সনদ অনুমোদিত হয়েছিল তা ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের জন্য লাভজনক বিবেচিত হয়।
০৮: একটি ভাষণ দেয়ার সময় বোমার আঘাতে হিটলারকে হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এটি ভেনলো ঘটনা হিসেবে খ্যাত। এতে দুইজন ব্রিটিশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা আটক হন।
০৮: জার্মানরা হ্যান্স ফ্রাঙ্ককে পোল্যান্ডের গভর্নর নিয়োগ করে এবং ইহুদী বিরোধী কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আদেশ দেয়।
০৯: জার্মানি বেলজিয়াম আক্রমণ করলে করণীয় এবং তা থেকে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষার জন্য ডীল চুক্তি চূড়ান্ত করে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।
১৩: সোভিয়েত ইউনিয়নফিনল্যান্ডের মধ্যকার সব আলোচনা ভেস্তে যায়।
১৪: পোল্যান্ডের প্রবাসী সরকার লন্ডনে কার্যক্রম শুরু করে।
১৬: জার্মান নৌবাহিনীর প্রধান আটলান্টিক মহাসাগরে মিত্রশক্তির সব বাণিজ্য জাহাজেই কোনো সতর্কসংকেত ছাড়া আক্রমণ করতে নির্দেশ দেন।
১৭: প্যারিসে চেকোশ্লোভাক জাতীয় কমিটি গঠিত হয়।
২৩: আইসল্যান্ডফ্যারো দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি স্থানে দুটি জার্মান ব্যাটলশিপের হামলায় ব্রিটিশ ক্রুজার এইচএমএস রাওয়ালপিন্ডি ডুবে ২৭০ ব্রিটিশ নৌসেনা প্রাণ হারান।
২৩: পোল্যান্ডের ইহুদিদেরকে স্টার অফ ডেভিড আর্মব্যান্ড পরিধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
২৪: দক্ষিণ চীনের ন্যানিং অঞ্চল দখল করে জাপান
২৬: ফিনল্যান্ড সীমান্তের কাছে সোভিয়েত সৈন্যরা আর্টিলারি শেলিং করে ফিনল্যান্ডের ওপর দোষ চাপায়। আসলে এটা ছিল ফিনল্যান্ড আক্রমণের অজুহাত।
২৯: সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ডের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
৩০: সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে এবং এরই মাধ্যমে শীতকালীন যুদ্ধের (সোভিয়েত-ফিনিশ যুদ্ধ) সূত্রপাত হয়।

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

০১: ফিনল্যান্ডের সাথে সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্ণোদ্যোমে লড়াই চলতে থাকে। ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। দু'সপ্তাহের মধ্যে ফিনিশ সৈন্যরা পিছিয়ে ম্যানারহেইম লাইনে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেয়।
০৫: ম্যানারহেইম লাইনে সোভিয়েত সৈন্যরা আক্রমণ শুরু করে।
০৭: ইতালি পুনরায় তার নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে। নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কও চলমান সোভিয়েত-ফিনিশ যুদ্ধে নিজেদের নিরপেক্ষ ঘোষণা করে।
১১: সোভিয়েত সৈন্যরা কয়েকটি লড়াইয়ে ফিনিশ সৈন্যদের কাছে পরাজিত হয়।
১৩: ব্রিটিশ নৌবহর জার্মানির যুদ্ধজাহাজ এডমিরাল গ্রাফ স্পি-কে আক্রমণ করে এবং রিভার প্লেট যুদ্ধ শুরু হয়।
১৪: জাতিপুঞ্জ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের সদস্যপদ বাতিল করা হয়।
১৭: মন্টেভিডিও পোতাশ্রয়ে এডমিরাল গ্রাফ স্পি জাহাজের পতন ঘটে। একে ছিদ্র করে দেয়া হয় যার ফলে তা ডুবে যায়। জাহাজটির ক্যাপ্টেনসহ ক্রুদেরকে আর্জেন্টিনার সামরিক বাহিনী আটক করে।
১৮: প্রথম কানাডীয় সৈন্যরা ইউরোপে এসে পৌঁছে।
২০: এডমিরাল গ্রাফ স্পি জাহাজের ক্যাপ্টেন হ্যানস ল্যাংসডর্ফ আর্জেন্টিনায় আটকাবস্থায় আত্মহত্যা করেন।
২৭: প্রথম ভারতীয় সৈন্যরা ফ্রান্সে পৌঁছে।
২৮: ব্রিটেনে রেশন হিসেবে মাংস বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে।

১৯৪০[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

০১: ব্রিটেনে ২০ থেকে ২৭ বছর বয়সী সকল পুরুষের যুদ্ধে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।
০১: পূর্ব সাংহাইয়ে চীনা সৈন্যদের দ্বারা অবরুদ্ধ জাপানের ৩৬ পদাতিক ডিভিশনকে উদ্ধারে ১০ হাজার জাপানি সৈন্য আক্রমণ শুরু করে।
০২: ফিনল্যান্ডের হামলায় সোভিয়েত সৈন্যরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়। অনেকগুলো সোভিয়েত ট্যাংক ধ্বংস হয়।
০৪: হারম্যান গোরিংকে জার্মান যুদ্ধ শিল্পসমূহের প্রধান দায়িত্ব দেয়া হয়।
০৫: ব্রিটিশ কেবিনেট পুনর্গঠন করা হয়। নতুন দায়িত্ব পান -
  1. যুদ্ধ দপ্তর - অলিভার স্ট্যানলি
  2. তথ্য মন্ত্রনালয় - লর্ড রিথ
  3. বাণিজ্য বোর্ড - অ্যান্ড্রু ডানকান
০৭: ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার পদে নিয়োগ পান জেনারেল সিমিয়ন তিমোশেঙ্কো
০৭: সুয়োমুসালমিতে সোভিয়েত সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ একটি ডিভিশন ফিনিশ সৈন্যদের কাছে প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।
০৭: ব্রিটেনে রেশন হিসেবে শূকরের মাংস, মাখন এবং চিনি বিতরণ শুরু হয়।
১০: মাসমেচেলেন ঘটনা - দুইজন জার্মান কর্মকর্তা বেলজিয়ামের মাসমেচেন শহরের অদূরে ভাক্ট নামক স্থানে বিমানসহ বিধ্বস্ত হন। তারা জার্মানির ফ্রান্স, বেলজিয়ামস্ক্যান্ডিনেভিয়া দখলের পরিকল্পনা সম্পর্কিত গোপন দলিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই দখল পরিকল্পনার নাম ছিল অপারেশন ফল গেল্‌ব। এই ঘটনার পর ফ্রান্স দখল পরিকল্পনা পিছিয়ে দেয়া হয় এবং নতুনভাবে পরিকল্পনা করা হয়। একই ঘটনায় উদ্ধারকৃত কাগজপত্র থেকে হিটলারের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো আক্রমণের পরিকল্পনাও বেরিয়ে আসে।
১১: ফ্রান্সে রেশন হিসেবে মাংস বিতরণ শুরু হয়।
১৪: জাপানের প্রধানমন্ত্রী অ্যাবে নোবুইয়ুকি এবং তার মন্ত্রিপরিষদ পদত্যাগ করে। এডমিরাল মিতসুমাসা ইওনাই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
১৭: ফিনল্যান্ডে সোভিয়েত সৈন্যরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে অনেকটা পিছিয়ে আসে।
২১: জার্মান ইউ-বোটের হামলায় ব্রিটিশ ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস এক্সমাউথ ডুবে ১৩৫ নৌসেনার মৃত্যু হয়।
২৭: ডেনমার্কনরওয়ে আক্রমণের জন্য জার্মানি চূড়ান্ত পরিকল্পনা অনুমোদন করে।

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

উত্তর ফিনল্যান্ডে সোভিয়েত সৈন্যদের সাথে যুদ্ধরত ফিনিশ সৈন্যরা, ১২ জানুয়ারি ১৯৪০
০১: জাপানী ডায়েট (সংসদ) জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়ববহুল বাজেট ঘোষণা করে যার মোট ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই ছিল সামরিক খাতে।
০৫: ব্রিটেনফ্রান্স লৌহ খনিজ রপ্তানি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে নরওয়ের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ জার্মানরা এই বাণিজ্যে যুক্ত ছিল এবং এই বাণিজ্য বন্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ ও ফরাসিরা ফিনল্যান্ডকে সহযোগিতা করার একটি রাস্তা খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখেছিল। মার্চের ২০ তারিখ থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।
০৯: এরিখ ভন ম্যানস্টেইনকে ফ্রান্স আক্রমণের পরিকল্পনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে জার্মানির ৩৮ আর্মার্ড কোরের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।
১০: শস্য ও কাঁচামাল সরবরাহের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে জার্মানি একটি বাণিজ্য চুক্তি করে।
১৪: ব্রিটিশ সরকার ফিনল্যান্ডে যুদ্ধ করার জন্য স্বেচ্ছায় অংশগ্রহনে ইচ্ছুক যোদ্ধার জন্য আহ্বান করে।
১৫: সোভিয়েত বাহিনী ফিনল্যান্ডের সুমা দখল করে নেওয়ার মাধ্যমে ম্যানারহেইম লাইন প্রতিরক্ষা ভাঙতে সক্ষম হয়।
১৬: ব্রিটিশ ডেস্ট্রয়ার এইচ এম এস কোসাক ৩০৩ জন ব্রিটিশ যুদ্ধবন্দী বহনকারী জার্মান পরিবহন জাহাজ অল্টমার্ক থেকে জোরপূর্বক বন্দীদেরকে নিরপেক্ষ নরওয়েজিয়ান নৌ সীমান্তে সরিয়ে নেয়।
১৭: ম্যানস্টেইন হিটলারের কাছে আর্ডেনস বনাঞ্চল হয়ে ফ্রান্স দখলের একটি পরিকল্পনা পেশ করেন।
১৭: ম্যানারহেইম লাইন থেকে ফিনিশ সৈন্যরা পেছাতে থাকে।
২১: জেনারেল নিকোলাউস ভন ফকেনহর্স্টকে জার্মানির নরওয়ে আক্রমণের জন্য পরিচালিত বাহিনীর সেনাপতি নিয়োগ করা হয়। অসউইচ-এর নির্মাণের মাধ্যমে তার কাজ শুরু হয়।
২৪: পশ্চিমা দেশসমূহ দখলের জন্য পরিকল্পিত আর্ডেনস পরিকল্পনা গৃহীত হয়।

মার্চ[সম্পাদনা]

০১: ডেনমার্ক ও নরওয়ে আক্রমণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য হিটলার তাঁর জেনারেলদের নির্দেশ দেন।
০৩: সোভিয়েত সৈন্যরা ফিনল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ভাইপুরিতে (Viipuri) আক্রমণ শুরু করে।
০৫: ফিনল্যান্ড সোভিয়েত ইউনিয়নকে বলে যে যুদ্ধ শেষ করার জন্য তারা সোভিয়েত ইউনিয়নের সব শর্ত মেনে নেবে।
১১: ব্রিটেনে মাংসের রেশনিং ব্যবস্থা চালু হয়।
১২: ফিনল্যান্ড সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ফলে ১০৫ দিন ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সোভিয়েত-ফিনিশ যুদ্ধ শেষ হয়। ফিনল্যান্ডকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে তুলে দিতে হয়।
১৬: জার্মান বিমান বাহিনী স্কাপা ফ্লো-র উপর আঘাত হানে যার মাধ্যমে বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মত ইংরেজ বেসামরিক জনগণের মৃত্যু হয়।
১৮: মুসোলিনি হিটলারের সাথে এ ব্যাপরে একমত হন যে ইতালি সুযোগ বুঝে যথাসময়েই জার্মানির পক্ষে যুদ্ধে প্রবেশ করবে।
২০: ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী দালাদিয়ের পদত্যাগ করেন।
২১: পল রেইনড (Paul Reynaud) ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী হন।
২৮: ব্রিটেন এবং ফ্রান্স এই মর্মে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে যে দুই দেশের কোনোটিই কখনো জার্মানির কাছ থেকে পৃথকভাবে শান্তি কামনা করবে না।
৩০: জাপান নানকিং-এ ওয়াং জিংওয়েই-এর নেতৃত্বে একটি পুতুল সরকার কায়েম করে।

এপ্রিল[সম্পাদনা]

০৩: উইনস্টন চার্চিল ব্রিটেনের মিনিস্টারিয়াল ডিফেন্স কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। এর আগে পূর্বতন চেয়ারম্যান লর্ড চ্যাটফিল্ড পদত্যাগ করেন।
০৫: চেম্বারলেইন মন্তব্য করেন যে হিটলার বাস মিস করেছেন অর্থাৎ সঠিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর এই উক্তি মোটেই সময়োপযোগী ছিলনা।
০৮: নরওয়ে উপকূলে মিত্রবাহিনীর মাইন পোঁতার কার্যক্রমের সূচনা হয়।
০৯: জার্মানি ডেনমার্ক এবং নরওয়েতে আগ্রাসন চালায়, অসলো দখল করে। ডেনমার্ক আত্মসমর্পণ করে।
১০: জার্মানরা নরওয়েতে ভিদকুন কুইসলিংয়ের নেতৃত্বে একটি সরকার গঠন করে।
১১: নারভিকের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ব্রিটিশ বোমারু বিমান এবং ডেস্ট্রয়ার একটি বৃহৎ জার্মান নৌবহরের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং সফল হয়।
১২: ব্রিটিশ বাহিনী ডেনমার্কের ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
১৪: ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সম্মিলিত বাহিনী নরওয়ের উত্তরে নামসোসে অবতরণ করে।
১৫: নরওয়ের হারস্টেডে ব্রিটিশ সৈন্যরা অবতরণ করে।
১৬: নরওয়ের ট্রোন্ডহেমে আরো ব্রিটিশ সৈন্যরা অবতরণ করে।
২৭: নরওয়ের মধ্যাঞ্চল, উত্তর ও দক্ষিণ ট্রোন্ডহেম থেকে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সম্মিলিত বাহিনীর সৈন্য অপসারণ শুরু হয়।

মে[সম্পাদনা]

জার্মানির ব্লিৎসক্রিগ পরিকল্পনা, মে ১৯৪০
০১: নরওয়ে থেকে ব্রিটিশ ও ফরাসি সৈন্যদের অপসারণ শুরু হয়।
০৫: লন্ডনে নির্বাসনে থাকা অবস্থায় নরওয়ের সরকার গঠিত হয়।
০৯: ব্রিটেনে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে নাম লিখানোর বয়সসীমা ৩৬ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।
১০: জার্মানি বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডসে আক্রমণ শুরু করে। ইউরোপের পশ্চিমে যুদ্ধ শুরু হয়, সূচনা হয় ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টের। জার্মান ছত্রীসেনারা বেলজিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ ইবেন ইমায়েল দুর্গ কবজা করে। নেদারল্যান্ডসে হেগের যুদ্ধে জার্মান ছত্রীসেনারা পরাজিত হয়।
১০: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইন পদত্যাগ করেন। উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১০: যুক্তরাজ্য আইসল্যান্ডে আক্রমণ করে।
১১: জার্মানি কর্তৃক লুক্সেমবার্গ দখল সম্পূর্ণ হয়।
১৩: জার্মান জেনারেল হেইঞ্জ গুদেরিয়ানের আর্মার্ড বাহিনী সেডান দিয়ে ফ্রান্স আক্রমণ শুরু করে।
১৩: লন্ডনে নির্বাসনে থাকা অবস্থায় নেদারল্যান্ডের সরকার গঠিত হয়।
১৩: যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্সে প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল Blood, toil, tears and sweat ভাষণ দেন।
১৪: বৃটেনের অ্যান্থনি এডেন লোকাল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার (হোম গার্ড) সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করে।
১৪: লুফ‌টওয়াফে (জার্মান বিমান বাহিনী) রটারডামে বৃষ্টির মত গোলা নিক্ষেপ করে। একমাত্র জিল্যান্ড প্রদেশ ব্যতীত নেদারল্যান্ডসের বাকি অংশ আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
১৫: কয়েকটি শর্তের ভিত্তিতে নেদারল্যান্ডসের সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের নীতি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭: জার্মান বাহিনী বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস এবং অ্যান্টওয়ের্প দখল করে।
১৭: পল রিনোডের নেতৃত্বে ফ্রান্সে নতুন সরকার গঠিত হয় যেখানে ৮৪ বছর বয়সী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফরাসি বীর মার্শাল পেঁতাও অন্তর্ভুক্ত হন।
১৮: নেদারল্যান্ডসের জিল্যান্ড প্রদেশও আত্মসমর্পণ করে।
১৯: ব্রিটিশ বাহিনী আইসল্যান্ড অধিকার সম্পন্ন করে।
২৪: ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নরওয়েতে সব সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
২৬: অপারেশন ডায়নামো শুরু হয়। ফ্রান্সের ডানকার্ক থেকে মিত্র বাহিনীর অপসারণের ঘটনাকেই অপারেশন ডায়নামো বলে।
২৮: বেলজিয়াম আত্মসমর্পণ করে। জার্মানরা নারভিক ত্যাগ করতে শুরু করে।
৩০: লর্ড হেলিফ্যাক্স এবং নেভিল চেম্বারলেইনের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্রিটিশ মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ সভায় যুদ্ধ অব্যাহত রাখার পক্ষে উইনস্টন চার্চিলের মত গৃহীত হয়।
৩১: চীনের চুংকিংয়ে জাপান ভারী বোমাবর্ষণ করে।

জুন[সম্পাদনা]

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

অক্টোবর[সম্পাদনা]

নভেম্বর[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

১৯৪১[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

মার্চ[সম্পাদনা]

এপ্রিল[সম্পাদনা]

মে[সম্পাদনা]

জুন[সম্পাদনা]

২২: হিটলারের নির্দেশে সোভিয়েত ইউনিয়ন দখলের উদ্দেশ্যে জার্মান সামরিক বাহিনী "অপারেশন বারবারোসা" শুরু করে।

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

অক্টোবর[সম্পাদনা]

নভেম্বর[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

৭: হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে মার্কিন নৌঁঘাটিতে জাপানি ইমপেরিয়াল নৌবাহিনীর হামলা

১৯৪২[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

মার্চ[সম্পাদনা]

এপ্রিল[সম্পাদনা]

মে[সম্পাদনা]

জুন[সম্পাদনা]

৩-৬: মিডওয়ের যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে জাপানি ইমপেরিয়াল নৌবাহিনীর পরাজয়।

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

অক্টোবর[সম্পাদনা]

নভেম্বর[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

১৯৪৩[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

মার্চ[সম্পাদনা]

এপ্রিল[সম্পাদনা]

মে[সম্পাদনা]

জুন[সম্পাদনা]

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

অক্টোবর[সম্পাদনা]

নভেম্বর[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

১৯৪৪[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

মার্চ[সম্পাদনা]

এপ্রিল[সম্পাদনা]

মে[সম্পাদনা]

জুন[সম্পাদনা]

৬: ফ্রান্সের নরমান্ডি উপকূলে জার্মান বাহিনীর ওপর মিত্রবাহিনীর এয়ারবোর্ন ও উভচর হামলা। অভিযানটির নাম ছিল অপারেশন ওভারলর্ড। এটি ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর অভিযান।

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

অক্টোবর[সম্পাদনা]

নভেম্বর[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

১৯৪৫[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

মার্চ[সম্পাদনা]

এপ্রিল[সম্পাদনা]

৩০: বার্লিনে ভূগর্ভস্থ বাংকারে আত্মহত্যা করেন হিটলার

মে[সম্পাদনা]

৮: জার্মানির আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি।

জুন[সম্পাদনা]

জুলাই[সম্পাদনা]

আগস্ট[সম্পাদনা]

৬: জাপানের হিরোশিমায় মার্কিন বাহিনীর পারমানবিক বোমা নিক্ষেপ।
৯: জাপানের নাগাসাকিতে মার্কিন বাহিনীর দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ।

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

২: জাপানের আত্মসমর্পণ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি।

[১]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তারিখ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দলিলপত্র

নিবন্ধতালিকা[সম্পাদনা]

  1. Timeline of World War II - Wikipedia; https://en.m.wikipedia.org/wiki/Timeline_of_World_War_II