ঢালচর ইউনিয়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ঢালচর
ইউনিয়ন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সীল.svg ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদ
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাভোলা জেলা
উপজেলাচরফ্যাশন উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
আয়তন
 • মোট২০৯৭ হেক্টর (৫১৮২ একর)
জনসংখ্যা
 • মোট৭,৪৩৬
 • জনঘনত্ব৩৫০/কিমি (৯২০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ০৯ ২৫ ৫১
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ঢালচর বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত চরফ্যাশন উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত সর্বশেষ দ্বীপ যেখানে মানুষের বসতি রয়েছে।

আয়তন ও অবস্থান[সম্পাদনা]

ঢালচর ইউনিয়নের আয়তন ৫,১৮২ একর।[১] এটি চরফ্যাশন উপজেলার সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এটি একটি দ্বীপ যার তিন পাশে মেঘনা নদী এবং এক পাশে বঙ্গোপসাগর। ঢালচরের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিম-উত্তরে চর কুকরী মুকরী, পূর্বে নতুন ঢালচর।[২]

প্রশাসনিক কাঠামো[সম্পাদনা]

ঢালচর ইউনিয়ন চরফ্যাশন উপজেলার আওতাধীন একটি ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম দক্ষিণ আইচা থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৮নং নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৪ এর অংশ।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢালচর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৭,৪৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩,৯১৫ জন এবং মহিলা ৩,৫২১ জন। মোট পরিবার ১,৪৩৮টি।[১]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢালচর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৪.৮%।[১] এ ইউনিয়নে ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল মাদ্রাসা ও ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ঢালচর ইউনিয়নের লোকদের প্রধান পেশাগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্য শিকার, কৃষিপশু পালন। এ ইউনিয়ন থেকে শুটকি মাছ এবং ইলিশ সহ অন্যান্য মাছ রপ্তানি হয়। ভোলা জেলা থেকে ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে যে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয় তার এক তৃতীয়াংশ আসে ঢালচর মাছের আড়ৎ থেকে। [৩]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

সমস্যা[সম্পাদনা]

গত ১০ বছর ধরে দ্বীপটির পূর্ব দিক থেকে ভেঙ্গে যাচ্ছে। আয়তন দিনদিন কমে যাচ্ছে, হুমকির মুখে পর্যটন ও বসতি।[৪]

পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র[সম্পাদনা]

দ্বীপজেলা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সাগরবক্ষের ঢালচরে স্থায়ী পুলিশ কেন্দ্র রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্মারক নং-৬১১, তাং ২৬/০৮/২০১৩ইং-এর আলোকে কেন্দ্র অনুমোদনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ভোলা-৪ আসনের সাংসদ আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এর চেষ্টায় দুটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র অনুমোদন পায় তার মধ্যে একটি এটি। ১৪ সেপ্টেম্বর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর উদ্বোধন করেন। এলাকার জনগণের নিরাপত্তা ও নৌডাকাতি রোধে ওই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। [৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]