জাতীয় সংগীত

জাতীয় সংগীত হলো রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত গান। বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় উপলক্ষ্যে এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই গান গাওয়া হয় অথবা এর সংগীত বাজানো হয়। জাতীয় সংগীতে একটি জাতির আশা, আকাঙ্ক্ষা ও গৌরবের প্রতিফলন ঘটে। জাতীয় সংগীত গাওয়ার একটি নির্দিষ্ট রীতি আছে।[১][২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৫৬৮ সাল থেকে ১৫৭২ সালের মধ্যে রচিত নেদারল্যান্ডসের জাতীয় সংগীত ভিলহেলমাসকে সবচেয়ে পুরাতন জাতীয় সংগীত ধরা হয়ে থাকে। যদিও ১৯৩২ সালে সরকারীভাবে স্বীকৃতি পায় এই জাতীয় সংগীত। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পুরানো জাতীয় সংগীত হল জাপানের জাতীয় সংগীত কিমিগায়ো। এটি রচিত হয়েছিল ৭৯৪ সাল থেকে ১১৮৫ সালের মধ্যে। কবিতাভিত্তিক এই রচনা ১৮৮০ সালের পরে জাপানের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীত রচনার ক্ষেত্রে দুর্লভ সম্মানের অধিকারী। তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়"। moca.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি"। shilpakala.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০২৫।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |