জাকির খান (ক্রিকেটার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাকির খান
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজাকিরুল্লাহ খান
জন্ম (1963-04-03) ৩ এপ্রিল ১৯৬৩ (বয়স ৫৮)
বান্নু, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০৪)
২২ মার্চ ১৯৮৬ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট৯ ডিসেম্বর ১৯৮৯ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৫১)
১২ নভেম্বর ১৯৮৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই৬ নভেম্বর ১৯৯০ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১৭
রানের সংখ্যা ২৭
ব্যাটিং গড় - ২৭.০০
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ৯* ১১*
বল করেছে ৪৪৪ ৬৪৬
উইকেট ১৬
বোলিং গড় ৫১.৭৯ ৩০.৮৭
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৩/৮০ ৪/১৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- -/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১২ জানুয়ারি ২০২১

জাকিরুল্লাহ খান (উর্দু: ذاکر خان‎‎; জন্ম: ৩ এপ্রিল, ১৯৬৩) উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের বান্নু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক পাকিস্তানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানি ক্রিকেটে পেশাওয়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন জাকির খান

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম সাল পর্যন্ত জাকির খানের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। দীর্ঘকায় ও শক্তি-মজবুত গড়নের ডানহাতি সিমার হিসেবে খেলতেন।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র টেস্ট ও সতেরোটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন জাকির খান। ২২ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে কলম্বোয় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এরপর, ৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে শিয়ালকোটে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে অনেকটা বিস্ময়করভাবেই শ্রীলঙ্কা গমনার্থে তাকে জাতীয় দলে রাখা হয়। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত অভিষেক খেলায় কিছুটা সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৩/৮০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ০/৭০ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। এরপর থেকেই একদিনের দলে আসা-যাওয়ার পালায় থাকতেন। এ পর্যায়ে তিনি ইনিংসের শেষদিকে ব্যাট হাতে নিয়ে বেশ কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। দ্বিতীয় টেস্টেও তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে শিয়ালকোটে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেলেও তেমন সফলতা পাননি।

অবসর[সম্পাদনা]

১৯৯২ সালে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে গণমাধ্যম ব্যবস্থাপক ও পরবর্তীতে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি পিসিবি কর্তৃক ঘরোয়া ক্রিকেট পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন।[১][২]

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ওডিআইয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ
ক্রমিক প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ অবদান ফলাফল
নিউজিল্যান্ড আরবাব নিয়াজ স্টেডিয়াম, পেশাওয়ার ১২ নভেম্বর, ১৯৮৪ ডিএনবি; ৮-২-১৯-৪  পাকিস্তান ৪৬ রানে বিজয়ী।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]