বিষয়বস্তুতে চলুন

মুফাসির-উল-হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুফাসির-উল-হক
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম
মুফাসির-উল-হক
জন্ম(১৯৪৪-০৮-১৬)১৬ আগস্ট ১৯৪৪
কারনাল, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমানে ভারত)
মৃত্যু২৭ জুলাই ১৯৮৩(1983-07-27) (বয়স ৩৮)
করাচি, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার, আম্পায়ার, প্রশাসক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় দল
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৫১)
১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১ ৫০
রানের সংখ্যা ৮ ২৮৬
ব্যাটিং গড় - ৭.১৫
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ৮* ৩৫
বল করেছে ২২২ ৬৩৭৮
উইকেট ৩ ১০৫
বোলিং গড় ২৮.০০ ২৬.৭৮
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ২/৫০ ৪/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ২১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২২ আগস্ট, ২০২০

মুফাসির-উল-হক (জন্ম: ১৬ আগস্ট, ১৯৪৪ - মৃত্যু: ২৭ জুলাই, ১৯৮৩) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কারনাল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, প্রশাসক ও আম্পায়ার ছিলেন। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানি ক্রিকেটে ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, করাচি, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন তিনি।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট

[সম্পাদনা]

১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত মুফাসির-উল-হকের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। বামহাতি উদ্বোধনী বোলার মুফাসির-উল-হক ১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৬১-৬২ মৌসুমে করাচি হোয়াইটসের সদস্যরূপে করাচি গ্রীনসের বিপক্ষে নিজস্ব দ্বিতীয় খেলায় ৪/১৬ লাভ করেন। এটিই পরবর্তীকালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার নিজস্ব সেরা বোলিং পরিসংখ্যানে পরিণত হয়।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন মুফাসির-উল-হক। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড গমন করেন। তবে, ক্রাইস্টচার্চের ল্যাঙ্কাস্টার পার্কেই তিনি তার একমাত্র টেস্টে অংশ নিতে পেরেছিলেন। রস মরগ্যানকে দুইবার ও বেভান কংডনকে একবার আউট করেন তিনি।[২] এছাড়াও, এগারো নম্বরে ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

সব মিলিয়ে ফাস্ট মিডিয়াম বোলিং করে খেলায় ৮৪ রান খরচায় ৩ উইকেট পান। অস্ট্রালেশিয়া সফরে ৪৯.৫৪ গড়ে ১১ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ারিত্বের দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি। খেলা থেকে অবসর গ্রহণের তিন সপ্তাহ পর ১৯৭৫-৭৬ মৌসুমে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম-শ্রেণীর একটি খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন।

২৭ জুলাই, ১৯৮৩ তারিখে মাত্র ৩৮ বছর বয়সে করাচি এলাকায় মুফাসির-উল-হকের দেহাবসান ঘটে। তিন বছর পূর্বে আমির ইলাহি’র মৃত্যুর পর দ্বিতীয় পাকিস্তানি টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে মৃত্যুমুখে নিপতিত হন।[৩]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]