জর্জ ওয়ার্কার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জর্জ ওয়ার্কার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজর্জ হেরিক ওয়ার্কার
জন্ম (1989-08-23) ২৩ আগস্ট ১৯৮৯ (বয়স ২৯)
পালমারস্টোন নর্থ, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকামাঝারিসারির ব্যাটসম্যান, অল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টি২০আই অভিষেক৯ আগস্ট ২০১৫ বনাম জিম্বাবুয়ে
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৭-২০১১সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস
২০১১-ক্যান্টারবারি
২০১২-২০১৩ইংল্যান্ড লীগে স্কটল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড এ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টি২০আই এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ৬৭ ৭১ ৬০
রানের সংখ্যা ৬২ ২,৮৩১ ২,৩৫৩ ১,৩২৯
ব্যাটিং গড় ৬২.০০ ২৪.৪০ ৩৬.২৬ ২৮.২৭
১০০/৫০ -/১ ২/১৬ ৬/১২ -/৯
সর্বোচ্চ রান ৬২ ১২০* ১৯৪ ৮৯*
বল করেছে ৫,২৯৩ ১,২৩৮ ৩৪২
উইকেট ৪৮ ২৫ ১৪
বোলিং গড় ৬৩.১৮ ৪৩.৬০ ৩৪.৭১
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৪/২৩ ৩/২৫ ৩/১৮
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/– ৬০/– ২২/– ১৭/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ৯ আগস্ট ২০১৫

জর্জ হেরিক ওয়ার্কার (ইংরেজি: George Herrick Worker; জন্ম: ২৩ আগস্ট, ১৯৮৯) পালমারস্টোন নর্থে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং পারদর্শী জর্জ ওয়ার্কার। ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

পালমারস্টোন নর্থ বয়েজ হাই স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থায় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। একই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন জ্যাকব ওরাম। মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০০৮ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালে ইংল্যান্ড সফর করেন। ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের পক্ষে তার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি ৭১ রান সংগ্রহ করেন।

প্রকৃত অল-রাউন্ডার হিসেবে শীর্ষসারিতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে স্পিন বোলিং করেন। স্ট্যাগসের পক্ষে তিন ধরণের ক্রিকেটে আশিটিরও বেশি খেলায় অংশ নেন। তন্মধ্যে, ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লীগ প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেন। ২০১১-১২ মৌসুমে ক্যান্টারবারি উইজার্ডের সদস্য হিসেবে অকল্যান্ড এইসেসের বিপক্ষে অপরাজিত ১২০ রান তোলেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

মিচেল স্যান্টনারের আঘাতপ্রাপ্তির কারণে আগস্ট, ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ১২-সদস্যের নিউজিল্যান্ড দলের সদস্য হিসেবে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১] ৯ আগস্ট, ২০১৫ তারিখে জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে তার অভিষেক ঘটে।[২] হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ৪ ছক্কা ও ৩ চারের সাহায্যে ৩৮ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রান তোলেন। ঐ খেলায় সহজেই তার দল জয়লাভ করে ও তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Santner out of Africa tour with fractured thumb"ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  2. "New Zealand tour of Zimbabwe and South Africa, Only T20I: Zimbabwe v New Zealand at Harare, Aug 9, 2015"ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]