ক্লাইভ একস্টিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্লাইভ একস্টিন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামক্লাইভ এডওয়ার্ড একস্টিন
জন্ম২ ডিসেম্বর, ১৯৬৬
জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৫৪)
২৫ আগস্ট ১৯৯৩ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০০ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১২)
১২ নভেম্বর ১৯৯১ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই২১ ডিসেম্বর ১৯৯৪ বনাম শ্রীলঙ্কা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ৯১
ব্যাটিং গড় ১০.১১ -
১০০/৫০ ০/০ ০/০
সর্বোচ্চ রান ২২ ৬*
বল করেছে ১৫৩৬ ২২২
উইকেট
বোলিং গড় ৬১.৭৫ ৯০.৫০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৩/১২ ১/২৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/- ৩/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ক্লাইভ এডওয়ার্ড একস্টিন (ইংরেজি: Clive Eksteen; জন্ম: ২ ডিসেম্বর, ১৯৬৬) জোহেন্সবার্গে জন্মগ্রহণকারী সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯১ থেকে ২০০০ সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন ক্লাইভ এক্সটিন

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

নর্থক্লিফ বিএইচএসে পড়াশুনো করেন। ১৯৮৪ সালে এসএ স্কুলের সদস্যরূপে কিশোরদের প্রতিনিধিত্বমূলক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে থেকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম পর্যন্ত নর্দার্ন ট্রান্সভাল বি ও ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত ট্রান্সভাল বি দলের পক্ষে খেলেন।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে মৌসুম ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্লাইভ একস্টিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে ট্রান্সভালের পক্ষে অভিষেক ঘটে তার। ষোলো মৌসুম ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরবর্তীতে গটেং নামে পরিচিত ঐ দলে ৩০.০৫ গড়ে ৩৯৮ উইকেট লাভ করেন। এছাড়াও, তিন মৌসুমে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্ট ও ছয়টিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৫ আগস্ট, ১৯৯৩ তারিখে মোরাতুয়ায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে মুম্বইয়ে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

প্রশাসনে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়ী জীবন শেষে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার (সিএসএ) সাথে যুক্ত ছিলেন। মার্চ, ২০১৮ সালে দুইজন কর্মকর্তার একজন হিসেবে সনি বিল উইলিয়ামস মুখোশ পরিহিত অবস্থায় সমর্থকদের সাথে স্থিরচিত্র ধারনের অপরাধে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন। পোর্ট এলিজাবেথে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।[১] পরবর্তীতে ডেভিড ওয়ার্নারের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ও তাদের সমর্থকদেরকে সিরিজের পরবর্তী খেলাগুলোয় প্রভাব ফেলে। ডেভিড ওয়ার্নারের স্ত্রী ও সনি বিল উইলিয়ামসের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি মুখোশের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এরফলে, একজন খেলোয়াড়ের স্ত্রীকে কাদায় ছুড়ে দেয়ার শামিল ও অতীতের কর্মকাণ্ডকে নিয়ে আসায় নিন্দার ঝড় তুলে।[২][৩] মে, ২০১৮ সালে সিএসএ’র সাথে আইনি দিক পর্যালোচনান্তে ঐক্যমতে পৌঁছে ও পরবর্তীতে মুখোশ পরিহিত অবস্থায় না থাকার শর্তারোপ করে তাকে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়।[৪]

অক্টোবর, ২০১৯ সালে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকার বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকের পদ থেকে তাকেসহ অন্তর্বর্তীকালীন পরিচালক কোরি ফন জিল ও প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা নাসেই আপিয়াকে ২০১৮ সালের মানসি সুপার লীগের ব্যবসায়িক অংশীদার ফি প্রদান না করার কারণে বরখাস্ত করা হয়।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]