কোভিড-১৯ টিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

কোভিড-১৯ টিকা একটি প্রকল্পিত টিকা যা করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (কোভিড-১৯) এর বিরুদ্ধে কাজ করবে। টিকা আবিষ্কারের জন্য বেশ কিছু প্রচেষ্টা চলছে, তবে কোনও টিকা এখনও নিদানতাত্ত্বিক পরীক্ষণীতে (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) উত্তীর্ণ হয়নি। ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে যে তারা গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২-এর (SARS-CoV-2) বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য কোনও টিকা আগামী ১৮ মাসের মধ্যে (অর্থাৎ ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধের আগে) সবার জন্য সহজলভ্য হবে বলে আশা করছে না।[১] ২০২০ সালের মার্চের প্রথম দিকে আলাদাভাবে প্রায় ৩০টি সম্ভাব্য টিকার উপরে কাজ চলছিল।

করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]

প্রাণীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার্য বেশ কিছু করোনাভাইরাস টিকা উদ্ভাবিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পাখিদের সংক্রামক ক্লোমনালীপ্রদাহ ভাইরাস, কুকুরের করোনাভাইরাস এবং বিড়ালের করোনাভাইরাসে[২]

করোনাভিরিডি গোত্রের যেসব ভাইরাস মানুষকে আক্রমণ করে থাকে তাদের মধ্যে গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস (সার্স) এবং মধ্যপ্রাচ্যীয় শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস (মার্স) রোগকে লক্ষ্য করেই টিকা তৈরির পূর্ববর্তী প্রচেষ্টাগুলো হয়েছিল। সার্সের বিরুদ্ধে টিকা[৩] এবং মার্সের বিরুদ্ধে টিকা [৪] মানুষ ব্যতীত প্রাণীদের মধ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। ২০২০ সাল পর্যন্ত এমন কোনো টিকা এবং ঔষধ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি যা মানুষের উপর কার্যকর এবং নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।[৫][৬] ২০০৫ এবং ২০০৬ সালে বের হওয়া গবেষণাপত্র অনুযায়ী সার্সের জন্য টিকা এবং ঔষুধ আবিষ্কার করা বিশ্বের বিভিন্ন সরকার এবং স্বাস্থ্য সংস্থার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।[৭][৮][৯]

মার্স রোগের জন্য কোনো প্রমাণিত টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।[১০] মার্স রোগের যখন প্রভাব বেড়ে যায়, তখন ভাবা হয়েছিল সার্সের জন্য বিদ্যমান গবেষণাগুলো মার্স সংক্রমণের বিরুদ্ধে টিকা এবং রোগচিকিৎসাবিজ্ঞান আবিষ্কারে সাহায্যকারী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।[৫][১১] ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত কেবল একটি (ডিএনএ ভিত্তিক) মার্স টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে যা মানুষের উপর পরীক্ষার প্রথম ধাপ উত্তীর্ণ করেছে।[১২] এবং আরো তিনটি গবেষণা চলমান আছে, যাদের মধ্যে সবাই ভাইরাসীয় বাহক টিকা; এদের মধ্যে দুইটি এডেনোভাইরাসীয় বাহক টিকা (ChAdOx1-MERS, BVRS-GamVac) এবং বাকী একটি এমভিএ বাহক টিকা (MVA-MERS-S)।[১৩]

২০২০ সালের প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]

সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) ২০১৯ সালের পহেলা ডিসেম্বর শনাক্ত করা হয়, যার দ্বারা সৃষ্ট রোগটিকে পরবর্তীতে ২০১৯ করোনাভাইরাস ব্যাধি (কোভিড-১৯) নাম দেওয়া হয়।[১৪] ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে রোগটির সংক্রমণের দরুণ এই রোগের টিকা আবিস্কারের জন্য অর্থবিনিয়োগের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং গবেষণাকাজের পরিসর বৃদ্ধি পায়। [১৪][১৫] অনেক সংস্থা এই রোগের টিকা আবিষ্কারে প্রকাশিত জিনোম ব্যবহার করছে।[১৪][১৬][১৭][১৮] প্রায় ৩৫টি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ কাজে জড়িত, [১৯] যাদের মধ্যে তিনটি মহামারীর প্রস্তুতিমূলক উদ্ভাবনের জন্য জোট (Coalition for Epidemic Preparedness Innovations, CEPI) থেকে সহায়তা পাচ্ছে, যার মধ্যে মডার্না জৈবপ্রযুক্তি সংস্থা, [২০] ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যাল এবং কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়[২১] ১০ই মার্চ ২০২০ তারিখের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারাবিশ্বে প্রায় ৩০০টি এরকম গবেষণাকর্ম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। [২২]

২০২০ সালের মার্চ মাসের প্রথমদিকর মহামারীর প্রস্তুতিমূলক উদ্ভাবনের জন্য জোট (সিইপিআই) বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী, ব্যক্তিগত এবং বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলে ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি তহবিল গঠনের উদ্যেগ নেয়, যার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর টিকা দ্রুত আবিষ্কারের পথে আগানো যাবে। এ উদ্যোগে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্যের সরকার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।[২৩]

চলমান রোগীভিত্তিক পরীক্ষণ (ক্লিনিকাল ট্রায়াল)[সম্পাদনা]

  • যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগসংক্রান্ত জাতীয় সংস্থা (এনআইএআইডি বা NIAID) মডার্না কোম্পানির সাথে মিলে করোনাভাইরাসের পৃষ্ঠতলের কাঁটাগুলির সাথে মিলে যায় এরকম আরএনএ টিকা তৈরির জন্য কাজ করছে।[১৬] এনআইএআইডি (NIAID) এমআরএনএ-১২৭৩ নামের একটি টিকা সিয়াটল নগরীতে ৪৫ জন স্বাস্থ্যবান পূর্ণবয়ষ্ক মানুষকে টিকাটি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা হয়েছে যার জন্য সদস্য সংগ্রহ ২০২০ সালের ১৯শে মার্চ তারিখে শেষ হয়। এটি টিকাটির রোগীভিত্তিক পরীক্ষণের (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) প্রথম ধাপ।[২৪] with recruitment completed on 19 March 2020.[২৫] অতিরিক্ত আরেকটি পরীক্ষণী ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে (আটলান্টা, জর্জিয়া) ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হবে।[২৬]
  • চীনের থিয়েনচিন নগরীতে অবস্থিত ক্যানসাইনো বায়োলজিক্স ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠানটি একটি পুনর্বিন্যস্ত এডেনোভাইরাস প্রস্তুত করা হয়েছে যার নাম এডি৫-এনসিওভি (Ad5-nCoV), যার প্রথম ধাপের সুরক্ষামূলক পরীক্ষণীর (সেফটি ট্রায়াল) জন্য চীনের উহান নগরীতে ১০৮ জন স্বাস্থ্যবান পূর্ণবয়স্ক মানুষকে সংগ্রহ করা হয়েছে।[২৭] এ পরীক্ষা ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত চলতে পারে।

সীমাবদ্ধতা[সম্পাদনা]

যেসকল টিকা তৈরির কাজ এখন চলছে সেসকল টিকা কার্যকর কিংবা নিরাপদ নাও হতে পারে।[২৮] একটি গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, ২০০৬ থেকে ২০১৫ এর মধ্যকার টিকাগুলির মধ্যে মাত্র ১১.৫% পরীক্ষার ধাপ-১ থেকে পরীক্ষার ধাপ-৩ এ যেতে পেরেছে। [২৯]

প্রাক-রোগীভিত্তিক গবেষণার প্রতিবেদন[সম্পাদনা]

প্রযুক্তিগত উদ্যেগ[সম্পাদনা]

২০২০ সালের মার্চ মাসে মার্কিন সরকার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের তথ্যগুলো একত্রিত করে আইবিএম কোম্পানির সুপারকম্পিউটার এবং আমাজন, মাইক্রোসফট, ও গুগল কোম্পানির ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সাহায্য নিচ্ছে।[৩২] কোভিড-১৯ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং কনসোর্টিয়াম (COVID-19 High Performance Computing Consortium) এর সাহায্যে রোগ ছড়ানোর পূর্বাভাস, টিকার সম্ভাব্য প্রতিমান (মডেল) এবং কোভিড-১৯-এর টিকা প্রস্তুতি ও চিকিৎসা প্রণয়নে এক হাজারের বেশি রাসায়নিক উপাদান পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।[৩২]

গুজব এবং ভুল তথ্য[সম্পাদনা]

সামাজিক গণমাধ্যমে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে কোভিড-১৯-এর করোনাভাইরাস সম্পর্কে কিছু ব্যক্তি আগে থেকে জানতো এবং এর জন্য টিকা ইতিমধ্যে আবিস্কৃত হয়েছে। সামাজিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে যে কৃতিসত্ত্বগুলির (প্যাটেন্ট) কথা বলা হচ্ছে, সেখানে বিভিন্ন করোনাভাইরাস যেমন সার্স করোনাভাইরাসের বংশগতীয় অনুক্রম এবং টিকা নিয়ে কথা বলে হয়েছে। [৩৩][৩৪]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Grenfell, Rob; Drew, Trevor (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Here's Why It's Taking So Long to Develop a Vaccine for the New Coronavirus"ScienceAlert। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  2. Cavanagh, Dave (২০০৩)। "Severe acute respiratory syndrome vaccine development: Experiences of vaccination against avian infectious bronchitis coronavirus"। Avian Pathology32 (6): 567–582। doi:10.1080/03079450310001621198PMID 14676007 
  3. Gao, Wentao; Tamin, Azaibi; Soloff, Adam; d'Aiuto, Leonardo; Nwanegbo, Edward; Robbins, Paul D.; Bellini, William J.; Barratt-Boyes, Simon; Gambotto, Andrea (২০০৩)। "Effects of a SARS-associated coronavirus vaccine in monkeys"। The Lancet362 (9399): 1895–1896। doi:10.1016/S0140-6736(03)14962-8PMID 14667748 
  4. Kim, Eun; Okada, Kaori; Kenniston, Tom; Raj, V. Stalin; Alhajri, Mohd M.; Farag, Elmoubasher A.B.A.; Alhajri, Farhoud; Osterhaus, Albert D.M.E.; Haagmans, Bart L.; Gambotto, Andrea (২০১৪)। "Immunogenicity of an adenoviral-based Middle East Respiratory Syndrome coronavirus vaccine in BALB/C mice"। Vaccine32 (45): 5975–5982। doi:10.1016/j.vaccine.2014.08.058PMID 25192975 
  5. Jiang, Shibo; Lu, Lu; Du, Lanying (২০১৩)। "Development of SARS vaccines and therapeutics is still needed"। Future Virology8 (1): 1–2। doi:10.2217/fvl.12.126 
  6. "SARS (severe acute respiratory syndrome)"National Health Service। ৫ মার্চ ২০২০। ৯ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২০ 
  7. Greenough, Thomas C.; Babcock, Gregory J.; Roberts, Anjeanette; Hernandez, Hector J.; ও অন্যান্য (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "Development and Characterization of a Severe Acute Respiratory Syndrome–Associated Coronavirus–Neutralizing Human Monoclonal Antibody That Provides Effective Immunoprophylaxis in Mice"। The Journal of Infectious Diseases191 (4): 507–14। doi:10.1086/427242PMID 15655773 
  8. Tripp, Ralph A.; Haynes, Lia M.; Moore, Deborah; Anderson, Barbara; ও অন্যান্য (সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Monoclonal antibodies to SARS-associated coronavirus (SARS-CoV): Identification of neutralizing and antibodies reactive to S, N, M and E viral proteins"। Journal of Virological Methods128 (1–2): 21–8। doi:10.1016/j.jviromet.2005.03.021PMID 15885812 
  9. Roberts, Anjeanette; Thomas, William D.; Guarner, Jeannette; Lamirande, Elaine W.; ও অন্যান্য (মার্চ ২০০৬)। "Therapy with a Severe Acute Respiratory Syndrome–Associated Coronavirus–Neutralizing Human Monoclonal Antibody Reduces Disease Severity and Viral Burden in Golden Syrian Hamsters"। The Journal of Infectious Diseases193 (5): 685–92। doi:10.1086/500143PMID 16453264 
  10. Shehata, M.M., Gomaa, M.R., Ali, M.A. et al. Middle East respiratory syndrome coronavirus: a comprehensive review. Front. Med. 10, 120–136 (2016). ডিওআই:10.1007/s11684-016-0430-6
  11. Butler, Declan (অক্টোবর ২০১২)। "SARS veterans tackle coronavirus"। Nature490 (7418): 20। doi:10.1038/490020aPMID 23038444বিবকোড:2012Natur.490...20B 
  12. Modjarrad, Kayvon; Roberts, Christine C.; Mills, Kristin T.; Castellano, Amy R.; Paolino, Kristopher; Muthumani, Kar; Reuschel, Emma L.; Robb, Merlin L.; Racine, Trina; Oh, Myoung-don; Lamarre, Claude; Zaidi, Faraz I.; Boyer, Jean; Kudchodkar, Sagar B.; Jeong, Moonsup; Darden, Janice M.; Park, Young K.; Scott, Paul T.; Remigio, Celine; Parikh, Ajay P.; Wise, Megan C.; Patel, Ami; Duperret, Elizabeth K.; Kim, Kevin Y.; Choi, Hyeree; White, Scott; Bagarazzi, Mark; May, Jeanine M.; Kane, Deborah; ও অন্যান্য (২০১৯)। "Safety and immunogenicity of an anti-Middle East respiratory syndrome coronavirus DNA vaccine: a phase 1, open-label, single-arm, dose-escalation trial."। The Lancet Infectious Diseases19 (9): 1013–1022। doi:10.1016/S1473-3099(19)30266-XPMID 31351922 
  13. Yong, Chean Yeah; Ong, Hui Kian; Yeap, Swee Keong; Ho, Kok Lian; Tan, Wen Siang (২০১৯)। "Recent Advances in the Vaccine Development Against Middle East Respiratory Syndrome-Coronavirus"Frontiers in Microbiology10: 1781। doi:10.3389/fmicb.2019.01781PMID 31428074পিএমসি 6688523অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  14. Fauci, Anthony S.; Lane, H. Clifford; Redfield, Robert R. (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Covid-19 — Navigating the Uncharted"। New England Journal of Medicinedoi:10.1056/nejme2002387PMID 32109011 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)আইএসএসএন 0028-4793 
  15. Gates, Bill (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Responding to Covid-19 — A Once-in-a-Century Pandemic?"। New England Journal of Medicinedoi:10.1056/nejmp2003762PMID 32109012 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)আইএসএসএন 0028-4793 
  16. Steenhuysen J, Kelland K (২৪ জানুয়ারি ২০২০)। "With Wuhan virus genetic code in hand, scientists begin work on a vaccine"Reuters। ২৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 
  17. Praveen Duddu. Coronavirus outbreak: Vaccines/drugs in the pipeline for Covid-19 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে. clinicaltrialsarena.com 19 February 2020.
  18. Lee, Jaimy (৭ মার্চ ২০২০)। "These nine companies are working on coronavirus treatments or vaccines — here's where things stand"MarketWatch। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২০ 
  19. Spinney, Laura (১৮ মার্চ ২০২০)। "When will a coronavirus vaccine be ready?"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০ 
  20. Ziady, Hanna (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Biotech company Moderna says its coronavirus vaccine is ready for first tests"CNN। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০ 
  21. Devlin, Hannah (২৪ জানুয়ারি ২০২০)। "Lessons from SARS outbreak help in race for coronavirus vaccine"The Guardian। ২৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 
  22. Devlin, Hannah; Sample, Ian (১০ মার্চ ২০২০)। "Hopes rise over experimental drug's effectiveness against coronavirus"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  23. "CEPI welcomes UK Government's funding and highlights need for $2 billion to develop a vaccine against COVID-19"। Coalition for Epidemic Preparedness Innovations, Oslo, Norway। ৬ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  24. "NIH clinical trial of investigational vaccine for COVID-19 begins" (ইংরেজি ভাষায়)। US National Institutes of Health। ১৬ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২০ 
  25. "Kaiser Permanente launches first coronavirus vaccine trial"। Kaiser Permanente, Washington Health Research Institute, Seattle। ১৬ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  26. Andrew Dunn (২৪ মার্চ ২০২০)। "The first study of a potential coronavirus vaccine will soon start recruiting healthy volunteers in Georgia at Emory University"। Business Insider। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২০ 
  27. Elise Mak (১৮ মার্চ ২০২০)। "China approves first homegrown COVID-19 vaccine to enter clinical trials"BioWorld। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২০ 
  28. Thorp, H. Holden (২৩ মার্চ ২০২০)। "Underpromise, overdeliver" (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। American Association for the Advancement of Science। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  29. "Clinical Development Success Rates 2006-2015" (PDF)। BIO Industry Analysis। জুন ২০১৬। 
  30. Jeong-ho, Lee; Zheng, William; Zhou, Laura (২৬ জানুয়ারি ২০২০)। "Chinese scientists race to develop vaccine as coronavirus death toll jumps"South China Morning Post। ২৬ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  31. Cheung, Elizabeth (২৮ জানুয়ারি ২০২০)। "Hong Kong researchers have developed coronavirus vaccine, expert reveals"South China Morning Post। ২৮ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২০ 
  32. Shankland, Stephen। "Sixteen supercomputers tackle coronavirus cures in US"CNET (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৩ 
  33. Kertscher, Tom (২৩ জানুয়ারি ২০২০)। "No, there is no vaccine for the Wuhan coronavirus"PolitiFactPoynter Institute। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  34. McDonald, Jessica (২৪ জানুয়ারি ২০২০)। "Social Media Posts Spread Bogus Coronavirus Conspiracy Theory"FactCheck.orgAnnenberg Public Policy Center। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০