কিন্সে স্কেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(কিনসে স্কেল থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
যৌনতার প্রতিক্রিয়ার কিনসে স্কেল; যা যৌন অভিমুখিতার মাত্রাকে সূচিত করে

কিনসে স্কেলকে; বিষমকামী-সমকামী নির্ধারণী স্কেলও বলা হয়।[১] একজন মানুষের অভিজ্ঞতা অথবা প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে যৌন অভিমুখিতা ব্যাখ্যা সংক্রান্ত গবেষণায় এটি ব্যবহৃত হয়। এই স্কেলে ০ থেকে ৬ পর্যন্ত দাগ বা ছক কাটা হয়। ০ মানে হলো, সে সম্পুর্ণভাবে বিষমকামী, আর ৬ মানে হলো, সে সম্পুর্ণভাবে সমকামী। পরবর্তীতে "এক্স" নামক আরেকটি দাগ যুক্ত করা হয়; যার মানে হলো "কোনো যৌন সম্পর্ক থাকবে না"। ১৯৪৮ সালে আলফ্রেড কিনসে, ওয়ার্ডেল পমেরয় এই প্রতিবেদন সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল শিরোনামে প্রথম বই হিসেবে প্রকাশ করেন এবং ১৯৫৩ সালে পরিপুরক ভাবে আরেকটি বই সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল শিরোনামে প্রকাশ করেন।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কিনসে স্কেলের প্রতিষ্টাতা আলফ্রেড কিনসেকে যৌন বিপ্লবের জনকও বলা হয়।[২] তার মতে যৌনতার ক্যানভাস শুধুমাত্র সমকামিতা বা বিষমকামীতা অংশে বিভক্ত নয় বরং কিনসে বিশ্বাস করতেন, যৌনতার তারল্য ধর্ম আছে; যা সময়ে সময়ে নিয়ত পরিবর্তন হতে পারে।[৩]

সমাজসাংস্কৃতিক কোনো পরিসীমা ব্যবহার করার পরিবর্তে কিনসে প্রত্যেক স্বতন্ত্র ব্যক্তির জন্য আলাদা আলাদা ছক ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।[৪] ৩০ টি ভিন্ন ভিন্ন কেসের জন্য কিনসের প্রথম স্কেলে ছকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০ এ। পরবর্তীতে তিনি এই স্কেলে ৭ টি ছক নির্ধারণ করেন।[৫] তিনি তার গবেষণার জন্য ৮০০০০ এর উপরে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন।[৬]

এই ছকের জন্য কিনসে লিখেন:

স্কেলের ছক[সম্পাদনা]

কিনসে স্কেলের মাত্রা শুরু হয় ০ থেকে; যেখানে শুন্য দিয়ে বুঝানো হয়, একজন ব্যক্তি যে সম্পুর্ণভাবে বিষমকামী; তার কোনোভাবেই সমলিঙ্গের মানুষের প্রতি যৌন চাহিদা বা তার সাথে যৌন অভিজ্ঞতা নেই। আর এ দাগাঙ্কিত ছক প্রায় সমাপ্ত হয় ৬ এ গিয়ে। এখানে ছয় মানে হলো, একেবারে বিপরীত; অর্থাৎ একজন ব্যক্তি যে সম্পুর্ণভাবে সমকামী তার বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি কোনো যৌন চাহিদা ও কোনো যৌন সক্রিয়তা (activity) নেই। ১ থেকে ৫ এর যে ছক, সেখানে যৌন চাহিদাকে নানাভাবে সুচিত করা হয়েছে। কারো সমলিঙ্গের প্রতি হয়তো দৈবাৎ আকর্ষণ তৈরী হয় বা কারো প্রায়ই হয় এর ভিত্তিকে এই ছককে অঙ্কন করা হয়েছে।[৭]

মাত্রা বর্ণনা
সম্পুর্ণভাবে বিষমকামী
মুখ্যত বিষমকামী, কদাচিৎ সমকামী
মুখ্যত বিষমকামী, প্রায়সই সমকামী
সমানভাবে সমকামী ও বিষমকামী (উভকামিতাকে বুঝানো হচ্ছে)
মুখ্যত সমকামী, প্রায়সই বুসমকামী
মুখ্যত সমকামী, কদাচিৎ সমকামী
সম্পুর্ণভাবে সমকামী
X যৌনতার সাথে কোনো সংযোগ বা আকর্ষণ নেই (নিষ্কামিতা)

কিনসে বুঝতে পেরেছিলেন, তার ছকের সাতটি বিভাগ ব্যক্তির যৌনতাকে সম্পুর্ণভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম নাও হতে পারে। তিনি লিখেছেন"it should be recognized that the reality includes individuals of every intermediate type, lying in a continuum between the two extremes and between each and every category on the scale."[৮] যদিও সমাজবিজ্ঞানী মার্টিন এস. ওয়েনবার্গ এবং কলিন জে. উইলিয়ামস লিখেছেন, যেসব ব্যক্তির শ্রেণী ১ থেকে ৫ এর মধ্যে তাদের উভকামী বলা হয়।[৯] Kinsey disliked the use of the term bisexual to describe individuals who engage in sexual activity with both males and females, preferring to use bisexual in its original, biological sense as hermaphroditic; he stated, "Until it is demonstrated [that] taste in a sexual relation is dependent upon the individual containing within his anatomy both male and female structures, or male and female physiological capacities, it is unfortunate to call such individuals bisexual."[১০] মনস্তাত্ত্বিক জিম ম্যাকনাইট লিখেন, সমকামিতা ও বিষমকামীতার মধ্যবর্তী রূপের ধারণা কিনসে ছকের মধ্যে অন্তর্নিহিত আছে তবে এধারণাটি ওয়েনবার্গ এবং মনস্তাত্ত্বিক এলান পি. বেলের বই হোমোসেক্সুয়ালিটি (১৯৭৮) প্রকাশিত হওয়ার পর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়।[১১]

কিনসে ছকের এক্স গ্রেড দ্বারা "কোনো যৌন সংস্পর্শ বা আকর্ষণ নেই" বুঝানো হয়, যা আজকের যুগে নিষ্কামিতা বলে অভিহিত করা হয়।[১০] বিশেষজ্ঞ জাস্টিন যে. লেহমিলার বিবৃতিতে বলেন, কিনসের এক্স গ্রেড দ্বারা যৌন স্বভাবের অনুপস্থিতি বুঝানো হয়, কিন্তু আধুনিক নিষ্কামীতার সংজ্ঞায় নিষ্কামীতা বলতে যৌন আকর্ষণের অনুপস্থিতি বুঝানো হয়। অর্থাৎ কিনসে ছক কখনোই নিষ্কামীতার প্রকৃত শ্রেণিবিন্যাস যথার্থভাবে নিরূপন করতে পারে নি।"[১২]

প্রাপ্ত উপাত্ত[সম্পাদনা]

কিনসে প্রতিবেদন[সম্পাদনা]

কিনসে তার প্রতিবেদন দুই খণ্ডে প্রকাশ করেন। একটি হলো "সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল" এবং অন্যটি হলো "সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান মেল"। এই প্রতিবেদনে নারী পুরুষের যৌন স্বভাব এবং তার ক্রমবিকাশের নানা রুপ ছকাকারে দেখানো হয়েছে।[৮][১৩] ব্যক্তির সমলিঙ্গ বা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি মানসিক সাড়া বা শারীরিক সংসর্গ সংক্রান্ত উপাত্ত ছকের মাধ্যমে নির্দেশিত হয়েছে।[৮]

  • পুরুষ: ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে ১১.৬ শতাংশ ব্যক্তি নিজেদেরকে কিনসে স্কেলের ৩ নং ছকে অবস্থান বলে উল্লেখ করেছে।[১৩] এই প্রতিবেদন থেকে আরো দেখা গিয়েছে ১৬ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ১০ শতাংশ মার্কিন পুরুষ অন্তত তিন বছরের জন্য হলেও নিজেদের কদাচিৎ অথবা সম্পুর্ণভাবে সমকামী ছিল বলে (কিনসে ছকে ৫ থেকে ৬ নং সীমায় অবস্থান) অভিহিত করেছে।[১৩]
  • নারী: ২০-৩৫ বছর বয়সী ৭ শতাংশ অবিবাহিত নারী এবং তালাকপ্রাপ্ত নারী নিজেদের কিনসে ছকের ৩ নং র‍্যাঙ্কে স্থাপন করেছে।[১৪] ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী নারীদের ২ থেকে ৬ শতাংশ এবং ১ থেকে ৩ শতাংশ যথাক্রমে নিজেদের ৫ নং ছকে[১৫] ও ৬ নং ছকে স্থাপন করেন।[১৬]

"সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ইন দ্য হিউম্যান ফিমেল" এ প্রাপ্ত এই ফলাফল থেকে দেখানো হয়েছে, নারীদের তুলনায় পুরুষ সমকামিতায় আকৃষ্ট হয় বেশী।[৮] নারীদের মধ্যে সমকামিতা পুরুষের চেয়ে বেশি দেখা যায়, এই প্রতিবেদনের সাথে কিনসের প্রতিবেদন সাংঘর্ষিক বলে কিনসে উল্লেখ করেন। He poses that such reports are due to the "wishful thinking on the part of such heterosexual males."[৮]

প্রভাব[সম্পাদনা]

সাধারণের উপর[সম্পাদনা]

কিনসে স্কেলকে অভিহিত করা হয়, "মানুষের যৌন তারল্য ও বৈচিত্র্য পরিমাপনের" প্রধান প্রচেষ্টা হিসেবে। এই কিনসে স্কেলই প্রথম সম্পুর্ণ সমকামিতা ও সম্পুর্ণ বিষমকামিতা ছাড়াও যৌনতার আরো হরেক পরিচয় থাকতে পারে, তা সম্মুখে নিয়ে আসে।[১৭] তৎকালীন সময়ে বেশিরভাগ চিকিৎসকেরাই তাদের নিয়ন্ত্রানাধীন রোগীর যৌন অভিমুখিতা পরিবর্তন করতে চাইতেন।[১৮] আলফ্রেড কিনসের মানব যৌনতার উপর কাজ, বিশেষত কিনসে ছক তৈরী ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সমাজে, গণমানুষের যৌন অভিমুখিতার প্রতি ধারণায় আমুল পরিবর্তন আসে।[১৯]

Galupo et al. argued, "Despite the availability of the Kinsey Scale, assessment via sociocultural labels (i.e., heterosexual, homosexual, and bisexual) is the predominant modality for determining the sexual orientation of research participants."[১৭] অনেক যৌনবিজ্ঞানী কিনসে ছককে যৌন অভিমুখিতা নির্ণয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক বললেও তারা মনে করেন এই ছক, সম্পুর্ণভাবে যৌন পরিচয়কে প্রকাশ করতে পারে না। Measures of sexual orientation do not always correlate with individuals' self-identification labels.[১৭] কারণ যৌন পরিচয় জন্মগত লিঙ্গ এবং লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে গড়ে উঠে।[২০] যাইহোক, বুলগ বলেন, "বিস্তৃত পরিসরে যৌনতা সংক্রান্ত ছকের এ আলোচনা" মার্কিনীদের ঐতিহ্যগত বিষমকামী আচরণের বিরুদ্ধাচারণের প্রতি প্রভাবিত করবে। কিনসের গবেষণার ফলে অনেক সমকামী নিজেদের যৌন অভিমুখিতার পরিচয় নির্দ্বিধায় প্রকাশ করতে পারবে।[২১]

অন্যরা এই ছককে পরবর্তীতে অন্যভাবে সংজ্ঞায়িত করেন। ১৯৮০ সালে মাইকেল স্টর্মস এক্স এবং ওয়াই অক্ষবিশিষ্ট দুইমাত্রার ছক প্রস্তাব করেন।[২২] এই ছকে নিষ্কামিতা এবং একই সাথে সমকামিতা ও বিষমকামিতাকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।[২৩] ফ্রিটজ ক্লেইন তার ক্লেইন যৌন অভিমুখিতা ছকে ব্যক্তির সমগ্র জীবনে মানসিক ও সামাজিক অভিমুখিতা পরিবর্তনের ছকের তুলনা করেন।[২৪] Kinsey, Storm, and Klein are only three of more than 200 scales to measure and describe sexual orientation.[২৫] For example, there are scales that rate homosexual behaviors from 1 to 14, and measures for gender, masculinity, femininity, and transsexualism.[২৬][২৭]

জরিপ এবং অন্যান্য গবেষণা[সম্পাদনা]

একইরকম আরো বেশ কিছু গবেষণা হয়েছে। তার মধ্যে একটি গবেষণা ছিল এরুপ, যেখানে একটি ছকে ০ থেকে ১০ দাগ কাটা থাকত। দৈবচয়নের ভিত্তিতে একজনকে প্রশ্ন করা হত, "ছকের ০ হচ্ছে সম্পুর্ণভাবে পুরুষ সমকামী এবং ১০ হচ্ছে সম্পুর্ণভাবে বিষমকামী। তাহলে ছকে আপনার অবস্থান কোথায়?"[২৮]

২০১৪ সালে "যৌন সংখ্যালঘুদের সম্পুর্ণ পরিচয় উদঘাটনে কিনসে স্কেল ব্যবহার করে একটি প্রশ্নোত্তর জরিপ চালানো হয়। তাদের প্রশ্ন করা হয়, কিনসে ছক কী তাদের যৌন পরিচয় উদ্ভাসিত করতে পেরেছে কিনা।[১৭] "A diverse sample of sexual minority participants, including individuals who (1) identify outside the traditional sexual orientation labels (i.e. pansexual, queer, fluid, asexual) and (2) identify as transgender, were recruited to complete an online questionnaire."[১৭] Participants represented a convenience sample of 285 individuals who self-identified as non-heterosexual.[১৭] "প্রায় এক তৃতীয়াংশ অংশগ্রহণকারী নিজেদের একগামী (৩১.৫%), ২.৮ শতাংশ নিষ্কামী এবং ৬৫.৮ শতাংশ নিজেদের একগামী নয় বলে অভিহিত করে। যারা নিজেদের একগামী বলে উল্লেখ করেছে, তাদের মধ্যে Monosexual participants represented those who self-identified as lesbian (18.5%) or gay (12.2%) or homosexual (0.8%). Nonmonosexual participants included bisexual (24.1%), pansexual (16.8%), queer (19.6%), and fluid (1.4%) participants. A small minority of participants identified as 'other' (3.8%)."[১৭] Participants represented all regions of the continental United States.[১৭] For this study, the use of "X" was intended to describe asexuality or individuals who identify as nonsexual.[১৭]

For a 2015 YouGov UK survey, when asked to place themselves on the Kinsey scale, 72% of all adults, and 46% of adults aged 18–24 years, picked a score of zero, totally heterosexual. On the other side, 4% of the total sample, and 6% of young adults, picked a score of six, meaning a totally homosexual identity. Overall, 89% of the population described themselves as heterosexual.[২৯]

Another study published in 2017, questioned how people who do not identify as heterosexual felt about their representation on the Kinsey scale.[৩০] The study takes a group of minority individuals who sexually identify as something other than heterosexual, and has them rate the Kinsey scale according to how well they feel represented by their value.[৩০] Each group gave it a rating between 1 and 5. In the results, the group that rated the scale the highest was the group that identified as lesbian or gay with a rating of 4.66.[৩০] The bisexual group rated it lower at 3.78, and the pansexual/queer group gave it the lowest rating at 2.68.[৩০] Another trend present in the results of the study was that in regards to gender identity the cisgender group gave the scale a higher rating than the transgender group.[৩০] The cisgender rating was 4.09 and the transgender was 2.78.[৩০]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "Kinsey's Heterosexual–Homosexual Rating Scale"। The Kinsey Institute। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  2. "Kinsey History"www.kinseyinstitute.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-০৯ 
  3. Galupo, M. Paz (জুন ২০১৪)। "Sexual Minority Reflections on the Kinsey Scale and the Klein Sexual Orientation Grid: Conceptualization and Measurement"Journal of Bisexuality14 – Taylor & Francis Online-এর মাধ্যমে। 
  4. Galupo, M. Paz (জুন ২০১৪)। "Sexual Minority Reflections on the Kinsey Scale and the Klein Sexual Orientation Grid: Conceptualization and Measurement"Journal of Bisexuality14 – Taylor & Francis Online-এর মাধ্যমে। 
  5. "Archive for Sexology"www.sexarchive.info। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-১৩ 
  6. Bullough, Vern L. (জানুয়ারি ২০১০)। "Alfred Kinsey and the Kinsey report: Historical overview and lasting contributions"The Journal of Sex Research35 – Taylor & Francis Online-এর মাধ্যমে। 
  7. "Kinsey Sexuality Rating Scale"। The Kinsey Institute। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১২-০২ 
  8. Kinsey, Alfred C.; Pomeroy, Wardell B.; Martin, Clyde E.; Gebhard, Paul H. (১৯৯৮-০৫-২২)। Sexual Behavior in the Human Female (ইংরেজি ভাষায়)। Indiana University Press। আইএসবিএন 9780253019240 
  9. Weinberg, Martin S.; Williams, Colin J.; Pryor, Douglas W. (১৯৯৫)। Dual Attraction: Understanding Bisexuality। New York: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 41। আইএসবিএন 0-19-509841-2 
  10. Mary Zeiss Stange, Carol K. Oyster, Jane E. Sloan (২০১১)। Encyclopedia of Women in Today's World। Sage Pubns। পৃষ্ঠা 158। আইএসবিএন 978-1-4129-7685-5। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৭, ২০১১ 
  11. McKnight, Jim. Straight Science: Homosexuality, Evolution and Adaptation. Routledge, 1997, p. 33.
  12. Justin J. Lehmiller (২০১৭)। The Psychology of Human SexualityJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 250। আইএসবিএন 1119164702। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২৯, ২০১৭ 
  13. Kinsey, et al. 1948. Sexual Behavior in the Human Male, Table 147, p. 651
  14. Kinsey, et al. 1953. Sexual Behavior in the Human Female, Table 142, p. 499
  15. Kinsey, et al. 1953. Sexual Behavior in the Human Female, p. 488
  16. Kinsey, et al. 1953. Sexual Behavior in the Human Female, Table 142, p. 499, and p. 474
  17. Galupo, M. Paz (১৮ জুন ২০১৪)। "Sexual Minority Reflections on the Kinsey Scale and the Klein Sexual Orientation Grid: Conceptualization and Measurement"। Journal of Bisexuality14 (3–4): 404–432। doi:10.1080/15299716.2014.929553 
  18. Sell, Randall L.; Petrulio, Christian (১৯৯৬)। "Sampling Homosexuals, Bisexuals, Gays, and Lesbians for Public Health Research"। Journal of Homosexuality30 (4): 31–47। doi:10.1300/J082v30n04_02PMID 8738743 
  19. “Page 167.” Sexual Revolution and the Politics of Gay Identity, by Jeffery Escoffier.
  20. "Sexual Orientation & Gender"। Planned Parenthood। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৯-০৬ 
  21. Bullough, Vern L. (২০০৪)। "Sex Will Never be the Same: The Contributions of Alfred C. Kinsey"। Archives of Sexual Behavior33 (3): 277–286। doi:10.1023/B:ASEB.0000026627.24993.03PMID 15129046 
  22. "Evaluation of Models of Sexual Orientation" (PDF)। University of Wisconsin–La Crosse। জুলাই ১৫, ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৬, ২০১২ 
  23. "Graph of Michael Storm Scale versus Kinsey Scale"। Southern Illinois University Edwardsville। ২০১৩-১২-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৯-০৬ 
  24. "The Klein Grid"AIB (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-১২ 
  25. Clive M. Davis; William L. Yarber; Robert Bauserman; George Schreer; Sandra L. Davis (২০০০)। Handbook of Sexuality-Related Measures। Sage। আইএসবিএন 978-1-4129-1336-2 
  26. "Kinsey's Heterosexual-Homosexual Rating Scale"। The Kinsey Institute। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৬, ২০১২ 
  27. Clive M. Davis; William L. Yarber; Robert Bauserman; George Schreer; Sandra L. Davis (২০০০)। Handbook of Sexuality-Related Measures। Sage। পৃষ্ঠা 137। আইএসবিএন 978-1-4129-1336-2 
  28. Sexuality Now: Embracing Diversity (2006) – Janbell L Caroll
  29. Will Dahlgreen. YouGov UK 2015 1 in 2 young people say they are not 100% heterosexual
  30. Galupo, M. Paz; Mitchell, Renae C.; Davis, Kyle S. (২০১৮-০৫-০১)। "Face Validity Ratings of Sexual Orientation Scales by Sexual Minority Adults: Effects of Sexual Orientation and Gender Identity"Archives of Sexual Behavior (ইংরেজি ভাষায়)। 47 (4): 1241–1250। doi:10.1007/s10508-017-1037-yআইএসএসএন 0004-0002 

বহিঃস্থ সংযোগ[সম্পাদনা]