কালকা মেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কালকা মেল
Kalka Mail (1).jpg
কালকা মেল
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনদূরপাল্লা
স্থানপশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লী, পাঞ্জাবহরিয়ানা
প্রথম পরিষেবা"ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে মেল" নামে ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে।
বর্তমান পরিচালকইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কম্পানি (১৮৬৬ - ১৯৪৭) ভারতী রেল মন্ত্রণালয় ১৯৪৭ - বর্তমান
যাত্রাপথ
শুরুহাওড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন
শেষকালকা রেলওয়ে স্টেশন
ভ্রমণ দূরত্ব১,৭১৩ কিলোমিটার (১,০৬৪ মা)
পরিষেবার হারপ্রাত্যহিক
যাত্রাপথের সেবা
শ্রেণীশয়ন যান, সাধারণ/অনারক্ষিত, প্রথমশ্রেণী বাতানুকূলিত, দ্বিতীয়শ্রেণী বাতানুকূলিত, তৃতীয়শ্রেণী বাতানুকূলিত
আসন বিন্যাসহ্যাঁ
ঘুমানোর ব্যবস্থাহ্যাঁ
খাদ্য সুবিধাউপলব্ধ
পর্যবেক্ষণ সুবিধাবৃহৎ জালনা
মালপত্রের সুবিধাহ্যাঁ
কারিগরি
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)

কালকা মেল ভারতীয় রেলের একটি ঐতিহ্যবাহী ট্রেন; যা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি দ্বারা ১৮৬৬ সালে কলিকাতার সাথে দিল্লীকে জোড়ার জন্যে চালু করে। বর্তমানে এটি ভারতী রেল মন্ত্রণালয় দ্বারা সঞ্চালিত হয়।

কালকা মেল ভারতীয় রেলের ইতিহাসে সব থেকে পুরনো ট্রেন। ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির হাত ধরে ১৮৬৬ সালে হাওড়া থেকে শুরু প্রথম যাত্রা। ডেস্টিনেশন ছিল দিল্লি। নাম ছিল ‘ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে মেল’। অনেকে সংক্ষেপে বলতেন ‘আপার ইন্ডিয়া’। হাওড়া থেকে ছাড়া ট্রেনের নম্বর ছিল ১ আপ। ফিরতি ট্রেন, ২ ডাউন। চালু হওয়ার দু’বছরের মাথায় তৎকালীন ভাইসরয় ল্যান্সডাউন নির্দেশ দেন, গ্রীষ্মে কলকাতায় না থেকে শৈলশহর সিমলা থেকে দেশ চালাবেন। যেমনি বলা, তেমনি কাজ। সিমলাকে গ্রীষ্মকালীন রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকার। ঠিক হয়, দিল্লি থেকে নিয়ে যাওয়া হবে কালকা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে ‘ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে মেল’টিকেই। ১৮৯১ সালে ট্রেনের যাত্রাপথ দিল্লি থেকে সম্প্রসারিত হয় হরিয়ানার কালকা পর্যন্ত। কারণ, সিমলা যাওয়ার গেটওয়ে ছিল কালকা।