এহতেশামুদ্দিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এহতেশামুদ্দিন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামএহতেশামুদ্দিন
জন্ম৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০
লাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার, দল নির্বাচক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৮১)
২১ নভেম্বর ১৯৭৯ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট২৬ আগস্ট ১৯৮২ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৩৪
রানের সংখ্যা ১০৭৮
ব্যাটিং গড় ১.০০ ১১.৪৬
১০০/৫০ -/- -/২
সর্বোচ্চ রান ৮৩
বল করেছে ৯৪০ ১০৪৭০
উইকেট ১৬ ৫০৭
বোলিং গড় ২৩.৪৩ ২০.৬৫
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩৭
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৪৭ ৯/১২৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ৩৯/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২১ অক্টোবর ২০২০

এহতেশামুদ্দিন (উর্দু: احتشام الدین‎‎; জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০) পাঞ্জাবের লাহোর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক পাকিস্তানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭০-এর দশকের শেষদিক থেকে শুরু করে ১৯৮০-এর দশকের সূচনালগ্ন পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২][৩]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানি ক্রিকেটে লাহোর, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স, পাঞ্জাব, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন তিনি।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৬৯-৭০ মৌসুম থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত এহতেশামুদ্দিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। তার ব্যাটিংয়ের মান সাধারণ পর্যায়ের ছিল। ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলার এহতেশামুদ্দিন পেসের তুলনায় বোলিংয়ে নিখুঁততার দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটাতেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন এহতেশামুদ্দিন। ২১ নভেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে বেঙ্গালুরুতে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৬ আগস্ট, ১৯৮২ তারিখে লিডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে দলের সাথে ভারত গমন করেন। ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের তিনটিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। প্রথম, চতুর্থ ও ষষ্ঠ টেস্ট খেলেন তিনি। ঐ সিরিজে তার দল ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। তবে, এহতেশামুদ্দিন ব্যক্তিগতভাবে ভালো খেলা উপহার দেন। উইকেটপ্রতি ২০-এর কম খরচে ১৪ উইকেট পান।

কানপুরে সিরিজের চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫/৪৭ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। পরবর্তীতে এটিই তার ব্যক্তিগত সেরা বোলিং হিসেবে চিত্রিত হয়ে যায়। সিকান্দার বখ্তের সাথে ১০ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন। এরপর, একই মৌসুমে নিজ দেশে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে একটি টেস্টে অংশ নেন।

ইংরেজ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালের ইংল্যান্ড সফরে শেষ মুহুর্তে তাকে দলে নেয়া হয়। হেডিংলিতে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। ঐ সময়ে তিনি বোল্টন অ্যাসোসিয়েশন লীগে ডেইজি হিলের পক্ষে ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছিলেন। পাকিস্তান দল আঘাতে জর্জড়িত ছিল। এহতেশামুদ্দিনকে শারীরিকভাবে অনুপযুক্ত দেখাচ্ছিল। তাসত্ত্বেও, গ্রেইম ফাওলারের উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রথম উইকেটের পতন ঘটান। পেশীতে টান পড়ায় মাত্র ১৪ ওভার বোলিং করতে সক্ষম হন ও ঐ খেলায় তিনি আর বোলিং করতে পারেননি। পাকিস্তান দল খেলাটিসহ সিরিজে পরাজয়বরণ করে।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of Pakistan Test Cricketers
  2. "Pakistan – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২০ 
  3. "Pakistan – Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]