বিষয়বস্তুতে চলুন

আবুল কাসিম আল-খোয়ী

স্থানাঙ্ক: ৩১°৫৯′৪৬″ উত্তর ৪৪°১৮′৫১″ পূর্ব / ৩১.৯৯৬১১১° উত্তর ৪৪.৩১৪১৬৭° পূর্ব / 31.996111; 44.314167
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আবুল কাসিম আল-খোয়ী
السيد أبو القاسم الموسوي الخوئي
ابوالقاسم موسوی خویی
১৯৭০-এর দশকে নাজাফে নিজ অফিসে আয়াতুল্লাহ আল-খোয়ী
উপাধিগ্রান্ড আয়াতুল্লাহ
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৮৯৯-১১-১৯)১৯ নভেম্বর ১৮৯৯
মৃত্যুআগস্ট ৮, ১৯৯২(1992-08-08) (বয়স ৯২)
সমাধিস্থলইমাম আলীর মাজার, নাজাফ, ইরাক
৩১°৫৯′৪৬″ উত্তর ৪৪°১৮′৫১″ পূর্ব / ৩১.৯৯৬১১১° উত্তর ৪৪.৩১৪১৬৭° পূর্ব / 31.996111; 44.314167
ধর্মইসলাম
জাতীয়তা
  • ইরানি
  • ইরাকি
আদি নিবাসখোয়, পশ্চিম অজারবাইজন প্রদেশ, ইরান
সন্তান
পিতামাতা
  • আলী আকবর আল-খোয়ী (পিতা)
আখ্যাশিয়া
ব্যবহারশাস্ত্রজাফরি (উসুলি)
ধর্মীয় মতবিশ্বাসইসনা আশারিয়া
প্রধান আগ্রহ
উল্লেখযোগ্য কাজমু‘জাম রিজাল আল-হাদিস
প্রতিষ্ঠাননাজাফ হওজা
মুসলিম নেতা
ভিত্তিকনাজাফ, ইরাক
কাজের মেয়াদ১৯৭০–১৯৯২
পূর্বসূরীমুহসিন আল-হাকিম
উত্তরসূরীআব্দুল আলা আস-সবজিওয়ারী
শিক্ষার্থী
পদমারজা
ওয়েবসাইটwww.al-khoei.org

আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সৈয়দ আবুল কাসিম আল-মুসবী আল-খোয়ী (আরবি: أبو القاسم الموسوي الخوئي; ফার্সি: ابوالقاسم موسوی خویی; ১৯ নভেম্বর ১৮৯৯ – ৮ আগস্ট ১৯৯২) ছিলেন একজন ইরানি-ইরাকি শিয়া মুসলিম ধর্মগুরু।[১][২] তাঁকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী শিয়া পণ্ডিত হিসাবে গণ্য করা হয়।

আয়াতুল্লাহ মুহসিন আল-হাকিমের মৃত্যুর পর আল-খোয়ী শিয়া মুসলিম জগতের বৃহদাংশের আধ্যাত্মিক নেতায় পরিণত হন এবং ১৯৯২ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ১৯৯৩ সালে স্বল্পকালের জন্য আয়াতুল্লাহ আব্দুল আলা আস-সবজিওয়ারী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। অতঃপর আল-খোয়ীর সাবেক ছাত্র আলী সিস্তানী হওজার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, এর ফলে তাঁর অসংখ্য অনুসারী আস-সিস্তানীর অনুসারীতে পরিণত হন।[৩][৪]

জীবনী[সম্পাদনা]

নিজ মাতৃভাষা আজেরি তুর্কিতে আল-খোয়ীর হাতের লেখা

আল-খোয়ী ১৮৯৯ সালের ১৯ নভেম্বর কাজার পারস্যের পশ্চিম অজারবাইজন প্রদেশের খোয়ী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ইরানে তাঁর বাল্যকাল অতিবাহিত হয়। ১৩ বছর বয়সে তিনি ইরাকে গমন করেন এবং পবিত্র নাজাফ নগরীতে বসবাস শুরু করেন। নাজাফ হওজাতে তিনি বিশিষ্ট আলেমদের অধীনে শিয়া ইসলামি ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন করেন। অবশেষে তিনি আয়াতুল্লাহ খেতাব অর্জন করেন এবং একজন মারজায় পরিণত হন। তিনি নাজাফ শহরেই শিক্ষকতা করে বাকি জীবন অতিবাহিত করেন।

Islamic cleric with Saddam Hussein
১৯৯১ সালের শিয়া গণঅভ্যুত্থানের পর সাদ্দাম হুসাইনের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আয়াতুল্লাহ খোয়ী

উত্তরাধিকার[সম্পাদনা]

জনকল্যাণ[সম্পাদনা]

ইমাম আল-খোয়ী হিতৈষী সংস্থা, জ্যামেইকা, নিউ ইয়র্ক

শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

আল-খোয়ী (ডানে) ও তাঁর ছাত্র আলী সিস্তানী (বাঁয়ে), নাজাফ

অন্তর্জাল[সম্পাদনা]

ব্যক্তিজীবন[সম্পাদনা]

আল-খোয়ী (ডানে) ও তাঁর পুত্র জামাল উদ্দীন আল-ঈমানী (বাঁয়ে)

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Tarrad, Hamada; Abd al-Hasan, Amin (২০০৪)। al-Imam Abu al-Qasim al-Khoei: Za'im al-Hawza al-Ilmiya [Imam Abu al-Qasim al-Khoei: Head of the Islamic Seminary] (আরবি ভাষায়)। Mu'sasat al-Imam al-Khoei al-Khayriya। 
  2. al-Waseti, Ahmed (১৯৯৮)। Sirat Wa Hayat al-Imam al-Khoei [Biography and Life of Imam al-Khoei] (আরবি ভাষায়)। Beirut, Lebanon: Dar al-Hadi। 
  3. Corboz, Elvire (২০১৫-০১-২০)। Guardians of Shi'ism: Sacred Authority and Transnational Family Networks (ইংরেজি ভাষায়)। Edinburgh University Press। পৃষ্ঠা 64–5। আইএসবিএন 978-0-7486-9145-6 
  4. al-Shafi'i, Abd al-Malik (২০০৫)। Mawqif al-Tashayyu al-Imamiya Min Baqi al-Firaq al-Muslimeen [The Stance of Imami Shiism on the Rest of the Islamic Creeds] (আরবি ভাষায়)। Egypt: Maktabat al-Ridhwan। পৃষ্ঠা 227–30। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]