সৈয়দ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ওসমানীয়া খেলাফত যুগে নবী মোহাম্মদের বংশধরগণ সবুজ পাগড়ী ব্যবহারের মাধ্যমে এক স্বকীয় পরিচয়ের স্বাক্ষর বহন করতেন

সৈয়দ বা স্যৈয়দ বা সাইয়্যেদ বা সায়্যিদ (আরবি: سيد‎‎; আরবি: سادة‎‎, Sādah) হল এমন একটি সম্মানসূচক উপাধি যদ্বারা নবী নন্দিনী ফাতেমা ও তার স্বামী আলী ইবন আবী তালিবের সন্তান হাসান ও হোসাইনের বংশধারার নবী মোহাম্মদের বংশধরগণকে[১] চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। লেখ্যরুপের ক্ষেত্রে আরবী হরফ ছিন (আরবি: س‎‎) দ্বারা এ উপাধিটি লিখা হয় তাই এর বানান ছ- অক্ষর দিয়ে লেখা হয়ে থাকে। অন্যপক্ষ্যে, যদিও সীন (আরবি: ش‎‎) মূল আরবী বানানে লেখা হয়না তথাপি স- অক্ষর যোগেও এ উপাধিটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

সৈয়দ হতে হলে পিতৃগোত্রজ হতে হবে এমন কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। মাতৃগোত্রজ ব্যক্তির ক্ষেত্রেও এ উপাধি ব্যবহুত হয়ে থাকে। উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, ১৬৩২ সালে ওসমানী খেলাফত যুগে রাষ্ট্রীয় আদালত (ইংরেজি: Ottoman court) এক ব্যক্তিকে সৈয়দ উপাধিধারীদের ব্যবহার্য্য সবুজ পাগড়ী ব্যবহার করা বিষয়ে অভিযুক্ত করেন। ঐ ব্যক্তি প্রমাণ করতে সফল হন যে, তিনি মাতৃগোত্রজ সূত্রে সৈয়দ এবং এ যুক্তিটি ছিল স্বীকৃত।[২]

সৈয়দ বংশীয় নারীদের উপাধি হয়ে থাকে যথাক্রমে সৈয়দা বা আলাউইয়্যা বা শরীফা।

ইসলামের প্রাথমিক যুগে হাসান ও হোসাইন উভয়ের বংশলতিকায় নবীর বংশধর বুঝাতে সৈয়দ এবং শরীফ উপাধিদ্বয় ব্যবহার করা হত। অন্যদিকে, পরবর্তী কালে হাসানি বংশ বুঝাতে পুরুষদের শরীফ ও নারীদের শরীফা এবং হোসাইনি বংশীয় বুঝাতে যথাক্রমে সৈয়দ ও সৈয়দা উপাধিতে ভূষিত করার রেওয়াজ লক্ষ্য করা যায়[৩]

সৈয়দ যাদের পদবি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ho, Engseng. 2006. Graves of Tarim. University of California Press. Berkeley. p. 149
  2. Sayyids and Sharifs in Muslim Societies: The Living Links to the Prophet, (আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫৫-১৯১৭-৫ সংস্করণ)। pub. Routledge,। ২০১২। পৃষ্ঠা ed. Kazuo Morimoto,। 
  3. Encyclopaedic Ethnography of Middle-East and Central Asia: A-I, Volume 1 edited by R. Khanam