ইসলামী পুরাণ
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
ইসলামী পুরান [সম্পাদনা]
ইসলাম সপ্তম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠা পায় এবং উত্তরাধিকার সূত্রে অনেক প্রাক-ইসলামী আরবীয় পৌরানিক উপাদান লাভ করে। উপরন্তু ইহুদি (যেমন- আব্রাহাম) ও খ্রীষ্টিয় পুরান (যেমন-যীশু) হতেও এতে উপাদান অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।
অশুভ দৃষ্টির (Evil Eye) ধারণা কোরানের সুরা আল-ফালাকে (যেখানে মানুষকে সাহায্য চাইতে বলা হয়েছে “হিংসুকের অনিষ্ট হইতে, যখন সে হিংসা করে”) উধৃত হয়েছে। কখনও কখনও অশুভ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাবার জন্য ফাতিমার হাত ব্যবহৃত হতো। যদিও সব ধরনের তাবিজ ও অন্ধবিশ্বাসের মতই এর ব্যবহারও ইসলামে নিষিদ্ধ। প্রথানুগ মুসলিমদের মধ্যে আশীর্বাদপ্রাপ্তি বা ঐ ধরনের অন্ধবিশ্বাস হতে রক্ষা পাবার জন্য কোরানের নানা আয়াত (যেমন আন-নিসা এবং আল-ফালাক) আবৃত্তি করতে দেখা যায়।