আসমানী কিতাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আসমানী কিতাব বা ঐশ্বিক গ্রন্থ বলতে এমন কতকগুলো গ্রন্থকে বোঝানো হচ্ছে, ইসলাম ধর্মমতে মুসলমানগণ যে গ্রন্থগুলোকে ঈশ্বরপ্রদত্ত গ্রন্থ বলে বিশ্বাস করেন। ইসলাম ধর্মে যে ৭টি বিষয়ের উপর বিশেষ করে ঈমান আনতে বা বিশ্বাস স্থাপন করতে বলা হয়েছে তার মাঝে একটি হলো এই যাবতীয় আসমানী কিতাব, যা সরাসরি ঈশ্বরের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছিলো। ইসলাম ধর্মমতে, পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে সর্বমোট আসমানী কিতাব পাঠানো হয়েছে ১০৪খানা। তার মধ্যে ৪খানা হলো প্রধান আসমানী কিতাব ও বাকি ১০০খানা সহীফা

প্রধান চারখানা আসমানী কিতাব হলো:

  • তৌরাত, যা অবতীর্ণ হয় ঈশ্বরের বাণীবাহক হযরত মুসা [আ.]-এর উপর,
  • যাবুর, যা অবতীর্ণ হয় ঈশ্বরের বাণীবাহক হযরত দাউদ [আ.]-এর উপর,
  • ইনযিল, যা অবতীর্ণ হয় ঈশ্বরের বাণীবাহক হযরত ঈসা [আ.]-এর উপর, এবং
  • আল‌‌-কোরআন সর্বশেষ এবং পরিপূর্ণ আসমানী কিতাব, যা অবতীর্ণ হয় ঈশ্বরের বাণীবাহক হযরত মুহাম্মদ [স.]-এর উপর।[১]

তন্মধ্যে ইহুদিখ্রিষ্ট ধর্মমতে, 'তৌরাত' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'তোরাহ'কে , 'যাবুর' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'যামস'কে, 'ইঞ্জিল' বলতে ইঙ্গিত করা হয় 'গসপেল'কে

এছাড়া অন্যান্য অপ্রধান ১০০খানা আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হয় অপরাপর বিভিন্ন বাণীবাহকের উপর। যথা:

  • হযরত শীস [আ.]-এর উপর ৫০খানা সহীফা,
  • হযরত ইদ্রিস [আ.]-এর উপর ৩০খানা সহীফা, এবং
  • হযরত ইব্রাহীম [আ.]-এর উপর ২০খানা সহীফা।[১]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ফক্বীহ আবুল লাইস সমরকন্দী (রহঃ)। "নবী রাসুল প্রসঙ্গ"। বুস্তানুল আ'রেফীন (প্রিন্ট) (বাংলা ভাষায়) (১৯৯৭ সালে সংস্করণ)। চকবাজার, ঢাকা: হামিদিয়া লাইব্রেরী লি:। প্রকাশিত হয়েছে: ১৪ই মে, ১৯৯৭।