পাকিস্তান সেনাবাহিনী
| পাকিস্তান সেনাবাহিনী | |
|---|---|
| پاکستان فوج | |
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতীক | |
| প্রতিষ্ঠা | ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ |
| দেশ | |
| ধরন | সেনাবাহিনী |
| ভূমিকা | স্থল যুদ্ধ |
| আকার | ৫৬০,০০০ সক্রিয় সৈন্য[১] ৫৫০,০০০ রিজার্ভ ফোর্স ১৮৫,০০০ ন্যাশনাল গার্ড[১] |
| অংশীদার | পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী |
| সেনাবাহিনী সদর দপ্তর | জেনারেল হেডকোয়ার্টার, রাওয়ালপিন্ডি সেনানিবাস-৪৬১০০, পাঞ্জাব |
| নীতিবাক্য | ঈমান, তাকওয়া, জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ[২] (আল্লাহর নামে বিশ্বাস, তাকওয়া, সংগ্রাম) |
| রং | |
| বার্ষিকী | প্রতিরক্ষা দিবস: ৬ সেপ্টেম্বর |
| যুদ্ধসমূহ | |
| ওয়েবসাইট | pakistanarmy.gov.pk |
| কমান্ডার | |
| সর্বাধিনায়ক | |
| সেনাবাহিনী প্রধান | |
| প্রধান সামরিক কর্মকর্তা | |
| প্রতীকসমূহ | |
| পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পতাকা | |
| বিমানবহর | |
| আক্রমণ | মিল এমআই-৩৫এম হাইন্ড, বেল এএইচ-১এফ, ইউরোকপ্টার এএস৫৫০, সি৩ ফেনেক, এনইএসকম বুরাক, কাস্ক রেইনবো |
| হেলিকপ্টার | মিল এমআই-১৭, মিল এমআই-৮, বেল ইউএইচ-১ আইরোকোয়েস, বেল ৪১২, বেল ৪০৭, বেল ২০৬, অ্যারোস্পাতিয়াল আলুয়েত থ্রি, অ্যারোস্পাতিয়াল লামা, এনস্ট্রম এফ-২৮, শোয়েইৎজার ৩০০,জেড-১০এমই |
| পরিবহন বিমান | হারবিন ওয়াই-১২, সেসনা সিটেশন ব্রাভো, সেসনা ২০৬, পিএসিএমএফআই-১৭ মুশশাক |
পাকিস্তান সেনাবাহিনী (উর্দু: پاک فوج পাক ফৌজ) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর অংশ। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময়ে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাংশ হতে এই বাহিনী গঠিত হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) এর মতে ২০১০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কার্যকর সেনা সংখ্যা ৫৬০,০০০ জন এবং সংরক্ষিত ট্রুপসের সংখ্যা প্রায় ৫৫০,০০০ জন।[৩] পাকিস্তানের সংবিধানে সামরিক পরিকল্পনার একটি বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও তা কখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
এই বাহিনীর প্রাথমিক লক্ষ্যগুলি হল: বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা, অভ্যন্তরীণ শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।[৪]। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বাহিনী বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী একত্রে তিনটি যুদ্ধে জড়িয়েছে। যেগুলো প্রতিবেশী ভারত এবং আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘটিত হয়।[৫]
১৯৪৭ সাল হতে আজ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী তিনটি পাক-ভারত যুদ্ধ, একটি অঘোষিত যুদ্ধ (কার্গিল যুদ্ধ), এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তার স্থানীয় সহযোগী রাজাকার বাহিনী, আল বদর ও আল শামস এর হাতে ৩০ লাখ সাধারণ মানুষের প্রাণহানী ঘটে [৬]। যুদ্ধ শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে ঢাকার রেসকোর্সে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। প্রায় ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সেনার এই আত্মসমর্পণ ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সর্ববৃহৎ আত্মসমর্পণের ঘটনা।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত যখন হয় তখন ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও দুই ভাগ করার (একটি পাকিস্তান, অপরটি ভারত) সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৪৬ সালের ১৯ অক্টোবর। ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন ব্রিটিশ সরকার মাত্র দেড় লাখ সদস্যের একটি সেনাবাহিনী পাকিস্তানের হবে বলে ঘোষণা দেয়; যদিও পাকিস্তান সেনাবাহিনী সত্যিকার অর্থে পঞ্চাশ হাজারের বেশি সদস্য পায়নি। ১৪ই আগস্ট ১৯৪৭ তারিখে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ব্রিটিশ জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ওয়ালটার মেসার্ভি'র অধীনে আত্মপ্রকাশ করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী পদাতিক শাখা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঞ্জাব রেজিমেন্ট-এর একাংশ, বেলুচ রেজিমেন্ট এবং ফ্রন্টিয়ার ফোর্স রেজিমেন্ট পেয়েছিলো, ১৯৪৮ সালে তারা ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও আজাদ কাশ্মীর রেজিমেন্ট নামে নতুন দুটি রেজিমেন্ট গঠন করেছিলো।
পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটির সরকার সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের ব্যাপারে মনোযোগী ছিলো। ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে নবগঠিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে প্রতিবেশী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াইএ জড়িয়ে পড়তে হয়েছিলো কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী তখন অনেক ছোটো ছিলো, এর না ছিলো কোনো কোর না কোনো বড় ডিভিশন; ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম এবং ১২তম ডিভিশন ছিলো ছোটো আকারে এবং ১৪তম ডিভিশন ছিলো পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ-এ)। সুতরাং মাত্র পাঁচটি ডিভিশন ভারতীয় সেনাবাহিনীর বারোটি ডিভিশনের সঙ্গে সীমান্তে লড়াইরত ছিলো তখন। ১৯৫০ সালে আরো একটি ডিভিশন (১৫তম) যোগ হয় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অংশে এবং ১৯৫০ সালেই সাঁজোয়া বহরে ১৫তম ল্যান্সার্স রেজিমেন্ট শিয়ালকোট সেনানিবাসে যুক্ত হয়েছিলো। ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে আরো ছ'টি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট যুক্ত হয়ঃ ৪র্থ ক্যাভালরি, ১২তম ক্যাভালরি, ১৪তম ল্যান্সার্স এবং ২০ ল্যান্সার্স।[৭] পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৬০ সালের আগ পর্যন্ত ব্যাপক পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলো এবং সৈন্য সংখ্যাও বৃদ্ধি করেছিলো, ১৯৫৭ সালেই তাদের প্রথম কোর (১ কোর) তৈরি করা হয়েছিলো এবং একটি পূর্নাঙ্গ সাঁজোয়া ডিভিশন (১ম সাঁজোয়া ডিভিশন) এ-দশকেই তারা বানিয়ে ফেলেছিলো। পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি তৈরি করা হয়েছিলো পাকিস্তানের স্বাধীনতার এক বছর পরেই।
সেনা সদর দপ্তর ও স্টাফ
[সম্পাদনা]| Post | Name |
|---|---|
| সেনাবাহিনী প্রধান (COAS), GHQ. | জেনারেল আসিম মুনির |
| Chief of General Staff (CGS) | Lieutenant General Azhar Abbas |
| Chief of Logistics Staff (CLS) | Lieutenant General Saqib Mehmood Malik |
| Inspector General Arms (IG Arms) | Lieutenant General Majid Ehsan |
| সেনাপ্রধান সহকারী (AG) | লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মেহমুদ |
| কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (QMG) | লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্বাসি |
| Military Secretary (MS) | Lieutenant General Sardar Hassan Azhar Hayat Khan |
| Inspector General Training & Evaluation (IG T&E) | Lieutenant General Syed Muhammad Adnan |
| Inspector General Communications and Information Technology (IG C&IT) | Lieutenant General Asif Ghafoor |
| Engineer-in-Chief (E-in-C) | Lieutenant General Moazzam Ejaz |
কোর
[সম্পাদনা]| Corps | সদর দপ্তরের অবস্থান | Current Commander | Major Corps Formations |
|---|---|---|---|
| I Corps | মাংলা, আজাদ কাশ্মীর | Lieutenant General Shaheen Mazhar Mehmood |
|
| II Corps | মুলতান, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Muhammad Chiragh Haider Baloch |
|
| IV Corps | লাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Muhammad Abdul Aziz |
|
| V Corps | করাচি, সিন্ধু প্রদেশ | লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ সাঈদ |
|
| X Corps | রাওয়ালপিন্ডি, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Sahir Shamshad Mirza |
|
| XI Corps | পেশাওয়ার, খাইবার পাখতুনখোয়া | লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদ |
|
| XII Corps | কোয়েটা, বেলুচিস্তান | Lieutenant General Sarfaraz Ali |
|
| XXX Corps | গুজরানওয়ালা, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ আমীর |
|
| XXXI Corps | বাহাওয়ালপুর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Khalid Zia |
|
| Air Defence Command | রাওয়ালপিন্ডি, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Hamood Uz Zaman Khan |
|
| Strategic Forces Command | রাওয়ালপিন্ডি, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Lieutenant General Muhammad Ali |
|
| Army Aviation Command | রাওয়ালপিন্ডি, পাঞ্জাব, পাকিস্তান | Major General Nadeem Yousaf |
|
ঘাঁটি
[সম্পাদনা]বিমান প্রতিরক্ষা
[সম্পাদনা]| অস্ত্র | ভাবমূর্তি | আদর্শ | উৎপত্তি | পাল্লা | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|---|
| বিমান প্রতিরক্ষা - ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা | |||||
| এইচকিউ-৭ | স্বল্প-পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র | চীন | FM-90 ভেরিয়েন্টটি পরিষেবায় রয়েছে। অপারেশনাল রেঞ্জ 15 কিমি। | ||
| এইচকিউ-১৬ | স্বল্প থেকে মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র | চীন | পরিষেবাতে দুটি রূপ রয়েছে:
LY-80: অপারেশনাল রেঞ্জ 40 কিমি। LY-80EV: অপারেশনাল রেঞ্জ 70 কিমি। | ||
| এইচকিউ-৯ | দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র | চীন | HQ-9P ভেরিয়েন্টটি পরিষেবায় রয়েছে। বিমানের বিরুদ্ধে ১২৫ কিমি এবং ক্রুজ মিসাইলের বিরুদ্ধে ২৫ কিমি অপারেশনাল রেঞ্জ। | ||
| বিমান প্রতিরক্ষা - মানুষ বহনযোগ্য সিস্টেম | |||||
| জিআইডিএস আনজা | মানুষ বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা | পাকিস্তান | ৪.২ কিমি (মার্ক ১)
৫ কিমি (মার্ক ২) ৬ কিমি (মার্ক ৩) |
পরিষেবাতে তিনটি রূপ:
| |
| আরবিএস ৭০ | মানুষ বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা | সুইডেন | ৬ কিমি | Mk 1, Mk 2, Mk 2 BOLIDE ভেরিয়েন্টগুলি পরিষেবায় রয়েছে। 1,711টি ক্ষেপণাস্ত্র।
M113 এবং Mouz APC-তে ব্যবহৃত RBS 70 VLM। | |
| এফএন-৬ / এফএন-১৬ | মানুষ বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা | চীন | ৬ কিমি | ২০১০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ৮০৬টি FN-6 সরবরাহ করা হয়েছে।
২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১,১৯১টি FN-16 সরবরাহ করা হয়েছে। | |
| FIM-92 স্টিংগার | মানুষ বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ৪.২ কিমি | FIM-92A ভেরিয়েন্টটি পরিষেবাতে রয়েছে। | |
| বিমান প্রতিরক্ষা - বিমান বিধ্বংসী বন্দুক ব্যবস্থা | |||||
| টাইপ ৮৫ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (১২.৭ মিমি) | চীন | টাইপ ৭৭ এর আপডেটেড ভার্সন । | ||
| টাইপ ৫৪পি | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (১২.৭ মিমি) | চীন | DShK- এর চীনা সংস্করণ , স্থানীয়ভাবে POF- এর লাইসেন্সের অধীনে উৎপাদিত । | ||
| টাইপ ৫৬ / টাইপ ৫৮ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (১৪.৫ মিমি) | চীন | 200, ZPU এর উপর ভিত্তি করে । | ||
| ওরলিকন জিডিএফ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (২ x ৩৫ মিমি) | সুইজারল্যান্ড | 248, GDF-002 এবং GDF-005 ভেরিয়েন্টগুলি পরিষেবাতে রয়েছে, ১৩৪টি স্কাইগার্ড রাডার ইউনিট সহ। | ||
| টাইপ ৫৫ / টাইপ ৬৫ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (৩৭ মিমি) | চীন | 310, M1939 এর উপর ভিত্তি করে । | ||
| এল-৬০ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (৪০ মিমি) | সুইডেন | ২০২১ সালের হিসাবে ৫০টি ইউনিট। | ||
| টাইপ ৫৯ | বিমান বিধ্বংসী বন্দুক (৫৭ মিমি) | চীন | ২০২১ সালের হিসাবে ১৪৪টি ইউনিট, AZP S-60 এর উপর ভিত্তি করে । | ||
বিমান
[সম্পাদনা]| বিমান/সিস্টেম | ছবি | উৎপত্তি | ভূমিকা | বৈকল্পিক | ভার ক্ষমতা (কেজি) | পরিমাণ | দ্রষ্টব্য | পরিষেবার সময়কাল |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| হেলিকপ্টার | ||||||||
| মিল এমআই-১৭ | রাশিয়া | এসএআর
ইউটিলিটি ট্রান্সপোর্ট |
Mi-171 | ৪৮ | ১৯৯৬–বর্তমান | |||
| বেল এএইচ-১ কোবরা | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | আক্রমণ | এএইচ-১এফ | ১,৬৭৪ | ৫০ | ভার ক্ষমতায় এটি হ্যাল প্রচন্ড -এর সমতুল্য হলেও এটি কম পাল্লার। আধুনিকীকরণ ও আপগ্রেড করা হয়েছে। | ১৯৮৫–বর্তমান | |
| চাংহে জেড-১০ | চিন | আক্রমণ | Z-10ME | ১,৬৬০ | ১০ | ভার ক্ষমতায় এটি হ্যাল প্রচন্ড -এর সমতুল্য। | ||
| ইউরোকপ্টার ফেনেক | ফ্রান্স | আক্রমণ | AS550 C3 সম্পর্কে | ৩৫ | ২০০৯–বর্তমান | |||
| মিল এমআই-২৪ | রাশিয়া | আক্রমণ | Mi-35M3 সম্পর্কে | ৪ | ২০১৮–বর্তমান | |||
| অ্যারোস্প্যাশিয়াল/আইএআর এসএ ৩৩০ পুমা | ফ্রান্স | এসএআর
ইউটিলিটি ট্রান্সপোর্ট |
৩৩০ লিটার | ৪৩ | ১৯৭৭–বর্তমান | |||
| অ্যারোস্প্যাশিয়াল অ্যালুয়েট III | ফ্রান্স | হালকা ইউটিলিটি | এসএ ৩১৬বি | ১৩ | ১৯৬৭–বর্তমান | |||
| অ্যারোস্প্যাশিয়াল লামা | ফ্রান্স | হালকা ইউটিলিটি | এসএ ৩১৫বি | ১৭ | ১৯৮৬–বর্তমান | |||
| আগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড AW139 | ইতালি | এসএআর
ইউটিলিটি ট্রান্সপোর্ট |
AW139M সম্পর্কে | ৭ | ভিআইপি পরিবহন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। | ২০১৭–বর্তমান | ||
| বেল ইউএইচ-১ ইরোকুইস | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | লিয়াজোঁ
ইউটিলিটি |
ইউএইচ-১এইচ | ১ | ১৯৭০ এর দশক | |||
| বেল ৪১২ | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | লিয়াজোঁ
ইউটিলিটি |
৪১২ইপি | ৩১ | ২০০৪–বর্তমান | |||
| বেল ২০৬ জেটরেঞ্জার | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | প্রশিক্ষক | ২০৬বি | ১৮ | ১৯৭৫–বর্তমান | |||
| এনস্ট্রম এফ-২৮ | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | প্রশিক্ষক | ২৮০এফএক্স | ১৯ | ২০১৮–বর্তমান | |||
| শোয়েজার ৩০০ | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | প্রশিক্ষক | ৩০০সি | ২৫ | ১৯৯৩–বর্তমান | |||
| স্থির-উইং বিমান | ||||||||
| পিএসি এমএফআই-১৭ মুশশাক | সুইডেন পাকিস্তান | প্রশিক্ষক | লাইসেন্সকৃত Saab MFI-17 সমর্থক | ২১৪ | ||||
| হারবিন Y-12 | চীন | ইউটিলিটি | Y-12(II)/F | ৪ | ||||
| বিচক্রাফ্ট সুপার কিং এয়ার | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | রিকনেসাঁ | ৩৫০আই | ৩ | সিগনিন্ট এবং আইএসআর | |||
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | পরিবহন | ৩৫০ইআর | ৬ | |||||
| টার্বো কমান্ডার | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ইউটিলিটি | ৬৯০সি | ২ | ||||
| সেসনা ২০৮ ক্যারাভান | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | MEDEVAC
ইউটিলিটি |
২০৮বি | ১৩ | ||||
| সেসনা ২০৬ স্টেশনএয়ার | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | মেডেভ্যাক | টি২০৬এইচ | ৪ | ||||
| সেসনা উদ্ধৃতি II | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ভিআইপি পরিবহন | উদ্ধৃতি ব্রাভো | ১ | ||||
| সেসনা উদ্ধৃতি ভি | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ভিআইপি পরিবহন | উদ্ধৃতি আল্ট্রা | ১ | ||||
| গাল্ফস্ট্রিম IV | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ভিআইপি পরিবহন | জি৪৫০ | ১ | ||||
| মনুষ্যবিহীন আকাশযান | ||||||||
| নেসকম বুরাক | পাকিস্তান | মনুষ্যবিহীন যুদ্ধ বিমানবাহী যান | ২০১৩–বর্তমান | |||||
| জিআইডিএস শাহপার | পাকিস্তান | মনুষ্যবিহীন যুদ্ধ বিমানবাহী যান | শাহপার-১
শাহপার-২ |
|||||
| জিআইডিএস উকাব | পাকিস্তান | মনুষ্যবিহীন যুদ্ধ বিমানবাহী যান | ২০১০-বর্তমান | |||||
| অনুসরণ | পাকিস্তান | ক্ষুদ্রাকৃতির ইউএভি | ||||||
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 International Institute for Strategic Studies (ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। The Military Balance 2024। London: Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮১০৩২৭৮০০৪৭।
- ↑ "Motto of the Pakistan Army"। ১৫ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ IISS 2010, pp. 366
- ↑ ISPR। "A Journey from Scratch to Nuclear Power"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "History of Pakistan Army"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৮ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯।
- ↑ "History of Pakistan Army"। ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Official websites
- Official website of Pakistan Army launched on 6 April 2009
- Official website of Inter Services Public Relations (ISPR) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে
- Official website of International Defence Exhibition and Seminar (IDEAS) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে
- Cloughley, Brian. A History of the Pakistan Army: Wars and Insurrections
| পাকিস্তান বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |