শেহবাজ শরীফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শেহবাজ শরীফ
Chief Minister of the Punjab (8047057165) (cropped).jpg
মিয়া শেহবাজ শরীফ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১১ এপ্রিল ২০২২
রাষ্ট্রপতিআরিফ আলভি
পূর্বসূরীইমরান খান
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৮ জুন ২০১৩
রাষ্ট্রপতিআসিফ আলি জারদারি
প্রধানমন্ত্রীYousaf Raza Gillani
রাজা পারভেজ আশরাফ
Mir Hazar Khan Khoso
গভর্নরমাখদুম আহম্মেদ মেহমুদ
লতিফ খোশা
সালমান তাসের
পূর্বসূরীDost Muhammad Khosa
উত্তরসূরীNajam Sethi
কাজের মেয়াদ
৮ জুন ২০০৮ – ২৬ মার্চ ২০১৩
President of Pakistan Muslim League (N)
কাজের মেয়াদ
২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭ – ১২ অক্টোবর ১৯৯৯
পূর্বসূরীMian Muhammad Afzal Hayat
উত্তরসূরীChaudhry Pervaiz Elahi
কাজের মেয়াদ
30 September 2009 – 27 July 2010
উপরাষ্ট্রপতিGhaus Ali Shah
পূর্বসূরীChaudhry Nisar
উত্তরসূরীনওয়াজ শরীফ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1951-09-23) ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ (বয়স ৭০)
লাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান
জাতীয়তাপাকিস্তানি
রাজনৈতিক দলPakistan Muslim League (N)
দাম্পত্য সঙ্গীবেগম নুসরাত (m.১৯৭৩)
তেহমিনা দুরানি (m. ২০০৩)
সন্তান৪ ( হামজা শাহবাজ সহ)
পিতামাতাShamim and Mian Sharif
আত্মীয়স্বজনSee Sharif family
জীবিকারাজনীতিবিদ

মিয়া মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ (উচ্চারিত [miˈɑ̃ː mʊˈɦəm.məd̪ ʃɛhˈbɑːz ʃəˈriːf], জন্ম: ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫১) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ। ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল অনাস্থা ভোটে হেরে ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ১১ এপ্রিল তিনি নবগঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। যিনি ৮ জুন ২০১৩ হতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োজিত আছেন।[১]

তিনি বিশিষ্ট রাজনৈতিক শরীফ পরিবারের ব্যক্তিত্ব, তিনি মিয়া শরীফ (ইত্তেফাক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা) এবং পাকিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ভাই, যিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগের (এন) সভাপতিও ছিলেন। শেহবাজ শরীফ ১৯৮৮ সালে পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন এবং ১৯৯০ সালে জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি আবার পাঞ্জাব অধিবেশনে নির্বাচিত হন এবং বিরোধীদলীয় নেতা হন। ১৯৯৭ সালে তৃতীয়বারের মত নির্বাচন করে শরিফ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ তারিখে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

১৯৯৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর শরিফ কিছু বছর সৌদি আরবে স্ব-নির্বাসনে যান এবং ২০০৭ সালে পাকিস্তানে আসেন। ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রদেশের পিএমএল-এন বিজয়ী হওয়ার পর শরীফ দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিন। । ২০১৩ সালে তিনি তৃতীয়বার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।[২]

প্রারম্ভের জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

শেহজাদ শরীফ ১৯৫১ সালের ২৩ শে সেপ্টেম্বর লাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোহাম্মদ শরীফ ছিলেন একজন ঊর্ধ্বতন মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, যার পরিবার কাশ্মীরে ব্যবসা করতেন এবং শেষ পর্যন্ত বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পাঞ্জাবের অমৃতসর জেলার যাতি উমরা গ্রামে বসবাস করতেন। তার মা এর পরিবার পুলওয়ামা থেকে এসেছিলেন।[৩] জিন্নাহর নেতৃত্বে আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পর, তার পিতা-মাতা অমৃতসর থেকে লাহোরে চলে আসেন।.[৪] শরীফ সরকারী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, লাহোর থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। স্নাতকের পর, তিনি তার পরিবারের মালিকানাধীন ইত্তেফাক গ্রুপে যোগদান করেন এবং ১৯৮৫ সালে লাহোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তার দুই ভাই রয়েছে, আব্বাস শরীফ, এবং নওয়াজ শরীফ। নওয়াজ শরীফ পাকিস্তানের তিনবারের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। তার ভাবী, কুলসুম বাট, পাকিস্তানের তিনবারের ফাস্ট লেডী।

শেহবাজ প্রথমে তার চাচাত-বোন, নুসরাত শেহবাজকে বিয়ে করেন।[৫] এই দম্পতি ১৯৭৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন,[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এবং দুইজন সন্তান রয়েছে, সালমান ও হামজা, এবং দুই কন্যা যাবেরিয়া ও রাবিয়া।[৬]

শরীফ ২০০৩ সালে তেহমিনা দুররানি বিবাহ করেন, যিনি My Feudal Lord এর লেখক।[৭]

শরীফ পেশাগতভাবে একজন ব্যবসায়ী,[৮] এবং যৌথভাবে ইত্তেফাক গ্রুপের মালিক,যেটি একটি মাল্টি মিলিয়ন-ডলারের পিন্ডীভূত লৌহ কোম্পানি।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এক নজরে পাকিস্তানের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৪-১১ 
  2. "শেহবাজ শরীফ হলেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী"ভিওএ। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৪-১১ 
  3. "As Nawaz Sharif becomes PM, Kashmir gets voice in Pakistan power circuit - Indian Express"archive.indianexpress.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭ 
  4. Lieven, Anatol (২০১১)। Pakistan: A Hard Country (ইংরেজি ভাষায়)। PublicAffairs। আইএসবিএন 9781610390231। ২৮ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭ 
  5. Iftikhar A. Khan; Kalbe Ali (৩ জানুয়ারি ২০১৪)। "The mystery of Raiwind palace ownership"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭ 
  6. "Shahbaz's family arrives"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭ 
  7. "Shehbaz confirms marriage to Tehmina"Daily Times (Pakistan)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। Archived from the original on ১৭ মে ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭ 
  8. "Shahbaz Sharif"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭ 
  9. Baker, Raymond (২০০৫)। Capitalism's Achilles heel: Dirty Money and How to Renew the Free-market System। John Wiley and Sons। পৃষ্ঠা 82–83। আইএসবিএন 978-0-471-64488-0। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]