সাজিদা শাহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাজিদা শাহ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামসৈয়দা সাজিদা শাহ
জন্ম (1988-02-03) ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ৩১)
হায়দ্রাবাদ, সিন্ধু, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনডান-হাতি
বোলিংয়ের ধরনডান-হাতি অফ স্পিন
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক৩০ জুলাই ২০০০ বনাম আয়ারল্যান্ড নারী
শেষ টেস্ট১৮ মার্চ ২০০৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী
ওডিআই অভিষেক২৩ জুলাই ২০০০ বনাম আয়ারল্যান্ড নারী
শেষ ওডিআই২৬ মে ২০০৯ বনাম আয়ারল্যান্ড নারী
ওডিআই শার্ট নং১২
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৫–২০০৮হায়দ্রাবাদ (পাকিস্তান) নারী
২০০৮–২০০৯দক্ষিণ জোন (পাকিস্তান) নারী
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওয়ানডে টি২০আই
ম্যাচ সংখ্যা ৬০
রানের সংখ্যা ১০০ ৮৬৩ ৭২
ব্যাটিং গড় ৩৩.৩৩ ১৫.৯৮ ১৪.৪০
১০০/৫০ ০/১ ০/১ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৯৮ ৫২ ২৭*
বল করেছে ২,৭২৪ ৩৬
উইকেট ৫১
বোলিং গড় ২৮.৮৮ ২০.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a n/a
সেরা বোলিং ৭/৪ ১/১১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/– ৮/– ২/–
উৎস: ক্রিকেট আর্কাইভ, ৯ নভেম্বর ২০০৯

সাজিদা বিবি শাহ (ইংরেজি: Sajjida Bibi Shah); (জন্ম: ২৫ জুন ১৯৮৮ হায়দ্রাবাদ, সিন্ধু, পাকিস্তান) হলেন একজন পাকিস্তানী নারী ক্রিকেটার। একজন ডান-হাতি ব্যাটসম্যান এবং অফস্পিন বোলার হিসেবে খেলে থাকেন। তিনি পাকিস্তান জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের হয়ে দুটি টেস্ট ও ৪২টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

মাত্র বারো বছর বয়সে সানজিদা শাহ ২৩ জুলাই ২০০০ সালে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে আত্মপ্রকাশ করেন।[২] তিনি উক্ত সফরে ৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক,[৩] এবং তার প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেন।[৪] উক্ত সময়ে শুধুমাত্র আয়ারল্যান্ডের মহিলাদের টেস্ট ম্যাচ হয়েছিল।[৫]

২০০১ সালে তিনি করাচীতে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সাতটি ওয়ানডে খেলেছেন এবং ২০০২ সালে সম্ভবত তারিখ থেকে তার খেলোয়াড়ী জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত ২০০৩ সালে ঘটে। এছাড়াও তিনি শ্রীলংকায় শ্রীলঙ্কা বিরুদ্ধে ছয়টি ওয়ানডে খেলেছেন।[৩]

জুলাই ২০০৩ সালে নেদারল্যান্ডসে আইডব্লিউসিসি ট্রফিতে, তিনি পাকিস্তানের হয়ে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেেন।[৩] জাপানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে তিনি মাত্র চার রান জন্য সাতটি উইকেট লাভ করেন, উইকেটগুলি ছিল জাপানি ব্যাটিং লাইন আপ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের।[৬] এটি ছিল টুর্নামেন্টের সেরা বোলিং পারফরম্যান্স[৭] এবং নারীদের ওডিআই ম্যাচের ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা ইনিংস বোলিং পারফরম্যান্স।[৮] তিনি সামগ্রিকভাবে ১২টি উইকেট লাভ করেন এবং উক্ত টুর্নামেন্টের শীর্ষ উইকেটধারী হিসেবে মর্যাদা লাভ করেন।[৯]

পরের বছর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাকিস্তান সফরে শাহ সাতটি ওয়ানডে খেলেছেন[৩] এবং তাদের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ম্যাচও। টেস্ট ম্যাচটি তার এবং (এবং পাকিস্তানের) সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচে।[১০] last Test match to date.[৪] এরপর থেকে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২টি এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতা এবং ৫টি ওয়ানডে খেলেছেন।[৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]