রাগবি বিশ্বকাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাগবি বিশ্বকাপ
Current season or competition:
২০১৯ রাগবি বিশ্বকাপ
A gold cup with two handles inscribed with "The International Rugby Football Board" and "The Web Ellis Cup"
রাগবি বিশ্বকাপ বিজয়ীদের ওয়েব এলিস কাপ প্রদান করা হয়
ক্রীড়ারাগবি ইউনিয়ন
প্রতিষ্ঠিত১৯৮৭
দলের সংখ্যা২০
অঞ্চলসমূহবিশ্বব্যাপী (বিশ্ব রাগবি)
শিরোপাধারী নিউজিল্যান্ড (২০১৫)
সর্বাধিক শিরোপা নিউজিল্যান্ড (৩ titles)
ওয়েবসাইটwww.rugbyworldcup.com

রাগবি বিশ্বকাপ হলো একটি পুরুষ রাগবি ইউনিয়ন কর্তৃক প্রতি চার বছর পরপর শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর মধ্যে আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতা। ১৯৮৭ সালে নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় যৌথভাবে প্রথম রাগবি বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়।

বিজয়ীদের ওয়েব এলিস কাপ প্রদান করা হয়। উইলিয়াম ওয়েব এলিসের নামানুসারে এর নামকরন করা হয় বিখ্যাত কাহিনী অনুসারে, যিনি রাগবি স্কুলের একজন ছাত্র থাকাকালীন ফুটবল খেলার সময় বল হাত দিয়ে তুলার মাধ্যমে রাগবি খেলা উদ্ভাবন করেন। এখন পর্যন্ত চারটি দেশ এ ট্রফি জিতেছে: নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তিনবার, অস্ট্রেলিয়া দু'বার এবং ইংল্যান্ড একবার। দক্ষিণ আফ্রিকা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, তারা ২০১৯ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

খেলাটির আন্তর্জাতিক পরিচালনা সংস্থা, বিশ্ব রাগবি দ্বারা বিশ্বকাপ পরিচালিত হয়। ১৯৮৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম রাগবি বিশ্বকাপে ১৬টি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তবে ১৯৯৯ সাল থেকে বিশটি দল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে। ২০১৯ রাগবি বিশ্বকাপ জাপানে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ২০২৩ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৯ সালের ২১শে আগস্ট, বিশ্ব রাগবি ঘোষণা করে যে, পুরুষ এবং নারী বিশ্বকাপের শিরোনাম থেকে লিঙ্গ উপাধি সরিয়ে দেওয়া হবে। তদনুসারে, ভবিষ্যতে পুরুষ এবং নারী সকল বিশ্বকাপ আনুষ্ঠানিকভাবে "রাগবি বিশ্বকাপ" নামে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন নীতিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা প্রথম বিশ্বকাপটি হচ্ছে ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী নারী বিশ্বকাপ। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে "রাগবি বিশ্বকাপ ২০২১" নামে অনুষ্ঠিত হবে।[১]

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

যোগ্যতা[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বকাপ থেকে বাছাই পর্ব চালু করা হয়। সেখানে ষোলটি স্থানের মধ্যে আটটি স্থানের জন্য মোট চব্বিশটি দেশ প্রতিযোগিতা করে।[২] ১৯৮৭ সালের উদ্বোধনী বিশ্বকাপে কোনও বাছাই প্রক্রিয়া ছিল না; পরিবর্তে, ১৬ টি স্থানের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাগবি ফুটবল বোর্ডের (আইআরএফবি, এখন বিশ্ব রাগবি) এর সদস্যদের থেকে উপযুক্ত সাতটি দেশকে সরাসরি এবং বাকী দেশগুলোকে আমন্ত্রণের মাধ্যমে নেওয়া হয়।[৩]

২০০৩ এবং ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের ২০ দলের মধ্যে আগের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা আটটি দল সরাসরি সুযোগ পায়। বাকি বারোটি দলের জন্য মহাদেশ ভিত্তিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।[৪] আমেরিকা থেকে তিনটি দল, এশিয়া থেকে একটি, আফ্রিকা থেকে একটি, ইউরোপ থেকে তিনটি এবং ওশেনিয়া থেকে দুটি দল মোট মিলে ১০টি স্থান লাভ করে।[৪] বাকি দুটি স্থান পুনর্বিবেচনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। আফ্রিকা এবং ইউরোপের বাছাই পর্বের রানার্সআপ দল দুটির মধ্যকার একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী দল আমেরিকার রানার্সআপ দলের সাথে খেলে এবং এভাবে প্রথম পুনর্বিবেচিত স্থান নির্ধারিত হয়।[৫] এশিয়া এবং ওশেনিয়ার বাছাই পর্বের রানার্সআপ দুটি দলের মধ্যে ম্যাচের মাধ্যমে দ্বিতীয় পুনর্বিবেচিত স্থানটি নির্ধারিত হয়।[৫]

বর্তমান পদ্ধতিতে ২০টি স্থানের মধ্যে ১২টি স্থান পূর্ববর্তী বিশ্বকাপের গ্রুপ (পুল) পর্বে তৃতীয় বা তার চেয়ে উপরের স্থানে থাকা দলগুলো লাভ করে (যেখানে সিড পদ্ধতিতে তাদের প্রতিপক্ষ নির্বাচন করা হয়)।[৬][৭] বাকি আটটি স্থান নির্ধারনের জন্য অঞ্চলভিত্তিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ২০ টি স্থানের মধ্যে মোট আটটি স্থান ইউরোপের জন্য, পাঁচটি ওশেনিয়ার জন্য, তিনটি আমেরিকার জন্য, দুটি আফ্রিকার জন্য এবং একটি এশিয়ার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। শেষ স্থানটি একটি আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ এর মাধ্যমে নির্ধারন করা হয়।[৮]

মূল আসর[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের টুর্নামেন্টে ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ব্যাপি বিশটি দেশ প্রতিযোগিতা করে।[৭][৯] এ বিশ্বকাপে দুটি ধাপ ছিল: পুল এবং নকআউট। দেশগুলো চারটি পুলে বিভক্ত ছিল, এ থেকে ডি, প্রতিটি পুলে পাঁচটি দেশ ছিল।[৯][১০] ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসের বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ স্থানীয় দলগুলোকে নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সিডিং পদ্ধতিতে তাদের প্রতিপক্ষ নির্ধারন করা হয়। শীর্ষস্থানীয় চারটি দলকে লটারির মাধ্যমে এ থেকে ডি পুলে রাখা হয়। পরবর্তী চারটি শীর্ষস্থানীয় দলকে পুল এ থেকে ডি তে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় এভাবে এবং পরের চারটি দলকে নির্ধারণ করা হয়। প্রতিটি পুলে অবশিষ্ট স্থানগুলি বাছাইপর্ব থেকে আসা দলগুলো দ্বারা পূরণ করা হয়।[৭][১১]

দেশগুলো গ্রুপ পর্বে পরস্পরের সাথে প্রতিযোগিতা করে, ফলে প্রত্যেক দল চারটি ম্যাচে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।[১০] পুলে খেলার সময় একটি বোনাস পয়েন্ট ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়। যদি দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান থাকে তবে তাদের শীর্ষস্থানীয় দল নির্ধারণের জন্য মানদণ্ডের একটি ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়; ষষ্ঠ এবং চূড়ান্ত মানদণ্ডটি আনুষ্ঠানিক বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয় দল নির্ধারিত করে।[১০]

প্রতিটি পুলের বিজয়ী এবং রানার-আপ নকআউট পর্বে উঠে। নকআউট পর্বে কোয়ার্টার- এবং সেমিফাইনাল এবং তারপরে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিটি পুলের বিজয়ী অন্য পুলের রানার্সআপের বিপক্ষে খেলে। প্রতিটি কোয়ার্টার ফাইনালের বিজয়ী সেমিফাইনালে উঠে এবং সেমিফাইনালের বিজয়ীরা ফাইনালে খেলে। সেমিফাইনালে পরাজিতরা তৃতীয় স্থানের জন্য খেলে, এটি 'ব্রোঞ্জ ফাইনাল' নামে পরিচিত।নকআউট পর্বে কোনও ম্যাচ যদি ড্রয়ে শেষ হয় তবে অতিরিক্ত সময় খেলার মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারিত হয়। এতেও যদি বিজয়ী নির্ধারিত না হয় তবে ম্যাচ সাডেন ডেথে চলে যায় এবং কোন দল কোনও পয়েন্ট অর্জন করলেই বিজয়ী হয়। বিজয়ী নির্ধারণের শেষ অবলম্বন হিসাবে, একটি কিকিং প্রতিযোগিতা ব্যবহৃত হয়।[১০]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

A player holds a ball in front of two opposing groups of eight players. Each group is crouched and working together to push against the other team.
২০১১ বিশ্বকাপে সামোয়া (নীল জার্সি) এবং ওয়েলসের (লাল জার্সি) মধ্যে খেলায় একটি স্ক্রাম

রাগবি বিশ্বকাপ এর পূর্বে পৃথিবীতে প্রকৃতভাবে কোনো বৈশ্বিক রাগবি সংঘ প্রতিযোগিতা ছিল না।, যদিও অন্যান্য অনেক প্রতিযোগিতা ছিল। সবচেয়ে আগে থেকে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক ছয় রাষ্ট্র চ্যাম্পিয়নশীপ। এটি ১৮৮৩ সালে হোম ন্যাশন চ্যাম্পিয়নশীপ নামে ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলস এর মধ্যকার একটি টুর্নামেন্ট হিসেবে শুরু হয়। ১৯১০ সালে ফ্রান্স এই প্রতিযোগিতায় যোগ দিলে এটি একটি পাঁচ রাষ্ট্রের টুর্নামেন্ট এ রূপান্তরিত হয়। ১৯৩১-১৯৩৯ সালে ফ্রান্স অংশগ্রহণ না করায় এটি আবার একটি হোম ন্যাশন চ্যাম্পিয়নশীপে পরিণত হয়। ২০০০ সালে ইতালি ষষ্ঠ দেশ হিসেবে এ টুর্নামেন্টে যোগদান করে।[১২]

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস -এ রাগবি ইউনিয়ন খেলা হতো। এটি প্রথম ১৯০০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস -এ এবং পরবতীতে ১৯০৮, ১৯২০ এবং ১৯২৪ গ্রীষ্মকালীন সালের অলিম্পিক গেমস -এ খেলা হয়। ফ্রান্স প্রথম স্বর্ণ পদক লাভ করে, তার অস্ট্রেলিয়া এবং শেষ দুটি স্বর্ণ পদক যুক্তরাষ্ট্র লাভ করে। ১৯২৪ সালের পর থেকে রাগবি সংঘ অলিম্পিক প্রোগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না।[১৩][১৪][ক]

১৯৫০ এর দশক থেকে অসংখ্য উপলক্ষ্যে রাগবি বিশ্বকাপ এর ধারণা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক রাগবি ফুটবল বোর্ডের অধিকাংশ সংঘ থেকে বিরোধিতা পাচ্ছিল।[১৫] এই ধারণাটি ১৯৮০ এর দশকের প্রথম দিকে পুনরুত্থিত হয়, যখন ১৯৮৩ সালে, অস্ট্রেলিয়ান রাগবি সংঘ (এআরইউ, রাগবি অস্ট্রেলিয়া নামে পরিচিত) এবং ১৯৮৪ সালে, নিউজিল্যান্ড রাগবি সংঘ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য স্বাধীনভাবে প্রস্তাব দেয়।[১৬] ১৯৮৫ সালে একটি আবারো আন্তর্জাতিক রাগবি ফুটবল বোর্ডকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং এটি ১০-৬ ভোটে গৃহীত হয়। অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিরা সকলেই এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় এবং আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড এর প্রতিনিধিরা বিপক্ষে ভোট দেয়। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস এর প্রতিনিধিরা বিভক্ত ছিলেন। দেশ দুুটর প্রতিনিধিদের মধ্যে একজন পক্ষে এবং একজন বিপক্ষে ভোট দেয়।[১৫][১৬]

প্রথম প্রতিযোগিতাটি ১৯৮৭ সালের মে এবং জুন মাসে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড আয়োজন করে, যাতে ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করে।[১৭] ফাইনালে ফ্রান্সকে ২৯-৯ ব্যাবধানে পরাজিত করে নিউজিল্যান্ড প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়।[১৮] এর পরবর্তী বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড আয়োজন করে এবং ব্রিটেন, আয়ারল্যান্ড এবং ফ্রান্স জুড়ে ম্যাচগুলো খেলা হয়। এ বিশ্বকাপেই প্রথম বাছাই প্রতিযোগিতার সূচনা ঘটে। আটটি স্থান ১৯৮৭ সালের কোয়াটার ফাইনাল খেলা দলগুলোর জন্য বরাদ্দ ছিল এবং বাকি আটটি দল একটি ৩৫ রাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া বাছাই পর্বের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্ধারন করা হয়েছিল।[২] এতে অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডকে ১২-৬ এর ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।[১৯]

১৯৯২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা নিউজিল্যান্ডের সাথে তাদের আনুষ্ঠানিক সিরিজের আট বছর পর একটি ওয়ান-অফ টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করে।[খ] দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক রাগবি আপার্টহাইট প্রথা ভেঙ্গে দেওয়ার পর শুধু আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস এর অনুমতি সহকারে আবার শুরু হয়।[২০][২১] টেস্ট রাগবিতে ফিরে আসলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৯৯৫ রাগবি বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।[২২] উদ্ভোদনী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে যেতে থাকে এবং ফাইনালে তারা নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়।[২৩][২৪] অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গড়ানো উত্তেজনাময় ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫-১২ এর ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয়।[২৫] স্প্রিংবোক জার্সি পরিহিত থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি, নেলসন মেন্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফ্রাঙ্কোইস পিয়েনারের হাতে ট্রফি তুলে দেন।[২৬]

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ওয়েলস আয়োজন করে এবং ম্যাচগুলো ওয়েলস, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড এবং ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হয়। এ বিশ্বকাপে রিপ্যাচেজ পদ্ধতি এবং আঞ্চলিক বাছাই স্থান ছিল।[২৭][২৮] এই বিশ্বকাপটি ১৬টির পরিবর্তে ২০টি দলের মধ্যে আয়োজিত হয়।[২৯] এ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে ফ্রান্সকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।[৩০]


২০০৩ সালের বিশ্বকাপ নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার যৌথভাবে আয়োজন করার কথা থাকলেও, এটি শুধু অস্ট্রেলিয়া আয়োজন করে। ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়াকে অতিরিক্ত সময়ে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিজয় ব্যাতিক্রম ছিল, আর তাই এটি সাউদার্ন হেমিস্পেয়ার’স ডোমিনেন্স রেকর্ড ভঙ্গ করে। ইংল্যান্ডের বিজয় উদযাপন ব্যাতিক্রম ছিল। প্রায় ৭৫০০০০ মানুষ দলটিকে শুভেচ্ছা জানাতে মধ্য লন্ডনে একত্রিত হয়, যা এ দিনটিকে যুক্তরাজ্যের এক ধরনের সবচেয়ে বড় খেলা উদযাপনের দিনে পরিণত করে।[৩১]

২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ফ্রান্সে আয়োজিত হয়, আর ম্যাচগুলো ফ্রান্স, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। রক্ষণশীল চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ১৫-৬ এর ব্যবধানে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে জাপান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ভোটে নিউজিল্যান্ডকে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে দেওয়া হয়। এই বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা ফ্রান্সকে ৮-৭ এর সূক্ষ্ম ব্যাধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়ে রাগবি বিশ্বে শীর্ষ স্থান দখল করে নেয়।

২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের আয়োজিত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দী অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে আবারও চ্যাম্পিয়ন হয় এবং এর মাধ্যমে তারা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনটি বিশ্বকাপ বিজয়ী প্রথম দল এবং বিশ্বকাপ সফলভাবে রক্ষা করতে পারা প্রথম দলে পরিণত হয়। এটি নিউজিল্যান্ডের বিদেশের মাটিতেও প্রথম বিশ্বকাপ বিজয় ছিল।

২০১৯ সালে জাপানে আয়োজিত বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিউজিল্যান্ডের সাথে সর্বোচ্চ রাগবি বিশ্বকাপ বিজয়ী হয়। এ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ডকে ৩২-১২ এর ব্যবধানে পরাজিত করে।

ট্রফি[সম্পাদনা]

রাগবি বিশ্বকাপের বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে ওয়েব এলিস কাপ প্রদান করা হয়। উইলিয়াম ওয়েব এলিসের নাম অনুসারে এটির নামকরন করা হয়। ট্রফিটিকে সাধারনভাবে রাগবি বিশ্বকাপ নামেও উল্লেখ করা হয়। ১৯৮৭ সালে ট্রফিটিকে প্রতিযোগিতায় ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত কাপ হিসেবে নির্বাচন করা হয় এবং এটি ১৯০৬ সালে গ্যারার্ডের ক্রাউন জুয়েলার্স তৈরি করেছিল।[৩২][৩৩] প্রত্যেক খেলার পর রাজকীয় অনুমোদন প্রাপ্ত থমাস লিয়েট ট্রফিটিকে পুনরুদ্ধার করেন। [৩৪][৩৫] 'আন্তর্জাতিক রাগবি ফুটবল বোর্ড' এবং 'দ্য ওয়েব এলিস কাপ' লেখা ট্রফিটির উপর খোদাই করা থাকে। এটা তোলে আটত্রিশ সেন্টিমিটার উঁচু। এতে সোনার উপর রুপার আবরন থাকে। ঢালাই করা দুটি হ্যান্ডেল থাকে,যার একটি মাথা দিয়ে সাতার এর এবং অন্যটি নিমফ এর মাথার প্রতিকৃতি।[৩৬] অস্ট্রেলিয়ায় ট্রফিটি কথাবার্তায় "বিল" নামে পরিচিত - উইলিয়াম ওয়েব ইলিসের একটি উল্লেখ।

আয়োজক নির্বাচন[সম্পাদনা]

বিশ্ব রাগবি এর অন্তর্ভূক্ত রাগবি বিশ্বকাপ লিমিটেড (আরডাব্লিউসিএল) বিশ্বকাপ সংগঠিত করে। বিশ্ব রাগবি কাউন্সিল এর সদস্যগণ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে আয়োজক নির্বাচন করে।[৩৭][৩৮] একদল স্বাধীন নিরীক্ষক নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলো পরিচালনা করেন এবং নির্বাচনের ভোটগুলো গোপন রাখা হয়। বর্তমানে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পাঁচ অথবা ছয় বছর পূর্বে সেটির আয়োজক নির্ধারন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ: ২০০৫ সালে শেষের দিকেই নিউজিল্যান্ডকে ২০১১ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

রাগবি বিশ্বকাপ একাধিক দেশ দ্বারাও আয়োজিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ: ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে আয়োজন করে। বিশ্ব রাগবি অনুসারে, আয়োজক হতে গেলে কোনো দেশের অবশ্যই বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজনের জন্য ৬০,০০০ দর্শককে স্থান দেওয়ার মতো অন্তত একটি ভেন্যু থাকতে হবে।[৩৯] আয়োজক দেশ অনেক সময় বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিস্বরূপ জন্য স্টেডিয়াম তৈরি বা বিদ্যমান স্টেডিয়ামের মান্নোয়ন করে, যেমন: মিলেনিয়াম স্টেডিয়াম ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য তৈরি করা হয় এবং এবং ২০১১ সালের বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ইডেন পার্ক স্টেডিয়ামের মান্নোয়ন করা হয়।[৩৯][৪০] সানজার বা ছয়টি রাগবি খেলা দেশ বহির্ভূত জাপান প্রথম দেশ হিসেবে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফ্রান্স আয়োজন করবে।

বিশ্বকাপের ক্রমবিকাশ[সম্পাদনা]

গণমাধ্যমে সম্প্রচার[সম্পাদনা]

রাগবি বিশ্বকাপের সংগঠক এবং গ্লোবাল স্পোর্টস ইম্পেক্ট এর মতে, রাগবি বিশ্বকাপ ফিফা বিশ্বকাপ এবং অলিম্পিক এর পরে রাগবি বিশ্বকাপ খেলার বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম ইভেন্ট,[৪১][৪২] তবে অন্যান্য সূত্রগুলো এটি সঠিক কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।[৪৩]

বিশ্ব রাগবি এবং তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের প্রতিবেদন প্রায়ই গণমাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রচার বাড়িয়ে দেয়। ১৯৮৭ সালে, ৩০০ মিলিয়ন এর চেয়ে বেশি মানুষ বিশ্বজুড়ে টেলিভশনে প্রথম বিশ্বকাপটি দেখেন। যে সংখ্যা পরবতীতে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৯১, ১৯৯৫, ১৯৯৯, ২০০৩ ও ২০০৭ সালে যথাক্রমে ১.৭৫ বিলিয়ন, ২.৬৭ বিলিয়ন, ৩ বিলিয়ন, ৩.৫ বিলিয়ন এবং ৪ বিলিয়ন হয়ে যায়।[৪৪][৪৫][৪৬] ৪ মিলিয়ন সংখ্যাটি অধিকাংশের কাছে গৃহীত হয়নি, যেহেতু তখন টেলিভিশনের দর্শক সংখ্যাই ছিল ৪.২ বিলিয়ন।[৪৭]

স্বাধীন পর্যালোচনাগুলো এই অসঙ্গতিগুলো উল্লেখ করে এবং এই গণনার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে।[৪৮] যে দেশগুলোতে রাগবির সমর্থক বেশি সেগুলাে বহির্ভূত বিশ্বকাপের নতুন বিবেচিত শক্তিগুলো বিশ্বকাপের গুরুত্ব হ্রাস করে দেয়। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটিশ দীপপুঞ্জ থেকে গড় দর্শকের ৯৭ শতাংশ মানুষ ২০০৭ সালের বিশ্বকাপটির ফাইনাল দেখেন।[৪৯] বছরের পর বছর ধরে অন্যান্য খেলা তাদের টেলিভিশনে প্রচারকে অতিরঞ্জিত করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ রকম কোনো অভিযোগ রাগবি বিশ্বকাপের উপর করা হয়নি।

রাগবি বিশ্বকাপের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা একটি বির্তকের বিষয় হয়ে থাকলেও, ঐতিহ্যগতভাবে যে দেশগুলোতে রাগবি প্রচলিত আছে, সে দেশগুলোতে এই বিশ্বকাপের প্রতি মানুষের আগ্রহ দৃঢ় বলে প্রমাণিত। ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল অস্ট্রেলিয় টেলিভিশনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা রাগবি ইউনিয়ন ম্যাচ।[৫০]

দর্শক উপস্থিতি[সম্পাদনা]

দর্শক উপস্থিতির তালিকা[৫১]
বছর আয়োজক মোট উপস্থিতি ম্যাচ সংখ্যা গড় উপস্থিতি গড় উপস্থিতির পরিবর্তন (%) স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ধারণ ক্ষমতারা সাপেক্ষে উপস্থিতি (%)
১৯৮৭ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া
নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড
৬০৪, ৫০০ ৩২ ২০, ১৫৮ ১,০০৬,৩৫০ ৬০%
১৯৯১ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড
ফ্রান্স ফ্রান্স
আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড
স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড
ওয়েলস ওয়েলস
১,০০৭,৭৬০ ৩২ ৩১,৪৯৩ +৫৬% ১,২১২,৮০০ ৭৯%
১৯৯৫ দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১০০,০০০ ৩২ ৩৪,৩৭৫ +৯% ১৪,২৩,৮৫০ ৭৭%
১৯৯৯ ওয়েলস ওয়েলস ১,৭৫০,০০০ ৪১ ৪২,৬৮৩ +২৪% ২,১০৪,৫০০ ৮৩%
২০০৩ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১,৮৩৭,৫৪৭ ৪৮ ৩৮,২৮২ –১০% ২,২০৮,৫২৯ ৮৩%
২০০৭ ফ্রান্স ফ্রান্স ২,২৬৩,২২৩ ৪৮ ৪৭,১৫০ +২৩% ২,৪৭০,৬৬০ ৯২%
২০১১ নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১,৪৭৭,২৯৪ ৪৮ ৩০,৭৭৭ –৩৫% ১,৭৩২,০০০ ৮৫%
২০১৫ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ২,৪৭৭,৮০৫ ৪৮ ৫১,৬২১ +৬৮% ২,৬০০,৭৪১ ৯৫%
২০১৯ জাপান জাপান ১,৬৯৮,৫২৮ ৪৫† ৩৭,৭৪৫ –২৭% ১,৮১১,৮৬৬ ৯০%
২০২৩ ফ্রান্স ফ্রান্স নির্ধারন করা হবে ৪৮ নির্ধারন করা হবে

টাইফুন হেডিগিস এর কারণে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, এ বছর রাগবি বিশ্বকাপে ৪৮টি নির্ধারিত ম্যাচের মধ্যে ৪৫টি অনুষ্ঠিত হয়।

আয়[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপে অর্জিত আয়[৫১]
Source ১৯৮৭ ১৯৯১ ১৯৯৫ ১৯৯৯ ২০০৩ ২০০৭ ২০১১ ২০১৫ ২০১৯
গেট রিসিপ্ট (M £) -- -- ১৫ ৫৫ ৮১ ১৪৭ ১৩১ ২৫০ --
সম্প্রচার (M £) -- -- ১৯ ৪৪ ৬০ ৮২ ৯৩ ১৫৫ --
বিজ্ঞাপন (M £) -- -- ১৮ ১৬ ২৮ ২৯ -- --

টীকা: আয়োজক সংঘ গেট রিসিপ্ট এর আয় নিজের আয় নিজেদের কাছে রেখে দেয়। রাগবি বিশ্বকাপ লিমিটেড এর মাধ্যমে সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন এবং প্রতিযোগিতা ফি থেকে হওয়া আয় বিশ্ব রাগবি গ্রহণ করে।[৫১]

ফলাফল[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপের আসর[সম্পাদনা]

বছর আয়োজক ফাইনাল ব্রোঞ্জ ফাইনাল দলের সংখ্যা
বিজয়ী পয়েন্ট রানার-আপ ৩য় স্থান পয়েন্ট চতুর্থ স্থান
১৯৮৭ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া
নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২৯-২ ফ্রান্স ফ্রান্স ওয়েলস ওয়েলস ২২-২১ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৬
১৯৯১ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড
ফ্রান্স ফ্রান্স
আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড
স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড
ওয়েলস ওয়েলস
অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১২-৬ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৩–৬ স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১৬
১৯৯৫ দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫-১২
(অতিরিক্ত সময়)
নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ফ্রান্স ফ্রান্স ১৯–১ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৬
১৯৯৯ ওয়েলস ওয়েলস অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ৩৫-১২ ফ্রান্স ফ্রান্স দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ২২-১৮ নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২০
২০০৩ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ২০-১৭
(অতিরিক্ত সময়)
অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ৪০–১৩ ফ্রান্স ফ্রান্স ২০
২০০৭ ফ্রান্স ফ্রান্স দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫-৬ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা ৩৪-১০ ফ্রান্স ফ্রান্স ২০
২০১১ নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ৮-৭ ফ্রান্স ফ্রান্স অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ২১-১৮ ওয়েলস ওয়েলস ২০
২০১৫ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ৩৪–১৭ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিাক ২৪-১৩ আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা ২০
২০১৯ জাপান জাপান দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিাক ৩২-১২ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ৪০-১৭ ওয়েলস ওয়েলস ২০
২০২৩ ফ্রান্স ফ্রান্স নির্ধারন করা হবে নির্ধারন করা হবে ২০

বিভিন্ন দেশের কৃতি[সম্পাদনা]

রাগবি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মোট ২৫টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে (বাছাই প্রতিযোগিতাগুলো বাদে)। আয়োজক দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছে শুধুমাত্র নিউজিল্যান্ড (১৯৮৭ এবং ২০১৫) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (১৯৯৫)। অন্য আয়োজক দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া রানারস-আপ, ফ্রান্স চতুর্থ, ওয়েলস এবং জাপান কোয়াটার ফাইনাল পর্যন্ত পৌছে। ওয়েলস প্রথম আয়োজক দেশ হিসেবে ১৯৯১ সালে গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে যায়। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে শুধুমাত্র ইংল্যান্ড গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে যায়। অন্তত একবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা দেশগুলোর মধ্যে ১১টি দেশ প্রত্যেক বিশ্বকাপ খেলেছে।[গ]

দলের রেকর্ড[সম্পাদনা]

দল চ্যাম্পিয়ন রানারস-আপ তৃতীয় চতুর্থ কোয়াটার ফাইনাল সেরা আটের মধ্যে উপস্থিতি
 নিউজিল্যান্ড (১৯৮৭, ২০১১, ২০১৫) (১৯৯৫) (১৯৯১, ২০০৩, ২০১৯) (১৯৯৯) (২০০৭)
 দক্ষিণ আফ্রিকা (১৯৯৫, ২০০৭, ২০১৯) (১৯৯৯, ২০১৫) (২০০৩, ২০১১)
 অস্ট্রেলিয়া (১৯৯১, ১৯৯৯) (২০০৩, ২০১৫) (২০১১) (১৯৮৭) (১৯৯৫, ২০০৭, ২০১৯)
 ইংল্যান্ড (২০০৩) (১৯৯১, ২০০৭, ২০১৯) (১৯৯৫) (১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০১১) 8
 ফ্রান্স (১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০১১) (১৯৯৫) (২০০৩, ২০০৭) (১৯৯১, ২০১৯, ২০১৯)
 ওয়েলস (১৯৮৭) (২০১১, ২০১৯) (১৯৯৯, ২০০৩, ২০১৫)
 আর্জেন্টিনা (২০০৭) (২০১৫) (১৯৯৯, ২০১১)
 স্কটল্যান্ড (১৯৯১) (১৯৮৭, ১৯৯৫, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫)
 আয়ারল্যান্ড (১৯৮৭, ১৯৯১, ১৯৯৫, ২০০৩, ২০১১, ২০১৫, ২০১৯)
 ফিজি (১৯৮৭, ২০০৭)
 সামোয়া (১৯৯১, ১৯৯৫)
 কানাডা (১৯৯১)
 জাপান (২০১৯)

আপার্টহাইট এর সময়ে, দক্ষিণ আফ্রিকাকে ক্রিয়ায় বর্জন করার কারণে সে সময়ে তাদের বাদ দেওয়া হয়।

রেকর্ড এবং পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

A middle-aged man wearing a suit and tie holding the Scottish flag.
স্কটল্যান্ডের গ্যাভিন হেসটিংস এক বিশ্বকাপে আটটি প্যানাল্টির রেকর্ড করা চার খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন

ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়,জরি উইলকিনসন সমগ্রভাবে সবচেয়ে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়াার রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিনি তার খেলা সকল বিশ্বকাপ মিলিয়ে মোট ২৭৭ পয়েন্ট পেয়েছেন।[৫২] এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড ধরে রেখেছেন গ্রান্ট ফক্স। ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে মোট ১২৬ পয়েন্ট পান।[৫২] ইংল্যান্ডের জেসন লিওনার্ড অধিকাংশ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপগুলো মিলিয়ে মোট ২২ পয়েন্ট পান।[৫২] নিউজিল্যান্ডের সিমোন কুলহান এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড এবং সবচেয়ে বেশি কনভার্সনের রেকর্ড ধরে রেখেছেন, যা হচ্ছে যথাক্রমে ৪৫ পয়েন্ট এবং ২০ কনভার্সন।.[৫৩] নিউজিল্যান্ডের মার্ক এলিস এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি চেষ্টার রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিনি ১৯৯৫ সালে জাপানের বিপক্ষে একটি ম্যাচে ছয়টি চেষ্টার মাধ্যমে এই রেকর্ড করেন।[৫৪]

বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড়, নিউজিল্যান্ডের জোনা লোমু। তিনি ২০ বছর ৪৩ দিন বয়সী থাকাকালীন ১৯৯৫ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেন।[৫৫] লোমু (দুটি বিশ্বকাপ খেলে) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়, ব্রাইয়েন হাবানা (তিনটি বিশ্বকাপ খেলে) সকল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ চেষ্টার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। তাদের বিশ্বকাপে মোট চেষ্টা ছিল ১৫টি।[৫৪] লোমু (১৯৯৯ সালে), হাবানা (২০০৭ সালে) এবং নিউজিল্যান্ডের হুলিয়ান সেভেয়া (২০১৫ সালে) প্রত্যেকে এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ চেষ্টার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। তারা প্রত্যেকেই এক বিশ্বকাপে আটটি করে চেষ্টা করেন।[৫৪] ১৯৯৯ সালে, দক্ষিণ আফ্রিকার জেনি দ্য বিয়ার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫টি ড্রোপ গোলে লাথি মেরে বিশ্বকাপের সেই আসরের জন্য একটি নিজস্ব রেকর্ড করেন।[৫৫] এক ম্যাচে সর্বোচ্চ প্যানাল্টির রেকর্ড আটটি, যা ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাট বার্ক, আর্জেন্টিনার গোনজালো কেসাডা, স্কটল্যান্ডের গ্যাভিন হেসটিংস এবং ফ্রান্সের থিয়েরি ল্যাক্রোইস।[৫৩] এছাড়াও, কেসাডা এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি প্যানাল্টির রেকর্ড ধরে রেখেছেন, যা ছিল ৩১।

১৯৯৫ সালে, জাপানের বিপক্ষে ১৪৫ পয়েন্ট অর্জন করে নিউজিল্যান্ড এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড ধরে রেখেছে। ২০০৩ সালে, একটি ম্যাচে নামিবিয়াকে ১৪৫ পয়েন্টের ব্যাবধানে হারিয়ে সর্বোচ্চ বীজয় ব্যবধানের রেকর্ড ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।[৫৬]

বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ জন খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে (লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে।)। ১৯৮৭ সালে, ওয়েলস এর খেলোযাড় হুউ রিচার্ড নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সময় প্রথম লাল কার্ড পান। কোনো খেলোয়াড় একাধিক বার লাল কার্ড পাননি।[৫৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

মুদ্রিত উত্স[সম্পাদনা]

  • Collins, Tony (২০০৮)। "'The First Principle of Our Game': The rise and fall of amateurism: 1886–1995"। Ryan, Greg। The Changing Face of Rugby: The Union Game and Professionalism since 1995। Cambridge Scholars Publishing। আইএসবিএন 978-1-84718-530-3 
  • Davies, Gerald (2004). The History of the Rugby World Cup Sanctuary Publishing Ltd. আইএসবিএন ১-৮৬০৭৪-৬০২-০.
  • Farr-Jones, Nick, (2003). Story of the Rugby World Cup, Australian Post Corporation. আইএসবিএন ০-৬৪২-৩৬৮১১-২.
  • Harding, Grant; Williams, David (২০০০)। The Toughest of Them All: New Zealand and South Africa: The Struggle for Rugby SupremacyAuckland, New Zealand: Penguin Books। আইএসবিএন 978-0-14-029577-1 
  • Martin, Gerard John (২০০৫)। The Game is not the Same – a History of Professional Rugby in New Zealand (গবেষণাপত্র)। Auckland University of Technology। 
  • Peatey, Lance (২০১১)। In Pursuit of Bill: A Complete History of the Rugby World Cup। New Holland Publishers। আইএসবিএন 978-1-74257-191-1 
  • Phillpots, Kyle (২০০০)। The Professionalisation of Rugby Union (গবেষণাপত্র)। University of Warwick। 
  • Williams, Peter (২০০২)। "Battle Lines on Three Fronts: The RFU and the Lost War Against Professionalism"। The International Journal of the History of Sport19 (4): 114–136। ডিওআই:10.1080/714001793 

টীকা[সম্পাদনা]

  1. However an exhibition tournament did take place at the 1936 Games. Rugby was reintroduced to the Olympics in 2016, but as men's and women's rugby sevens (i.e., seven-a-side rugby).[১৩]
  2. Against England in 1984[২০]
  3. Argentina, Australia, England, France, Ireland, Italy, Japan, New Zealand, Scotland, Wales and Canada are the nations that have never missed a tournament, playing in all nine thus far. South Africa has played in all seven in the post-apartheid era (as of 2019).

উদ্ধৃতিসমূহ[সম্পাদনা]

  1. "World Rugby announces gender neutral naming for Rugby World Cup tournaments" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। World Rugby। ২১ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৯ 
  2. Peatey (2011) p. 59.
  3. Peatey (2011) p. 34.
  4. "Doin' it the Hard Way"। Rugby News38। ২০০৭। পৃষ্ঠা 26। 
  5. "Doin' it the Hard Way"। Rugby News38 (9)। ২০০৭। পৃষ্ঠা 27। 
  6. "Rankings to determine RWC pools"BBC News। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  7. "AB boost as World Cup seedings confirmed"stuff.co.nz। NZPA। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  8. "Caribbean kick off for RWC 2011 qualifying"। irb.com। ৩ এপ্রিল ২০০৮। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  9. "Fixtures"World Rugby। ১৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  10. "Tournament Rules"World Rugby। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  11. "2015 Rugby World Cup seedings take shape"TVNZAustralian Associated Press। ২০ নভেম্বর ২০১২। ২০১২-১১-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  12. "A brief history of the Six Nations rugby tournament"। 6 Nations Rugby। ৮ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০০৭ 
  13. "History of Rugby in the Olympics"World Rugby। ৯ নভেম্বর ২০১৪। ২৭ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  14. Richards, Huw (২৬ জুলাই ২০১২)। "Rugby and the Olympics"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১২ 
  15. "The History of RWC"। worldcupweb.com। ১৪ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০০৬ 
  16. Collins (2008), p. 13.
  17. Peatey (2011) p. 31.
  18. Peatey (2011) p. 42.
  19. Peatey (2011) p. 77.
  20. Harding (2000), p. 137
  21. Peatey (2011) p. 78.
  22. Peatey (2011) p. 82.
  23. Peatey (2011) p. 87.
  24. Harding (2000), pp. 159–160
  25. Peatey (2011) p. 99.
  26. Harding (2000), p. 168
  27. "Rugby World Cup history: The Wizards from Oz in 1999"। Sky Sports। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  28. "1999 World Cup Qualifiers"। CNN Sports Illustrated। ৩ মে ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  29. Madden, Patrick (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "RWC #15: Ireland suffer play-off misery against Argentina"The Irish Times। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  30. Kitson, Robert (৮ নভেম্বর ১৯৯৯)। "Wallaby siege mentality secures Holy Grail"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  31. "England honours World Cup stars"bbc.co.uk। ২০০৩-১২-০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৫-০৩ 
  32. "Second World Cup exists, Snedden confirms"New Zealand Herald। ১৮ আগস্ট ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  33. Quinn, Keith (৩০ আগস্ট ২০১১)। "Keith Quinn: Back-history of RWC – part three"TVNZ। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  34. "Friday Boss: Kevin Baker of silversmiths Thomas Lyte"BBC News 
  35. "Thomas Lyte"royalwarrant.org 
  36. "The History of the Webb Ellis Cup"। Sky Sport New Zealand। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  37. "Official Website of the Rugby World Cup"rugbyworldcup.com। ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০০৭ 
  38. "England awarded 2015 Rugby World Cup"ABC News Australia। AFP। ২৯ জুলাই ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  39. "New Zealand came close to losing Rugby World Cup 2011"Rugby Week। ১২ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  40. "Millennium Stadium, Cardiff"Virtual Tourist। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ 
  41. "Rugby World Cup 2015 Official Hospitality"। RWC Ltd। ২০১৪-১২-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১২-০৪ 
  42. "Olympics and World Cup are the biggest, but what comes next?"BBC Sport। ২০১৪-১২-০৪। 
  43. "Rugby World Cup: Logic debunks outrageous numbers game"The New Zealand Herald (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১১-১০-২৩। আইএসএসএন 1170-0777। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৪-০৩ 
  44. "Rugby World Cup 2003"sevencorporate.com.au। ১৫ এপ্রিল ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৪-২৫ 
  45. "Visa International Renews Rugby World Cup Partnership"corporate.visa.com। ২০০৬-০৪-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৪-২৫ 
  46. "Potential Impact of the Rugby World Cup on a Host Nation" (PDF)। Deloitte & Touche। ২০০৮। পৃষ্ঠা 5। ১৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৪ 
  47. "Digital Divide: Global Household Penetration Rates for Technology"। VRWorld। ২০১১-০১-২৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৯-০১ 
  48. Nippert, Matt (২০১০-০৫-০২)। "Filling the Cup – cost $500m and climbing"The New Zealand Herald। APN New Zealand। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১২-০২ 
  49. Burgess, Michael (২০১১-১০-২৩)। "Logic debunks outrageous numbers game"The New Zealand Herald। APN New Zealand। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১২-০২ 
  50. Derriman, Phillip (২০০৬-০৭-০১)। "Rivals must assess impact of Cup fever"The Sydney Morning Herald। Fairfax। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৭-০১ 
  51. International Rugby Board Year in Review 2012। International Rugby Board। পৃষ্ঠা 62। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  52. Peatey (2011) p. 243.
  53. "All Time RWC Statistics"International Rugby Board। ২ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৪ 
  54. Peatey (2011) p. 244.
  55. Peatey (2011) p. 245.
  56. Peatey (2011) p. 242.

বহিঃ সংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:রাগবি ইউনিয়ন বিশ্বকাপ টেমপ্লেট:রাগবি বিশ্বকাপ বিজয়ী টেমপ্লেট:আন্তর্জাতিক রাগবি ইউনিয়ন